নিজে নিজে ভিসা আবেদন করতে ভিজিট করুন www.visa24bd.com
ইউরোপে ঢোকার বড়ো সুজোগ ক্রোয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা। বছরের স্টাডি গ্যাপ গ্রহনযোগ্য। যোগাযোগ করুন 01772369451

Newsletter

স্লোভেনিয়া,চেক রিপাবলিক, জব ভিসার কাজ চলছে। তিন মাসে ভিসা। বেতন ৮০ হাজার টাকা। স্লোভাকিয়া জব ভিসা চলছে। কসাভো স্টুডেন্ট ভিসা। ক্রোয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা। যোগাযোগ করুন 01772369451

Saturday, October 26, 2019

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?
আমি জার্মানীর কথা বলছিনা কারন সেখানে গেলে আপনার IELTS এ ৬.০ লাগবে। তারপর প্রায় ৮ লাখ টাকা ভিসা পাবার আগেই ব্লক এ্যাকাউন্ট করতে হবে। কোথায় যাবেন? ইউরোপের যে কোন দেশেই এখন IELTS চাইছে। আর IELTS নেই মানে হলো আপনার মিডল ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাছাড়া এখন ক্রোয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা, রোমানিয়া, হাঙেরি ভিসা বেশ স্লো। কেউ বলতে পারছেনা কখন এসব দেশের ভিসা ওপেন হবে। এমনকি সার্বিয়া বন্ধ, মাল্টাও বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে আপনি যদি ইউরোপের কোন দেশে স্টুডেন্ট ভিসা পেতে চান তাহলে কোন দেশ ভালো হবে যেদেশ থেকে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঢুকতে পারবেন? অনেকেই আমাদের এই প্রশ্ন করছেন বিশেষত যারা এই বছর বা গত বছর ইন্টার পাশ করেছেন এবং যাদের IELTS নেই। তাদের জন্য এই রিপোর্টটি লেখা হলো।
যাদের IELTS নেই ও যারা ইউরোপে ঢুকতে চান তাদের সবচেয়ে উপযোগী অফার হলোঃ
কসোভো স্টুডেন্ট ভিসা। কারন কসোভো হলো সেই সকল দেশের অন্যতম যেখানে ইউরো চলে এবং নিজস্ব অর্থ চলে। কসোভো হলো সার্বিয়ার বুকের ভেতর থাকা একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই আপনি সার্বিয়া চলে যেতে পারছেন। সার্বিয়া ঢোকা আর রোমানিয়া ঢোকা কোন ব্যপারই নয়। অনেকেই রোমানিয়া যেতে চান কাজের ভিসায়। তাদের জন্য কসোভো বেশ উপকারী। আপনি যদি বুলগেরিয়া যেতে চান তবে এখান থেকে তাও সম্ভব, কারন সার্বিয়ার সাথেই রয়েছে বুলগেরিয়া। আরেকটি বিষয় বলে রাখি বুলগেরিয়ার সাথে সেঁটে আছে গ্রীস। সে যাই হোক এবার আসুন টাকা পয়সা খরচের হিসাবে। আমরা জেনুইনভাবে কসোভোর ভিসা করানোর জন্য বিমানভাড়া ও টিউশন ফি সহ নিচ্ছি ৮ লক্ষ টাকা। আর সবচেয়ে বড়ো ব্যপার যে কসোভো ভিসার জন্য আপনাকে এ্যামবাসি ফেস করতে হবেনা এবং ভিসাও ১০০% নিশ্চিত। কসোভো ভিসার জন্য ঢাকা থেকে ডক্যুমেন্ট পাঠিয়ে এ্যামবাসি কতৃক ভিসা করানোর সুজোগ আছে বলে আপনি বাড়িতে বসে ভিসা নিতে পারছেন। আর যেদিন থেকে কাজ শুরু করলেন সেদিন থেকেই আপনার ট্রাভেল ব্যাগ গুছিয়ে রাখতে পারেন ও সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রাখতে পারেন। কারন কখনই আপনার ভিসা রিফিউজ হবেনা। আমাদের কাছে নিশ্চয়তা বিষয়টি বেশ জটিল ও কঠিন একটি বিষয়। আর আমরা নিশ্চয়তা তখনই দিতে পারি যখন আমাদের কাছে ট্র্যাক রেকর্ড থাকে। কসোভো গেলে আপনি যদি পড়তে চান তবে আপনার জন্য তো টিউশন ফি প্রদান করাই আছে। এমনকি এই টাকার মধ্যে আপনার কিছুদিনের বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা আছে। আপনি যদি পড়তে না চান তবে কোন সমস্যা নেই। আপনি কাজ করতে পারবেন। কাজ করে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তাছাড়া যদি চেক রিপাবলিক, জার্মানী, ফ্রান্স চলে যান তবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করার সুজোগ পাবেন। আর কিভাবে যাবেন? বহু মিডিয়া আছে যারা আপনাকে এই বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত। প্রথম কথা হলো আপনাকে কসোভো ঢুকতে হবে। আর আমরা আপনার জন্য নিরাপদে কসোভো স্টুডেন্ট ভিসার ব্যবস্থা করে দিতে সক্ষম।

Sunday, September 29, 2019

বিজ্ঞাপন ২

চেক রিপাবলিকে দ্রুত ও ১০০% কনফার্ম ভিসা অফার
-----------------------------------------------
চেক রিপাবলিকে জব ভিসায় আমরা দিচ্ছি ১০০% নিশ্চয়তা ও ২৫ দিনে ফ্লাই করার গ্যারান্টি। ১০ দিনে ওয়ার্ক পারমিট, ৫ দিনে এ্যামবাসি ফেস ও পরবর্তী ১০ দিনে ভিসা হাতে পাওয়া ও ফ্লাই। বিশেষ প্রক্রিয়ার এই জব ভিসার জন্য আপনাকে আগে কোন টাকা পে করতে হবেনা। চেক রিপাবলিকে পৌছে পেমেন্ট করবেন। কাজ চেক রিপাবলিকের ফ্যাকটরিতে। বেতন ৭০,০০০ টাকা। থাকা কোম্পানীর ও খাওয়া নিজের। ওয়ার্ক পারমিট আসার পর আপনাকে কেবল নিজের খরচে দিল্লীতে গিয়ে এ্যামবাসি ফেস করতে হবে। আবেদন করার পর আপনি যে আর্থিকভাবে সমর্থ এটা প্রমান করার জন্য একটি পে-অর্ডার করবেন এবং আপনার কাছে রাখবেন। পে-অর্ডারটির ফটোকপি আমাদের দিতে হবে। তাছাড়া চেক ও এগ্রিমেন্ট করতে হবে। মাত্র তিনজনের জন্য এই কাজ করা যাবে। দ্রুত যোগাযোগ করুন 01772369451

TOTAL COST 15,000,00 

To apply click here........APPLY

বিজ্ঞাপন

পর্তুগাল জব ভিসা।পর্তুগালের জব ভিসা। স্টিল ফিক্সার, রড বাইন্ডার, সিমেন্ট মিক্সার প্রভৃতি কন্সট্রাকশন কাজে প্রকৃত অভিজ্ঞতাসম্পন্নরাই আবেদন করতে পারবেন। বেতন ৭৫০ থেকে ৮০০ ইউরো যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৮০,০০০ টাকার মতো। কাজের সময় আট ঘন্টা। এরপর ওভারটাইম করতে পারবেন। ওভারটাইমে এক্সট্রা আর্ন করতে পারবেন। প্রসেসিং সময় দুই মাস। দিল্লী থেকে ভিসা হবে। দিল্লীতে যাওয়া আসা থাকার খরচ প্রার্থীর। ভিসা হবার সম্ভাবনা ১০০% যদি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে থাকেন।জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেনস ও যদি অভিজ্ঞতা থাকে তবে অভিজ্ঞতা সনদ। Total cost 9,50,000 
আবেদন করুন এখানে ----আবেদন

Friday, September 20, 2019

হাঙ্গেরীর স্টুডেন্ট ভিসায় চলে যান ইউরোপে


বর্তমানে আমাদের হাঙ্গেরীর স্টুডেন্ট প্যাকেজ মাত্র আট লক্ষ টাকা

দানিয়ুবের নাম জানেন না? কৃষ্ণসাগরের ঘন নীল জলের সাথে মিশে গেছে ভুবন বিখ্যাত এ নদী। দানিয়ুবের জল গড়িয়ে গেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেই। তার একটি অন্যতম দেশ হাঙ্গেরি। হাঙ্গেরি ইতিহাসের অন্যতম সম্পদশালী দেশ যার গুরুত্ব ক্রমশই বেড়ে চলছে।উচ্চ শিক্ষা বা ভ্রমনের উদ্দেশে ইউরোপ প্রায় বেশিরভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে স্টুডেন্টদের জন্য ইউরোপের প্রায় সব দেশের ভিসা কড়াকড়ি করে দিয়েছে । বর্তমানে ইউরোপের গরীব দেশগুলোতেও বাঙালীদের ভিসা দিচ্ছে না । দূতাবাস থেকে শতকরা ৯৯% ভিসা রিজেক্ট করে দিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে স্টুডেন্টরা উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে পিছিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপের সেনজেনভুক্ত সব দেশ যেখানে ভিসা কড়াকড়ি করছে সেখানে হাঙ্গেরি ভিসার ব্যাপারে একদম শিথিলতা বজায় রাখছে। দেশটির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কও বেশ ভালো। 
গত দুদশকে উচ্চ শিক্ষার সম্প্রসারণের কারণে, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েই চলছে যা চোখে লাগার মতো । ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষায় ছাত্রছাত্রী বেড়েছে চারগুন, ৯০০০০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০০০০ (৪লক্ষ)।

হাঙ্গেরিতে বর্তমানে ৬৬টি স্বীকৃত ও গৃহীত উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান রয়েছে – চার্চ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সহ এই ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৯ টি সরকারি কলেজ, ৭ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৩১ টি বেসরকারি কলেজ। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকাটি অন্তর্ভুক্ত হয় হাঙ্গেরিয়ান এক্রেডিটেশন কমিটি (Hungarian Accreditation Committee)দ্বারা। সবকটা হাঙ্গেরিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় রাজধানী অথবা ঐতিহ্যবাহী শহরে অবস্থিত, প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রাণবন্ত, আন্তর্জাতিক এবং বহুসংস্কৃতিময় পরিবেশ উপস্থাপন করে। যেকারণেই হাঙ্গেরি হয়ে উঠেছে উচ্চশিক্ষার জন্যে আকর্ষণীয় গন্তব্য।

দেশটির মাথাপিছু জিডিপি হচ্ছে প্রায় ১৪,২২৪ ইউ এস ডলার এবং দেশটিতে বেকারত্বে হার কেবলমাত্র ৩.৭%।

দেশটি সম্পর্কে আরও কিছু জানার দরকার রয়েছে আপনাদের।
ভৈাগলিক সীমারেখা

হাঙ্গেরি মধ্য ইউরোপে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এ দেশের সিংহভাগ অঞ্চল দানিউব উপত্যকা তথা হাঙ্গেরীয় সমভূমিতে অবস্থিত। এই সমতলভূমির ভেতর দিয়েই মূলত দানিউব নদী প্রবাহিত হয়েছে। দেশটির মোট আয়তন ৯৩,০৩০ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০,০৬,৪০০ জন। হাঙ্গেরির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বুদাপেস্ট। শহরটি দানিউব নদীর উভয় তীরে অবস্থিত। পূর্ব মধ্য ইউরোপের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এ শহরটি। হাঙ্গেরির উত্তর দিকে স্লোভাকিয়া, উত্তর-পশ্চিমে ইউক্রেন, পূর্ব-পশ্চিমে অস্ট্রিয়া, দক্ষিণে সার্বিয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্রোয়েশিয়া এবং সর্বশেষ দক্ষিণে রয়েছে স্লোভেনিয়া। হাঙ্গেরীর জাতীয় ভাষা “হাঙ্গেরীয়ান” ও “ রোমানী”।
ভাষা

ভাষা
হাঙ্গেরির সরকারি ভাষা হাঙ্গেরীয়। হাঙ্গেরির জনগণ নিজেদেরকে “মজর” নামে ডাকে। মজরেরা ছিল এশিয়া থেকে আগত যাযাবর গোষ্ঠী। ৯ম শতাব্দীর শেষভাগে আরপাদের নেতৃত্বে মজরেরা দানিউব ও তিসজা নদীর মধ্যবর্তী সমভূমি জয় করে, যা বর্তমান হাঙ্গেরীয় সমভূমির মধ্যভাগ। ১১শ শতকের শুরুর দিকেই মজরেরা রাজনৈতিকভাবে সংঘবদ্ধ হয় এবং খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়। হাঙ্গেরির প্রথম রাজা ছিলেন প্রথম স্টিফেন (১০০০ খ্রিস্টাব্দ)। ১০৮৩ সালে তাঁকে সাধু ঘোষণা করা হয়।

অর্থনীতি
দেশটিতে ৬৫ লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়। কৃষিপণ্যের মধ্যে আছে – গম, রাই, বার্লি, ভুট্টা, আলু, সূর্যমুখি বীজ প্রভৃতি। দেশটির ১৬লাখ ৭০ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে রয়েছে সবুজ বনভূমি। হাঙ্গেরি দেশটিকে সমৃদ্ধ দেশ বলা যায়। শিল্পসমূহের মধ্যে আছে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, সিমেন্ট কারখানা, সার কারখানা, চিনি শিল্প, রাসানিক শিল্প, চামড়া শিল্প প্রভৃতি। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল। হাঙ্গেরিতে তেল ও গ্যাস ছাড়া অন্যান্য খনিজ দব্যের মধ্য আছে কয়লা, লিগনাইট, বক্সাইট প্রভৃত।

পর্যটন

প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক দেশটি ভ্রমণ করে। ২০১৭ সালে, দেশটি ২৬৩,৯৪০টি ভিসা অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করে। পর্যটনের ক্ষেত্রে, হাঙ্গেরি ইউরোপের প্রধান চিকিৎসা পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি এবং অন্যতম। শুধুমাত্র দন্ত পর্যটন ক্ষেত্রে, এটি ইউরোপে ৪২% এবং বিশ্বব্যাপী ২১% ভাগ রয়েছে।এটি ১৬ শে এপ্রিল ২০০৩ এ শেনজেন চুক্তিতে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ এ এটি বাস্তবায়ন শুরু করে।

Wednesday, September 04, 2019

চিনে জব ভিসায় নানা সুবিধা

এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি হলো টাকা। আর এই বাংলাদেশের মানুষ টাকা উপায়ের কথা চিন্তা করলেই যেতে চায় ইউরোপে। ইউরোপ যদিও এখনও সম্ভাবনার দ্বার বলা যায়, তারপরও ভিসা কিন্তু উন্মুক্ত নয়। ভিসার জন্য যেতে হয় দিল্লী বা অন্য কোন দেশে। বেশ কিছুদিন অবস্থান করলে টাকাও যায়। এই দিক দিয়ে চিনা জব ভিসা বেশ ভালো বলা যায়। বর্তমানে চিন কর্মী সংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের দিকে এগুচ্ছে। চিনা কোম্পানীর মালিকরা এদেশে ডেলিগেট হিসাবে আসছেন। তারা বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী। বহু এজেন্সিও তাদের আগ্রহে সাড়া দিয়ে আয়োজন করছেন ইন্টারভিউয়ের। হিসাবে যে খরচ হয় চিনে যেতে সেই তুলনায় বেতন বেশ ভালো। আমাদের জানা মতে গত জানুয়ারী মাসে ঢাকার একটি ফার্ম চিনেতে চাকরির জন্য নিয়েছে ত্রিশ জন কর্মী যারা বেশ ভালোই আছেন সেখানে। বেতন প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দিচ্ছে। এখানে বিপুল গবেষনারও কিছু নেই। চিন্তারও প্রয়োজন নেই। আপনি একটা বিষয় ভাবলেই বেরিয়ে আসবে সত্য। বেকারত্বের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে। শিক্ষা যে হারে বেড়েছে সেই হারে চাকরি বা কর্মসংস্থান বাড়েনি এদেশে। অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক আছেন যারা চাকরির আশায় তিন চার বা পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ পর্যন্ত নিয়ে বসে আছেন। তারপরও চাকরি হয়না।তাহলে চাকরি যদি চিনে হয় এবং আপনি চল্লিশ হাজার টাকা বেতন পান এবং আপনার থাকা ও খাওয়া যদি নিশ্চিত হয় তবে তিন লাখ টাকা খরচ করে কেন আপনি সেখানে চাকরি করতে যাবেন না? চিনে সুবিধা হলো সেখানে কাজ ও অভিজ্ঞতার দাম দেয়া হয়। আপনি যখন কাজ শিখে যাবেন এবং তাদের ভাষা শিখে যাবেন তখন আপনার প্রমোশন কেউ ঠেকাতে পারবেনা। চিনারা উন্নয়নশীল মেধাবী জাতি। এরা মেধার মুল্যায়ন করে। অফিস বা ফ্যাকটরির পরিবেশ খুবই উন্নতমানের। চিনাদের ব্যবহার খুবই ভালো। কোম্পানীর বড়কর্তারা সাধারনত কর্মীদের সাথে খুব আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলেন। 
আপনি যদি চিনে কাজে আগ্রহী থাকেন তবে প্রথম কথা হলো আপনাকে শিক্ষিত ও ভদ্র হতে হবে।আপনার ন্যুনতম শিক্ষা হতে হবে ব্যাচেলর। আপনাকে ডেলিগেটের ইন্টারভিউতে কথা বলে টিকতে হবে।সেইজন্য ইংরেজীতে মোটামুটি জ্ঞানের প্রয়োজন। ইন্টারভিউতে টিকলে আপনার শিক্ষাসনদ শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কতৃক সত্যায়িত করতে হবে। অতঃপর ভিসা প্রসেসিং এর কাজে অগ্রসর হতে হবে।
চিনা জব ভিসার জন্য আমাদের সাথে কথা বলুন এই নাম্বারে 01772369451

Sunday, August 04, 2019

এই মুহুর্তে ইউরোপে ঢোকার বড়ো সুজোগ সার্বিয়া স্টুডেন্ট ভিসা

সার্বিয়ার কথা আমরা অনেক শুনেছি। এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। সার্বিয়ার উত্তরে হাঙ্গেরি, পূর্বে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া, দক্ষিণে আলবেনিয়া ও ম্যাসিডোনিয়া, এবং পশ্চিমে মন্টিনেগ্রো, ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। দেশটির রাজধানী বেলগ্রেড। বর্তমানে আমাদের বিবেচনায় ভিসা প্রাপ্তির দিক থেকে এই দেশটিই ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছে।ইউরোপের প্রতিটা দেশই উন্নত, ক্রম উন্নয়নশীল ধাঁচের। তবে সেনজেনভুক্তির পর যেমন ইউরোপের সাতাশটি দেশ একত্রিত হয়ে একটি ইউনিয়ন ঘোষনা করেছে সার্বিয়া তেমন ইউনিয়নে পড়ে না। তবে সেনজেনভুক্ত না হলেও সার্বিয়া থেকে  হাঙ্গেরি বা রোমানিয়া চলে যাওয়া যায় বলে আমাদের প্রার্থীদের মুখ থেকে খবর পেয়েছি। গত জানুয়ারী মাসে আমাদের বেশ কিছু ছাত্র ভিসা পেয়ে সার্বিয়া গিয়েছে যারা ছিল আমাদের প্রথম অভিজ্ঞতা। পরবর্তীতে তাদের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করে জানতে পারা যায় যে তারা হাঙ্গেরী হয়ে পর্তুগাল চলে গেছে। কিভাবে তারা পর্তুগাল গিয়েছে বা কতো সময়ে কোন পথে তারা গেল এই সকল বিষয় আমাদের অজানা তবে আমরা খুব সহজে আপনাকে সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা পাইয়ে দিতে পারি। সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার সম্ভাবনা বলতে গেলে ১০০% এবং ভিসা পাবার জন্য আপনাকে ইন্ডিয়াতে সার্বিয়ান কনসুলেটে উপস্থিত হতে হবেনা। বাংলাদেশ থেকে খুব সহজে স্টুডেন্ট ভিসা করিয়ে আনা যায়। আপনার যদি ১০ বছর স্টাডি গ্যাপ থাকে এবং কেবল এসএসসি পাশ হয়ে থাকেন তারপরও আমরা আপনার ভিসা করিয়ে আনতে পারবো। আগে কোন খরচ করতে হবেনা। টিউশন ফি ও বিমান ভাড়া সহ আপনার খরচ হবে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। নিরাপদে স্টুডেন্ট ভিসাতে ইউরোপ প্রবেশের এটিই আমাদের সবচেয়ে সহজ উপায়।

Wednesday, May 08, 2019

গ্রীসের ভিসা কিভাবে সম্ভব

বাংলাদেশীদের জন্য গ্রীস খুবই উপযোগী এক নাম। আমাদের কাছে প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসে এবং বেশীরভাগই বলে থাকেন যে তাদের গন্তব্য গ্রীস। আমাদের জানা নেই তারা গ্রীসকে কেন বেছে নেন ইউরোপে ঢোকার জন্য। তবে একটা কারন আমরা পেয়েছি যা দিয়ে বলা যায় বাংলাদেশীরা কেন গ্রীসে যেতে চায়। সবচেয়ে বড়ো কারন হলো এর তুরস্কের কাছে অবস্থান। এবং তুরস্কে ঢোকা মোটামুটি সহজ হওয়ার কারনে তুরস্ক থেকে তারা এজেন্টের মাধ্যমে গ্রীসে ঢোকার চেষ্টা করে।যদি কেউ ঘুরতে যায় তবে এর ভূমধ্যসাগরীয় তটরেখা ও বেলাভূমিগুলি খুবই বিখ্যাত। শুধু ভ্রমণপ্রিয়াসুরাই নয়, ব্যবসায়িক কাজেও প্রতি বছর অনেকে গ্রিস যান।তবে বাংলাদেশী যারা ঘোরার জন্য গ্রীস যান আমার মনে হয় তারা কোনভাবেই টুরিস্ট নন।তারা ইউরোপে কোনভাবে প্রবেশ করতে চান।বাংলাদেশ থেকে যতো মানুষ গ্রীসে ঢোকে তার ৫% ফেরৎ আসেনা। ফলে গ্রীস ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য অনেক কঠোর। যদি কোন বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে ভ্রমন করতে চায় তবে তাকে দিল্লীতে অবস্থিত ‘ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

গ্রিসের বিজনেস ভিসা আবেদনের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:
* পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
     পাসপোর্টে কমপক্ষে দুইটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
* ভিসা আবেদনের ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
     আবেদনের ফর্মে গ্রীসের স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর লাগবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর  
      ছাড়াও আবেদন করা যায়।
*সাম্প্রতিক তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে,
    - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
    - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে

*ভিসার জন্য আবেদনের সময় ভিসা মাশুল বাবদ ৬০ ইউরো অথবা ৪৬২০ ভারতীয় রুপি অথবা প্রায় ৫২৭০ টাকা  
      জমা দিতে হবে। ( ডিসেম্বর ২০১৮ এর তথ্য)
*ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।
*ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ৮৮৬ ভারতীয় রুপি জমা দিতে হবে।
‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করলে ‘আবেদনের সময় ভিসা চার্জ’ ও ‘ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ’ বাদে আর কোন চার্জ পরিশোধ করতে হবে না। কিন্তু ‘নয়া দিল্লী’ বাদ দিয়ে যদি মুম্বাই, জালান্দার, পুনে, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, কোচিন, কোলকাতা ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন আবেদন কেন্দ্র থেকে গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদন করলে অতিরিক্ত মাশুল হিসেবে আরও ১৫৪০ ভারতীয় রুপি দিতে হবে। অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ভিসা আবেদনের কুরিয়ার মাশুল বাবদ ১৫৪০ ভারতীয় রুপি নেয়া হয়।

গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ
সার্ভিস
চার্জ
ভিসা আবেদনের চার্জ
৬০ ইউরো/
৪৬২০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ৫২৭০ টাকা
ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ
৮৮৬ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১১১১ টাকা
‘নিউ দিল্লী’ বাদে অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে কুরিয়ার চার্জ
১৫৪০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১৯৩০ টাকা
** ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।  

অবশ্য খেয়াল রাখবেন নিজে নিজে ভিসার জন্য দাঁড়ালে আপনার ভিসা ৯৮% রিফিউজ হবার সম্ভাবনা। অবশ্যই একজন এজেন্টের শরনাপন্ন হোন যার গ্রীস ভিসার ব্যপারে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Monday, May 06, 2019

ইংল্যান্ডে ক্রিকেট দেখার সুজোগ পাবেন যেভাবে

২০১৯ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডে বসবে ক্রিকেটের মেগা আসর ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ৩০ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে জন্য এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে টিকেটের জন্য হাহাকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে সদ্য প্রকাশিত এক কলামে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপের ম্যাচের টিকিটের জন্য পঁচিশ লক্ষেরও বেশি আবেদন পেয়েছে তারা।আইসিসির তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এ প্রতিযোগিতায় টিকিটের জন্য আবেদনের সংখ্যা ছাড়িয়ে তাদের ধারণাকেও। পাবলিক ব্যালট পদ্ধতিতে টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন ষোল লক্ষেরও বেশি মানুষ। দুই ব্যালট মিলিয়ে সংখ্যাটা ঠেকেছে পঁচিশ লক্ষেরও বেশিতে। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলার বাইরে থেকেও সমর্থকেরা আবেদন করেছেন টিকেটের জন্য।
সে যাই হোক বাংলাদেশে যারা ক্রিকেট প্রেমী তারা কিভাবে যাবে ইংল্যান্ডে? এদেশ থেকে তো ইউকে হাইকমিশন চলে গেছে ভারতের দিল্লীতে! কোন সমস্যা নেই, হাইকমিশন নেই তো কি হয়েছে। ভিসার কার্যক্রম তো ঠিকই চলছে। আপনার ভিসা পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। আসল কথা হলো যারা ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসা নিয়ে যেতে চান তারা যে টিকিট পেলেই ভিসা পাবেন এমন নয়। তাদের কিন্তু ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন করতেই হবে। এবং ভিসা হবে গতানুগতিক পদ্ধতিতে। আপনি মনে করবেন না যে, ভিসা ফর্মে খেলা কোন স্টেডিয়ামে বসে দেখবেন এমন কোন প্রশ্ন থাকবে। যে ফর্ম আগে পুরন করতেন সেই একই ফর্ম এখনও পুরন করতে হবে। এবং আপনাকে যেভাবে খতিয়ে দেখে ভিসা ইস্যু করা হতো তার ব্যত্যয় হবেনা।কোনভাবেই আপনার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবেনা। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে সিলেটের বহু এজেন্ট শহরে নানা ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়ছেন।তারা বলছেন টিকেট কাটলেই ভিসা। আবার বলছেন কন্ট্রাক্টে ভিসা ইত্যাদি।আর সিলেটে লন্ডনী শব্দের প্রভাব সম্মোহনের মতো কাজ করে তাই তারা লন্ডন শব্দ শুনলে পাগল হয়ে যায়। আবার সিলেটিদের একটা খারাপ অভ্যাস আছে। তারা খারাপ হোক ভাল হোক সিলেটি ভিসা এজেন্টের কাছ থেকেই পেপার প্রসেস করতে চায়। এই সুজোগে সেই সব ভিসা এজেন্টরাও বেশী দাম হেঁকে থাকে। এরা যদি একটু কষ্ট করে ঢাকার এজেন্টদের কাছে চলে আসে তবে সঠিক তথ্য পায় এবং কম রেটও পায়। এখনও দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট ২০১৯ নিয়েও বিশাল ব্যবসার জাল বিছানো হয়েছে লন্ডনী শহর সিলেটে।
তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোন সিলেটি এজেন্ট কিন্তু ভিসার জন্য হাইকমিশনে কোন ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করতেই পারেনা বরং তারা ভিসা প্রসেসিং এর জন্য ঢাকার ভিসা এজেন্টদের ওপর নির্ভর করে থাকে। যারা সিলেটে থাকেন এবং ইংল্যন্ডে সত্যিকার অর্থে খেলা দেখতে যেতে চান তারা একটু কষ্ট করে ঢাকার বিভিন্ন ভিসা এজেন্টকে ফোন করে সঠিক তথ্য ও রেট জেনে নিতে পারেন।
ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসায় যাবার জন্য আপনাকে কিন্তু গতানুগতিকভাবেই আবেদন করতে হবে। খেয়াল রাখবেন আপনার পাসপোর্টে যদি কোন পূর্ববর্তী ভিসা না থাকে তবে আপনাকে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হতে পারে। সঠিক আবেদন পদ্ধতি জানার জন্য আমাদের নিকট ফোন করুন।যারা সঠিক নিয়মে ভিসার কাজ করছেন তাদের নিকট থেকে ভিসা প্রসেস করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করতে হবে।
এছাড়াও আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের কাছে রয়েছে ইংল্যান্ডের টেম্পোরারী জব ভিসা। 

Saturday, May 04, 2019

রোমানিয়া যাবেন চাকরির খোঁজে

রোমানিয়া বললে আমার কাছে যে সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি উঠে আসে তা হলো কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ। ব্রাম স্টোকার রোমানিয়ার ট্রানসিলভ্যানিয়া, বুকোভ্যানিও ও মলডাভিয়ার সীমান্তপ্রদেশে অবস্থিত কার্পেথিয়ান পর্বতমালায় কাউন্ট ড্রাকুলার নির্জন পোড়ো দুর্গের কথা উল্লেখ করেছেন। অবশ্য রোমানিয়ার বেশীরভাগ বাড়িঘরই এখনও এমনই দেখতে। তবে ব্রাম স্টোকার যেমন লিখেছিলেন আসলে রোমানিয়ার মানুষজন কিন্তু তেমনই।এখনও তারা বড়ো বেশী কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও আমুদে। তারা যেমন অতিথি পছন্দ করেন তেমন পানশালাগুলোতেও অতিথির অভাব নেই। পুরো রোমানিয়াই যেন আনন্দের স্বর্গরাজ্য। তবে রোমানিয়ার সব অঞ্চলের মানুষ এমন নয়। বুঝতে হবে এটি ইউরোপিও দেশ, ইউরোপিয়ান দেশের স্পর্শ তো এখানে থাকবেই। আপনি যদি ঘুরতে এখানে আসেন তবে বলবো আপনি সঠিক জায়গাটিতেই এসেছেন।ঘুরতে আসলে রোমানিয়া হলো স্বর্গ। আর টাকা কামাতে এলে আমি বলবো এখানে থেকে ভাষাটা শিখুন তাহলেই মানুষ আপনাকে কাজ দেবে। অন্ততঃ চলতে পারার মতো কিছুটা ভাষা আপনার জানা দরকার কারন রোমানিয়ার মানুষ ইংরেজী বোঝে না।তবে আপনি কাজ করতে চাইলে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এখানে। ২০১৬ সালে আমরা যখন রোমানিয়ায় যাই তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল দেশে আর না ফিরে এখানেই বিয়ে করে সেটেল্ড হয়ে যাই। এখানকার মেয়েরা এতো সুন্দরী যে না দেখলে অনুমান করতে পারবেন না। আর তাদের ব্যবহারও অতুলনীয়।আপনি খুব সহজে তাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলতে পারবেন ও তাদের কাছ থেকে বিদেশে থাকার ব্যপারে সহায়তা নিতে পারবেন। শুধু রোমানিয়া নয়, পূর্ব ইউরোপিও অঞ্চলে আপনি যদি স্থায়ী হতে চান তবে নারীরাই আপনাকে প্রকৃত সহায়তা দিতে পারবে।
রোমানিয়াতে শহরের চেয়ে গ্রামের সংখ্যাই বেশী, তবে আপনি সেগুলোকে শহর ভেবে ভুল করবেন। প্রতিটা গ্রামই ছবির মতো সুন্দর। শহরের রাস্তার ডান পাশ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয় বিধায় প্রথমে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে যদি আপনি ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে এখানে আসেন বা এখানে গাড়ি কেনেন। আপনি দক্ষ ড্রাইভার হলেও এখানে গাড়ি চালনা আবার শিখতে হবে আপনাকে।
রোমানিয়া পৃথিবীতে মদ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে বিধায় এখানকার মানুষজনের প্রায় সকলেই মদ পান করে।আর রোমানিয়ার মদ বা ওয়াইন পৃথিবীর চমৎকার পানীয় হিসাবে গন্য হয়ে থাকে। আপনার যদি চাকরি করার ইচ্ছে থাকে তবে প্রথমেই এসব শুঁড়িখানার চাকরিই আপনি পাবেন কেননা এসব চাকরি এখানে বেশী পাওয়া যায়। তবে চাকরির অভাব নেই এখানে।অটোমোবাইল, টেক্সটাইল, চামড়াশিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স, আইটিসহ প্রভৃতির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে রোমানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার কারনে সেখানে যাবার জন্য আমাদের দিল্লী গিয়ে ভিসা আবেদন করতে হয়।
অনেকেই তার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারে রোমানিয়া বাজে দেশ, প্রতারকদের দেশ ইত্যাদি।কিন্তু আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি মোটেও তা নয়।বসবাসের জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও আরামদায়ক রাজধানী হলো বুখারেস্ট।আর আপনি যদি রোমানিয়ার কোন পতিতালয়ে গিয়ে ধোকা খেয়ে আসেন বা কোন মদ পান করতে গিয়ে মাতালের সাথে মারামারি করে আসেন তবে অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা হবে আমার চেয়ে ভিন্ন।তবে কেউ যদি টাকা আয় করার জন্য রোমানিয়ায় আসে তবে অবশ্যই আপনার স্বপ্ন ব্যর্থ হবেনা।তবে আসার আগে মুক্তমন নিয়ে আসবেন এবং কিছুটা স্মার্ট হয়ে আসবেন এবং আপনার বিষয়ভিত্তিক কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবেন তাহলে আপনি পৃথিবীর যেকোন জায়গায় গিয়ে সফল হতে পারবেন।

Tuesday, April 30, 2019

লাটভিয়াতে পড়তে গেলে

যদি দেশ সম্পর্কে বলতে হয় তবে বলবো যে ইউরোপের সবগুলো দেশই খুবই সুন্দর।আপনি একটাকে আরেকটার সাথে তুলনা করতে পারবেন না। লাটভিয়া ২০০৪ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ২০০৭ সালে সেনজেন আওতা ভুক্ত হয়। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ ভালো. বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীরা লাটভিয়া সম্পর্কে তেমন জানেনা বিধায় তারা কেবল জার্মানী, ফ্রান্স, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ডেনমার্ক এসব দেশে পড়তে যেতে চায়।  তবে ২০১৯ থেকে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান থেকে প্রচুর ছাত্রছাত্রী লাটভিয়াতে পড়তে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন হলো আপনি যদি জার্মানী, ফ্রান্ড বা সুইডেন যান তবে সেখানে নানা সমস্যা সামনে আসবে যেমন ইমিগ্রেশন নীতিমালা, সিটিজেনশিপ পাবার নিয়ম, বিয়ে করতে না পারা, বিশাল করের বোঝা ইত্যাদি। ওসব দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি বা ব্যবসা করার ওপরও বেশ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। লাটভিয়া এদিক থেকে ভালো।  লাটভিয়াতে বর্তমানে ৫ হাজার এর ওপর লোক আছে যাদের নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যবসায় করছে। লাটভিয়া সেনজেন দেশ হওয়াতে আপনি সেখান থেকে যেকোন ২৭টি দেশে চলে যেতে পারছেন খুব সহজে। সেনজেনে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক বাংলাদেশী পড়াশোনা করছে। আরেকটা বিষয় বলে নেয়া দরকার লাটভিয়ার ব্যপারে। লাটভিয়াতে আপনি যদি পড়াশোনা শেষ করতে পারেন তবে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে বেশী সুজোগ সুবিধা পাবেন। এখানে এক মাস কাজ করলে আপনি বেতন পাবেন ৫৫০ ইউরো থেকে ৬০০ ইউরো যা বাংলা টাকায় ৫৫০০০-৬০০০০ টাকা হবে। যারা মূলত পড়াশোনা করতে আসেন তাদের জন্য পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া খুবই সম্ভব কারন টিউশন ফি কম। সেখানে থাকা ও খাওয়ার খরচও কম, ফলে আপনি যা পার্ট টাইম চাকরি করবেন তার বেশীরভাগই রয়ে যাবে। আরেকটি বড় বিষয় হলো আপনি চাইলে লাটভিয়াতে খুব সহজে বিয়ে করে ইউরোপিয়ান নাগরিকত্ব নিতে পারেন। আর এটি পেতে তেমন কোন সংগ্রাম করতে হয়না জার্মানী বা ফ্রান্সের মতো। পড়াশুনারত অবস্থায়, চাইলে আপনি আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে পারেন। অনেকেই এই বিষয়টি জানেনা। ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে ব্যাঙ্ক এ কিছু টাকা দেখাতে হবে। লাটভিয়ার বেশীরভাগ ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স ও পি এইচ ডি তে পড়াশুনা করতে পারা যায়।
পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইউরোপের অন্যান্য দেশের নিয়মকানুন থেকে লাটভিয়ার নিয়মকানুন একটু সহজ বিধায় ভিসার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে ভিসা পাবার। তবে সবচেয়ে বড়ো ব্যপার, লাটভিয়া হচ্ছে ইউরোপের গেটওয়ে। অনেকেই নামমাত্র পড়াশোনার জন্যে এসে বড়ো বড়ো দেশে চলে যাচ্ছেন। আর এই যাওয়াতে কোন বাধা নেই। আপনি চাইলে লাটভিয়ার বড়ো বড়ো ইউনিভার্সিটির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন দেখতে পারেন তাদের ক্যাম্পাসগুলো বড়ো বড়ো দেশে আছে কিনা। সংক্ষেপে আপনাদের কে ইউনিভার্সিটি তে অপ্প্লিকেসন করতে কি কি ডকুমেন্টস দরকার তা বলে দিচ্ছি।
১#  পাসপোর্ট এর কপি
২#  SSC ও HSC এর সার্টিফিকেট
৩# SSC ও HSC এর মার্ক শীট
৪#  Bachelor এর সার্টিফিকেট ও মার্কশীট ( যারা মাস্টার্স এ আবেদন করবেন )
৫#  Recomendation লেটার
৬# এপ্লিকেশন ফী  ৩০০ ইউরো বা ৪০০ ইউরো
৭#  টিউসন ২০০০-৩২০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি ও কোন বিষয়ের ওপর পড়াশুনা করতে চান তার ওপর।
৮# English language Proficiency যেমন IELTS 5.0- 6 .00, TOFEL -550
তবে লাটভিয়া , লিথুয়ানিয়া , এস্তোনিয়া এর ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ স্কাইপের মাধ্যমে আপনার একটা exam নিয়ে আপনাকে change দিতে পারে। IELTS করা থাকলে ভিসার গারান্টি ১০০% ধরে রাখেন .

Wednesday, April 24, 2019

মাল্টায় পড়তে যাবেন কেন?

মাল্টা বেশ ছোট একটা দেশ অথচ তার কতো নাম । আপনি শুনলে আশ্চর্য হবেন যে মাল্টা আমাদের ঢাকা শহর থেকে কিছুটা বড়ো একটি দেশ । আয়তন ৩১৬ বর্গ কিলোমিটার মাত্র । অথচ এই দেশে যাবার জন্য হন্যে হয়ে থাকে শত শত মানুষ । কেন? কারন হলো এই দ্বীপরাষ্ট ইউরোপে অবস্থিত এবং ইটালীর পাশের একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই ইটালী ঢুকতে পারবেন আপনি । এই দেশে চাকরির পাশাপাশি অনেকেই পড়তে যাচ্ছে । পড়তে যাবার কারনও আছে । প্রথমত ইউরোপিও দেশ বলে এখানে পড়াশোনার মান অতি উন্নত ।

 বর্তমানে বিশ্বের স্বনামধন্য সব দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা মাল্টায় পড়াশোনা করতে আসছে। মাল্টাতে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাল্টাতে ৮টির বেশি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে বিশ্বের ৮০টি দেশ থেকে প্রত্যেক বছর প্রায় ১১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য এসে থাকে।আরও বেশ কয়েকটি কারনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন হলো নিচের কারনগুলোঃ
এখানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডিগ্রি প্রদানকারী অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
তুলনামূলকভাবে স্বল্প টিউশন ফি দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
স্বল্প খরচে বাস করতে পারবেন।
শিক্ষা খাতে নিত্যনতুন বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন।
পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ ও ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন।
আইইএলটিএস ছাড়াও মাল্টায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
অনেক ধরনের কোর্স থেকে নিজের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করে পড়তে পারবেন।
মাল্টায় অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রফেশনাল শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার উপায় রয়েছে। মাল্টায় বেশিরভাগ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই উচ্চ শিক্ষা প্রদান করে থাকে। অ্যাকাডেমিক উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত স্বাধীন বিষয়গুলোতে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে প্রফেশনাল অ্যাক্টিভিটিসের জন্য তারা আপনাকে থিওরিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড প্রদান করবে। তাদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থাও লাতভিয়ার মতো ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অফ অ্যাকাডেমিক এডুকেশনের অন্তর্ভুক্ত। এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করার পর নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর থিসিস করতে পারবেন, যেটা ব্যাচেরলরস ডিগ্রি এবং মাস্টারস ডিগ্রি উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত বিভিন্ন বিষয়ের গভীরে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন করতে পারবেন। তারা বর্তমানে যেসব বিষয় নিয়ে প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রদান করছে সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে আইটি, সিস্টেমস কনফিগারেশন, টেকনোলজিস এন্ড বিজনেস, রিসার্চ এন্ড সাইকোলজি ইত্যাদি। শিক্ষার্থীরা মূলত এক্ষেত্রে যেকোনো একটি বিষয় বাছাই করে সেটার উপর যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিষয়টির গভীরে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করবে।
মাল্টায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে যেসব ডকুমেন্টের প্রয়োজন পড়বে সেগুলো হচ্ছে,
মাল্টার ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে এটা প্রিন্ট করিয়ে হার্ড কপিতেও পূরণ করতে পারবেন।
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ছবিগুলো অবশ্যই সত্যায়িত করতে হবে।
আপনার অরিজিনাল পাসপোর্টের কপি এবং এর পূর্বে অন্য কোথাও ভিজিটের উদ্দেশ্যে গিয়ে থাকলে সেটার কপি।
৩০ হাজার ইউরো ব্যাংক ব্যালেন্সের সাথে ইউরোপিয়ান ট্র্যাভেল ইন্স্যুরেন্সের কনফার্মেশন লেটার।
‘কেন আপনি মাল্টায় যেতে চাইছেন’ এই বিষয়ের উপর একটি কাভার লেটার।
আপনার ফ্লাইট সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও টিকেটের কপি। একইসাথে রিটার্ন টিকেটের কপিও দেখাতে হবে।
মাল্টার অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একটি হোটেল রিসার্ভেশনের কপি।
আপনার সিভিল স্ট্যাটাস বোঝানোর জন্য বিয়ের সার্টিফিকেট অথবা জন্ম নিবন্ধন পত্রের কপি।
এনরোলমেন্টের সত্যায়িত কপি। এক্ষেত্রে সত্যায়িত করে নিলে ভালো হয়।
মাল্টায় যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাইছেন সেখান থেকে লিভ অ্যাপ্রুভাল লেটারের কপি সংগ্রহ করতে হবে।মাল্টার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করার পর, আপনার জন্মদিন ও ভিএলএন নাম্বার দিয়ে ভিসার অবস্থান ট্র্যাকিং করতে পারবেন।ভিসা ও ভর্তির প্রসেসিং হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৮০ থেকে ৯০ দিন লাগতে পারে। অনলাইনে ভিসার আবেদন করার জন্য সর্বোচ্চ ৬০০০০টাকা থেকে ৮০০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অনলাইন ভিসা অ্যাসিস্ট অ্যাকাউন্ট করার জন্য ১০০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা খরচ হবে। বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য ২৫০০ টাকা থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।এরপর আপনার টিউশন ফি পাঠাতে হবে সর্বোচ্চ ৫০০০ থেকে ৭০০০ ইউরো । আপনার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে থাকতে হবে ২৫ লাখ টাকার মতো । সব মিলিয়ে আপনি যদি এই ভিসার কাজটি নিজে করতে যান তবে গলদঘর্মই হতে হবে । তারচেয়ে ভাল একজন ভিসা এজেন্টের সহায়তা নেয়া অনেক সহজ ।

Tuesday, April 23, 2019

বিদেশের জন্য ব্রুনাইকে কেন বেছে নেবেন

বাংলাদেশীদের মধ্যে মালয়শিয়া প্রীতি খুব বেশী । কিন্তু কেন? তারা মুসলমান এজন্য? নাকি অন্য কোন কারন যেমন মিথ্যা প্রলোভন? চাপাচাপি? ভুল যোগাযোগ ইত্যাদি? আমাদের মালয়শিয়া প্রীতি হলে কি হবে মালয়শিয়া কি আমাদের ভালবাসে? ওরা তো পারলে লাথি দিয়ে আমাদের বের করে দেয় । মালয়শিয়ার এয়ারপোর্ট দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ এয়ারপোর্ট । এই এয়ারপোর্টে যার যাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই সে বুঝবেও না যে কতোটা খারাপ জাতি এরা । সে যাই হোক, আমাদের মধ্যে মালয়শিয়া যাবার একটা অন্ধ প্রবনতা আছে সেটাই সবচেয়ে বড়ো কথা, যেমন সৌদি আরব যাবার ব্যাপারে আমাদের মধ্যে ভ্রান্ত অন্ধবিশ্বাস আছে । ওরা তো আমাদের মুসলিম দেশ বলে ছাড় দেয়না তবে আমরা কেন মালয়শিয়া যাই? আপনি কি জানেন যে প্রতিদিন মালয়শিয়া থেকে হাজার হাজার মানুষ মোটর সাইকেলে চলে যায় সিঙ্গাপুরে । এরা আবার সন্ধ্যা হবার আগে আগে ফিরে আসে মালয়শিয়াতে । এভাবে তারা মালয়শিয়া টু সিঙ্গাপুর ডেইলি প্যাসেঞ্জারী করে শুধুমাত্র বেশী টাকা কামানোর জন্য । আর আপনারা মালয়শিয়া যাবার জন্য মহাঝুঁকিপূর্ন
সাগরপথকেও বেছে নিতে পিছপা হন না? এটা কোন ধরনের মহা আকর্ষন জানা না থাকলেও এটা বলতে পারি যে মালয়শিয়ার চেয়ে ব্রুনাই অনেক বেশী লাভজনক একটি দেশ । সবদিক থেকেই ব্রুনাই বর্তমানে মালয়শিয়ার চেয়ে ওপরের অবস্থানে আছে ।


জেনে নিন কেন আপনি কাজের জন্য ব্রুনাইকে অধিক প্রাধান্য দেবেন :
ব্রুনাইয়ের অর্থনীতি খুবই উন্নত। পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশটির শ্রমিকদের ৪০ % বিদেশী। ব্রুনাইয়ে প্রচুর বৈদেশিক শ্রমিক উচ্চ বেতনে বৈধভাবে কাজ করে। অনেক পশ্চিমা দেশের তুলনায় জীবিকার খরচও অনেক কম। বিদেশীদের বিনিয়োগের জন্যও ব্রুনাই অনেক আকর্ষণীয় কারন এর সহজ আয়কর ব্যাবস্থা।
বাংলাদেশী শ্রমিকদের একটা বিষয় হয়ত জানা নেই যে, তুলনা মূলক মালয়শিয়ার থেকে ব্রুনাইয়ের অর্থের মান অনেক বেশি, ব্রুনাই এর এক ডলার = ৬৩ টাকা অপরদিকে মালয়েশিয়ার এক রিঙ্গিত = ২০ টাকা।
তাছাড়া মালয়েশিয়া থেকে কম মূল্যে ব্রুনাইয়ে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যাওয়া যায় । এ ছাড়াও ব্রুনাই তে অনেক সুযোগ সুবিধা আছে। প্রত্যেকটি কোম্পানী থাকার সুব্যাবস্থা, ওভার টাইম, খাওয়া বাবদ আলাদা টাকা, চিকিৎসা ব্যাবস্থা আছে। ব্রুনাইতে চমৎকার একটি লেবার ল বা শ্রমিক আইন আছে যা বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য খুবই উপকারী । মালয়শিয়া প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্থ, পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্থ, কিন্তু ব্রুনাইয়ের প্রশাসন পশ্চিমা সিস্টেম অনুসরন করে বিধায় তাদের দেশে দুর্নীতি নেই ।
আমাদের ধারনা মালয়শিয়ায় অবৈধ ভিসায় গিয়ে পড়ে পড়ে মার খাবার চাইতে চলুন ব্রুনাইতে যাই । অন্তত অমানবিক মালয়শিয়ানদের চেয়ে ব্রুনাইয়ের মানুষজন অনেক বেশী আন্তরিক ও বন্ধুত্বপরায়ন ।

Saturday, April 20, 2019

চেক রিপাবলিকের ভিসা কি হয়?

চেক রিপাবলিকের ভিসা বলতে গেলে ১০০% নিশ্চিত যদি আপনার নামে চেক থেকে ওয়ার্ক পারমিট আসে । তবে সবচেয়ে বড়ো সমস্য হলো চেক রিপাবলিকের জেনুইন ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া গেলেও দিল্লী থেকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেটটি মিলবে না । তাই হাতে সব পেপার নিয়ে আপনাকে একের পর এক দিন শুধু গুনতেই হবে । প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে তাদের মেইল করা হয় যদি ভাগ্য ভাল হয় তবে উত্তর আসবে । একইভাবে টেলিফোনেও এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেবার সিস্টেম রয়েছে কিন্তু ফোন বাজলেও তারা ফোন ওঠায় না । আপনি কোনভাবেই চেক রিপাবলিক এ্যামবাসির ডেট পাবেন না । এটা হয়তঃ তাদের একটি অন্তর্গত পলিসি । সে যাই হোক মূল প্রশ্ন হলো ভিসা কি করা যাবে নাকি? উত্তর হলো জ্বি করা যাবে । বিশেষ কিছু কোম্পানী আছে যাদের ক্ষমতা বেশী তারাই চেক থেকে ফোন দিয়ে দিল্লীর এ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দেয় অথবা চেক পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে স্পনসর নিয়ে ভিসা করিয়ে থাকে । বিষয়টি এখনও অনেক এজেন্টের কাছে অজানা তাই চেক রিপাবলিক ভিসা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে বলে তারা হাল ছেড়ে দিয়ে বসে আছে । 
ফোন বা মেইল এ্যাপয়েন্টমেন্ট যে এজেন্টকেই করতে হবে তার কোন মানে নেই । এটা এমপ্লয়ারও করতে পারেন । পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ও করতে পারেন । মূল কথা হলো আপনার এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া । এ্যাপয়েন্টমেন্ট পেলে আপনার ভিসা সুনিশ্চিত । তাই আমরা সবচেয়ে জোর দেই ভাল কোম্পানী থেকে ওয়ার্ক পারমিট আনার এবং তাদের সাথে কনসাল্ট করার চেষ্ট করি যেন তাদের দেশ থেকেই এ্যাপয়েন্টমেন্টটা নিশ্চিত করা হয় । ফলে আমরা যখন কাজ করি তখন সেই কাজ তিন মাসের ভেতর শেষ করতে পারি । বাংলাদেশের কোন এজেন্ট যখন গাদা গাদা চেক রিপাবলিকের ফাইল নিয়ে বসে আছেন এবং কোনভাবেই এ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট নিতে পারছেন না, তখন ফেব্রুয়ারী মাসেই আমরা চারটি চেক ওয়ার্ক পারমিট ভিসা তুলেছি  এবং এপ্রিলের ষোল তারিখে আরও ছয় জন দিল্লীতে গেছেন ভিসা আনার জন্য । তবে চেক এখনও বেশ কষ্টসাধ্য হিসাবেই আমাদের সামনে আছে । প্রচুর কাজ করার মতো অবস্থা এখনও আমাদের হয়নি । হয়তঃ মাসে চার থেকে পাঁচটি কাজ করা যেতে পারে । কিন্তু এর বেশী নয় । 
শোনা যাচ্ছে চেক রিপাবলিকের জন্য নাকি কোন ডেটের প্রয়োজন হবেনা সামনে । এটা হতে পারে একটা গুজব । বা শোনা কথা । চেক রিপাবলিকের পররাষ্ট দপ্তরে ফোন দিয়ে আমরা জানতে চেয়েছিলাম বিষয়টি সত্য কিনা । তারাও আমাদের কনফার্ম করতে পারেননি বিষয়টি । অর্থাৎ বিষয়টি এখনও গুজব হিসাবেই আমাদের সামনে রয়ে যাচ্ছে । 
তারপরও আপনি যদি চেক রিপাবলিক ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চান তবে আমরা দুটি বিষয় কনফার্ম হয়ে নেবো আপনার বিষয়েঃ
১। আপনি দেখতে কি মোটামুটি হ্যান্ডসাম?
২। আপনি কি মোটামুটি ইংরেজীতে দক্ষ?
এই দুটি দিক বিবেচনা করে আমাদের জানান । আমাদের মেম্বার হোন এবং আপনার রিজিউমটি আমাদের www.visa24bd.com সাইটে আপলোড করে চেক রিপাবলিক ভিসায় অনলাইনে আবেদন করুন আমাদের সাইট থেকেই । আপনার এই দুটি দিক আমরা বিবেচনা করে খুব দ্রুত আমরা কাজ শুরু করবো আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টের মাধ্যমে ।

Wednesday, April 17, 2019

অস্টেলিয়ান ভিসা স্ক্যাম বা প্রতারনার কৌশল সমূহ

নানা সময়ে এদেশে নানা ধরনের ভিসা প্রতারনা দেখা যায় এর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো প্রতারনাটি হলো কানাডা জব ভিসা । তবে আমরা জানতে পেরেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে জব ভিসা হয়ে থাকে এবং আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি ব্যপারটি সত্য । তবে সত্যিকার কাজ খুব কম এজেন্ট করে থাকে, বড়ো কাজ হলো নানা ধরনের কথা বলে ক্লায়েন্টদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া । অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি এখানেও কানাডা জব ভিসার মতো কিছু চক্র গড়ে উঠেছে এবং কিছুটা ভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রতারন করা হচ্ছে । কানাডা জব ভিসার প্রতারনাটি কিছু হলেও বোঝা যায় কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার জব ভিসার প্রতারনা ধরা বেশ কঠিন । আমরা গবেষনামুলক তদন্ত সাপেক্ষে কিছু বিষয় তুলে ধরলাম অস্ট্রেলিয়ার জব ভিসার ব্যাপারে যা অনুসরন করলে আপনিও ধরতে পারবেন যে আপনার সাথে প্রতারনা বা স্ক্যাম করা হচ্ছে ।
এজেন্ট আপনার নিকট থেকে সিকিউরিটি মানি নিতে পারে, এটা অস্বাভাবিক নয় কেননা এজেন্ট এর একটি স্থায়ী অফিস আছে কিন্তু আপনার স্থায়ী আবাসটি পরিক্ষিত নয় । বা আপনি ভিসার পর আপনার মোবাইল নাম্বারটি পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন । তখন আপনাকে কে ধরতে পারবে । কিন্তু একজন এজেন্টকে আপনি ধরতে পারবেন । সে যাই হোক একজন প্রতারক কখনও এজেন্ট হতে পারেনা । এবং আমাদের যতোজন ভেরিফায়েড এজেন্ট আছেন তারা কখনও নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আপনার সাথে করবেন না । 
১ । এজেন্ট যদি বলে পুরো টাকা একসাথে দিতে হবে না হলে ভিসা হবেনা, বা টাকা অস্ট্রেলিয়ায় ট্রান্সফার করতে হবে সেক্ষেত্রে সাবধান হোন কারন অস্টেলিয়ায় যদি এই সিস্টেমটি কানাডার মতোই প্রচলিত আছে তারপরও এই ভিসার ক্ষেত্রে তার কোন নমুনা নেই ।
২ । ETA নামে একটি ভিসা আছে অস্টেলিয়ায় । এই ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরিটি ভিসায় আপনি বড়োজোর অস্ট্রেলিয়ায় এক বছরের মধ্যে যতোবার খুশি যাওয়া আসা করতে পারবেন কিন্তু কোন কাজ করতে পারবেন না । আপনার যদি অস্ট্রেলিয়ায় ঢোকার একান্ত ইচ্ছে থাকে তবে আপনি এই ভিসা নিয়ে ঢুকতে পারেন ।
৩ । অস্ট্রেলিয়াতে আপনি চাকরি বা ব্যবসা উভয়েই করতে পারবেন । চাকরি করতে গেলে আপনার বিজনেস নাম্বার লাগবে না । যদি সেখানে ব্যবসা করেন আমাদের দেশে যেটাকে টিন বলা হয় সেটাকে তারা বলে এবিএন, সেটি লাগবে আপনার জন্য । তবে চাকরিদাতা কখনই আপনার নিকট থেকে এবিএন চাইবেন না ।
৪ । অস্ট্রেলিয়ার চাকরিদাতা তার কাগজপত্র কখনও হাতে লেখা অবস্থায় পাঠাবেন না । তাই কোন কাগজ যদি দেখেন হাতে লেখা বা চাকরিদাতা কোন শর্ত হাতে লিখেছেন তবে সতর্ক হবার সময় হয়েছে আপনার ।
৫ । জব ভিসার ক্ষেত্রে আপনার একটি নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদকাল থাকে, এই মেয়াদকালের মধ্যে যদি আপনি সেখানে চাকরির বৈধতা না বাড়ান তবে আপনাকে সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে । কেউ যদি আপনাকে সেখানকার জব ভিসার সাথে পিআর এর অফার দেয় সেক্ষেত্রেও আপনার সতর্ক হবার সময় হয়েছে ।
৬ । চাকরিদাতা সংস্থার ওয়েবসাইট সবসময় ইংরেজীতে হয় (অস্ট্রেলিয়ার জন্য) এবং তাদের ওয়েব সাইটে কখনও অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক অস্ট্রেলিয়ান কোট অফ আর্মস ব্যবহার করা হয় না । তারা যদি এটি বুঝিয়ে থাকে চাকরিদাতা সংস্থাটি সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত তবে মনে করবেন তারা আপনাকে ইন্টারনেটে ভুল জিনিষ দেখাচ্ছেন ।
৭ ।  অস্ট্রেলিয়ায় চাকরিদাতা সংস্থা কখনও আপনাকে ‘ক্যাশ ইন হ্যান্ড’ বা নগদ টাকায় বেতন দেবার কথা উল্লেখ করবেনা । যদি এমন কিছু তাদের কন্ডিশন ফর্মে উল্লেখ করা হয় তবে বুঝতে হবে আপনার সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে ।
৮। যদি বলা হয় যে, অস্ট্রেলিয়া সরকারের ট্যাক্স ফাইল নাম্বার (টিএফএন)আপনার লাগবে না, তাহলে সতর্ক হন। অস্ট্রেলিয়ায় টিএফএন না থাকলে বেশি আয়কর দিতে হয়। এছাড়া, অন্যান্য সরকারি সুবিধার জন্য আবেদন করতে গেলেও টিএফএন নাম্বার লাগে। ইলেক্ট্রনিকালি ইনকাম ট্যাক্স রিপোর্ট জমা দেওয়া এবং এবিএন নাম্বারের জন্য আবেদন করতে গেলেও টিএফএন লাগে।
৯ । আপনার চাকরিদাতা সংস্থার যদি এবিএন না থাকে তবে সতর্ক হোন । আপনার চাকরিদাতা যেহেতু অস্ট্রেলিয়ায় বিজনেস করছেন তাই তাদের অবশ্যই এবিএন থাকবে ।
১০ । তারা আপনাকে স্কিল নাকি ননস্কিল ভিসায় পাঠাচ্ছে জেনে নিন । কারন তারা যদি স্কিল ক্যাটাগরিতে আপনাকে পাঠায় আর আপনি যদি এসব কোন কাজই না জানেন তবে অস্ট্রেলিয়ার কতৃপক্ষ অবশ্যই আপনাকে রিটার্ন পাঠিয়ে দেবে ।

উপরের এই দশটি বিষয় খেয়াল রাখুন এবং ভিসা প্রসেস করার আগে ভিসা এজেন্টকে এই প্রশ্নগুলো করুন । আমাদের যারা ভেরিফায়েড এজেন্ট আছে তারা এসব মিথ্যা এড়িয়ে চলেন এবং সঠিক তথ্য আপনাকে প্রদান করেন । তাই আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের মাধ্যমে আপনার যেকোন ভিসা প্রসেস করলে আপনাকে ভিসা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করতে হবেনা ।

Saturday, April 13, 2019

আর কি খুলবে মালয়শিয়ার কলিং ভিসা?

Malaysia Calling-মালয়শিয়া ডাকছে । তাও আবার একটি ভিসার নাম । এর মানে কি? এর মানে হলো যারা মালয়শিয়াতে কাজ করতে আসবে বৈধভাবে তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সুবিধা ও বেতন কাঠামো । মালয়শিয়াতে বিদেশী প্রবেশের জন্য ১৫ ধরনের ভিসা রয়েছে । এর মধ্যে চাকরি করার জন্য বিদেশী শ্রমিকগন বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুসরন করে থাকে যেমন ট্রেনিং ভিসা, এমপ্লয়মেন্ট পাস, ডিপি ১০, ডিপি ১১ ও কলিং ভিসা । এর মধ্যে কলিং ভিসার জানাজানি এই দেশে একটু বেশী । এই ভিসা কি তা কেউ জানুক বা না জানুক সেই ভিসা নিয়ে মালয়শিয়া যাবার মানুষের অভাব নেই । ১০+৩=১৩ বছরের ভিসা নবায়নের লেভী নতুন নীতিমালা মানছে না মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়!
নতুন সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১০ বছরের পরবর্তী ৩ বছরের প্রত্যেক বছরের জন্য নতুন লেভী ঘোষনা করা হয়েছিল যেমন ম্যানুফেকচারিং,কনস্টাকশন ও সার্ভিস সেক্টরে ১০,০০০ রিংগিত হতে ৬,০০০ রিংগিত এবং প্লানটেশন ও এগ্রিকালচার শ্রমিকের লেভী ঘোষনা করা হয়েছিল ৩৫০০ থেকে ২০০০ রিংগিত এবং তা কার্যকর করার শেষ তারিখ ছিল,০১/০৩/২০১৯ পর্যবেক্ষণ গত ০৫/০৪/২০১৯ তারিখে নতুন নিয়মে ভিসা নবায়ন করতে গেলে এখনো জানা যায় লেভি ১০,০০০ রিংগিত এবং ৩৫০০ রিংগিত যা আসলেই একটা প্রতারণা হয়রানী ছাড়া কিছু নয়!
মালয়শিয়া বাংলাদেশীদের হয়তঃ মানুষ বলে মনেই করেনা সেই জন্যই এই ধরনের কার্যক্রম করার সুজোগ পায় । এই ধরনের কাজ যদি তারা ভারতের সাথে করতো তবে সেটার শাস্তি তারা তৎক্ষনাত পেয়ে যেত কারন ভারত শক্তিশালী দেশ এবং ভারতের সাথে এমন কিছু করার শক্তিও নেই মালয়শিয়ার । তাছাড়া মালয়শিয়াতে ভারতীয় কমিউনিটি যথেষ্ঠ শক্তিশালী এবং বহু ভারতীয় অনেক উঁচুপদে আসীন । সেই তুলনায় বাংলাদেশীরা কেবল লেবার ছাড়া আর কিছুই নয় । তাদের সেখানে যে কমিউনিটি আছে তা দুর্বল ও নিজেদের মধ্যে কলহ বিবাদ নিয়ে চতুর্বিভক্ত । মালয়শিয়া বাংলাদেশকে নিয়ে বেশ মজা করে এবং বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যায় তখন তারা পিছিয়ে যায় । তাদের একেক সময় একেক কথার কারনে সেখানকার বহু শ্রমিক অনিচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ হয়ে যায় । 
বাংলাদেশে কলিং ভিসা আপাতত বন্ধ  রয়েছে এবং আমাদের বিশ্বাস এটা কোনদিন খুলবে না । বর্তমানে শুধু কলিং ভিসা নয়, মালয়শিয়াতে সকল ধরনের বিদেশ থেকে শ্রমিক আনা বন্ধ রয়েছে অনির্দিষ্ট কালের জন্য । এটাই সত্য এবং আপনাকে এটাই বিশ্বাস করতে হবে । তবে মালয়শিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসায় গিয়ে কাজ করতে পারবেন ।

Tuesday, February 26, 2019

স্বল্প খরচের ভিসা অফার

অনেকেই বলে থাকেন যে আমরা উচ্চমূল্যের ভিসা অফার পোস্ট করি যা সাধারনত সকলের সামর্থের বাইরে থাকে। এদিক দিয়ে চিন্তা করে আমরা কিছু অফার এখানে পোস্ট করলাম যা আপনার সামর্থের মধ্যেই থাকবে আশা করিঃ

মালদ্বীপঃ পেস্ট্রি বা কেক বানাতে পারে এমন লোক দরকার মালদ্বীপের কেক ও পেস্ট্রি শপের জন্য। যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী ইচ্ছে করলে সারাজীবন এইদেশে কাজ করতে পারবে। মাসে ৫০০ ডলার বেতন, আট ঘন্টা ডিউটি, থাকা ও খাওয়া কোম্পানী জোগান দেবে। সপ্তাহে ৬ দিন কাজ করতে হবে। ভিসার পর সব ধরনের পেমেন্ট করতে হবে।

কাতার মহিলা ক্লিনার ভিসাঃ কাতারের বিভিন্ন মার্কেট ও হসপিটালের জন্য মহিলা ক্লিনার দরকার। বেতন কাতারী রিয়ালে ১৩০০ যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩০,০০০ টাকা। মহিলাদের জন্য মহিলা হোস্টেলে থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। প্রথমে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে পাসপোর্টের সাথে ৫০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে এজেন্টকে। এক মাসের মধ্যেই ফ্লাইট হবে। মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রার্থীর নিজেকে বহন করতে হবে। জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

কাতারে ইলেকট্রিশিয়ান ভিসাঃ কাতারের আল জাজিরা কোম্পানীতে ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসাবে জব করতে হবে। বেতন বাংলাদেশী টাকায় ২৮০০০ টাকা। থাকা কোম্পানী প্রদান করবে। খাওয়া নিজের। সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে পাসপোর্টের সাথে ৫০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে এজেন্টকে। এক মাসের মধ্যেই ফ্লাইট হবে। মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রার্থীর নিজেকে বহন করতে হবে। জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

কাতারে ড্রাইভার ভিসাঃ কাতারে লাইট ড্রাইভার হিসাবে জব। যেকোন কোম্পানী বা প্রাইভেট কার ড্রাইভার হিসাবে নিয়োগ। আল লাজারাহ কোম্পানী। ২ বছরের কন্ট্রাক্ট এবং এরপরও বাড়াতে পারা যাবে। ড্রাইভারের লোকাল লাইসেন্স থাকতে হবে। বেতন হিসাবে পাবেন ৭০০ কাতারী রিয়েল যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ হাজার টাকা এবং ২০% কমিশন যা প্রায় দশ হাজার টাকার মতো। এছাড়া থাকা ও খাওয়া কোম্পানী প্রদান করবে। পাসপোর্টের সাথে দিতে হবে ১০ কপি ছবি ও নিরাপত্তা জামানত হিসাবে ৫০ হাজার টাকা। ২৫ দিনের মধ্যে ভিসা হবে। ভিসা অনলাইন হবার পর দিতে হবে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। বাকি টাকা কাতারে যাবার পর এবং কোম্পানীতে জয়েন করার পর প্রদান করবে। ফুল পেমেন্ট ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

কাতারে লেবার ভিসাঃ জাওয়ার আল ভুতা কোম্পানীতে লেবার ভিসায় লোক নেয়া হবে। বেতন ১১০০ রিয়াল। থাকা ফ্রি ও খাওয়া নিজের। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

কাতারে টিবয় ভিসাঃ আল আইল কোম্পানীতে অফিস টি বয় হিসাবে ও ক্লিনার হিসাবে চাকরি। বেতন কাতারী রিয়াল ৭০০ যা বাংলাদেশী টাকায় ১৬০০০ টাকা। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

কাতারে ওয়েটার ভিসাঃ আমওয়াজ কেটারিং কোম্পানীতে ওয়েটার হিসাবে জব। বেতন ১২০০ রিয়াল। বাংলাদেশী টাকায় ২৮ হাজার টাকা। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

GERMAN FAIR VISA

GERMAN FAIR VISA

এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন

এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----রোমানিয়া জব ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----মাল্টার জব ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। যারা পড়াশোনা করেনি তারাও ইওরোপে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। মাত্র ৭ লাখ টাকায় ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। রোমানিয়া থেকে সহজেই যেকোন দেশে চলে যেতে পারার সুবিধা।

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----কসোভো স্টুডেন্ট ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----কসোভো স্টুডেন্ট ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে IELTS প্রয়োজন নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আপনার ইমেইল আইডি লিখে সাবমিট করুন এখানে। নতুন পোস্টের সাথে সাথে ই মেইলে পেয়ে যাবেন সব।

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts