-

নিজে নিজে ভিসা আবেদন করতে ভিজিট করুন www.visa24bd.com
ইউরোপে ঢোকার বড়ো সুজোগ সার্বিয়া স্টুডেন্ট ভিসা। এসএসসি পাশ গ্রহনযোগ্য। দশ বছরের স্টাডি গ্যাপ গ্রহনযোগ্য। যোগাযোগ করুন 01772369451

Newsletter

মাল্টা জব ভিসার কাজ চলছে। দেড় মাসে ভিসা। বেতন ৮০ হাজার টাকা। চেক রিপাবলিক জব ভিসা চলছে। কসাভো স্টুডেন্ট ভিসা। লাটভিয়া স্টুডেন্ট ভিসা। যোগাযোগ করুন 01772369451

Sunday, August 04, 2019

এই মুহুর্তে ইউরোপে ঢোকার বড়ো সুজোগ সার্বিয়া স্টুডেন্ট ভিসা

সার্বিয়ার কথা আমরা অনেক শুনেছি। এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। সার্বিয়ার উত্তরে হাঙ্গেরি, পূর্বে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া, দক্ষিণে আলবেনিয়া ও ম্যাসিডোনিয়া, এবং পশ্চিমে মন্টিনেগ্রো, ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। দেশটির রাজধানী বেলগ্রেড। বর্তমানে আমাদের বিবেচনায় ভিসা প্রাপ্তির দিক থেকে এই দেশটিই ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছে।ইউরোপের প্রতিটা দেশই উন্নত, ক্রম উন্নয়নশীল ধাঁচের। তবে সেনজেনভুক্তির পর যেমন ইউরোপের সাতাশটি দেশ একত্রিত হয়ে একটি ইউনিয়ন ঘোষনা করেছে সার্বিয়া তেমন ইউনিয়নে পড়ে না। তবে সেনজেনভুক্ত না হলেও সার্বিয়া থেকে  হাঙ্গেরি বা রোমানিয়া চলে যাওয়া যায় বলে আমাদের প্রার্থীদের মুখ থেকে খবর পেয়েছি। গত জানুয়ারী মাসে আমাদের বেশ কিছু ছাত্র ভিসা পেয়ে সার্বিয়া গিয়েছে যারা ছিল আমাদের প্রথম অভিজ্ঞতা। পরবর্তীতে তাদের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করে জানতে পারা যায় যে তারা হাঙ্গেরী হয়ে পর্তুগাল চলে গেছে। কিভাবে তারা পর্তুগাল গিয়েছে বা কতো সময়ে কোন পথে তারা গেল এই সকল বিষয় আমাদের অজানা তবে আমরা খুব সহজে আপনাকে সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা পাইয়ে দিতে পারি। সার্বিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার সম্ভাবনা বলতে গেলে ১০০% এবং ভিসা পাবার জন্য আপনাকে ইন্ডিয়াতে সার্বিয়ান কনসুলেটে উপস্থিত হতে হবেনা। বাংলাদেশ থেকে খুব সহজে স্টুডেন্ট ভিসা করিয়ে আনা যায়। আপনার যদি ১০ বছর স্টাডি গ্যাপ থাকে এবং কেবল এসএসসি পাশ হয়ে থাকেন তারপরও আমরা আপনার ভিসা করিয়ে আনতে পারবো। আগে কোন খরচ করতে হবেনা। টিউশন ফি ও বিমান ভাড়া সহ আপনার খরচ হবে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। নিরাপদে স্টুডেন্ট ভিসাতে ইউরোপ প্রবেশের এটিই আমাদের সবচেয়ে সহজ উপায়।

Wednesday, May 08, 2019

গ্রীসের ভিসা কিভাবে সম্ভব

বাংলাদেশীদের জন্য গ্রীস খুবই উপযোগী এক নাম। আমাদের কাছে প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসে এবং বেশীরভাগই বলে থাকেন যে তাদের গন্তব্য গ্রীস। আমাদের জানা নেই তারা গ্রীসকে কেন বেছে নেন ইউরোপে ঢোকার জন্য। তবে একটা কারন আমরা পেয়েছি যা দিয়ে বলা যায় বাংলাদেশীরা কেন গ্রীসে যেতে চায়। সবচেয়ে বড়ো কারন হলো এর তুরস্কের কাছে অবস্থান। এবং তুরস্কে ঢোকা মোটামুটি সহজ হওয়ার কারনে তুরস্ক থেকে তারা এজেন্টের মাধ্যমে গ্রীসে ঢোকার চেষ্টা করে।যদি কেউ ঘুরতে যায় তবে এর ভূমধ্যসাগরীয় তটরেখা ও বেলাভূমিগুলি খুবই বিখ্যাত। শুধু ভ্রমণপ্রিয়াসুরাই নয়, ব্যবসায়িক কাজেও প্রতি বছর অনেকে গ্রিস যান।তবে বাংলাদেশী যারা ঘোরার জন্য গ্রীস যান আমার মনে হয় তারা কোনভাবেই টুরিস্ট নন।তারা ইউরোপে কোনভাবে প্রবেশ করতে চান।বাংলাদেশ থেকে যতো মানুষ গ্রীসে ঢোকে তার ৫% ফেরৎ আসেনা। ফলে গ্রীস ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য অনেক কঠোর। যদি কোন বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে ভ্রমন করতে চায় তবে তাকে দিল্লীতে অবস্থিত ‘ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’ এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

গ্রিসের বিজনেস ভিসা আবেদনের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:
* পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
     পাসপোর্টে কমপক্ষে দুইটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
* ভিসা আবেদনের ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
     আবেদনের ফর্মে গ্রীসের স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর লাগবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় অভিভাবকের স্বাক্ষর  
      ছাড়াও আবেদন করা যায়।
*সাম্প্রতিক তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে,
    - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
    - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে

*ভিসার জন্য আবেদনের সময় ভিসা মাশুল বাবদ ৬০ ইউরো অথবা ৪৬২০ ভারতীয় রুপি অথবা প্রায় ৫২৭০ টাকা  
      জমা দিতে হবে। ( ডিসেম্বর ২০১৮ এর তথ্য)
*ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।
*ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ৮৮৬ ভারতীয় রুপি জমা দিতে হবে।
‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করলে ‘আবেদনের সময় ভিসা চার্জ’ ও ‘ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ’ বাদে আর কোন চার্জ পরিশোধ করতে হবে না। কিন্তু ‘নয়া দিল্লী’ বাদ দিয়ে যদি মুম্বাই, জালান্দার, পুনে, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, কোচিন, কোলকাতা ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন আবেদন কেন্দ্র থেকে গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদন করলে অতিরিক্ত মাশুল হিসেবে আরও ১৫৪০ ভারতীয় রুপি দিতে হবে। অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে ‘নয়া দিল্লী’ ভিএফএস (VFS) ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ভিসা আবেদনের কুরিয়ার মাশুল বাবদ ১৫৪০ ভারতীয় রুপি নেয়া হয়।

গ্রীসের ভিসার জন্য আবেদনের চার্জ
সার্ভিস
চার্জ
ভিসা আবেদনের চার্জ
৬০ ইউরো/
৪৬২০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ৫২৭০ টাকা
ভিসার জন্য সার্ভিস চার্জ
৮৮৬ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১১১১ টাকা
‘নিউ দিল্লী’ বাদে অন্যান্য ভিএফএস (VFS) ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে কুরিয়ার চার্জ
১৫৪০ ভারতীয় রুপি/
প্রায় ১৯৩০ টাকা
** ভিসা মাশুল অফেরতযোগ্য এবং নগদ ভারতীয় রুপিতে পরিশোধ করতে হবে।  

অবশ্য খেয়াল রাখবেন নিজে নিজে ভিসার জন্য দাঁড়ালে আপনার ভিসা ৯৮% রিফিউজ হবার সম্ভাবনা। অবশ্যই একজন এজেন্টের শরনাপন্ন হোন যার গ্রীস ভিসার ব্যপারে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Monday, May 06, 2019

ইংল্যান্ডে ক্রিকেট দেখার সুজোগ পাবেন যেভাবে

২০১৯ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডে বসবে ক্রিকেটের মেগা আসর ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ৩০ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে জন্য এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে টিকেটের জন্য হাহাকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে সদ্য প্রকাশিত এক কলামে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপের ম্যাচের টিকিটের জন্য পঁচিশ লক্ষেরও বেশি আবেদন পেয়েছে তারা।আইসিসির তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এ প্রতিযোগিতায় টিকিটের জন্য আবেদনের সংখ্যা ছাড়িয়ে তাদের ধারণাকেও। পাবলিক ব্যালট পদ্ধতিতে টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন ষোল লক্ষেরও বেশি মানুষ। দুই ব্যালট মিলিয়ে সংখ্যাটা ঠেকেছে পঁচিশ লক্ষেরও বেশিতে। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলার বাইরে থেকেও সমর্থকেরা আবেদন করেছেন টিকেটের জন্য।
সে যাই হোক বাংলাদেশে যারা ক্রিকেট প্রেমী তারা কিভাবে যাবে ইংল্যান্ডে? এদেশ থেকে তো ইউকে হাইকমিশন চলে গেছে ভারতের দিল্লীতে! কোন সমস্যা নেই, হাইকমিশন নেই তো কি হয়েছে। ভিসার কার্যক্রম তো ঠিকই চলছে। আপনার ভিসা পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। আসল কথা হলো যারা ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসা নিয়ে যেতে চান তারা যে টিকিট পেলেই ভিসা পাবেন এমন নয়। তাদের কিন্তু ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন করতেই হবে। এবং ভিসা হবে গতানুগতিক পদ্ধতিতে। আপনি মনে করবেন না যে, ভিসা ফর্মে খেলা কোন স্টেডিয়ামে বসে দেখবেন এমন কোন প্রশ্ন থাকবে। যে ফর্ম আগে পুরন করতেন সেই একই ফর্ম এখনও পুরন করতে হবে। এবং আপনাকে যেভাবে খতিয়ে দেখে ভিসা ইস্যু করা হতো তার ব্যত্যয় হবেনা।কোনভাবেই আপনার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবেনা। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে সিলেটের বহু এজেন্ট শহরে নানা ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়ছেন।তারা বলছেন টিকেট কাটলেই ভিসা। আবার বলছেন কন্ট্রাক্টে ভিসা ইত্যাদি।আর সিলেটে লন্ডনী শব্দের প্রভাব সম্মোহনের মতো কাজ করে তাই তারা লন্ডন শব্দ শুনলে পাগল হয়ে যায়। আবার সিলেটিদের একটা খারাপ অভ্যাস আছে। তারা খারাপ হোক ভাল হোক সিলেটি ভিসা এজেন্টের কাছ থেকেই পেপার প্রসেস করতে চায়। এই সুজোগে সেই সব ভিসা এজেন্টরাও বেশী দাম হেঁকে থাকে। এরা যদি একটু কষ্ট করে ঢাকার এজেন্টদের কাছে চলে আসে তবে সঠিক তথ্য পায় এবং কম রেটও পায়। এখনও দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট ২০১৯ নিয়েও বিশাল ব্যবসার জাল বিছানো হয়েছে লন্ডনী শহর সিলেটে।
তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোন সিলেটি এজেন্ট কিন্তু ভিসার জন্য হাইকমিশনে কোন ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করতেই পারেনা বরং তারা ভিসা প্রসেসিং এর জন্য ঢাকার ভিসা এজেন্টদের ওপর নির্ভর করে থাকে। যারা সিলেটে থাকেন এবং ইংল্যন্ডে সত্যিকার অর্থে খেলা দেখতে যেতে চান তারা একটু কষ্ট করে ঢাকার বিভিন্ন ভিসা এজেন্টকে ফোন করে সঠিক তথ্য ও রেট জেনে নিতে পারেন।
ইংল্যান্ডে ভিজিট ভিসায় যাবার জন্য আপনাকে কিন্তু গতানুগতিকভাবেই আবেদন করতে হবে। খেয়াল রাখবেন আপনার পাসপোর্টে যদি কোন পূর্ববর্তী ভিসা না থাকে তবে আপনাকে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হতে পারে। সঠিক আবেদন পদ্ধতি জানার জন্য আমাদের নিকট ফোন করুন।যারা সঠিক নিয়মে ভিসার কাজ করছেন তাদের নিকট থেকে ভিসা প্রসেস করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করতে হবে।
এছাড়াও আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের কাছে রয়েছে ইংল্যান্ডের টেম্পোরারী জব ভিসা। 

Saturday, May 04, 2019

রোমানিয়া যাবেন চাকরির খোঁজে

রোমানিয়া বললে আমার কাছে যে সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি উঠে আসে তা হলো কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ। ব্রাম স্টোকার রোমানিয়ার ট্রানসিলভ্যানিয়া, বুকোভ্যানিও ও মলডাভিয়ার সীমান্তপ্রদেশে অবস্থিত কার্পেথিয়ান পর্বতমালায় কাউন্ট ড্রাকুলার নির্জন পোড়ো দুর্গের কথা উল্লেখ করেছেন। অবশ্য রোমানিয়ার বেশীরভাগ বাড়িঘরই এখনও এমনই দেখতে। তবে ব্রাম স্টোকার যেমন লিখেছিলেন আসলে রোমানিয়ার মানুষজন কিন্তু তেমনই।এখনও তারা বড়ো বেশী কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও আমুদে। তারা যেমন অতিথি পছন্দ করেন তেমন পানশালাগুলোতেও অতিথির অভাব নেই। পুরো রোমানিয়াই যেন আনন্দের স্বর্গরাজ্য। তবে রোমানিয়ার সব অঞ্চলের মানুষ এমন নয়। বুঝতে হবে এটি ইউরোপিও দেশ, ইউরোপিয়ান দেশের স্পর্শ তো এখানে থাকবেই। আপনি যদি ঘুরতে এখানে আসেন তবে বলবো আপনি সঠিক জায়গাটিতেই এসেছেন।ঘুরতে আসলে রোমানিয়া হলো স্বর্গ। আর টাকা কামাতে এলে আমি বলবো এখানে থেকে ভাষাটা শিখুন তাহলেই মানুষ আপনাকে কাজ দেবে। অন্ততঃ চলতে পারার মতো কিছুটা ভাষা আপনার জানা দরকার কারন রোমানিয়ার মানুষ ইংরেজী বোঝে না।তবে আপনি কাজ করতে চাইলে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এখানে। ২০১৬ সালে আমরা যখন রোমানিয়ায় যাই তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল দেশে আর না ফিরে এখানেই বিয়ে করে সেটেল্ড হয়ে যাই। এখানকার মেয়েরা এতো সুন্দরী যে না দেখলে অনুমান করতে পারবেন না। আর তাদের ব্যবহারও অতুলনীয়।আপনি খুব সহজে তাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলতে পারবেন ও তাদের কাছ থেকে বিদেশে থাকার ব্যপারে সহায়তা নিতে পারবেন। শুধু রোমানিয়া নয়, পূর্ব ইউরোপিও অঞ্চলে আপনি যদি স্থায়ী হতে চান তবে নারীরাই আপনাকে প্রকৃত সহায়তা দিতে পারবে।
রোমানিয়াতে শহরের চেয়ে গ্রামের সংখ্যাই বেশী, তবে আপনি সেগুলোকে শহর ভেবে ভুল করবেন। প্রতিটা গ্রামই ছবির মতো সুন্দর। শহরের রাস্তার ডান পাশ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয় বিধায় প্রথমে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে যদি আপনি ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে এখানে আসেন বা এখানে গাড়ি কেনেন। আপনি দক্ষ ড্রাইভার হলেও এখানে গাড়ি চালনা আবার শিখতে হবে আপনাকে।
রোমানিয়া পৃথিবীতে মদ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে বিধায় এখানকার মানুষজনের প্রায় সকলেই মদ পান করে।আর রোমানিয়ার মদ বা ওয়াইন পৃথিবীর চমৎকার পানীয় হিসাবে গন্য হয়ে থাকে। আপনার যদি চাকরি করার ইচ্ছে থাকে তবে প্রথমেই এসব শুঁড়িখানার চাকরিই আপনি পাবেন কেননা এসব চাকরি এখানে বেশী পাওয়া যায়। তবে চাকরির অভাব নেই এখানে।অটোমোবাইল, টেক্সটাইল, চামড়াশিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স, আইটিসহ প্রভৃতির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে রোমানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার কারনে সেখানে যাবার জন্য আমাদের দিল্লী গিয়ে ভিসা আবেদন করতে হয়।
অনেকেই তার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারে রোমানিয়া বাজে দেশ, প্রতারকদের দেশ ইত্যাদি।কিন্তু আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি মোটেও তা নয়।বসবাসের জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও আরামদায়ক রাজধানী হলো বুখারেস্ট।আর আপনি যদি রোমানিয়ার কোন পতিতালয়ে গিয়ে ধোকা খেয়ে আসেন বা কোন মদ পান করতে গিয়ে মাতালের সাথে মারামারি করে আসেন তবে অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা হবে আমার চেয়ে ভিন্ন।তবে কেউ যদি টাকা আয় করার জন্য রোমানিয়ায় আসে তবে অবশ্যই আপনার স্বপ্ন ব্যর্থ হবেনা।তবে আসার আগে মুক্তমন নিয়ে আসবেন এবং কিছুটা স্মার্ট হয়ে আসবেন এবং আপনার বিষয়ভিত্তিক কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবেন তাহলে আপনি পৃথিবীর যেকোন জায়গায় গিয়ে সফল হতে পারবেন।

Tuesday, April 30, 2019

লাটভিয়াতে পড়তে গেলে

যদি দেশ সম্পর্কে বলতে হয় তবে বলবো যে ইউরোপের সবগুলো দেশই খুবই সুন্দর।আপনি একটাকে আরেকটার সাথে তুলনা করতে পারবেন না। লাটভিয়া ২০০৪ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ২০০৭ সালে সেনজেন আওতা ভুক্ত হয়। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ ভালো. বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীরা লাটভিয়া সম্পর্কে তেমন জানেনা বিধায় তারা কেবল জার্মানী, ফ্রান্স, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ডেনমার্ক এসব দেশে পড়তে যেতে চায়।  তবে ২০১৯ থেকে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান থেকে প্রচুর ছাত্রছাত্রী লাটভিয়াতে পড়তে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন হলো আপনি যদি জার্মানী, ফ্রান্ড বা সুইডেন যান তবে সেখানে নানা সমস্যা সামনে আসবে যেমন ইমিগ্রেশন নীতিমালা, সিটিজেনশিপ পাবার নিয়ম, বিয়ে করতে না পারা, বিশাল করের বোঝা ইত্যাদি। ওসব দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি বা ব্যবসা করার ওপরও বেশ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। লাটভিয়া এদিক থেকে ভালো।  লাটভিয়াতে বর্তমানে ৫ হাজার এর ওপর লোক আছে যাদের নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যবসায় করছে। লাটভিয়া সেনজেন দেশ হওয়াতে আপনি সেখান থেকে যেকোন ২৭টি দেশে চলে যেতে পারছেন খুব সহজে। সেনজেনে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক বাংলাদেশী পড়াশোনা করছে। আরেকটা বিষয় বলে নেয়া দরকার লাটভিয়ার ব্যপারে। লাটভিয়াতে আপনি যদি পড়াশোনা শেষ করতে পারেন তবে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে বেশী সুজোগ সুবিধা পাবেন। এখানে এক মাস কাজ করলে আপনি বেতন পাবেন ৫৫০ ইউরো থেকে ৬০০ ইউরো যা বাংলা টাকায় ৫৫০০০-৬০০০০ টাকা হবে। যারা মূলত পড়াশোনা করতে আসেন তাদের জন্য পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া খুবই সম্ভব কারন টিউশন ফি কম। সেখানে থাকা ও খাওয়ার খরচও কম, ফলে আপনি যা পার্ট টাইম চাকরি করবেন তার বেশীরভাগই রয়ে যাবে। আরেকটি বড় বিষয় হলো আপনি চাইলে লাটভিয়াতে খুব সহজে বিয়ে করে ইউরোপিয়ান নাগরিকত্ব নিতে পারেন। আর এটি পেতে তেমন কোন সংগ্রাম করতে হয়না জার্মানী বা ফ্রান্সের মতো। পড়াশুনারত অবস্থায়, চাইলে আপনি আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে পারেন। অনেকেই এই বিষয়টি জানেনা। ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে ব্যাঙ্ক এ কিছু টাকা দেখাতে হবে। লাটভিয়ার বেশীরভাগ ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স ও পি এইচ ডি তে পড়াশুনা করতে পারা যায়।
পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইউরোপের অন্যান্য দেশের নিয়মকানুন থেকে লাটভিয়ার নিয়মকানুন একটু সহজ বিধায় ভিসার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে ভিসা পাবার। তবে সবচেয়ে বড়ো ব্যপার, লাটভিয়া হচ্ছে ইউরোপের গেটওয়ে। অনেকেই নামমাত্র পড়াশোনার জন্যে এসে বড়ো বড়ো দেশে চলে যাচ্ছেন। আর এই যাওয়াতে কোন বাধা নেই। আপনি চাইলে লাটভিয়ার বড়ো বড়ো ইউনিভার্সিটির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন দেখতে পারেন তাদের ক্যাম্পাসগুলো বড়ো বড়ো দেশে আছে কিনা। সংক্ষেপে আপনাদের কে ইউনিভার্সিটি তে অপ্প্লিকেসন করতে কি কি ডকুমেন্টস দরকার তা বলে দিচ্ছি।
১#  পাসপোর্ট এর কপি
২#  SSC ও HSC এর সার্টিফিকেট
৩# SSC ও HSC এর মার্ক শীট
৪#  Bachelor এর সার্টিফিকেট ও মার্কশীট ( যারা মাস্টার্স এ আবেদন করবেন )
৫#  Recomendation লেটার
৬# এপ্লিকেশন ফী  ৩০০ ইউরো বা ৪০০ ইউরো
৭#  টিউসন ২০০০-৩২০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি ও কোন বিষয়ের ওপর পড়াশুনা করতে চান তার ওপর।
৮# English language Proficiency যেমন IELTS 5.0- 6 .00, TOFEL -550
তবে লাটভিয়া , লিথুয়ানিয়া , এস্তোনিয়া এর ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ স্কাইপের মাধ্যমে আপনার একটা exam নিয়ে আপনাকে change দিতে পারে। IELTS করা থাকলে ভিসার গারান্টি ১০০% ধরে রাখেন .

Wednesday, April 24, 2019

মাল্টায় পড়তে যাবেন কেন?

মাল্টা বেশ ছোট একটা দেশ অথচ তার কতো নাম । আপনি শুনলে আশ্চর্য হবেন যে মাল্টা আমাদের ঢাকা শহর থেকে কিছুটা বড়ো একটি দেশ । আয়তন ৩১৬ বর্গ কিলোমিটার মাত্র । অথচ এই দেশে যাবার জন্য হন্যে হয়ে থাকে শত শত মানুষ । কেন? কারন হলো এই দ্বীপরাষ্ট ইউরোপে অবস্থিত এবং ইটালীর পাশের একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই ইটালী ঢুকতে পারবেন আপনি । এই দেশে চাকরির পাশাপাশি অনেকেই পড়তে যাচ্ছে । পড়তে যাবার কারনও আছে । প্রথমত ইউরোপিও দেশ বলে এখানে পড়াশোনার মান অতি উন্নত ।

 বর্তমানে বিশ্বের স্বনামধন্য সব দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা মাল্টায় পড়াশোনা করতে আসছে। মাল্টাতে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাল্টাতে ৮টির বেশি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে বিশ্বের ৮০টি দেশ থেকে প্রত্যেক বছর প্রায় ১১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য এসে থাকে।আরও বেশ কয়েকটি কারনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন হলো নিচের কারনগুলোঃ
এখানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডিগ্রি প্রদানকারী অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
তুলনামূলকভাবে স্বল্প টিউশন ফি দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
স্বল্প খরচে বাস করতে পারবেন।
শিক্ষা খাতে নিত্যনতুন বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন।
পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ ও ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন।
আইইএলটিএস ছাড়াও মাল্টায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
অনেক ধরনের কোর্স থেকে নিজের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করে পড়তে পারবেন।
মাল্টায় অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রফেশনাল শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার উপায় রয়েছে। মাল্টায় বেশিরভাগ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই উচ্চ শিক্ষা প্রদান করে থাকে। অ্যাকাডেমিক উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত স্বাধীন বিষয়গুলোতে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে প্রফেশনাল অ্যাক্টিভিটিসের জন্য তারা আপনাকে থিওরিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড প্রদান করবে। তাদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থাও লাতভিয়ার মতো ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অফ অ্যাকাডেমিক এডুকেশনের অন্তর্ভুক্ত। এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করার পর নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর থিসিস করতে পারবেন, যেটা ব্যাচেরলরস ডিগ্রি এবং মাস্টারস ডিগ্রি উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত বিভিন্ন বিষয়ের গভীরে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন করতে পারবেন। তারা বর্তমানে যেসব বিষয় নিয়ে প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রদান করছে সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে আইটি, সিস্টেমস কনফিগারেশন, টেকনোলজিস এন্ড বিজনেস, রিসার্চ এন্ড সাইকোলজি ইত্যাদি। শিক্ষার্থীরা মূলত এক্ষেত্রে যেকোনো একটি বিষয় বাছাই করে সেটার উপর যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিষয়টির গভীরে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করবে।
মাল্টায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে যেসব ডকুমেন্টের প্রয়োজন পড়বে সেগুলো হচ্ছে,
মাল্টার ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে এটা প্রিন্ট করিয়ে হার্ড কপিতেও পূরণ করতে পারবেন।
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ছবিগুলো অবশ্যই সত্যায়িত করতে হবে।
আপনার অরিজিনাল পাসপোর্টের কপি এবং এর পূর্বে অন্য কোথাও ভিজিটের উদ্দেশ্যে গিয়ে থাকলে সেটার কপি।
৩০ হাজার ইউরো ব্যাংক ব্যালেন্সের সাথে ইউরোপিয়ান ট্র্যাভেল ইন্স্যুরেন্সের কনফার্মেশন লেটার।
‘কেন আপনি মাল্টায় যেতে চাইছেন’ এই বিষয়ের উপর একটি কাভার লেটার।
আপনার ফ্লাইট সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও টিকেটের কপি। একইসাথে রিটার্ন টিকেটের কপিও দেখাতে হবে।
মাল্টার অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একটি হোটেল রিসার্ভেশনের কপি।
আপনার সিভিল স্ট্যাটাস বোঝানোর জন্য বিয়ের সার্টিফিকেট অথবা জন্ম নিবন্ধন পত্রের কপি।
এনরোলমেন্টের সত্যায়িত কপি। এক্ষেত্রে সত্যায়িত করে নিলে ভালো হয়।
মাল্টায় যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাইছেন সেখান থেকে লিভ অ্যাপ্রুভাল লেটারের কপি সংগ্রহ করতে হবে।মাল্টার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করার পর, আপনার জন্মদিন ও ভিএলএন নাম্বার দিয়ে ভিসার অবস্থান ট্র্যাকিং করতে পারবেন।ভিসা ও ভর্তির প্রসেসিং হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৮০ থেকে ৯০ দিন লাগতে পারে। অনলাইনে ভিসার আবেদন করার জন্য সর্বোচ্চ ৬০০০০টাকা থেকে ৮০০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অনলাইন ভিসা অ্যাসিস্ট অ্যাকাউন্ট করার জন্য ১০০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা খরচ হবে। বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য ২৫০০ টাকা থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।এরপর আপনার টিউশন ফি পাঠাতে হবে সর্বোচ্চ ৫০০০ থেকে ৭০০০ ইউরো । আপনার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে থাকতে হবে ২৫ লাখ টাকার মতো । সব মিলিয়ে আপনি যদি এই ভিসার কাজটি নিজে করতে যান তবে গলদঘর্মই হতে হবে । তারচেয়ে ভাল একজন ভিসা এজেন্টের সহায়তা নেয়া অনেক সহজ ।

Tuesday, April 23, 2019

বিদেশের জন্য ব্রুনাইকে কেন বেছে নেবেন

বাংলাদেশীদের মধ্যে মালয়শিয়া প্রীতি খুব বেশী । কিন্তু কেন? তারা মুসলমান এজন্য? নাকি অন্য কোন কারন যেমন মিথ্যা প্রলোভন? চাপাচাপি? ভুল যোগাযোগ ইত্যাদি? আমাদের মালয়শিয়া প্রীতি হলে কি হবে মালয়শিয়া কি আমাদের ভালবাসে? ওরা তো পারলে লাথি দিয়ে আমাদের বের করে দেয় । মালয়শিয়ার এয়ারপোর্ট দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ এয়ারপোর্ট । এই এয়ারপোর্টে যার যাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই সে বুঝবেও না যে কতোটা খারাপ জাতি এরা । সে যাই হোক, আমাদের মধ্যে মালয়শিয়া যাবার একটা অন্ধ প্রবনতা আছে সেটাই সবচেয়ে বড়ো কথা, যেমন সৌদি আরব যাবার ব্যাপারে আমাদের মধ্যে ভ্রান্ত অন্ধবিশ্বাস আছে । ওরা তো আমাদের মুসলিম দেশ বলে ছাড় দেয়না তবে আমরা কেন মালয়শিয়া যাই? আপনি কি জানেন যে প্রতিদিন মালয়শিয়া থেকে হাজার হাজার মানুষ মোটর সাইকেলে চলে যায় সিঙ্গাপুরে । এরা আবার সন্ধ্যা হবার আগে আগে ফিরে আসে মালয়শিয়াতে । এভাবে তারা মালয়শিয়া টু সিঙ্গাপুর ডেইলি প্যাসেঞ্জারী করে শুধুমাত্র বেশী টাকা কামানোর জন্য । আর আপনারা মালয়শিয়া যাবার জন্য মহাঝুঁকিপূর্ন
সাগরপথকেও বেছে নিতে পিছপা হন না? এটা কোন ধরনের মহা আকর্ষন জানা না থাকলেও এটা বলতে পারি যে মালয়শিয়ার চেয়ে ব্রুনাই অনেক বেশী লাভজনক একটি দেশ । সবদিক থেকেই ব্রুনাই বর্তমানে মালয়শিয়ার চেয়ে ওপরের অবস্থানে আছে ।


জেনে নিন কেন আপনি কাজের জন্য ব্রুনাইকে অধিক প্রাধান্য দেবেন :
ব্রুনাইয়ের অর্থনীতি খুবই উন্নত। পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশটির শ্রমিকদের ৪০ % বিদেশী। ব্রুনাইয়ে প্রচুর বৈদেশিক শ্রমিক উচ্চ বেতনে বৈধভাবে কাজ করে। অনেক পশ্চিমা দেশের তুলনায় জীবিকার খরচও অনেক কম। বিদেশীদের বিনিয়োগের জন্যও ব্রুনাই অনেক আকর্ষণীয় কারন এর সহজ আয়কর ব্যাবস্থা।
বাংলাদেশী শ্রমিকদের একটা বিষয় হয়ত জানা নেই যে, তুলনা মূলক মালয়শিয়ার থেকে ব্রুনাইয়ের অর্থের মান অনেক বেশি, ব্রুনাই এর এক ডলার = ৬৩ টাকা অপরদিকে মালয়েশিয়ার এক রিঙ্গিত = ২০ টাকা।
তাছাড়া মালয়েশিয়া থেকে কম মূল্যে ব্রুনাইয়ে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যাওয়া যায় । এ ছাড়াও ব্রুনাই তে অনেক সুযোগ সুবিধা আছে। প্রত্যেকটি কোম্পানী থাকার সুব্যাবস্থা, ওভার টাইম, খাওয়া বাবদ আলাদা টাকা, চিকিৎসা ব্যাবস্থা আছে। ব্রুনাইতে চমৎকার একটি লেবার ল বা শ্রমিক আইন আছে যা বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য খুবই উপকারী । মালয়শিয়া প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্থ, পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্থ, কিন্তু ব্রুনাইয়ের প্রশাসন পশ্চিমা সিস্টেম অনুসরন করে বিধায় তাদের দেশে দুর্নীতি নেই ।
আমাদের ধারনা মালয়শিয়ায় অবৈধ ভিসায় গিয়ে পড়ে পড়ে মার খাবার চাইতে চলুন ব্রুনাইতে যাই । অন্তত অমানবিক মালয়শিয়ানদের চেয়ে ব্রুনাইয়ের মানুষজন অনেক বেশী আন্তরিক ও বন্ধুত্বপরায়ন ।

Saturday, April 20, 2019

চেক রিপাবলিকের ভিসা কি হয়?

চেক রিপাবলিকের ভিসা বলতে গেলে ১০০% নিশ্চিত যদি আপনার নামে চেক থেকে ওয়ার্ক পারমিট আসে । তবে সবচেয়ে বড়ো সমস্য হলো চেক রিপাবলিকের জেনুইন ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া গেলেও দিল্লী থেকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেটটি মিলবে না । তাই হাতে সব পেপার নিয়ে আপনাকে একের পর এক দিন শুধু গুনতেই হবে । প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে তাদের মেইল করা হয় যদি ভাগ্য ভাল হয় তবে উত্তর আসবে । একইভাবে টেলিফোনেও এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেবার সিস্টেম রয়েছে কিন্তু ফোন বাজলেও তারা ফোন ওঠায় না । আপনি কোনভাবেই চেক রিপাবলিক এ্যামবাসির ডেট পাবেন না । এটা হয়তঃ তাদের একটি অন্তর্গত পলিসি । সে যাই হোক মূল প্রশ্ন হলো ভিসা কি করা যাবে নাকি? উত্তর হলো জ্বি করা যাবে । বিশেষ কিছু কোম্পানী আছে যাদের ক্ষমতা বেশী তারাই চেক থেকে ফোন দিয়ে দিল্লীর এ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দেয় অথবা চেক পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে স্পনসর নিয়ে ভিসা করিয়ে থাকে । বিষয়টি এখনও অনেক এজেন্টের কাছে অজানা তাই চেক রিপাবলিক ভিসা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে বলে তারা হাল ছেড়ে দিয়ে বসে আছে । 
ফোন বা মেইল এ্যাপয়েন্টমেন্ট যে এজেন্টকেই করতে হবে তার কোন মানে নেই । এটা এমপ্লয়ারও করতে পারেন । পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ও করতে পারেন । মূল কথা হলো আপনার এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া । এ্যাপয়েন্টমেন্ট পেলে আপনার ভিসা সুনিশ্চিত । তাই আমরা সবচেয়ে জোর দেই ভাল কোম্পানী থেকে ওয়ার্ক পারমিট আনার এবং তাদের সাথে কনসাল্ট করার চেষ্ট করি যেন তাদের দেশ থেকেই এ্যাপয়েন্টমেন্টটা নিশ্চিত করা হয় । ফলে আমরা যখন কাজ করি তখন সেই কাজ তিন মাসের ভেতর শেষ করতে পারি । বাংলাদেশের কোন এজেন্ট যখন গাদা গাদা চেক রিপাবলিকের ফাইল নিয়ে বসে আছেন এবং কোনভাবেই এ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট নিতে পারছেন না, তখন ফেব্রুয়ারী মাসেই আমরা চারটি চেক ওয়ার্ক পারমিট ভিসা তুলেছি  এবং এপ্রিলের ষোল তারিখে আরও ছয় জন দিল্লীতে গেছেন ভিসা আনার জন্য । তবে চেক এখনও বেশ কষ্টসাধ্য হিসাবেই আমাদের সামনে আছে । প্রচুর কাজ করার মতো অবস্থা এখনও আমাদের হয়নি । হয়তঃ মাসে চার থেকে পাঁচটি কাজ করা যেতে পারে । কিন্তু এর বেশী নয় । 
শোনা যাচ্ছে চেক রিপাবলিকের জন্য নাকি কোন ডেটের প্রয়োজন হবেনা সামনে । এটা হতে পারে একটা গুজব । বা শোনা কথা । চেক রিপাবলিকের পররাষ্ট দপ্তরে ফোন দিয়ে আমরা জানতে চেয়েছিলাম বিষয়টি সত্য কিনা । তারাও আমাদের কনফার্ম করতে পারেননি বিষয়টি । অর্থাৎ বিষয়টি এখনও গুজব হিসাবেই আমাদের সামনে রয়ে যাচ্ছে । 
তারপরও আপনি যদি চেক রিপাবলিক ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চান তবে আমরা দুটি বিষয় কনফার্ম হয়ে নেবো আপনার বিষয়েঃ
১। আপনি দেখতে কি মোটামুটি হ্যান্ডসাম?
২। আপনি কি মোটামুটি ইংরেজীতে দক্ষ?
এই দুটি দিক বিবেচনা করে আমাদের জানান । আমাদের মেম্বার হোন এবং আপনার রিজিউমটি আমাদের www.visa24bd.com সাইটে আপলোড করে চেক রিপাবলিক ভিসায় অনলাইনে আবেদন করুন আমাদের সাইট থেকেই । আপনার এই দুটি দিক আমরা বিবেচনা করে খুব দ্রুত আমরা কাজ শুরু করবো আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টের মাধ্যমে ।

Wednesday, April 17, 2019

অস্টেলিয়ান ভিসা স্ক্যাম বা প্রতারনার কৌশল সমূহ

নানা সময়ে এদেশে নানা ধরনের ভিসা প্রতারনা দেখা যায় এর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো প্রতারনাটি হলো কানাডা জব ভিসা । তবে আমরা জানতে পেরেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে জব ভিসা হয়ে থাকে এবং আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি ব্যপারটি সত্য । তবে সত্যিকার কাজ খুব কম এজেন্ট করে থাকে, বড়ো কাজ হলো নানা ধরনের কথা বলে ক্লায়েন্টদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া । অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি এখানেও কানাডা জব ভিসার মতো কিছু চক্র গড়ে উঠেছে এবং কিছুটা ভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রতারন করা হচ্ছে । কানাডা জব ভিসার প্রতারনাটি কিছু হলেও বোঝা যায় কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার জব ভিসার প্রতারনা ধরা বেশ কঠিন । আমরা গবেষনামুলক তদন্ত সাপেক্ষে কিছু বিষয় তুলে ধরলাম অস্ট্রেলিয়ার জব ভিসার ব্যাপারে যা অনুসরন করলে আপনিও ধরতে পারবেন যে আপনার সাথে প্রতারনা বা স্ক্যাম করা হচ্ছে ।
এজেন্ট আপনার নিকট থেকে সিকিউরিটি মানি নিতে পারে, এটা অস্বাভাবিক নয় কেননা এজেন্ট এর একটি স্থায়ী অফিস আছে কিন্তু আপনার স্থায়ী আবাসটি পরিক্ষিত নয় । বা আপনি ভিসার পর আপনার মোবাইল নাম্বারটি পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন । তখন আপনাকে কে ধরতে পারবে । কিন্তু একজন এজেন্টকে আপনি ধরতে পারবেন । সে যাই হোক একজন প্রতারক কখনও এজেন্ট হতে পারেনা । এবং আমাদের যতোজন ভেরিফায়েড এজেন্ট আছেন তারা কখনও নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আপনার সাথে করবেন না । 
১ । এজেন্ট যদি বলে পুরো টাকা একসাথে দিতে হবে না হলে ভিসা হবেনা, বা টাকা অস্ট্রেলিয়ায় ট্রান্সফার করতে হবে সেক্ষেত্রে সাবধান হোন কারন অস্টেলিয়ায় যদি এই সিস্টেমটি কানাডার মতোই প্রচলিত আছে তারপরও এই ভিসার ক্ষেত্রে তার কোন নমুনা নেই ।
২ । ETA নামে একটি ভিসা আছে অস্টেলিয়ায় । এই ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরিটি ভিসায় আপনি বড়োজোর অস্ট্রেলিয়ায় এক বছরের মধ্যে যতোবার খুশি যাওয়া আসা করতে পারবেন কিন্তু কোন কাজ করতে পারবেন না । আপনার যদি অস্ট্রেলিয়ায় ঢোকার একান্ত ইচ্ছে থাকে তবে আপনি এই ভিসা নিয়ে ঢুকতে পারেন ।
৩ । অস্ট্রেলিয়াতে আপনি চাকরি বা ব্যবসা উভয়েই করতে পারবেন । চাকরি করতে গেলে আপনার বিজনেস নাম্বার লাগবে না । যদি সেখানে ব্যবসা করেন আমাদের দেশে যেটাকে টিন বলা হয় সেটাকে তারা বলে এবিএন, সেটি লাগবে আপনার জন্য । তবে চাকরিদাতা কখনই আপনার নিকট থেকে এবিএন চাইবেন না ।
৪ । অস্ট্রেলিয়ার চাকরিদাতা তার কাগজপত্র কখনও হাতে লেখা অবস্থায় পাঠাবেন না । তাই কোন কাগজ যদি দেখেন হাতে লেখা বা চাকরিদাতা কোন শর্ত হাতে লিখেছেন তবে সতর্ক হবার সময় হয়েছে আপনার ।
৫ । জব ভিসার ক্ষেত্রে আপনার একটি নির্দিষ্ট সময় বা মেয়াদকাল থাকে, এই মেয়াদকালের মধ্যে যদি আপনি সেখানে চাকরির বৈধতা না বাড়ান তবে আপনাকে সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে । কেউ যদি আপনাকে সেখানকার জব ভিসার সাথে পিআর এর অফার দেয় সেক্ষেত্রেও আপনার সতর্ক হবার সময় হয়েছে ।
৬ । চাকরিদাতা সংস্থার ওয়েবসাইট সবসময় ইংরেজীতে হয় (অস্ট্রেলিয়ার জন্য) এবং তাদের ওয়েব সাইটে কখনও অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক অস্ট্রেলিয়ান কোট অফ আর্মস ব্যবহার করা হয় না । তারা যদি এটি বুঝিয়ে থাকে চাকরিদাতা সংস্থাটি সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত তবে মনে করবেন তারা আপনাকে ইন্টারনেটে ভুল জিনিষ দেখাচ্ছেন ।
৭ ।  অস্ট্রেলিয়ায় চাকরিদাতা সংস্থা কখনও আপনাকে ‘ক্যাশ ইন হ্যান্ড’ বা নগদ টাকায় বেতন দেবার কথা উল্লেখ করবেনা । যদি এমন কিছু তাদের কন্ডিশন ফর্মে উল্লেখ করা হয় তবে বুঝতে হবে আপনার সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে ।
৮। যদি বলা হয় যে, অস্ট্রেলিয়া সরকারের ট্যাক্স ফাইল নাম্বার (টিএফএন)আপনার লাগবে না, তাহলে সতর্ক হন। অস্ট্রেলিয়ায় টিএফএন না থাকলে বেশি আয়কর দিতে হয়। এছাড়া, অন্যান্য সরকারি সুবিধার জন্য আবেদন করতে গেলেও টিএফএন নাম্বার লাগে। ইলেক্ট্রনিকালি ইনকাম ট্যাক্স রিপোর্ট জমা দেওয়া এবং এবিএন নাম্বারের জন্য আবেদন করতে গেলেও টিএফএন লাগে।
৯ । আপনার চাকরিদাতা সংস্থার যদি এবিএন না থাকে তবে সতর্ক হোন । আপনার চাকরিদাতা যেহেতু অস্ট্রেলিয়ায় বিজনেস করছেন তাই তাদের অবশ্যই এবিএন থাকবে ।
১০ । তারা আপনাকে স্কিল নাকি ননস্কিল ভিসায় পাঠাচ্ছে জেনে নিন । কারন তারা যদি স্কিল ক্যাটাগরিতে আপনাকে পাঠায় আর আপনি যদি এসব কোন কাজই না জানেন তবে অস্ট্রেলিয়ার কতৃপক্ষ অবশ্যই আপনাকে রিটার্ন পাঠিয়ে দেবে ।

উপরের এই দশটি বিষয় খেয়াল রাখুন এবং ভিসা প্রসেস করার আগে ভিসা এজেন্টকে এই প্রশ্নগুলো করুন । আমাদের যারা ভেরিফায়েড এজেন্ট আছে তারা এসব মিথ্যা এড়িয়ে চলেন এবং সঠিক তথ্য আপনাকে প্রদান করেন । তাই আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের মাধ্যমে আপনার যেকোন ভিসা প্রসেস করলে আপনাকে ভিসা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করতে হবেনা ।

Saturday, April 13, 2019

আর কি খুলবে মালয়শিয়ার কলিং ভিসা?

Malaysia Calling-মালয়শিয়া ডাকছে । তাও আবার একটি ভিসার নাম । এর মানে কি? এর মানে হলো যারা মালয়শিয়াতে কাজ করতে আসবে বৈধভাবে তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সুবিধা ও বেতন কাঠামো । মালয়শিয়াতে বিদেশী প্রবেশের জন্য ১৫ ধরনের ভিসা রয়েছে । এর মধ্যে চাকরি করার জন্য বিদেশী শ্রমিকগন বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুসরন করে থাকে যেমন ট্রেনিং ভিসা, এমপ্লয়মেন্ট পাস, ডিপি ১০, ডিপি ১১ ও কলিং ভিসা । এর মধ্যে কলিং ভিসার জানাজানি এই দেশে একটু বেশী । এই ভিসা কি তা কেউ জানুক বা না জানুক সেই ভিসা নিয়ে মালয়শিয়া যাবার মানুষের অভাব নেই । ১০+৩=১৩ বছরের ভিসা নবায়নের লেভী নতুন নীতিমালা মানছে না মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়!
নতুন সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১০ বছরের পরবর্তী ৩ বছরের প্রত্যেক বছরের জন্য নতুন লেভী ঘোষনা করা হয়েছিল যেমন ম্যানুফেকচারিং,কনস্টাকশন ও সার্ভিস সেক্টরে ১০,০০০ রিংগিত হতে ৬,০০০ রিংগিত এবং প্লানটেশন ও এগ্রিকালচার শ্রমিকের লেভী ঘোষনা করা হয়েছিল ৩৫০০ থেকে ২০০০ রিংগিত এবং তা কার্যকর করার শেষ তারিখ ছিল,০১/০৩/২০১৯ পর্যবেক্ষণ গত ০৫/০৪/২০১৯ তারিখে নতুন নিয়মে ভিসা নবায়ন করতে গেলে এখনো জানা যায় লেভি ১০,০০০ রিংগিত এবং ৩৫০০ রিংগিত যা আসলেই একটা প্রতারণা হয়রানী ছাড়া কিছু নয়!
মালয়শিয়া বাংলাদেশীদের হয়তঃ মানুষ বলে মনেই করেনা সেই জন্যই এই ধরনের কার্যক্রম করার সুজোগ পায় । এই ধরনের কাজ যদি তারা ভারতের সাথে করতো তবে সেটার শাস্তি তারা তৎক্ষনাত পেয়ে যেত কারন ভারত শক্তিশালী দেশ এবং ভারতের সাথে এমন কিছু করার শক্তিও নেই মালয়শিয়ার । তাছাড়া মালয়শিয়াতে ভারতীয় কমিউনিটি যথেষ্ঠ শক্তিশালী এবং বহু ভারতীয় অনেক উঁচুপদে আসীন । সেই তুলনায় বাংলাদেশীরা কেবল লেবার ছাড়া আর কিছুই নয় । তাদের সেখানে যে কমিউনিটি আছে তা দুর্বল ও নিজেদের মধ্যে কলহ বিবাদ নিয়ে চতুর্বিভক্ত । মালয়শিয়া বাংলাদেশকে নিয়ে বেশ মজা করে এবং বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যায় তখন তারা পিছিয়ে যায় । তাদের একেক সময় একেক কথার কারনে সেখানকার বহু শ্রমিক অনিচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ হয়ে যায় । 
বাংলাদেশে কলিং ভিসা আপাতত বন্ধ  রয়েছে এবং আমাদের বিশ্বাস এটা কোনদিন খুলবে না । বর্তমানে শুধু কলিং ভিসা নয়, মালয়শিয়াতে সকল ধরনের বিদেশ থেকে শ্রমিক আনা বন্ধ রয়েছে অনির্দিষ্ট কালের জন্য । এটাই সত্য এবং আপনাকে এটাই বিশ্বাস করতে হবে । তবে মালয়শিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসায় গিয়ে কাজ করতে পারবেন ।

Tuesday, February 26, 2019

স্বল্প খরচের ভিসা অফার

অনেকেই বলে থাকেন যে আমরা উচ্চমূল্যের ভিসা অফার পোস্ট করি যা সাধারনত সকলের সামর্থের বাইরে থাকে। এদিক দিয়ে চিন্তা করে আমরা কিছু অফার এখানে পোস্ট করলাম যা আপনার সামর্থের মধ্যেই থাকবে আশা করিঃ

মালদ্বীপঃ পেস্ট্রি বা কেক বানাতে পারে এমন লোক দরকার মালদ্বীপের কেক ও পেস্ট্রি শপের জন্য। যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী ইচ্ছে করলে সারাজীবন এইদেশে কাজ করতে পারবে। মাসে ৫০০ ডলার বেতন, আট ঘন্টা ডিউটি, থাকা ও খাওয়া কোম্পানী জোগান দেবে। সপ্তাহে ৬ দিন কাজ করতে হবে। ভিসার পর সব ধরনের পেমেন্ট করতে হবে।

কাতার মহিলা ক্লিনার ভিসাঃ কাতারের বিভিন্ন মার্কেট ও হসপিটালের জন্য মহিলা ক্লিনার দরকার। বেতন কাতারী রিয়ালে ১৩০০ যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩০,০০০ টাকা। মহিলাদের জন্য মহিলা হোস্টেলে থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। প্রথমে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে পাসপোর্টের সাথে ৫০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে এজেন্টকে। এক মাসের মধ্যেই ফ্লাইট হবে। মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রার্থীর নিজেকে বহন করতে হবে। জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

কাতারে ইলেকট্রিশিয়ান ভিসাঃ কাতারের আল জাজিরা কোম্পানীতে ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসাবে জব করতে হবে। বেতন বাংলাদেশী টাকায় ২৮০০০ টাকা। থাকা কোম্পানী প্রদান করবে। খাওয়া নিজের। সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে পাসপোর্টের সাথে ৫০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে এজেন্টকে। এক মাসের মধ্যেই ফ্লাইট হবে। মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রার্থীর নিজেকে বহন করতে হবে। জমা দিতে হবে পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

কাতারে ড্রাইভার ভিসাঃ কাতারে লাইট ড্রাইভার হিসাবে জব। যেকোন কোম্পানী বা প্রাইভেট কার ড্রাইভার হিসাবে নিয়োগ। আল লাজারাহ কোম্পানী। ২ বছরের কন্ট্রাক্ট এবং এরপরও বাড়াতে পারা যাবে। ড্রাইভারের লোকাল লাইসেন্স থাকতে হবে। বেতন হিসাবে পাবেন ৭০০ কাতারী রিয়েল যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ হাজার টাকা এবং ২০% কমিশন যা প্রায় দশ হাজার টাকার মতো। এছাড়া থাকা ও খাওয়া কোম্পানী প্রদান করবে। পাসপোর্টের সাথে দিতে হবে ১০ কপি ছবি ও নিরাপত্তা জামানত হিসাবে ৫০ হাজার টাকা। ২৫ দিনের মধ্যে ভিসা হবে। ভিসা অনলাইন হবার পর দিতে হবে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। বাকি টাকা কাতারে যাবার পর এবং কোম্পানীতে জয়েন করার পর প্রদান করবে। ফুল পেমেন্ট ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

কাতারে লেবার ভিসাঃ জাওয়ার আল ভুতা কোম্পানীতে লেবার ভিসায় লোক নেয়া হবে। বেতন ১১০০ রিয়াল। থাকা ফ্রি ও খাওয়া নিজের। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

কাতারে টিবয় ভিসাঃ আল আইল কোম্পানীতে অফিস টি বয় হিসাবে ও ক্লিনার হিসাবে চাকরি। বেতন কাতারী রিয়াল ৭০০ যা বাংলাদেশী টাকায় ১৬০০০ টাকা। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

কাতারে ওয়েটার ভিসাঃ আমওয়াজ কেটারিং কোম্পানীতে ওয়েটার হিসাবে জব। বেতন ১২০০ রিয়াল। বাংলাদেশী টাকায় ২৮ হাজার টাকা। থাকা ও খাওয়া কোম্পানী দেবে। মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট, ১০ কপি ছবি, ও নিরাপত্তা জামানত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। খরচ হবে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ভিসা অনলাইন হবার পর ১,২০,০০০ টাকা ও কোম্পানীতে জয়েন করার পর বাকি টাকা দিতে হবে। 

Sunday, February 24, 2019

বর্তমানে আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টগন কি কি ভিসা দিচ্ছেন


আপনারা যারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সাথে আছেন তারা জানেন যে আমরা নিজেরা এজেন্ট নই। আমরা আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের মাধ্যমে আপনাদের ভিসা করিয়ে থাকি। আজ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ বছর আমরা একই ট্র্যাকে থেকে ভিসা করিয়েছি প্রায় ১৭০০+ গ্রাহকের। বর্তমানে অনেকেই আছেন যারা আমাদের মূল অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট না করেই আমাদের ফোন দিয়ে থাকেন। এই মুহুর্ত পর্যন্ত যে ১৯০ ধরনের ভিসা অফার আমাদের সাইটে রয়েছে তা থেকে তারা বঞ্চিত হয়। এই বিষয়টি চিন্তা করে বর্তমানের খুব জনপ্রিয় কয়েকটি অফার এখানে দেয়া হলোঃ
মলদোভা ভিসা অফার
মলদোভা ইউরোপিয়ান একটি দেশ যা রোমানিয়ার পাশেই অবস্থিত। যদিও এটি সেনজেন নয় তারপরও আপনি এখানে গেলে খুব সহজেই সেনজেন যে কোন দেশে প্রবেশ করতে পারবেন। এটি ভিজিট ভিসা যা মাত্র ১৬ দিনের মধ্যে করে দেয়া যাবে। খরচ জানার জন্য আমাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এর এই লিংকে ক্লিক করুন http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/200.html

ব্রাজিল জব ভিসা ও পার্মানেন্ট রেসিডেন্স
অনেকেই ব্রাজিলে যেতে চান। অনেকেই আমাদের কাছে ফোন করে ব্রাজিলের ব্যপারে জানতে চান। তাদের জন্য আমরা ব্রাজিলের এই সুপারশপে চাকরি ও চিরস্থায়ী নাগরিকত্বের সুজোগ রেখেছি। এখানে চাকরি করলে আপনি তিন মাসের মধ্যে স্থায়ী নাগরিকত্বের সুজোগ পাবেন এবং আপনার পরিবারের সদস্যদেরকেও এখানে নিয়ে আসতে পারবেন। খরচ ও অন্যান্য শর্তাবলী জানার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন   http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/202.html
কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা মার্চ ২০১৯

আপনারা জানেন কানাডা ভিসা নিয়েই আমরা আমাদের প্রজেক্ট লঞ্চ করেছিলাম এবং কানাডা ভিসার ব্যপারে আমরা যথেষ্ঠ দক্ষ। 
কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা এপ্রিল মে সেশনে ভিসার জন্য মার্চ মাসে এ্যাম্বাসী ফেস করতে হবে। আপনার প্রয়োজনীয় ডক্যুমেন্ট হলো পাসপোর্ট (যার মেয়াদ ন্যুনতম ৬ মাস রয়েছে), বার্থ সার্টিফিকেট, এ্যাকাডেমিক অরিজিনাল সব কপি, রেজিস্ট্রেশন ও এ্যাডমিট কার্ড এর অরিজিনাল কপি, বাবা ও মায়ের ন্যাশনাল আইডির ফটোকপি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অরিজিনাল কপি। খরচ ও অন্যান্য শর্তাবলী জানার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন  http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/199.html

এসতোনিয়া হোটেল জব ভিসা
এসতোনিয়া সেনজেন দেশ। একটি দেশে ঢুকলে যেকোন ২৭টি দেশে যেতে পারবেন। এসতোনিয়ায় হোটেলে হোটেল বয় হিসাবে জব ভিসা রয়েছে আমাদের এজেন্টের কাছে যা দুই বছরের কন্ট্রাক্ট । হোটেলে থাকা ফ্রি ও ডিউটি চলাকালীন খাওয়া ফ্রি। বেতন বাংলাদেশী টাকায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ৯ টা ৫ টা ডিউটি। একদিন ছুটি। ওভারটাইম করতে পারবেন। টোটাল খরচ ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। মেম্বারদের জন্য ছাড় রয়েছে। খরচ অন্যান্য শর্তাবলী জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/196.html

লাটভিয়া হোটেল জব ভিসা
লাটভিয়া ইউরোপের সেনজেন দেশ। আপনি এক দেশ ঢুকলে যে কোন ২৭ টি দেশ ভ্রমন করতে পারবেন। লাটভিয়ার বিভিন্ন থ্রি স্টার ও ফোর স্টার হোটেলে হোটেল বয় নেয়া হবে। অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই। তবে এইচএসসি পাশ হতে হবে। বেতন মাসিক ৯০০ ইউরো যা ৯০,০০০ টাকার সমপরিমান। বেতনের সাথে থাকা ও খাওয়া দেবে কোম্পানী। ২১ দিনের মধ্যে টিআরপি কার্ড পাবেন কর্মী। বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছর হতে হবে। দুই বছরের ওয়ার্ক পারমিট ও জব ভিসা। বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করুন http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/194.html

উপরের সবগুলো অফারই বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার। এসব ভিসায় আবেদন করার জন্য আপনাকে আমাদের মেম্বার হতে হবে। মেম্বার হবার জন্য ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্মটি পুরন করুন। 

Friday, January 25, 2019

দেখে নিন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি জাল কিনা

আপনি জানেন যে বিদেশ যেতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। এটা ছাড়া আপনার পেপার অনেক দেশের এ্যামবাসি জমা নিতে চাইবেনা। বিশেষ করে কানাডা এ্যামবাসি তো পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি ভিসা দিলেও রেখে দেবে না দিলেও রেখে দেবে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য। তবে বর্তমানে এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়ে হয়রানি হচ্ছে বহু মানুষ। আবার ভুয়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েও মানুষের মনে তৈরী হয়েছে ভিন্ন ধারনা।  পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল চক্রের বেশ কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করায় সেবা প্রত্যাশীদের অনেকে মনে সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। বিদেশ যেতে হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর দরকার হয়। আর জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশ গেলে পড়তে হবে বিপদে। তাহলে কি করবেন? প্রশ্নকে সহজ করে উত্তরে বলা যায় দরকার সচেতনতা আর কিছু সহজ টেকনিক। আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল না আসল তা পরীক্ষা করে নেয়াটা এখন অনেক সহজ। কিভাবে দেখবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আসল না নকল? পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নকল রোধ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ রেফারেন্স নাম্বারসহ বারকোড সিস্টেম চালু করেছে। আপনি যখন অনলাইনে বা ম্যানুয়ালী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করবেন থানা পুলিশ আপনার দেওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।
আপনার নামে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে রেফারেন্স নাম্বারসহ একটি QR কোড জেনারেট হবে। এই রেফারেন্স নাম্বার ও QR কোডের মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করা যাবে। বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন QR কোড থাকবে। কিন্তু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট একটু আলাদা। কেননা প্রতারকচক্র একটি QR কোড ব্যবহার করেই একাধিক জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী করে বিধায় যাচাই করলে একই নাম ঠিকানা আসবে। একই নাম ঠিকানা আসলেও তা পুলিশের অফিসিয়াল লিংক শো করবেনা। বিষয়টি আরো বোধগম্য করা যাক। আপনি ঘরে বসে আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনের মাধ্যমে আপনার গ্রহনকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল কিনা দুইভাবে যাচাই করতে পারেন।
প্রথমত, রেফারেন্স নাম্বার এর মাধ্যমে-
১। Google এ প্রবেশ করে Address Bar এ www.police.gov.bd লিংকটি লিখতে হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইটের লিংক।
২। পুলিশের অফিসিয়াল সাইটটি ওপেন হলে তার ডানপাশে মাঝামাঝি Online Police Clearance লেখা অপশন এ ক্লিক করতে হবে।
৩। Online Police Clearance Certificate লেখা স্ক্রীন দেখা যাবে।
৪। এরপর মেন্যু বারের Search অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৫। Ref No বক্সে নাম্বারটি লিখে View certificate তে ক্লিক করলে স্ক্রীনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখা যাবে।
৬। স্ক্রীনে প্রদর্শিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের নাম-ঠিকানা আর আপনার হাতে থাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর নাম ঠিকানা একই হলে বুঝবেন সার্টিফিকেটটি আসল।
দ্বিতীয়ত, QR কোড স্ক্যান করে-
১। আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনে Google Playstore হতে QR কোড স্ক্যানার সফটওয়ার ডাউনলোড করুন।
২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে QR কোড চিহ্নটি আপনার সেল ফোনে ডাউনলোডকৃত QR কোড স্ক্যানার মাধ্যমে স্ক্যান করুন।
৩। স্ক্যান শেষ হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে সেল ফোনের স্ক্রীনে একটি URL Address দেখা যাবে। যে URL Address টি শুরু হবে www.pcc.police.gov.bd/…… এই Official Link দিয়ে। সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি ঐ URL Address টি দেখা না গিয়ে শুধু নাম ঠিকানা আসে তবে বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি আসল নয়।
কোন কোন বারকোড স্ক্যানার সফটওয়ার সরাসরি Official URL Link টি না দেখিয়ে একটি web search option দেখায়। সেক্ষেত্রে Web search এ ক্লিক করলে official Link টি দেখা যাবে এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবহু দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি নকল।
৪। আর যদি দেখা যায় সার্টিফিকেটে কোন QR কোড নেই তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় তা ভুয়া।
তাছাড়া দৃশ্যমান বিষয়সমূহ:
১। সার্টিফিকেটে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ থানার গোল সীল থাকবে।
২। পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার এর কাউন্টার স্বাক্ষর থাকবে।
৩। সার্টিফিকেটের পেছনের পাতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি (কনস্যুলার) এর স্বাক্ষরসহ গোল সীল থাকবে। ‍উক্ত গোল সীলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে।

Sunday, January 13, 2019

এস্তোনিয়ায় ভিজিট ভিসার কিছু শর্ত

ইউরোপের ছোট দেশ এস্তোনিয়া। দেশটি ইউরোপের সেনজেন এলাকাভুক্ত হওয়ায় স্বল্প মেয়াদী ভ্রমণের ক্ষেত্রে (সর্বোচ্চ ৯০ দিন) সেনজেন ভিসা নিয়েই এস্তোনিয়া যাওয়া যায়, বাংলাদেশে এস্তোনিয়ার হাই কমিশন না থাকায় এস্তোনিয়া যেতে সেনজেন ভিসা নিতে হবে জার্মান দূতাবাস থেকে। তবে চাকরি, পড়াশোনা বা অন্য কোন প্রয়োজনে এস্তোনিয়ার দীর্ঘমেয়াদী (৯০ দিনের বেশি) ভিসার জন্য আপনাকে এস্তোনিয়ার দূতাবাসেই যেতে হবে।
এস্তোনিয়ার ভ্রমণের জন্য সেনজেন ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
o পূরণকৃত সেনজেন ভিসা আবেদন ফরম, এটি দূতাবাসে বিনামূল্যে দেয়া হয় এবং ওদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
o পাসপোর্ট বা অন্য কোন ধরনের অনুমতিপত্র:
o পাসপোর্টের ফটোকপি: ব্যক্তিগত তথ্যের পৃষ্ঠা, আগে ভিসা ইস্যু হয়ে থাকলে সে পৃষ্ঠা এবং পুরনো পাসপোর্ট থাকলে তার কপি,
o অন্যান্য শর্ত: পাসপোর্ট ১০ বছরের বেশি পুরনো হওয়া যাবে না। সেনজেন এলাকা ছাড়ার সময় পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৩ মাস থাকতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত দু’টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
o সাক্ষরসহ কোন পরিচিতিপত্র,
o কোন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু একা কিংবা বাবা-মায়ের কোন একজনের সাথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আরও কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
o জন্মসনদের কপি,
o বাবা-মা প্রত্যেকের আলাদা আলাদা পরিচিতিপত্র (সাক্ষরসহ),
o শিশুর ভ্রমণে সম্মতি আছে এই মর্মে বাবা-মা উভয়ের সাক্ষরিত সম্মতিপত্র,
o এছাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে বাবা অথবা মা কে শিশুর দায়িত্ব নিতে পারবেন এই মর্মে আদালতের নির্দেশের কপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি মঞ্জুর করেছে এই মর্মে অনুমতিপত্র প্রয়োজন হতে পারে।
o ছয় মাসের বেশি পুরনো নয় এমন পাসপোর্ট সাইজের (৩৫×৪৫ মিলিমিটার) ছবি।
o ট্রাভেল রিজার্ভেশন (টিকেট নয়)। প্রয়োজনে বাতিল করে দেয়া যায় এমন রিজার্ভেশন দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
o আপনি সেনজেন এলাকা ভ্রমণে শেষে কোথায় যাবেন সেটি জানাতে হবে। এজন্য পাসপোর্ট, অন্যদেশের ভিসা বা অন্য কোন ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেখাতে পারেন।
o আপনার নামে হেলথ ইনস্যুরেন্সের থাকার প্রমাণ দিতে হবে। এই ইনস্যুরেন্স সেনজেন এলাকায়ও প্রযোজ্য হতে হবে এবং অন্তত ৩০,০০০ ইউরো মূল্যের ইনস্যুরেন্স হতে হবে। হাসপাতাল ও চিকিৎসার খরচ, জরুরি চিকিৎসার খরচ এবং প্রয়োজনে দেশ ফেরত আসার খরচ ইনস্যুরেন্সের আওতায় থাকতে হবে। আপনার হেলথ ইনস্যুরেন্সের আওতায় এসব খরচ বহনের কথা না থাকলে আলাদাভাবে ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স প্রয়োজন হবে।
o নিজ দেশে ফেরার নিশ্চয়তা হিসেবে:
o চাকুরিদাতার কাছ থেকে নিজ দেশে চাকরি থাকার প্রমাণ দিতে হবে,
o শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নিজে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে এমন প্রমাণ দিতে হবে,
o নিজ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানেরা পড়াশোনা করছে এমন প্রমাণ দিতে হবে,
o স্থাবর সম্পদ আছে এমন প্রমাণ দেখাতে হবে।
o ভ্রমণের সময় হোটেল রিজার্ভেশনের প্রমাণ দিতে হবে।
o ১ টি সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে।
o চাকুরীজীবী হলে ছুটি দেয়া হয়েছে এই মর্মে ঘোষণাপত্র প্রয়োজন হবে।

ব্যবসা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বা অন্যান্য কাজে সেনজেন ভিসার আবেদন করলে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
• হোটেলে থাকার পরিকল্পনা করলে হোটেল রিজার্ভেশনের প্রমাণপত্র,
• এস্তোনিয়া যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র,
• আপনার চাকুরী এবং এস্তোনিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে উল্লেখ করে চাকুরীদাতার দেয়া পত্র,
• সর্বোপরি ভ্রমণব্যায় আপনি না আমন্ত্রণকারী কে বহন করছেন তা স্পষ্ট হতে হবে,
• সেলফ এমপ্লয়েড হলে ট্যাক্স নম্বর, বিজনেস লাইসেন্স এবং আয়কর রিটার্নের কপি প্রয়োজন হবে।

Wednesday, January 09, 2019

ব্রাজিল থেকে আমেরিকা, নরকমুখী যাত্রার গল্প

সোলাইমান নোয়াখালীর ছেলে। চর অজ্ঞলে তার জন্ম। বিদেশ কি চোখে দেখেনি, কেবল মানুষের কাছে শুনেছে যে বিদেশ গেলে টাকা (টিয়া) কামানো যায়। তার বিদেশ যাবার মতো টাকা নেই। আছে কেবল কিছু জমি। রিফাত নামে এক দালাল তাকে ব্রাজিলের স্বপ্ন দেখায়। দালাল বলে কিছু জমি বিক্রি করলেই তো তার যাবার টাকা উঠে যাবে। ব্রাজিল গেলে সে ওখান থেকে সুড়ুত করে আমেরিকা ঢুকতে পারবে। আর আমেরিকা গেলে তো কামাবে কাাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। সোলাইমানের মা নিষেধ করে। সোলাইমান শোনে না। মায়ের সাথে কিছুদিন তর্ক বিতর্কের পর কয়েকটা জমি সে বিক্রি করে দেয়। আট লাখ টাকা পায়। আরও দুই লাখ টাকা দরকার। মামার কাছ থেকে অনেক অনুরোধ উপরোধ করে দুই লাখ টাকা ধার নেয় সোলাইমান। কিছু টাকা সে দালালের হাতে তুলে দেয়। দালাল তার পাসপোর্ট বানায়। সেই পাসপোর্ট আর কিছু কাগজপত্র যোগাড় করে তাকে নিয়ে আসে ঢাকায়। দালাল কোন এক এজেন্সির মাধ্যমে তার পাসপোর্ট জমা দেয় এ্যামবাসিতে। একুশ দিনের মাথায় সে ভিসা পায় ব্রাজিলের। সমস্ত টাকা তুলে দেয় সে দালালের হাতে। কিন্তু ব্রাজিল যে যাবে সেই ভাড়াও নেই তার কাছে। যাইহোক, অনেক কষ্টে সে ভাড়া জোগাড় করে। ব্রাজিলে চলেও যায় সে সময়মত। দালাল কিছু লোকের ঠিকানা দিয়েছিল। সোলাইমান বুদ্ধি করে তাদের সাথে দেখা না করে কিছু কাজ যোগাড় করে নেয়। মোটামুটি সত্তর হাজার টাকার মতো মাসে পাবে। কাজ করতে হবে একটা জুতোর দোকানে। সোলাইমান সেখানে প্রায় তিন মাস চাকরি করে। ব্রাজিলে সে যদি সঠিকভাবে থাকতো তবে আজ বেশ ভালোই থাকতে পারতো কারন ব্রাজিলে মোটামুটি ভালো বেতনই পাওয়া যায় আপনি যদি পর্তূগিজ ভাষা জানেন। সোলাইমান কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই ভাষাটার অনেকটাই রপ্ত করে ফেলেছিল। কিন্তু বাধ সাধলো তার লোভ। তার সাথে একদিন দেখা হয়ে গেল জাবিরের। জাবিরও একটা দালাল। সে বললো সোলাইমান একটা বোকা। সে এখানে পড়ে না থেকে যদি আমেরিকায় যায় তবে মাসে সে আয় করতে পারবে তিন লাখ টাকা। আর আমেরিকা যেতে খরচ হবে তিন লাখ টাকা। ততদিনে চার মাস কেটে গেছে। সোলাইমান দুই লাখ টাকা জমিয়েছে। কিন্তু তার লোভ বলছে তাকে আরও বড়ো হতে হবে। জীবনে যতো রিস্ক আসুক তাকে তুচ্ছ করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আসতে হবে। তার সহকর্মী মতিনের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ধার নিল সোলাইমান। আবারও কিছু টাকা তুলে দিল দালালের হাতে। ব্যস, শুরু হলো তার নরকমুখী যাত্রা। ছয়জন দালালের একটা দল তার মতো আরও চারজন লোককে সাথে নিয়ে বেশ অনেক পথ পাড়ি দিয়ে তাদের নিয়ে গেল পেরু। ইচ্ছে করলে তারা সোজা পথে কলম্বিয়া ঢুকতে পারতো। তা না করে তারা পেরুর ভয়ানক পথ অতিক্রম করতে থাকলো। দক্ষিন আমেরিকার পেরুই সবচেয়ে দুর্গম এবং পশ্চাদপদ এক দেশ। এই পেরুর জঙ্গলই আমাজন জঙ্গল নামে পরিচিত যার বেশীরভাগ পেরুতে, ইকুয়েডরে আর কলম্বিয়ায় পড়েছে। এখানে দেখা মেলে নরখাদক জংলীদের। অনেক অভিযাত্রী এই পথে গিয়ে এসব নরখাদকদের পাল্লায় পড়ে তাদের খাবারে পরিনত হয়েছে। তাদের হাড়গোড়ও দেখতে পায় সোলাইমানের দল। ব্রাজিল থেকে যাত্রা শুরু করার আট দিন হয়ে গেছে তারা পেরুর জঙ্গল পার হতেই পারছেনা। কারন এর মধ্যে দুইজন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। দালাল দলের কাছে কিছু ওষুধপত্র থাকলেও এই জ্বরের কুইনাইন ছিলনা। তিন দিনের মাথায় আকবর আর কমর পেরুর জঙ্গলের ভেতর মারা যায়। সোলাইমান আর মজিব দু’জন দালাল দলের সাথে রওনা হয় ইকুয়েডর এর পথে। যাবার আগে জঙ্গলের ভেতর দু’জনের মৃতদেহ পুতে দিয়ে যায়। আমাজন বনে দেখা মেলে পৃথিবীর ভয়ংকর সাপ এ্যানাকন্ডা। এই সব সাপদের কোনটা প্রায় দশ গজ লম্বা। একটা মানুষকে গিলে খাওয়া কোন ব্যপারই নয় এদের জন্য। তের দিনের মাথায় তারা ইকুয়েডরে ঢুকতে পারে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে। সোলাইমানের পা তখন কোন কারনে অবশ। আর মজিব কোন অজানা রোগে আক্রান্ত। তার ডাক্তার দেখাতে চায় কিন্তু দালালরা নারাজ। ডাক্তার দেখাতে গেলে পুলিশ ধরতে পারে তাদের। তাই একটু সুস্থ হতেই আবার শুরু হয় যাত্রা। আরও চারদিন অতিবাহিত হবার পর হঠাত তারা এক ডাকাত দলের মুখে পড়ে যায়। শুধু তাদের নয় দালালদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে যায় তারা, ছিনিয়ে নেয় টাকা পয়সা। ছিনিয়ে নেয়া হয় খাদ্য, পানীয়। শুরু হয়ে যায় তাদের অসীম কষ্টের জীবন। সোলাইমান একবার ভাবে সে এদের কাছ থেকে পালিয়ে ইকুয়েডর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করবে, তারপর ফিরে যাবে ব্রাজিলে। কিন্তু সে জানেনা কোন পথে শহরে যাবে। এতো বনের সমুদ্র!
না খাওয়া, না দাওয়া। শুধা চলা আর থেমে পড়ে ব্যাগের ভেতর পড়ে থাকা বনের ভেতর থেকে পেড়ে আনা নাম না জানা ফল খাওয়া। একুশ দিন পর ইকুয়েডরের জীবন শেষ হয়। তারা কলম্বিয়ার বনে ঢুকে পড়ে। এখানে বন অগভীর। তাদের চলা স্বাভাবিক পথে, কিন্তু ততদিনে ঝিমিয়ে পড়েছে সকলে। এমন দিন গেছে যখন গাছের পাতা আর গুল্ম চিবুতে হয়েছে তাদের। এখানে একটা শহরে থেমে পর্তুগিজ ভাষায় ভিক্ষা চায় ওরা, খাবার চায়। খাবার পায়। খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে কিছুটা স্বাভাবিক হয়। এর মধ্যে মজিব হঠাত মারা যায়। কি রোগ বোঝা যায়না। দীর্ঘ এক মাস পর তারা পানামা খালের তীরে উপস্থিত হয়। ভিক্ষা করে কিছু টাকা আয় করেছিল তারা। সেই টাকা দিয়ে পানামা পার হয় তারা। ঢোকে কোস্টারিকায়। পৃথিবীর সৌন্দর্য্যময় এক দেশ, কিন্তু তাদের তখন চোখ নেই সেই দৃশ্য দেখার। শরীরের সব শক্তি এক করে রাখে তারা নিকারাগুয়ায় ঢোকার জন্য। একটা একটা দিন পার হয় আর পানির প্রতিচ্ছবিতে নিজের চেহারা দেখে চমকে ওঠে সোলাইমান।  নিজের চেহারা নিজেই চিনতে পারেনা সে। 
ব্রাজিল থেকে বেরুনোর এক মাস দশ দিন পর নিকারাগুয়ায় ঢোকে তারা। এখানে এসে দালালদের দ্বিতীয় দলের সাথে সাক্ষাত হয় তাদের। এই দালালদের সাথে আর চারজন্য লোক ছিল। এরাও সোলাইমানদের মতো মেস্কিকো যাবার পথিক। মোট বারো জন্য রওয়ানা দেয় নিকারাগুয়ার গ্রামের পথ ধরে। ক্লান্ত হয়ে পড়লেও দালালদল তাদের বিশ্রাম দেয়না তাদের। একমাস চোদ্দ দিনের মাথায় তার পৌছায় হন্ডুরাসে। এখানে দালালচক্র তাদের বসিয়ে রাখে প্রায় এক সপ্তাহ। কোন এক নির্দেশের অপেক্ষায় থাকে তারা। একদিন নির্দেশ আসে ফোনে। রওয়ানা হয় তারা হন্ডুরাসের ভেতর দিয়ে। পথে আবার অপেক্ষা। হন্ডুরাসের পুলিশ বাহিনীর ভয়ে যাত্রা বিরতি। অবশেষে একমাস তেইশ দিনে গুয়েতেমালা ঢোকে দালাল দল আর সাথে সোলাইমান। তারপর বেশ স্বাভাবিকভাবেই মেক্সিকো। কিন্তু ততদিনে শরীর ভেঙে গেছে সোলাইমানের। খাওয়া না খাওয়ায় চোখ ঢুকে গেছে কোটরে। মনে হচ্ছে এক জীবন্ত কঙকাল হেঁটে যাচ্ছে পথ দিয়ে। কোন টাকা নেই, মোবাইল নেই, খাবার নেই, পানি নেই। কেউ দয়া করে দিলে খায় আর নাহলে উপোস। 
মেক্সিকোর টুকসলা গুটিরেজ থেকে আমেরিকার বর্ডার অনেক পথ। পায়ে হেঁটে যাওয়া যাবে তবে তা পনেরো দিনের পথ। বিমানে যে যাবে টাকা কোথায়? দালালরা তাকে আটকে রাখে। অন্যদের ছেড়ে দেয়। তারা সকলেই বিমানের টিকিট কেটে আমেরিকার বর্ডার পর্যন্ত চলে যায়। অন্যপ্রান্তে আটক থাকে সোলাইমান। বহু অনুরোধ করে অবশেষে ছাড়া পায়। তার সাথে আসা দালালই অন্য গ্রুপের দালালদের কাছে নিজেদের দুর্দশার কথা বলে সোলাইমানকে ছাড়িয়ে নেয়। 
শুরু হয় সোলাইমানের ভিক্ষুকের জীবন। ভিক্ষা করে আর একটু একটু করে আমেরিকার বর্ডারের দিকে যেতে থাকে। ভিক্ষা করে সে গাড়িভাড়া জোগাড় করে। বাইশদিন পর সে জুয়ারেজে পৌছায়। ওপাশে আমেরিকার এলপাসো। কিন্তু বর্ডারে ভীষন কড়া প্রহরা। কিভাবে ঢুকবে সে এতো ভয়ংকর কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে। তারপরও সে কিছু ভবঘুরের সাহায্যে বেড়া পার হয় সে। মরুভুমি পথ পাড়ি দিয়ে ওয়েস্টার্ন আমেরিকার এলপাসোতে আসে। তারপর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পথে পুলিশ তাকে অসুস্থ অবস্থায় গ্রেফতার করে শহরে নিয়ে আসে। সোলাইমান কিছুটা সুস্থ হলেও বন্দী জীবন যাপন করতে থাকে। তারমনে শান্তি যে সে যেমনই থাকুক আমেরিকায় আছে। এখানে মরলেও সুখ। এখানে মরলেও শান্তি।
সে যাই হোক, ব্রাজিলে যেতে পারেন। সেখানে লাইফ আছে। তবে কোন দালালের পাল্লায় পড়ে আমেরিকার পথে রওয়ানা দেবেন না যেন পায়ে হাঁটা পথে। তাহলে সোলাইমানের মতো পরিনতি আপনার নাও হতে পারে। হয়ত: মজিব, আকবর বা কমরের মতো আপনার মৃতদেহ পড়ে থাকবে আমাজন বনের মাটির নিচে!

................ভিসাসফরইউ টিমের কাছে বর্নিত একজনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে। 

Monday, January 07, 2019

আমেরিকার ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া


B-1/B-2 ভিসা তাদের জন্য যারা ব্যবসা বা বিনোদন বা চিকিৎসার কারণে সাময়িক সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করছেন । সাধারণত, B-1 ভিসা সেই সমস্ত যাত্রীদের জন্য ব্যবসা-সংক্রান্ত আলোচনা করতে, বৈজ্ঞানিক, শিক্ষাগত, পেশাদারী বা ব্যবসায়িক আলোচনা/বৈঠকে উপস্থিত হতে বা কোনো চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাত্রা করছেন । B-2 ভিসা সেই সমস্ত যাত্রার জন্য যেগুলি মূলত বিনোদন মূলক, যেমন, পর্যটন, বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথে দেখা করা, চিকিৎসা এবং সামাজিক বা সেবামূলক। প্রায়শই B-1 এবং B-2 প্রকারের ভিসা দুটিকে সম্মিলিতভাবে B-1/B-2 ভিসা প্রদান করা হয়।
যোগ্যতা
যদি আপনি একটি B-1/B-2 ভিসার জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনাকে কনস্যুলার অফিসারকে অবশ্যই দেখাতে হবে যে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশান এন্ড ন্যাশনালিটি এক্ট (আইএনএ) অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার যোগ্য। আইএনএ-এর ২১৪(বি) ধারা অনুসারে এটি ধরে নেওয়া হয় যে আবেদনকারী অভিবাসী হতে চান । আপনাকে নিম্নলিখিতগুলি দেখিয়ে এই আইনী অনুমানকে ভুল প্রমাণিত করতে হবেঃ

যে যুক্তরাষ্ট্রে আপনার যাত্রার উদ্দেশ্য সাময়িক কালের জন্য, যেমন, ব্যবসায়িক, বিনোদন মূলক এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে ।
যে আপনি একটি নির্দিষ্ট ও সীমিত সময়ের জন্যই যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পরিকল্পনা করেছেন
আপনার যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন সম্ভাব্য খরচ বহন করার সামর্থের প্রমাণ
যে আপনার যুক্তরাষ্ট্রের বাইরেও নাগরিকত্ব আছে এবং অন্যান্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক বন্ধন যেটি নিশ্চিত করে যে আপনি আপনার যাত্রা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে প্রস্থান করবেন।
ব্যক্তিগত বা গৃহকর্মচারি এবং ক্রু সদস্য যারা আউটার কন্টিনেন্টাল শেলফ-এর মধ্যে ভেসেলে কর্মরত তারা কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে B-1 ভিসার জন্য যোগ্যতা পেতে পারেন।

ইমিগ্রেশান এন্ড ন্যাশনালিটি এক্ট অনুসারে কিছু বিদেশী ভিসা পাওয়ার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারেন। আপনি ইমিগ্রেশান এন্ড ন্যাশনালিটি এক্ট এবং ভিসা পাওয়ার অযোগ্যতার বিষয়ে আরো অধিক জানতে এখানে পড়তে পারেন।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী

আপনি যদি ব্যবসা/পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিতগুলি জমা করতে হবেঃ

একটি অন-অভিবাসী ভিসা ইলেক্ট্রনিক আবেদনপত্র (ডিএস-১৬০) ফর্ম।

ফর্ম ডিএস-১৬০ পূর্ণ করার নির্দেশাবলী

অ-অভিবাসী ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার পর আপনার ফর্ম ডিএস-১৬০ টি সম্পূর্ণ করে জমা দিন । ইউ.এস দূতাবাসে বা কনস্যুলেটে সাক্ষাতকারের সময়কাল নির্ধারনের পূর্বে আপনাকে অবশ্যই অনলাইনে ডিএস-১৬০ আবেদনপত্র টি জমা করতে হবে।

আপনি ফর্ম ডিএস-১৬০ এর প্রথমে যে দূতাবাস বা কনস্যুলেটটিকে বেছে নেবেন সেটি যেন সেই একই দূতাবাস বা কনস্যুলেট হয় যেখানে আপনি সাক্ষাতকার নির্ধারন করেছেন।
যেখানে আপনাকে আপনার নিজ ভাষায় আপনার সম্পূর্ণ নাম প্রদান করতে বলা হয়েছে, সেখানে ছাড়া বাকি সমস্ত ক্ষেত্রে আপনাকে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে ইংরাজীতে এবং ইংরাজী অক্ষরের দ্বারা।

ডিএস-১৬০ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আপনাকে গত ছয় মাসের মধ্যে তোলা একটি ছবি আপলোড করতে হবে। একটি উত্তম ছবি তোলা ও আপলোড করার নির্দেশাবলী আপনি পাবেন ইউ.এস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটসের ওয়েবসাইটে এখানে।

আপনি যদি ২০ মিনিটের অধিক সময় এই আবেদনপত্রে কিছু না করেন তাহলে আপনার সেশানটির সময়সীমা অতিবাহিত হয়ে যাবে । আপনাকে পুনরায় শুরু করতে হবে, যদি না আপনি আপনার আবেদনের আইডি টি লিখে রাখেন বা আপনার আবেদনটি কম্পিউটারে একটি ফাইলে সেভ করে রাখেন।

পেজের উপরে ডানদিকের কোনায় প্রদর্শিত হওয়া আবেদনের আইডিটি লিখে রাখুন । যদি আপনার আবেদনটি জমা দেওয়ার আগে আপনাকে আপনার ব্রাউসার বেছে নিতে হয় তাহলে আপনার আবেদনটিকে বজায় রাখার জন্য আপনার এই আবেদন আইডি টির প্রয়োজন হবে।

সম্পূর্ণ করা ফর্ম ডিএস-১৬০ আবেদন পত্রটি আলফা –নিউম্যারিক বারকোড নিশ্চিতকরন পেজ প্রস্তুত করবে। এই পেজটিকে প্রিন্ট করুন। এই প্রিন্ট করা কনফারমেশান পেজটি ইউ.এস দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাক্ষাতকারে প্রয়োজন হবে।

আপনি বারকোড কনফারমেশান পেজটি প্রিন্ট নিয়ে নিলে আপনার ওয়েব ব্রাউসারের “ব্যাক”বাটন-এ ক্লিক করুন এবং তারপর ডিএস-এ৬০-এর একটি ব্যাকআপ প্রতিরূপ নিজেকে মেইল করে রাখুন। এই সংযুক্ত ফাইলটি পিডিএফ ফরম্যাটে থাকবে যেটি দেখতে বা প্রিন্ট করতে আপনার Adobe Acrobat প্রয়োজন হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করার জন্য একটি বৈধ পাসপোর্ট যার বৈধতার মেয়াদ অন্ততপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে আপনার পরিকল্পিত ভ্রমণ সময়ের পর ছয় মাস স্থায়ী হবে (যদি না দেশ ভিত্তিক চুক্তির দ্বারা ছাড়া পেয়ে থাকেন&) । যদি আপনার পাসপোর্টে একাধিক ব্যক্তি অন্তর্ভূক্ত থাকেন তাহলে যারা ভিসা চাইছেন তাদের প্রত্যেককে আবেদন জমা দিতে হবে এবং তাদের নিজস্ব পাসপোর্ট থাকতে হবে।

গত ছয় মাসের মধ্যে তোলা ২”x২”(৫সেমিx৫সেমি) একটি (১) ছবি । 
আপনার অন-অভিবাসি ভিসা প্রক্রিয়ার অফেরত যোগ্য ফি US$160-এর সমপরিমাণ যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রদান করা হয়েছে তার একটি রশিদ। এই মূল্য প্রদান করার বিষয়ে আরও অধিক তথ্য আপনি এই ওয়েবপেজে পাবেন। যদি ভিসা প্রদান করা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার জাতীয়তার উপর নির্ভর করে একটি অতিরিক্ত ভিসা ইস্যুয়েন্স রেসিপ্রোসিটি মূল্য প্রদান করতে হতে পারে। আপনাকে ভিসা ইস্যুয়েন্স রেসিপ্রোসিটি মূল্য প্রদান করতে হবে কিনা এবং এই মূল্যের পরিমাণ কত সেবিষয়ে জানতে ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটসের ওয়েবপেজটি আপনাকে সহায়তা করতে পারে।
এই সামগ্রী গুলি ছাড়াও আপনাকে সাক্ষাৎকারের লেটার প্রদান করতে হবে যেটি নিশ্চিত করে যে আপনি এই সেবার মাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকারের দিন ধার্য করেছিলেন। এছাড়া, আপনি যদি মনে করেন অন্য যেকোনো কাগজপত্র কনস্যুলার অফিসারকে আপনার দেওয়া তথ্যের সমর্থন করে তাহলে সেগুলিও আপনি নিয়ে আসতে পারেন।

কিভাবে আবেদন করতে হবে
ধাপ১
ননইমিগ্রেন্ট ভিসা ইলেক্ট্রনিক আবেদনপত্র (ডিএস-১৬০) ফর্মটি পূর্ণ করুন

ধাপ ২
ভিসা আবেদনপত্র প্রক্রিয়ার ফি প্রদান করুন।

ধাপ ৩
এই ওয়েবপেজে আপনার সাক্ষাৎকারের দিনটি নির্ধারিত করুন। আপনার সাক্ষাৎকারের দিনটি নির্ধারিত করতে আপনার নিম্নলিখিত তথ্যগুলি প্রয়োজন হবে

আপনার পাসপোর্ট নম্বর
আপনার ভিসা ফি’র রশিদ থেকে প্রাপ্ত নম্বর (যদি এই নম্বরটিকে সনাক্ত করতে আপনার সাহায্য প্রয়োজন হয় তাহলে এখানে ক্লিক করুন)
ডিএস-১৬০ কনফারমেশান পেজে উল্লেখিত দশ(১০) সংখ্যার বারকোড নম্বর
ধাপ ৪
আপনার ভিসা সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময়ে ইউ.এস দূতাবাস বা কনস্যুলেটে দেখা করুন । আপনাকে অবশ্যই আপনার সাক্ষাৎকারের চিঠির একটি প্রিন্ট করা কপি, আপনার ডিএস-১৬০ কনফারমেশান পেজ, গত ছয় মাসের মধ্যে তোলা একটি ছবি এবং বর্তমান এবং সমস্ত পুরানো পাসপোর্ট সাথে আনতে হবে । এই সমস্ত সামগ্রী ছাড়া আবেদন গৃহীত হবে না।

সহায়ক কাগজপত্র
আপনার সাথে সাক্ষাৎকারের সময়ে কনস্যুলার অফিসার যে একাধিক বিষয়গুলি বিবেচনা করবেন, সহায়ক কাগজপত্র হল কেবলমাত্র সেগুলির মধ্যে একটি । কনস্যুলার অফিসার প্রতিটি আবেদনপত্র পৃথকভাবে দেখেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পেশাগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য বিষয়গুলি বিবেচনা করেন। কনস্যুলার অফিসার আপনার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং আপনার দেশে আপনার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও সম্ভাবনার দিকগুলিও দেখতে পারেন। প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে এবং আইনতভাবে বিবেচিত হয়।

সতর্কতাঃ নকল কাগজপত্র প্রদান করবেন না । জালিয়াতি বা ভ্রান্ত তথ্যের কারণে আপনি ভিসার জন্য চিরতরে অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারেন। ইউ.এস দূতাবাস বা কনস্যুলেট কারো কাছে এই তথ্য প্রকাশ করবেনা এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবে।

আপনাকে সাক্ষাৎকারে নিম্নলিখিত নথিপত্র আনতে হবে। ফটোকপির বদলে আসল কাগজপত্র সর্বদা অগ্রাধিকার পাবে এবং আপনাকে সাক্ষাৎকারে আসার সময় এই কাগজপত্রগুলি আপনার সাথে নিয়ে আসতে হবে। এটি নিশ্চিত করুন যে সাক্ষাৎকারে আসার সময় আপনি দূতাবাসে কোনো কাগজপত্র সীলবদ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসেননি। কোনো সহায়ক কাগজপত্র ইউ.এস দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ফ্যাক্স, ইমেল বা মেল করবেন না।

আয়, কর প্রদান, বাসস্থান বা ব্যবসার মালিকানা বা সম্পত্তির বর্তমান প্রমাণ।
আপনার ভ্রমণের যাত্রাপথ এবং/বা আপনার পরিকল্পিত যাত্রার অন্যান্য বিশ্লেষণ
আপনার নিয়োগকারী সংস্থার দ্বারা প্রদান করা পত্র যেখানে আপনার পদ, বেতন, কতদিন যাবত আপনি নিযুক্ত আছেন, যেকোনো অনুমোদিন ভ্রমণ এবং যদি আপনার যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রার কোনো অফিসিয়াল উদ্দেশ্য থাকে তাহলে তার উল্লেখ থাকবে।
অপরাধী/আদালতের নথি যেটি দেখায় যে আপনি কোনো স্থানে গ্রেপ্তার বা দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, যদি আপনি আপনার দণ্ড সম্পূর্ণ করে থাকেন বা পরবর্তীকালে মার্জনা পেয়ে থাকেন তাহলেও।
এছাড়াও আপনার যাত্রার উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে আপনাকে নিম্নলিখিত গুলি আনতে হবেঃ

ছাত্র
আপনার সাম্প্রতিক বিদ্যালয়ের ফলাফল, নম্বর-পত্র, ডিগ্রি/ডিপ্লমা সাথে নিয়ে আসুন। এছাড়া অর্থনৈতিক সামর্থের প্রমাণও নিয়ে আসুন, যেমন মাসিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট , ফিক্সড ডিপোসিটের স্লিপ, বা অন্যান্য প্রমাণ

কর্মরত প্রাপ্তবয়স্ক/চাকুরীজীবী
আপনার নিয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে নিয়োগপত্র এবং গত তিন মাসের বেতনের প্রমানপত্র নিয়ে আসুন

ব্যবসায়ী এবং কোম্পানির পরিচালকগণ
সংস্থায় আপনার পদ এবং উপার্জনের প্রমাণ নিয়ে আসুন

আত্মিয়ের সাথে দেখা করা
আপনার আত্মিয়ের স্ট্যাটাসের প্রমাণের প্রতিরূপ (যেমন, গ্রিন কার্ড , ন্যাচারালাইজেশান সার্টিফিকেট, বৈধ ভিসা, ইত্যাদি)

পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে যারা ভ্রমণ করেছেন
আপনি যদি পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রেযুক্তরাষ্ট্রে এসে থাকেন তাহলে সেই সমস্ত কাগজপত্র যা আপনার অভিবাস বা ভিসা স্ট্যাটাসকে যথাযথ প্রমাণ করে

যে আবেদনকারীরা চিকিৎসা করাতে চান তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক কাগজপত্র
আপনি যদি চিকিৎসার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করতে চান তাহলে আপনাকে উপরোক্ত কাগজপত্র এবং যে কাগজপত্রগুলি কনস্যুলার অফিসারের প্রয়োজন হতে পারে সেগুলি ছাড়াও নিম্নলিখিত অতিরিক্ত কাগজপত্রগুলি প্রস্তুত রাখতে হবেঃ

স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে নেওয়া রোগ নির্ণয়ের ব্যাখ্যা যেখানে আপনার অসুস্থতার প্রকৃতি এবং কেন আপনার যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করানো প্রয়োজন তার বিশ্লেষণ আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চিকিৎসকের থেকে প্রাপ্ত পত্র যেখানে এই নির্দিষ্ট প্রকারের রোগের চিকিৎসা করার বিষয়ে তার সম্মতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই চিকিৎসার আনুমানিক খরচ (এর মধ্যে চিকিৎসকের ফি, হাসপাতালের ফি এবং যাবতীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ অন্তর্ভূক্ত আছে) ও সময়কালের বিষয়ে বলা হয়েছে।
যে ব্যক্তি বা সংস্থা আপনার যাতায়াত, চিকিৎসা এবং বসবাসের খরচ বহন করবেন তার কাছ থেকে প্রাপ্ত একটি অর্থনৈতিক দ্বায়িত্বের বিবৃতি । যে ব্যক্তি এই খরচ গুলি বহনের নিশ্চয়তা দেবেন তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তার সেই ক্ষমতা আছে। প্রায়শই এটা করা হয় ব্যাংক বা আয়/সঞ্চয়ের অন্যান্য বিবৃতি বা আয়কর রিটার্ণের সত্যায়িত কপি দ্বারা।
অধিক তথ্য
ব্যবসা এবং পর্যটন ভিসার বিষয়ে আরো অধিক জানতে ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ওয়েবসাইট দেখুন
আমেরিকার ভিসার জন্য আমাদের অফার দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন http://www.visa24bd.com/view-visa-offer-details/offersviewdetail/171.html

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য এখানে ক্লিক করুন https://www.formlets.com/forms/dEcxzaxva4F5MytK/

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

USA VISIT VISA FULL CONTRACT

GERMAN FAIR VISA

GERMAN FAIR VISA

এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন

এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

মাল্টার জব ভিসা বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----মাল্টার জব ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। এসএসসি পাসেরাও ইওরোপে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। চাকরির সুব্যবস্থা। ৪। ১১.৫০ লাখ টাকায় ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। মাল্টা থেকে সহজেই যেকোন দেশে চলে যেতে পারার সুবিধা।

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। নিশ্চিত ভিসা। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে IELTS প্রয়োজন হয়না। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এখান থেকে ইউরোপের যে কোন দেশে চলে যাওয়া যায়।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আপনার ইমেইল আইডি লিখে সাবমিট করুন এখানে। নতুন পোস্টের সাথে সাথে ই মেইলে পেয়ে যাবেন সব।

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts