নিজে নিজে ভিসা আবেদন করতে ভিজিট করুন www.visa24bd.com
আলবেনিয়া জব ভিসার কাজ চলছে। যোগাযোগ করুন 01772369451

Newsletter

আলবেনিয়া,রোমানিয়া,তুরস্ক,ক্রোয়েশিয়া জব ভিসার কাজ চলছে। দুই মাসে ভিসা বেতন ৫০-৮০ হাজার টাকা। সাইপ্রাস স্টুডেন্ট ভিসা, কানাডা স্কুলিং ভিসা। যোগাযোগ করুন 01772369451

Tuesday, July 28, 2020

শুরু হলো মাল্টার জব ভিসা

মাল্টা বেশ ছোট একটা দেশ অথচ তার কতো নাম । আপনি শুনলে আশ্চর্য হবেন যে মাল্টা আমাদের ঢাকা শহর থেকে কিছুটা বড়ো একটি দেশ । আয়তন ৩১৬ বর্গ কিলোমিটার মাত্র । অথচ এই দেশে যাবার জন্য হন্যে হয়ে থাকে শত শত মানুষ । কেন? কারন হলো এই দ্বীপরাষ্ট ইউরোপে অবস্থিত এবং ইটালীর পাশের একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই ইটালী ঢুকতে পারবেন আপনি । এই দেশে বহু লোক চাকরির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের পর আবারও খুলতে যাচ্ছে মাল্টার ভিসা। অগাস্টের ৩ তারিখের পর আবার খুলে যাচ্ছে এই দেশের জব ভিসা। তাদের মন্ত্রীসভায় বিষয়টি পাশ হয়ে গেছে। এর আগে সিদ্ধান্ত ছিল যে তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে ননস্কিলড ওয়ার্কার সেদেশে যেতে পারবেনা। বর্তমানে এই ব্যানটি উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। তাই ঈদের পর থেকে আবারও শুরু হবে মাল্টার কাজ। যারা মাল্টায় যেতে ইচ্ছুক তারা আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাকে বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চলের সবচেয়ে যোগ্য ভিসা এজেন্ট পেতে সহায়তা দেবো কোন লাভ ছাড়াই। তবে আমাদের প্রাথমিক শর্ত হলো আপনাকে আমাদের মেম্বার হতে হবে। মেম্বার হলে আপনার ভিসা প্রসেসিং এ আমরা যাবতীয় সহায়তা দেব। কিভাবে মেম্বার হবেন এ সম্পর্কে উপরে লেখা দেখতে পাবেন। মাল্টার যাবতীয় তথ্য ফেসবুক পেজে দেয়া হবে। আমাদের ফেসবুক পেজের ঠিকানা https://www.facebook.com/visamarketplace/

ভিসা ক্লাব ও এর উপকারীতা

‘টাকা দেন দুবাই যামু।’ আশির দশকে খুব ফেবারিট একটা কোটেশন ছিল বাংলাদেশ টিভির। মানুষের মুখে মুখে চলত এই উক্তিটা। একটা নাটকের সংলাপ ছিল এই বাক্যটা। নাটকের শেষে দেখা গেল দুবাই যাবার জন্য টাকা জোগাড় করা হয় অনেক কষ্টে। টাকা দেয়াও হয় দালালের হাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা মেরে দেয় দালাল, আর শম্ভুর দুবাই যাওয়া হয়না। এটা কেবল বিটিভির নাটকের একটি দৃশ্য নয়, সমগ্র বাংলাদেশের দৃশ্য। আপনি বিদেশ যাবেন। দালাল দরকার। দালাল ছাড়া আপনাদের পেটের ভাত হজম হবেনা। বিশ্বাস করে সব টাকা তুলে দেবেন তার হাতে, আর সে সব টাকা মেরে পালিয়ে যাবে। আপনার সব রাগ গিয়ে পড়বে এজেন্টদের ওপর। এজেন্টরা খারাপ, এজেন্টরা টাকা মারে, ওমুক তমুক। আসলে ব্যপারটা উল্টো। 
সে যাই হোক, প্রার্থীর একটা সমস্যা হলো যে তারা দালালকে যেমন বিশ্বাস করে তেমন এজেন্টকে করেনা। তবে সব এজেন্ট সম্পর্কে যে আমরা ঢালাওভাবে এই কথা বলবো তাও নয়। সব এজেন্টকেও আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না। সবাই ভেরিফায়েড নয়। VISAS4U আপনাদের এই সমস্যার সমাধানের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। কাকে বিশ্বাস করবেন? কাউকে বিশ্বাস করার দরকার নেই।আমরা কাউকে বিশ্বাস করাবার জন্যও সৃষ্টি হয়নি। আপনি বিশ্বাস করবেন যুক্তিকে। এক লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে জুস বিক্রী করছে। আর এক লোক দোকানে জুস বিক্রী করছে। আপনি কার কাছ থেকে জুস কিনবেন? নিশ্চয়ই দোকান থেকে। কারন যে লোকটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে জুস বিক্রী করছে সে কাল নাও থাকতে পারে কিন্তু যে লোকটা দোকান নিয়ে বসেছে তাকে কাল দোকান খুলতেই হবে। জুসে যদি ভ্যাঁজাল থাকে তবে তাকে আপনি ধরতে পারবেন কিন্তু রাস্তার হকারকে আপনি পাবেন না। যে লোকটা দীর্ঘদিন ধরে দোকান নিয়ে বসে শুধু জুস বিক্রী করে যাচ্ছে বছরের পর বছর আপনি তাকে বিশ্বাস না করলেও VISAS4U করে। আমরা সেই সমস্ত ডেডিকেটেড ভেরিফায়েড এজেন্টদের খুঁজে বের করেছি যারা দীর্ঘদিন ধরে সাফল্যের সাথে ভিসার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তাদেরকে চার্টবদ্ধ করেছি  ভেরিফায়েড এজেন্ট নামে এবং তাদের কাজের ব্যপারে একেবারে নিশ্চিত। আপনি তাদের মাধ্যমে যদি ভিসা করাতে চান তবে আমাদের সাহায্য নিতেই হবে। আর আপনি যদি আমাদের ভিসা ক্লাবের পেইড মেম্বার না হয়ে থাকেন তবে আমাদের মাধ্যমে এই সেবা পাবেন না। আমাদের এই সেবা নিতে গেলে আপনাকে আমাদের ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হবে। ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হলে আপনাকে ভিসা ক্লাবের ফর্ম ফিল আপ করে ক্লাব ফি পাঠাতে হবে (১০০০/৮০০ টাকা)। আমরা মনে করি দালালের বা নড়বড়ে এজেন্ট এর হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিয়ে ধরা খাওয়ার চেয়ে ১০০০ বা ৮০০ টাকা দিয়ে আমাদের সদস্য হলে তারচেয়ে অনেক বেশী সেবা পাবেন। কারন আপনি যদি সরাসরি কোন এজেন্টের কাছে যান তবে আপনার আর এজেন্টের মাঝে কেউ থাকছেনা অভিযোগ করার মত বা জানানোর মতো। ধরুন একজন এজেন্ট একবার এক রকম কথা বললো আবার তার কথা পরিবর্তন করলো। আপনি তখন কার মাধ্যমে সেটা মীমাংসা করবেন? ধরুন আপনি থাকেন সিলেটে বা রংপুরে। ঢাকায় এসে আপনি ভিসা প্রসেসিং করবেন কিন্তু সাহস পাচ্ছেন না। কাকে বিশ্বাস করবেন? আমাদের সদস্য হয়ে থাকলে আমরাই আপনার সাথে একজন ভেরিফায়েড এজেন্টর সাক্ষাত করিয়ে দেব। আপনার ও এজেন্টের মাঝে অবস্থান করে আমরা দু’জনের কথা ও বক্তব্য অনুসরন করবো ও রেকর্ড করবো।ভিসা হওয়া না হওয়া এ্যামবাসির বা হাইকমিশনের ব্যপার যাকে আপনি ভাগ্য বলে মনে করেন। একজন রিফিউজ হতেই পারে। তাই বলে সাধারনের বেলায় যা ঘটে তা আপনার বেলায় ঘটবে না। কেউ আপনার সাথে প্রতারনা করবে না। দুই রকমের কথা বলবে না। সঠিক সময়ের মাঝে কাজ পাবেন সঠিকভাবে। ভিসা হবার পর VISAS4U আপনার কাছ থেকে কোন টাকা একস্ট্রা চার্জ করবে না। মনে রাখবেন VISAS4U দালাল নয়। এজেন্টের দেয়া টাকার অংক বাড়িয়ে নিজে লাভ করবেনা। VISAS4U  এখনও একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আপনার ভিসা হবার পর আমরা কিছুটা কমিশন গ্রহন করি এজেন্টের নিকট থেকে তাও সার্বিক দৃষ্টিকোন থেকে অতি অল্প পরিমানে যেন আমাদের অফিশিয়াল কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়। ভিসা ক্লাবের সদস্য হবার ফর্মটি সঠিকভাবে পুরন করুন ও ১০০০/৮০০ টাকা বিকাশ করুন নির্দিষ্ট নাম্বারে এবং ট্রানজেকশন আইডিটি বসান তারপর সদস্য হোন বাটন চাপুন। সাথে সাথে আপনি মেম্বার হয়ে যাবেন। আমাদের কোন নাম্বারে কল দিয়ে বলারও দরকার নেই। মেম্বার হবার পর আপনার কাছে একটি কনফারমেশন মেইল যাবে সাথে থাকবে একটি মেম্বারশিপ কার্ড। এরপর আপনি আমাদের মুল সাইটে যান এবং সাইন আপ করে আপনার রিজিউমটি আপলোড করুন। রিজিউম আপ করার পর মূল সাইট থেকে যে কোন ভিসায় ক্লিক  করে আবেদন করুন। আবেদন করার পর আমাদের একজন অফিসার আপনার সাথে যোগযোগ করবেন। এরপরই ভিসার কাজ শুরু করতে পারবেন আপনি। 
তবে খেয়াল রাখবেনঃ কেবলমাত্র যাদের বিদেশ যাওয়া একান্ত জরুরী এবং খুব শীগ্রি যারা বিদেশ যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারাই কেবলমাত্র ভিসা ক্লাবের সদস্য হোন। হোক সেটা জব ভিসা, হোক ভিজিট ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা। বিদেশ যাওয়া যাদের একান্ত প্রয়োজন তারাই ভিসা ক্লাবের সদস্য হোন। অন্যথায় ভিসা ক্লাবের সদস্য হবার কোন প্রয়োজন নেই।

Sunday, July 19, 2020

ক্রোয়েশিয়ায় যান সময় থাকতে

ক্রোয়েশিয়া কত দ্রুত উন্নত হয়েছে সেটা আসলে ফুটবলই প্রমান করে দেয়। দুই যুগ আগে বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়া একই মানের দল ছিল। ১৯৯৩ সালে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ক্রোয়েশিয়ার অবস্থান ছিল ১১৬, বাংলাদেশের ছিল ১১৯। ব্যবধান ছিল মাত্র ৪। ২৫ বছর বছরের ব্যবধানে ক্রোয়াটরা বিশ্বকাপের ফাইনালে। সেখানে বিশ্বকাপ তো দূরের কথা, এশীয় পর্যায়েও বেঙ্গল টাইগারদের দাপট নেই। শুধু ফুটবল কেন, স্বাধীন ক্রোয়েশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো তুদজম্যান। তিনি দুর্নীতি করে দেশকে প্রায় শেষ করে ফেলেছিলেন। এরপর থেকেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয়েছে ক্রোয়েশিয়াকে। এভাবে প্রায় দশ বছর তারা পিছনে পড়েছিল। কিন্তু আজ দেখুন দেশটি কতো উপরে উঠে গেছে। আজ প্রায় উন্নতির চরম পর্যায়ে তারা চলে গেছে। 
এমন একটা দেশেই আপনি উন্নতি করবেন এটাই স্বাভাবিক। যাদের রয়েছে তীব্র দেশপ্রেম, কর্মনিষ্ঠা ও সততা তারা তো স্বাভাবিকভাবে উঠে যাবেই উপরে এটা জোর দিয়ে বলার কিছুও নেই। দেখে নেই বর্তমানে আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টরা কিভাবে করছেন আপনার ভিসা।
ক্রোয়েশিয়াতে হোটেল, ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো চাকরি রয়েছে যেগুলোতে আপনি আপনার যোগ্যতা প্রমান করতে পারেন। আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা শূন্যের পর্যায়ে থাকে তারপরও সেখানে আবেদন করতে সমস্যা নেই। খুব দ্রুত আপনার জব অফার ও ওয়ার্ক পারমিট চলে আসবে। কাগজপত্র সব গুছানোর পর আপনাকে কোথাও পাঠাবেন না এজেন্ট। আগে ক্রোয়েশিয়ার জন্য দিল্লী যেতে হতো। এখন যে কোন একটি থার্ড কান্ট্রি থেকে ভিসা করিয়ে আনা হয়। পাসপোর্ট পাঠিয়ে দিলে তারা ভিসা দিয়ে দেয়। তাই প্রথমে এজেন্টকে আপনার পাসপোর্ট দিতে হবে ও একটি নিরাপত্তা চেক দিতে হবে। এরপর সবকিছুই করবেন এজেন্ট। কাউকে কোন পেমেন্ট দিতে হবেনা ভিসার আগে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার রেকর্ডের উপর নির্ভর করেই আপনার সাথে কথা বলবেন এজেন্ট। অতীতে যদি আপনার কোন খারাপ রেকর্ড থাকে তবে আপনার নিকট থেকে এ্যাডভান্স চাইতেই পারেন এজেন্ট।
ভিসার দাম বর্তমান বাজারে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকার মতো। এটি যেহেতু জব ভিসা তাই অবশ্যই সরকারীভাবে ম্যান পাওয়ার হবে। ম্যানপাওয়ার হবার পর ঢাকা থেকেই ফ্লাইট হবে। তবে ফ্লাইট বিষয়টা এয়ারলাইনস এর চলাচলের উপর নির্ভর করে হবে। অনেকেই ইটালীর ঘটনার পর ভয় পেয়ে গেছেন যে আপনাকে হয়তঃ ক্রোয়েশিয়া থেকে ফেরত দিতে পারে। না, এমন কোন সম্ভাবনা ক্রোয়েশিয়ার ক্ষেত্রে নেই। আজ পর্যন্ত কাউকে ক্রোয়েশিয়ান এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত আসতে হয়নি। 
আপনি যদি আগ্রহী হন ক্রোয়েশিয়ার জব ভিসার বিষয়ে তবে আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি চলে যেতে হবে এজেন্টের অফিসে। ঢাকাতে ক্রোয়েশিয়ার ভালো কাজ করছে এমন চারজন এজেন্ট রয়েছে। এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চলে যান এদের কাছে। আরেকটি বিষয় বলে রাখি ক্রোয়েশিয়াতে বেতন হবে ৫০০ ইউরো থেকে ৮০০ ইউরো পর্যন্ত। আপনার যোগ্যতার উপর নির্ভর করবে এটা। যার যতো বেশী যোগ্যাতা তার বড়ো বেতনের সম্ভাবনাও বেশী। 
আমাদের ফেসবুক পেজের লিংক ঃ https://www.facebook.com/visamarketplace/

Friday, July 10, 2020

আলবেনিয়াই হোক আপনার ইউরোপের ঠিকানা

লবেনিয়া হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান দেশসমূহের একটি ছোট্ট দেশ। দেশটিতে প্রায় ৩০ লাখ জনগোষ্ঠী বসবাস করে। দেশটির রাজধানী তিরানা। দাফতরিক ভাষা আলবেনিয়ান। অধিকাংশ যুবক ইংরেজি, ইতালিয়ান ও গ্রিক ভাষায় কথা বলে।
দেশটির বর্তমান মাথাপিছু আয় প্রায় ৫ হাজার ৩০০ ডলার। মুদ্রা হচ্ছে লেক। গ্রিস, মেসিডোনিয়া, কসোভো, মন্টিনিগ্রো ও একপাশে ইতালির আদ্রিয়াটিক সাগর দ্বারা বেষ্টিত। যার আয়তন প্রায় ২৮ হাজার ৭৪৮ বর্গমাইল। দেশটিতে ৭৫% মুসলিম ও ২৫% খ্রিষ্টান রয়েছে। সাংবিধানিক কোন ধর্ম নেই।
ইউরোপের সর্বোচ্চ সম্প্রীতির দেশ। ১৯৯০ সালে আলবেনিয়া ইউরোপের সবচেয়ে গরিব দেশ ছিল। ২০০৮ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে আখ্যায়িত হয়। সোশ্যালিস্ট পার্টির কর্নধার ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এডি রামা ২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। ২০০৪ সালে তিনি বিশ্বের সেরা মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দেশটির মানুষ খুবই অতিথিপয়ারণ। তাই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সেখানে প্রতি বছর প্রায় ৫ মিলিয়নের বেশি পর্যটক বেড়াতে যায়।
যারা কম খরচে ইউরোপে সেটেল্ড হতে চান তাদের জন্য আলবেনিয়া। যে কোন বিদেশি আলবেনিয়ায় ভিসা ও রেসিডেন্স পার্মিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভিসার তেমন কোন জটিলতা নেই। বাংলাদেশে আলবেনিয়ান দূতাবাস নেই। সাধারণত ভিসা নিতে হয় চীন থেকে। আলবেনিয়া যাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রেসিডেন্স পার্মিট দেওয়া হয়। রেসিডেন্স পার্মিট কার্ড পাওয়ার পরই আর কোন ভিসার প্রয়োজন হয় না। রেসিডেন্স পার্মিট কার্ড থাকলেই যে কোন সময় টিকিট কেটে যাতায়াত করা যায়। বিশ্বে আলবেনিয়ান পাসপোর্ট র্যাঙ্ক হলো ৪৭তম। কোন বিদেশি বৈধভাবে ৫ বছর থাকলেই আলবেনিয়ার নাগরিকত্ব ও পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আলবেনিয়ান পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ১১৪টি দেশে ফ্রি অ্যাকসেস করা যায়। কিছু কিছু কারনে বলা যায় আলবেনিয়া আপনার চাকরি বা ব্যবসার জন্য খুবই ভালো হবে। এর কারনগুলো নিম্নরূপঃ
১. বিশ্বে ১৮২টি দেশের মধ্যে ইজি বিজনেস ডুইং কান্ট্রি হিসাবে যার অবস্থান ৬৫তম।
২. ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী দুর্নীতি পরায়ন রাষ্ট্র হিসাবে ১৮০টি দেশের মধ্যে যার অবস্থান ৯১তম।
৩. ইক্যুয়াল ট্যাক্স অপরচুনিটি অর্থাত ফরেন ও আলবেনিয়ানদের জন্য একই ট্যাক্স নীতিমালা।
৪. লিবারেল ও ইনফরমিস্ট বিজনেস ক্লাইমেট।
৫. বিশাল বাজারে মুক্ত প্রবেশাধিকার।
৬. অনুকূল ভৌগলিক অবস্থান।
৭. কম্পিটেটিভ লেবার কস্ট।
৮. ফ্রি ইকোনমিক জোন।
৯. নাগরিকত্বের জন্য আবেদন সহজ।
১০. ইনসেনটিভ অন স্পেসিফিক বিজনেস।
১১. ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট ফ্যাসিলিটিজ।
১২. ডিরেক্ট মালিকানা (কোন অংশদারিত্ব না দিয়ে)।
১৩. পটেনশিয়াল গ্রোইং কান্ট্রি।
১৪. ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ নেওয়া।
১৫. প্রয়োজনীয় প্রাইভেট ল্যান্ড প্রোপার্টি ও ফ্ল্যাট কেনা।
১৬. সহজ ভিসা ও রেসিডেন্স পার্মিট সিস্টেম।
১৭. বিশ্ব সম্প্রীতির দেশ ‘নো কান্ট্রি রিলিজন’।
আমরা তাই মনে করি করোনা ক্রাইসিসের যুগে যেহেতু সব দেশ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আপনার উচিত হবে আলবেনিয়াতে জব ভিসা নিয়ে ভাগ্য গড়তে এখনই চলে যাওয়া। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা যাই হোক না কেন কোন সমস্যা নেই। ভিসা নেবার জন্য আপনাকে এ্যামবাসিতে দাঁড়াতে হবেনা। চীন থেকে ভিসা হয়ে আসলে তারপর আপনি পেমেন্ট দেবেন। যেহেতু সেনজেন দেশগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে তাই আপনি যদি আলবেনিয়াতে জব ভিসা নিয়ে প্রবেশ করেন তবে খুব সহজে গ্রীসে চলে যেতে পারবেন। তবে আমরা এটা আশাকরি যে, আলবেনিয়াতেই আপনি আপনার বাকি জীবনটা সুখেই কাটাতে পারবেন।

Monday, June 15, 2020

করোনার পরে ইউরোপের ভিসা অফার

মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই ক্রমশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে ইউরোপ। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালির মতো দেশগুলোতে ধীরে ধীরে লকডাউন উঠেছে। ফ্রান্স নিজেকে 'গ্রিন জোন' বলে চিহ্নিত করেছে। করোনাকালে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ নিজেদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে তা-ও ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয়। তবে সোমবার তা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হলো। অর্থাৎ, সীমান্ত পেরনোর সময় আর কোনো বাধার মুখে পড়তে হবে না সাধারণ মানুষকে। গ্রীষ্মকাল শুরু হয়ে গিয়েছে ইউরোপে। এই সময় সব চেয়ে বেশি পর্যটক দেশ বিদেশে বেড়াতে যান। ইতালি, ফ্রান্সের মতো দেশে এই সময়টা অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গ্রীষ্মকালীন পর্যটন ব্যবসায় বিপুল লাভ করে এই দেশগুলো।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, করোনা কালে ইউরোপে অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছিল। সে কথা মাথায় রেখেই আর সময় নষ্ট করা হয়নি। সীমান্ত খুলে দিয়ে পর্যটন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। যাতে দ্রুত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে।কোভিড১৯ এর কারনে আমদের পররাষ্ট্র দফতর, জনশক্তি ও অন্যান্য সরকারী সংস্থাগুলো বন্ধ থাকার কারনে আমরাও ইতিমধ্যে নতুন কোন অফার বা তথ্য আপনাদের দিতে পারিনি। এখনও পর্যন্ত কয়েকটি দেশ ছাড়া আর কোন দেশের ভিসার অফার পাওয়া যায়নি। যে কয়টি দেশের অফার আমরা পেয়েছি সেগুলো হলো রোমানিয়া, তুর্কী ও আলবেনিয়া। এই তিনটি দেশের বেশ কিছু অফার আমাদের হাতে চলে এসেছে। আপনারা জানেন যে ইউরোপে ইতিমধ্যে করোনার প্রকোপ কমে এসেছে এবং সেখানকার বর্ডারগুলো একে একে খুলে যাচ্ছে। ফলে একটি সেনজেন দেশে গেলে আপনি যে কোন সেনজেন দেশে চলে যেতে পারছেন। আর একটি দুঃখজনক হলেও সত্যি বিষয় যে ইউরোপে প্রচুর মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রান হারিয়েছেন। এসব মৃত্যুতে জব সেকটরে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। এই শূন্যতা পূরনে সেসব দেশগুলো সচেষ্ঠ হয়েছে। এর ফলে এই মুহুর্তে ভিসার কঠোরতা তৃতীয় বিশ্বের দেশসমুহে অনেকটা কম কেননা এই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকেই তাদের দেশে প্রচুর কর্মী নিয়োগ হয়ে থাকে।
আমাদের নিকট এই মুহুর্তে আলবেনিয়া ও রোমানিয়ার বেশ কিছু অফার রয়েছে। এই অফারগুলো দেখতে হলে আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে হবে। কম খরচে এই সব অফার দেখার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন এবং আমাদের ফেসবুক পেইজে যান। কোন তথ্য জানার থাকলে আমাদের ইনবক্স করুন।

Tuesday, December 24, 2019

ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা এলো

আপনারা জানেন যে ক্রোয়েশিয়া একটি নন সেনজেন দেশ। তারপরও সেখানে জব ভিসা হচ্ছে। এবং আপনারা এও জানেন সম্ভবত যে সেনজেন দেশে ভিসা হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে বর্তমানে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নন সেনজেন দেশগুলোতে জব ভিসার কাজ শুরু করেছি। শুরু করেছি ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা, রোমানিয়া জব ভিসা, সার্বিয়া জব ভিসা ইত্যাদি। বর্তমানে আমাদের হাতে প্রথম সারিতে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা। সাধারন ওয়ার্কার ও ফ্যাকটরি ওয়ার্কার হিসাবে চাকরি হবে। সাধারনতঃ আট ঘন্টা ডিউটি টাইম। এর পর ওভার টাইম করতে পারবেন। বেতন ৬০০০০ টাকা থেকে ৭৫০০০ টাকা। ওভারটাইম এর টাকা আলাদা পাওয়া যাবে। দুই বছরের কন্ট্রাক্ট, এর পর বাড়ানো যাবে। প্রসেসিং সময় ২ থেকে আড়াই মাস। যেহেতু বাংলাদেশে ক্রোয়েশিয়ার কনসুলেট নেই তাই দিল্লী গিয়ে ভিসা নিতে হবে। এজন্য প্রার্থী নিজে গিয়ে ভিসা আনতে হবে। দিল্লী যাবার খরচ, থাকা ও খাওয়া খরচ প্রার্থীকে বহন করতে হবে। টোটাল খরচ হবে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ভিসা ক্লাবের মেম্বারদের জন্য ২০,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট রয়েছে। আমাদের ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে বা লাইক করতে এই লিংকে ক্লিক করুন https://www.facebook.com/visamarketplace/

Sunday, December 01, 2019

গ্রাজুয়েটদের জন্য চীনে ব্যাপক সুজোগ

কথাটা শুনে নাক সিঁটকাবেন না । ফেলেও দেবেন না কথাটা। কারন বর্তমানে এমন একটা দেশ বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানী করতে চাচ্ছে যেটা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। চীন। চীন বা চায়না বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ধরতে যাচ্ছে। কারন তারা দেখছে বাংলাদেশের মানুষ যে ধরনের পরিশ্রমী তা প্রায় চিনা জনগনের সমান। এবং তাদের চাহিদাও বেশী নয়। একজন চীনা দিনে প্রায় নয় ঘন্টা পরিশ্রম করেন। বাংলাদেশের একজন কর্মীর জন্য এটা কোন ব্যপার নয়। বাংলাদেশের একজন কর্মী দিনে প্রায় ৮-৯ ঘন্টা কাজ করতে পারেন। এসকল দিক বিবেচনায় এনে চীন বাংলাদেশের কর্মীদের দিকে নজর দেয় এবং চীনা বৈদেশীক নীতিতে জেড ক্যাটাগরি (Z Catagory) ভিসা প্রবর্তন করে। বাংলাদেশ থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসা দেয়া হচ্ছে। তবে কিছু শর্ত প্রযোজ্য। এসব শর্ত মেনে আপনাকে আবেদন করতে হবে।
১। যারা বাংলাদেশ থেকে চায়নাতে জব ভিসাতে যেতে চান তাদের অবশ্যই গ্রাজুয়েট হতে হবে।
২। ন্যুনতম ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৩। গ্রাজুয়েশন সনদপত্র মন্ত্রনালয় কতৃক সত্যায়িত হতে হবে।
বাংলাদেশে প্রচুর কর্মী থাকার পরও কেবল মাত্র এই তিনটি শর্ত দেয়ার কারনে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে জনশক্তি রপ্তানী থেকে। বাংলাদেশ থেকে যেসব কর্মী বিদেশে চাকরি ভিসা নিতে চান তারা বেশীরভাগই অল্প শিক্ষিত এবং তাদের গ্রাজুয়েশন নেই। 
চীনা সরকার এই বিষয়টি শিথিল করবে না। তাই এখন পর্যন্ত যারা কেবল গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন ২০১৭ সালের আগে কেবল তারাই আবেদন করতে পারবেন আমাদের মাধ্যমে। বেতন হিসাবে প্রাথমিক একটা ধারনা দেয়া যেতে পারে। আপাতত প্রায় বেশীরভাগ চীনা ফ্যাকটরিগুলোতে ৪৫০-৫০০ আমেরিকান ডলার দেবার নিয়ম রয়েছে যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০,০০০ টাকার সমান। এরপর ওভারটাইম কাজ করে আরও ১০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। এছাড়া চীনা কোম্পানীগুলো তাদের থাকার জন্য ডরমেটরি ও খাবার সংস্থান করে দিচ্ছে, ফলে বাংলাদেশের একজন কর্মী সর্বোচ্চ সুবিধা পাচ্ছে। 
এই চাকরি ২ বছরের কন্ট্রাক্টে হবে। এরপর আপনি ইচ্ছে করলে তা বাড়াতে পারবেন ২০ বছর পর্যন্ত। ২ বছর মেয়াদ শেষ হবার পর কোম্পানী আপনাকে দেশে আসার জন্য রিটার্ন এয়ার টিকিট দেবে। তবে এর মধ্যে দেশে আসতে হলে আপনাকে নিজের খরচে আসতে হবে।
VISA24BD.COM এর মাধ্যমে চীনা জব ভিসার জন্য আবেদন করতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেইজে যান এবং এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। অথবা আপনার সিভিটি আমাদের পাঠান এই ইমেইলে admin@visa24bd.com

Saturday, October 26, 2019

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?
আমি জার্মানীর কথা বলছিনা কারন সেখানে গেলে আপনার IELTS এ ৬.০ লাগবে। তারপর প্রায় ৮ লাখ টাকা ভিসা পাবার আগেই ব্লক এ্যাকাউন্ট করতে হবে। কোথায় যাবেন? ইউরোপের যে কোন দেশেই এখন IELTS চাইছে। আর IELTS নেই মানে হলো আপনার মিডল ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাছাড়া এখন ক্রোয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা, রোমানিয়া, হাঙেরি ভিসা বেশ স্লো। কেউ বলতে পারছেনা কখন এসব দেশের ভিসা ওপেন হবে। এমনকি সার্বিয়া বন্ধ, মাল্টাও বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে আপনি যদি ইউরোপের কোন দেশে স্টুডেন্ট ভিসা পেতে চান তাহলে কোন দেশ ভালো হবে যেদেশ থেকে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঢুকতে পারবেন? অনেকেই আমাদের এই প্রশ্ন করছেন বিশেষত যারা এই বছর বা গত বছর ইন্টার পাশ করেছেন এবং যাদের IELTS নেই। তাদের জন্য এই রিপোর্টটি লেখা হলো।
যাদের IELTS নেই ও যারা ইউরোপে ঢুকতে চান তাদের সবচেয়ে উপযোগী অফার হলোঃ
কসোভো স্টুডেন্ট ভিসা। কারন কসোভো হলো সেই সকল দেশের অন্যতম যেখানে ইউরো চলে এবং নিজস্ব অর্থ চলে। কসোভো হলো সার্বিয়ার বুকের ভেতর থাকা একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই আপনি সার্বিয়া চলে যেতে পারছেন। সার্বিয়া ঢোকা আর রোমানিয়া ঢোকা কোন ব্যপারই নয়। অনেকেই রোমানিয়া যেতে চান কাজের ভিসায়। তাদের জন্য কসোভো বেশ উপকারী। আপনি যদি বুলগেরিয়া যেতে চান তবে এখান থেকে তাও সম্ভব, কারন সার্বিয়ার সাথেই রয়েছে বুলগেরিয়া। আরেকটি বিষয় বলে রাখি বুলগেরিয়ার সাথে সেঁটে আছে গ্রীস। সে যাই হোক এবার আসুন টাকা পয়সা খরচের হিসাবে। আমরা জেনুইনভাবে কসোভোর ভিসা করানোর জন্য বিমানভাড়া ও টিউশন ফি সহ নিচ্ছি ৮ লক্ষ টাকা। আর সবচেয়ে বড়ো ব্যপার যে কসোভো ভিসার জন্য আপনাকে এ্যামবাসি ফেস করতে হবেনা এবং ভিসাও ১০০% নিশ্চিত। কসোভো ভিসার জন্য ঢাকা থেকে ডক্যুমেন্ট পাঠিয়ে এ্যামবাসি কতৃক ভিসা করানোর সুজোগ আছে বলে আপনি বাড়িতে বসে ভিসা নিতে পারছেন। আর যেদিন থেকে কাজ শুরু করলেন সেদিন থেকেই আপনার ট্রাভেল ব্যাগ গুছিয়ে রাখতে পারেন ও সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রাখতে পারেন। কারন কখনই আপনার ভিসা রিফিউজ হবেনা। আমাদের কাছে নিশ্চয়তা বিষয়টি বেশ জটিল ও কঠিন একটি বিষয়। আর আমরা নিশ্চয়তা তখনই দিতে পারি যখন আমাদের কাছে ট্র্যাক রেকর্ড থাকে। কসোভো গেলে আপনি যদি পড়তে চান তবে আপনার জন্য তো টিউশন ফি প্রদান করাই আছে। এমনকি এই টাকার মধ্যে আপনার কিছুদিনের বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা আছে। আপনি যদি পড়তে না চান তবে কোন সমস্যা নেই। আপনি কাজ করতে পারবেন। কাজ করে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তাছাড়া যদি চেক রিপাবলিক, জার্মানী, ফ্রান্স চলে যান তবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করার সুজোগ পাবেন। আর কিভাবে যাবেন? বহু মিডিয়া আছে যারা আপনাকে এই বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত। প্রথম কথা হলো আপনাকে কসোভো ঢুকতে হবে। আর আমরা আপনার জন্য নিরাপদে কসোভো স্টুডেন্ট ভিসার ব্যবস্থা করে দিতে সক্ষম।

Sunday, September 29, 2019

বিজ্ঞাপন ২

চেক রিপাবলিকে দ্রুত ও ১০০% কনফার্ম ভিসা অফার
-----------------------------------------------
চেক রিপাবলিকে জব ভিসায় আমরা দিচ্ছি ১০০% নিশ্চয়তা ও ২৫ দিনে ফ্লাই করার গ্যারান্টি। ১০ দিনে ওয়ার্ক পারমিট, ৫ দিনে এ্যামবাসি ফেস ও পরবর্তী ১০ দিনে ভিসা হাতে পাওয়া ও ফ্লাই। বিশেষ প্রক্রিয়ার এই জব ভিসার জন্য আপনাকে আগে কোন টাকা পে করতে হবেনা। চেক রিপাবলিকে পৌছে পেমেন্ট করবেন। কাজ চেক রিপাবলিকের ফ্যাকটরিতে। বেতন ৭০,০০০ টাকা। থাকা কোম্পানীর ও খাওয়া নিজের। ওয়ার্ক পারমিট আসার পর আপনাকে কেবল নিজের খরচে দিল্লীতে গিয়ে এ্যামবাসি ফেস করতে হবে। আবেদন করার পর আপনি যে আর্থিকভাবে সমর্থ এটা প্রমান করার জন্য একটি পে-অর্ডার করবেন এবং আপনার কাছে রাখবেন। পে-অর্ডারটির ফটোকপি আমাদের দিতে হবে। তাছাড়া চেক ও এগ্রিমেন্ট করতে হবে। মাত্র তিনজনের জন্য এই কাজ করা যাবে। দ্রুত যোগাযোগ করুন 01772369451

TOTAL COST 15,000,00 

To apply click here........APPLY

বিজ্ঞাপন

পর্তুগাল জব ভিসা।পর্তুগালের জব ভিসা। স্টিল ফিক্সার, রড বাইন্ডার, সিমেন্ট মিক্সার প্রভৃতি কন্সট্রাকশন কাজে প্রকৃত অভিজ্ঞতাসম্পন্নরাই আবেদন করতে পারবেন। বেতন ৭৫০ থেকে ৮০০ ইউরো যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৮০,০০০ টাকার মতো। কাজের সময় আট ঘন্টা। এরপর ওভারটাইম করতে পারবেন। ওভারটাইমে এক্সট্রা আর্ন করতে পারবেন। প্রসেসিং সময় দুই মাস। দিল্লী থেকে ভিসা হবে। দিল্লীতে যাওয়া আসা থাকার খরচ প্রার্থীর। ভিসা হবার সম্ভাবনা ১০০% যদি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে থাকেন।জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেনস ও যদি অভিজ্ঞতা থাকে তবে অভিজ্ঞতা সনদ। Total cost 9,50,000 
আবেদন করুন এখানে ----আবেদন

Friday, September 20, 2019

হাঙ্গেরীর স্টুডেন্ট ভিসায় চলে যান ইউরোপে


বর্তমানে আমাদের হাঙ্গেরীর স্টুডেন্ট প্যাকেজ মাত্র আট লক্ষ টাকা

দানিয়ুবের নাম জানেন না? কৃষ্ণসাগরের ঘন নীল জলের সাথে মিশে গেছে ভুবন বিখ্যাত এ নদী। দানিয়ুবের জল গড়িয়ে গেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেই। তার একটি অন্যতম দেশ হাঙ্গেরি। হাঙ্গেরি ইতিহাসের অন্যতম সম্পদশালী দেশ যার গুরুত্ব ক্রমশই বেড়ে চলছে।উচ্চ শিক্ষা বা ভ্রমনের উদ্দেশে ইউরোপ প্রায় বেশিরভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে স্টুডেন্টদের জন্য ইউরোপের প্রায় সব দেশের ভিসা কড়াকড়ি করে দিয়েছে । বর্তমানে ইউরোপের গরীব দেশগুলোতেও বাঙালীদের ভিসা দিচ্ছে না । দূতাবাস থেকে শতকরা ৯৯% ভিসা রিজেক্ট করে দিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে স্টুডেন্টরা উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে পিছিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপের সেনজেনভুক্ত সব দেশ যেখানে ভিসা কড়াকড়ি করছে সেখানে হাঙ্গেরি ভিসার ব্যাপারে একদম শিথিলতা বজায় রাখছে। দেশটির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কও বেশ ভালো। 
গত দুদশকে উচ্চ শিক্ষার সম্প্রসারণের কারণে, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েই চলছে যা চোখে লাগার মতো । ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষায় ছাত্রছাত্রী বেড়েছে চারগুন, ৯০০০০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০০০০ (৪লক্ষ)।

হাঙ্গেরিতে বর্তমানে ৬৬টি স্বীকৃত ও গৃহীত উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান রয়েছে – চার্চ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সহ এই ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৯ টি সরকারি কলেজ, ৭ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩১ টি বেসরকারি কলেজ। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকাটি অন্তর্ভুক্ত হয় হাঙ্গেরিয়ান এক্রেডিটেশন কমিটি (Hungarian Accreditation Committee)দ্বারা। সবকটা হাঙ্গেরিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানী অথবা ঐতিহ্যবাহী শহরে অবস্থিত, প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রাণবন্ত, আন্তর্জাতিক এবং বহুসংস্কৃতিময় পরিবেশ উপস্থাপন করে। যেকারণেই হাঙ্গেরি হয়ে উঠেছে উচ্চশিক্ষার জন্যে আকর্ষণীয় গন্তব্য।

দেশটির মাথাপিছু জিডিপি হচ্ছে প্রায় ১৪,২২৪ ইউ এস ডলার এবং দেশটিতে বেকারত্বে হার কেবলমাত্র ৩.৭%।

দেশটি সম্পর্কে আরও কিছু জানার দরকার রয়েছে আপনাদের।
ভৈাগলিক সীমারেখা

হাঙ্গেরি মধ্য ইউরোপে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এ দেশের সিংহভাগ অঞ্চল দানিউব উপত্যকা তথা হাঙ্গেরীয় সমভূমিতে অবস্থিত। এই সমতলভূমির ভেতর দিয়েই মূলত দানিউব নদী প্রবাহিত হয়েছে। দেশটির মোট আয়তন ৯৩,০৩০ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০,০৬,৪০০ জন। হাঙ্গেরির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বুদাপেস্ট। শহরটি দানিউব নদীর উভয় তীরে অবস্থিত। পূর্ব মধ্য ইউরোপের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এ শহরটি। হাঙ্গেরির উত্তর দিকে স্লোভাকিয়া, উত্তর-পশ্চিমে ইউক্রেন, পূর্ব-পশ্চিমে অস্ট্রিয়া, দক্ষিণে সার্বিয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্রোয়েশিয়া এবং সর্বশেষ দক্ষিণে রয়েছে স্লোভেনিয়া। হাঙ্গেরীর জাতীয় ভাষা “হাঙ্গেরীয়ান” ও “ রোমানী”।
ভাষা

ভাষা
হাঙ্গেরির সরকারি ভাষা হাঙ্গেরীয়। হাঙ্গেরির জনগণ নিজেদেরকে “মজর” নামে ডাকে। মজরেরা ছিল এশিয়া থেকে আগত যাযাবর গোষ্ঠী। ৯ম শতাব্দীর শেষভাগে আরপাদের নেতৃত্বে মজরেরা দানিউব ও তিসজা নদীর মধ্যবর্তী সমভূমি জয় করে, যা বর্তমান হাঙ্গেরীয় সমভূমির মধ্যভাগ। ১১শ শতকের শুরুর দিকেই মজরেরা রাজনৈতিকভাবে সংঘবদ্ধ হয় এবং খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়। হাঙ্গেরির প্রথম রাজা ছিলেন প্রথম স্টিফেন (১০০০ খ্রিস্টাব্দ)। ১০৮৩ সালে তাঁকে সাধু ঘোষণা করা হয়।

অর্থনীতি
দেশটিতে ৬৫ লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়। কৃষিপণ্যের মধ্যে আছে – গম, রাই, বার্লি, ভুট্টা, আলু, সূর্যমুখি বীজ প্রভৃতি। দেশটির ১৬লাখ ৭০ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে রয়েছে সবুজ বনভূমি। হাঙ্গেরি দেশটিকে সমৃদ্ধ দেশ বলা যায়। শিল্পসমূহের মধ্যে আছে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, সিমেন্ট কারখানা, সার কারখানা, চিনি শিল্প, রাসানিক শিল্প, চামড়া শিল্প প্রভৃতি। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল। হাঙ্গেরিতে তেল ও গ্যাস ছাড়া অন্যান্য খনিজ দব্যের মধ্য আছে কয়লা, লিগনাইট, বক্সাইট প্রভৃত।

পর্যটন

প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক দেশটি ভ্রমণ করে। ২০১৭ সালে, দেশটি ২৬৩,৯৪০টি ভিসা অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করে। পর্যটনের ক্ষেত্রে, হাঙ্গেরি ইউরোপের প্রধান চিকিৎসা পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি এবং অন্যতম। শুধুমাত্র দন্ত পর্যটন ক্ষেত্রে, এটি ইউরোপে ৪২% এবং বিশ্বব্যাপী ২১% ভাগ রয়েছে।এটি ১৬ শে এপ্রিল ২০০৩ এ শেনজেন চুক্তিতে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ এ এটি বাস্তবায়ন শুরু করে।

Wednesday, September 04, 2019

চিনে জব ভিসায় নানা সুবিধা

এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি হলো টাকা। আর এই বাংলাদেশের মানুষ টাকা উপায়ের কথা চিন্তা করলেই যেতে চায় ইউরোপে। ইউরোপ যদিও এখনও সম্ভাবনার দ্বার বলা যায়, তারপরও ভিসা কিন্তু উন্মুক্ত নয়। ভিসার জন্য যেতে হয় দিল্লী বা অন্য কোন দেশে। বেশ কিছুদিন অবস্থান করলে টাকাও যায়। এই দিক দিয়ে চিনা জব ভিসা বেশ ভালো বলা যায়। বর্তমানে চিন কর্মী সংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের দিকে এগুচ্ছে। চিনা কোম্পানীর মালিকরা এদেশে ডেলিগেট হিসাবে আসছেন। তারা বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী। বহু এজেন্সিও তাদের আগ্রহে সাড়া দিয়ে আয়োজন করছেন ইন্টারভিউয়ের। হিসাবে যে খরচ হয় চিনে যেতে সেই তুলনায় বেতন বেশ ভালো। আমাদের জানা মতে গত জানুয়ারী মাসে ঢাকার একটি ফার্ম চিনেতে চাকরির জন্য নিয়েছে ত্রিশ জন কর্মী যারা বেশ ভালোই আছেন সেখানে। বেতন প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দিচ্ছে। এখানে বিপুল গবেষনারও কিছু নেই। চিন্তারও প্রয়োজন নেই। আপনি একটা বিষয় ভাবলেই বেরিয়ে আসবে সত্য। বেকারত্বের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে। শিক্ষা যে হারে বেড়েছে সেই হারে চাকরি বা কর্মসংস্থান বাড়েনি এদেশে। অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক আছেন যারা চাকরির আশায় তিন চার বা পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ পর্যন্ত নিয়ে বসে আছেন। তারপরও চাকরি হয়না।তাহলে চাকরি যদি চিনে হয় এবং আপনি চল্লিশ হাজার টাকা বেতন পান এবং আপনার থাকা ও খাওয়া যদি নিশ্চিত হয় তবে তিন লাখ টাকা খরচ করে কেন আপনি সেখানে চাকরি করতে যাবেন না? চিনে সুবিধা হলো সেখানে কাজ ও অভিজ্ঞতার দাম দেয়া হয়। আপনি যখন কাজ শিখে যাবেন এবং তাদের ভাষা শিখে যাবেন তখন আপনার প্রমোশন কেউ ঠেকাতে পারবেনা। চিনারা উন্নয়নশীল মেধাবী জাতি। এরা মেধার মুল্যায়ন করে। অফিস বা ফ্যাকটরির পরিবেশ খুবই উন্নতমানের। চিনাদের ব্যবহার খুবই ভালো। কোম্পানীর বড়কর্তারা সাধারনত কর্মীদের সাথে খুব আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলেন। 
আপনি যদি চিনে কাজে আগ্রহী থাকেন তবে প্রথম কথা হলো আপনাকে শিক্ষিত ও ভদ্র হতে হবে।আপনার ন্যুনতম শিক্ষা হতে হবে ব্যাচেলর। আপনাকে ডেলিগেটের ইন্টারভিউতে কথা বলে টিকতে হবে।সেইজন্য ইংরেজীতে মোটামুটি জ্ঞানের প্রয়োজন। ইন্টারভিউতে টিকলে আপনার শিক্ষাসনদ শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কতৃক সত্যায়িত করতে হবে। অতঃপর ভিসা প্রসেসিং এর কাজে অগ্রসর হতে হবে।
চিনা জব ভিসার জন্য আমাদের সাথে কথা বলুন এই নাম্বারে 01772369451

Sunday, August 04, 2019

এই মুহুর্তে ইউরোপে ঢোকার বড়ো সুজোগ সার্বিয়া স্টুডেন্ট ভিসা

সার্বিয়ার কথা আমরা অনেক শুনেছি। এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। সার্বিয়ার উত্তরে হাঙ্গেরি, পূর্বে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া, দক্ষিণে আলবেনিয়া ও ম্যাসিডোনিয়া, এবং পশ্চিমে মন্টিনেগ্রো, ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। দেশটির রাজধানী বেলগ্রেড। বর্তমানে আমাদের বিবেচনায় ভিসা প্রাপ্তির দিক থেকে এই দেশটিই ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছে।ইউরোপের প্রতিটা দেশই উন্নত, ক্রম উন্নয়নশীল ধাঁচের। তবে সেনজেনভুক্তির পর যেমন ইউরোপের সাতাশটি দেশ একত্রিত হয়ে একটি ইউনিয়ন ঘোষনা করেছে সার্বিয়া তেমন ইউনিয়নে পড়ে না। তবে সেনজেনভুক্ত না হলেও সার্বিয়া থেকে  হাঙ্গেরি বা রোমানিয়া চলে যাওয়া যায় বলে আমাদের প্রার্থীদের মুখ থেকে খবর পেয়েছি। গত জানুয়ারী মাসে আমাদের বেশ কিছু ছাত্র ভিসা পেয়ে সার্বিয়া গিয়েছে যারা ছিল আমাদের প্রথম অভিজ্ঞতা। পরবর্তীতে তাদের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করে জানতে পারা যায় যে তারা হাঙ্গেরী হয়ে পর্তুগাল চলে গেছে। কিভাবে তারা পর্তুগাল গিয়েছে বা কতো সময়ে কোন পথে তারা গেল এই সকল বিষয় আমাদের অজানা তবে আমরা খুব সহজে আপনাকে সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা পাইয়ে দিতে পারি। সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার সম্ভাবনা বলতে গেলে ১০০% এবং ভিসা পাবার জন্য আপনাকে ইন্ডিয়াতে সার্বিয়ান কনসুলেটে উপস্থিত হতে হবেনা। বাংলাদেশ থেকে খুব সহজে স্টুডেন্ট ভিসা করিয়ে আনা যায়। আপনার যদি ১০ বছর স্টাডি গ্যাপ থাকে এবং কেবল এসএসসি পাশ হয়ে থাকেন তারপরও আমরা আপনার ভিসা করিয়ে আনতে পারবো। আগে কোন খরচ করতে হবেনা। টিউশন ফি ও বিমান ভাড়া সহ আপনার খরচ হবে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। নিরাপদে স্টুডেন্ট ভিসাতে ইউরোপ প্রবেশের এটিই আমাদের সবচেয়ে সহজ উপায়।

Wednesday, May 08, 2019

গ্রীসের ভিসা কিভাবে সম্ভব

বাংলাদেশীদের জন্য গ্রীস খুবই উপযোগী এক নাম। আমাদের কাছে প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসে এবং বেশীরভাগই বলে থাকেন যে তাদের গন্তব্য গ্রীস। আমাদের জানা নেই তারা গ্রীসকে কেন বেছে নেন ইউরোপে ঢোকার জন্য। তবে একটা কারন আমরা পেয়েছি যা দিয়ে বলা যায় বাংলাদেশীরা কেন গ্রীসে যেতে চায়। সবচেয়ে বড়ো কারন হলো এর তুরস্কের কাছে অবস্থান। এবং তুরস্কে ঢোকা মোটামুটি সহজ হওয়ার কারনে তুরস্ক থেকে তারা এজেন্টের মাধ্যমে গ্রীসে ঢোকার চেষ্টা করে।যদি কেউ ঘুরতে যায় তবে এর ভূমধ্যসাগরীয় তটরেখা ও বেলাভূমিগুলি খুবই বিখ্যাত। শুধু ভ্রমণপ্রিয়াসুরাই নয়, ব্যবসায়িক কাজেও প্রতি বছর অনেকে গ্রিস যান।তবে বাংলাদেশী যারা ঘোরার জন্য গ্রীস যান আমার মনে হয় তারা কোনভাবেই টুরিস্ট নন।তারা ইউরোপে কোনভাবে প্রবেশ করতে চান।বাংলাদেশ থেকে যতো মানুষ গ্রীসে ঢোকে তার ৫% ফেরৎ আসেনা। ফলে গ্রীস ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য অনেক কঠোর। যদি কোন বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে ভ্রমন করতে চায় তবে তাকে দিল্লীতে অবস্থিত ‘ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

গ্রিসের বিজনেস ভিসা আবেদনের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:
* পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
     পাসপোর্টে কমপক্ষে দুইটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
* ভিসা আবেদনের ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
     আবেদনের ফর্মে গ্রীসের স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর লাগবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর  
      ছাড়াও আবেদন করা যায়।
*সাম্প্রতিক তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে,
    - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
    - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে

*ভিসার জন্য আবেদনের সময় ভিসা মাশুল বাবদ ৬০ ইউরো অথবা ৪৬২০ ভারতীয় রুপি অথবা প্রায় ৫২৭০ টাকা  
      জমা দিতে হবে। ( ডিসেম্বর ২০১৮ এর তথ্য)
*ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।
*ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ৮৮৬ ভারতীয় রুপি জমা দিতে হবে।
‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করলে ‘আবেদনের সময় ভিসা চার্জ’ ও ‘ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ’ বাদে আর কোন চার্জ পরিশোধ করতে হবে না। কিন্তু ‘নয়া দিল্লী’ বাদ দিয়ে যদি মুম্বাই, জালান্দার, পুনে, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, কোচিন, কোলকাতা ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন আবেদন কেন্দ্র থেকে গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদন করলে অতিরিক্ত মাশুল হিসেবে আরও ১৫৪০ ভারতীয় রুপি দিতে হবে। অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ভিসা আবেদনের কুরিয়ার মাশুল বাবদ ১৫৪০ ভারতীয় রুপি নেয়া হয়।

গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ
সার্ভিস
চার্জ
ভিসা আবেদনের চার্জ
৬০ ইউরো/
৪৬২০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ৫২৭০ টাকা
ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ
৮৮৬ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১১১১ টাকা
‘নিউ দিল্লী’ বাদে অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে কুরিয়ার চার্জ
১৫৪০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১৯৩০ টাকা
** ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।  

অবশ্য খেয়াল রাখবেন নিজে নিজে ভিসার জন্য দাঁড়ালে আপনার ভিসা ৯৮% রিফিউজ হবার সম্ভাবনা। অবশ্যই একজন এজেন্টের শরনাপন্ন হোন যার গ্রীস ভিসার ব্যপারে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Monday, May 06, 2019

ইংল্যান্ডে ক্রিকেট দেখার সুজোগ পাবেন যেভাবে

২০১৯ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডে বসবে ক্রিকেটের মেগা আসর ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ৩০ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে জন্য এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে টিকেটের জন্য হাহাকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে সদ্য প্রকাশিত এক কলামে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপের ম্যাচের টিকিটের জন্য পঁচিশ লক্ষেরও বেশি আবেদন পেয়েছে তারা।আইসিসির তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এ প্রতিযোগিতায় টিকিটের জন্য আবেদনের সংখ্যা ছাড়িয়ে তাদের ধারণাকেও। পাবলিক ব্যালট পদ্ধতিতে টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন ষোল লক্ষেরও বেশি মানুষ। দুই ব্যালট মিলিয়ে সংখ্যাটা ঠেকেছে পঁচিশ লক্ষেরও বেশিতে। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলার বাইরে থেকেও সমর্থকেরা আবেদন করেছেন টিকেটের জন্য।
সে যাই হোক বাংলাদেশে যারা ক্রিকেট প্রেমী তারা কিভাবে যাবে ইংল্যান্ডে? এদেশ থেকে তো ইউকে হাইকমিশন চলে গেছে ভারতের দিল্লীতে! কোন সমস্যা নেই, হাইকমিশন নেই তো কি হয়েছে। ভিসার কার্যক্রম তো ঠিকই চলছে। আপনার ভিসা পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। আসল কথা হলো যারা ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসা নিয়ে যেতে চান তারা যে টিকিট পেলেই ভিসা পাবেন এমন নয়। তাদের কিন্তু ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন করতেই হবে। এবং ভিসা হবে গতানুগতিক পদ্ধতিতে। আপনি মনে করবেন না যে, ভিসা ফর্মে খেলা কোন স্টেডিয়ামে বসে দেখবেন এমন কোন প্রশ্ন থাকবে। যে ফর্ম আগে পুরন করতেন সেই একই ফর্ম এখনও পুরন করতে হবে। এবং আপনাকে যেভাবে খতিয়ে দেখে ভিসা ইস্যু করা হতো তার ব্যত্যয় হবেনা।কোনভাবেই আপনার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবেনা। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে সিলেটের বহু এজেন্ট শহরে নানা ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়ছেন।তারা বলছেন টিকেট কাটলেই ভিসা। আবার বলছেন কন্ট্রাক্টে ভিসা ইত্যাদি।আর সিলেটে লন্ডনী শব্দের প্রভাব সম্মোহনের মতো কাজ করে তাই তারা লন্ডন শব্দ শুনলে পাগল হয়ে যায়। আবার সিলেটিদের একটা খারাপ অভ্যাস আছে। তারা খারাপ হোক ভাল হোক সিলেটি ভিসা এজেন্টের কাছ থেকেই পেপার প্রসেস করতে চায়। এই সুজোগে সেই সব ভিসা এজেন্টরাও বেশী দাম হেঁকে থাকে। এরা যদি একটু কষ্ট করে ঢাকার এজেন্টদের কাছে চলে আসে তবে সঠিক তথ্য পায় এবং কম রেটও পায়। এখনও দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট ২০১৯ নিয়েও বিশাল ব্যবসার জাল বিছানো হয়েছে লন্ডনী শহর সিলেটে।
তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোন সিলেটি এজেন্ট কিন্তু ভিসার জন্য হাইকমিশনে কোন ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করতেই পারেনা বরং তারা ভিসা প্রসেসিং এর জন্য ঢাকার ভিসা এজেন্টদের ওপর নির্ভর করে থাকে। যারা সিলেটে থাকেন এবং ইংল্যন্ডে সত্যিকার অর্থে খেলা দেখতে যেতে চান তারা একটু কষ্ট করে ঢাকার বিভিন্ন ভিসা এজেন্টকে ফোন করে সঠিক তথ্য ও রেট জেনে নিতে পারেন।
ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসায় যাবার জন্য আপনাকে কিন্তু গতানুগতিকভাবেই আবেদন করতে হবে। খেয়াল রাখবেন আপনার পাসপোর্টে যদি কোন পূর্ববর্তী ভিসা না থাকে তবে আপনাকে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হতে পারে। সঠিক আবেদন পদ্ধতি জানার জন্য আমাদের নিকট ফোন করুন।যারা সঠিক নিয়মে ভিসার কাজ করছেন তাদের নিকট থেকে ভিসা প্রসেস করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করতে হবে।
এছাড়াও আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের কাছে রয়েছে ইংল্যান্ডের টেম্পোরারী জব ভিসা। 

Saturday, May 04, 2019

রোমানিয়া যাবেন চাকরির খোঁজে

রোমানিয়া বললে আমার কাছে যে সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি উঠে আসে তা হলো কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ। ব্রাম স্টোকার রোমানিয়ার ট্রানসিলভ্যানিয়া, বুকোভ্যানিও ও মলডাভিয়ার সীমান্তপ্রদেশে অবস্থিত কার্পেথিয়ান পর্বতমালায় কাউন্ট ড্রাকুলার নির্জন পোড়ো দুর্গের কথা উল্লেখ করেছেন। অবশ্য রোমানিয়ার বেশীরভাগ বাড়িঘরই এখনও এমনই দেখতে। তবে ব্রাম স্টোকার যেমন লিখেছিলেন আসলে রোমানিয়ার মানুষজন কিন্তু তেমনই।এখনও তারা বড়ো বেশী কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও আমুদে। তারা যেমন অতিথি পছন্দ করেন তেমন পানশালাগুলোতেও অতিথির অভাব নেই। পুরো রোমানিয়াই যেন আনন্দের স্বর্গরাজ্য। তবে রোমানিয়ার সব অঞ্চলের মানুষ এমন নয়। বুঝতে হবে এটি ইউরোপিও দেশ, ইউরোপিয়ান দেশের স্পর্শ তো এখানে থাকবেই। আপনি যদি ঘুরতে এখানে আসেন তবে বলবো আপনি সঠিক জায়গাটিতেই এসেছেন।ঘুরতে আসলে রোমানিয়া হলো স্বর্গ। আর টাকা কামাতে এলে আমি বলবো এখানে থেকে ভাষাটা শিখুন তাহলেই মানুষ আপনাকে কাজ দেবে। অন্ততঃ চলতে পারার মতো কিছুটা ভাষা আপনার জানা দরকার কারন রোমানিয়ার মানুষ ইংরেজী বোঝে না।তবে আপনি কাজ করতে চাইলে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এখানে। ২০১৬ সালে আমরা যখন রোমানিয়ায় যাই তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল দেশে আর না ফিরে এখানেই বিয়ে করে সেটেল্ড হয়ে যাই। এখানকার মেয়েরা এতো সুন্দরী যে না দেখলে অনুমান করতে পারবেন না। আর তাদের ব্যবহারও অতুলনীয়।আপনি খুব সহজে তাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলতে পারবেন ও তাদের কাছ থেকে বিদেশে থাকার ব্যপারে সহায়তা নিতে পারবেন। শুধু রোমানিয়া নয়, পূর্ব ইউরোপিও অঞ্চলে আপনি যদি স্থায়ী হতে চান তবে নারীরাই আপনাকে প্রকৃত সহায়তা দিতে পারবে।
রোমানিয়াতে শহরের চেয়ে গ্রামের সংখ্যাই বেশী, তবে আপনি সেগুলোকে শহর ভেবে ভুল করবেন। প্রতিটা গ্রামই ছবির মতো সুন্দর। শহরের রাস্তার ডান পাশ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয় বিধায় প্রথমে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে যদি আপনি ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে এখানে আসেন বা এখানে গাড়ি কেনেন। আপনি দক্ষ ড্রাইভার হলেও এখানে গাড়ি চালনা আবার শিখতে হবে আপনাকে।
রোমানিয়া পৃথিবীতে মদ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে বিধায় এখানকার মানুষজনের প্রায় সকলেই মদ পান করে।আর রোমানিয়ার মদ বা ওয়াইন পৃথিবীর চমৎকার পানীয় হিসাবে গন্য হয়ে থাকে। আপনার যদি চাকরি করার ইচ্ছে থাকে তবে প্রথমেই এসব শুঁড়িখানার চাকরিই আপনি পাবেন কেননা এসব চাকরি এখানে বেশী পাওয়া যায়। তবে চাকরির অভাব নেই এখানে।অটোমোবাইল, টেক্সটাইল, চামড়াশিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স, আইটিসহ প্রভৃতির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে রোমানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার কারনে সেখানে যাবার জন্য আমাদের দিল্লী গিয়ে ভিসা আবেদন করতে হয়।
অনেকেই তার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারে রোমানিয়া বাজে দেশ, প্রতারকদের দেশ ইত্যাদি।কিন্তু আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি মোটেও তা নয়।বসবাসের জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও আরামদায়ক রাজধানী হলো বুখারেস্ট।আর আপনি যদি রোমানিয়ার কোন পতিতালয়ে গিয়ে ধোকা খেয়ে আসেন বা কোন মদ পান করতে গিয়ে মাতালের সাথে মারামারি করে আসেন তবে অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা হবে আমার চেয়ে ভিন্ন।তবে কেউ যদি টাকা আয় করার জন্য রোমানিয়ায় আসে তবে অবশ্যই আপনার স্বপ্ন ব্যর্থ হবেনা।তবে আসার আগে মুক্তমন নিয়ে আসবেন এবং কিছুটা স্মার্ট হয়ে আসবেন এবং আপনার বিষয়ভিত্তিক কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবেন তাহলে আপনি পৃথিবীর যেকোন জায়গায় গিয়ে সফল হতে পারবেন।

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

GERMAN FAIR VISA

GERMAN FAIR VISA

এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন

এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----আলবেনিয়া জব ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----আলবেনিয়ার জব ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। যারা পড়াশোনা করেনি তারাও ইওরোপে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। মাত্র ৬ লাখ টাকায় ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। আলবেনিয়া থেকে সহজেই গ্রীসে চলে যেতে পারার সুবিধা।

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আপনার ইমেইল আইডি লিখে সাবমিট করুন এখানে। নতুন পোস্টের সাথে সাথে ই মেইলে পেয়ে যাবেন সব।

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts