

কানাড স্টুডেন্ট ভিসা এখন জমজমাট ব্যবসা। চারপাশে তাকালেই দেখতে পাবেন অসংখ্য প্ল্যাকার্ড, সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন-মাত্র ৫ লাখ টাকায় কানাডা ভিসা। আপনার মোবাইলেও হয়ত মেসেজ পাচ্ছেন এমন। আপনার ইমেইলেও আসছে এমন স্প্যাম মেইল। সমস্যা হলো যে কোনদিন কানাডার নামটাও শোনেনি বা জানেওনা এর পাশে কোন দেশ আছে সেও এখন কানাডার ভিসা প্রসেসিং করে। শুধু যে এটা ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ তাও নয়। এর খবর পাওয়া যাচ্ছে চট্টগ্রামে, পাওয়া যাচ্ছে সিলেটে, পাওয়া যাচ্ছে রাজশাহীতেও। আসলে ব্যপারটা কি? আসলে ব্যপারটা ঠগবাজী। আপনারা জানেন যে একসময় আমরা মাত্র দুই লাখ টাকায় কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য অফার দিয়েছিলাম। প্রচুর ক্লায়েন্টও পেয়েছিলাম। কয়েকজনের ভিসা হবার পর দেখলাম আসল সমস্যা মাথাচাঁড়া দিয়ে উঠেছে। এদেরকে আগে টিউশন ফির কথা বলা হয়নি। এরা টিউশন ফি না দিয়েই যেতে চাচ্ছে। জাস্ট কানাডা ঢুকলেই হলো। কিন্তু তারা জানেও না যে ভাগ্য খারাপ হলে কানাডার এয়ারপোর্ট থেকেই ফিরে আসতে হবে তাদেরকে। তাই যখন বলা হলো এই দুই লাখের সাথে তাদেরকে আরও সাড়ে চার লাখ টাকা দিতে হবে টিউশন ফি হিসাবে তখনই বাধলো ঝামেলা। ফলে তাদের টোটাল পেমেন্ট দাঁড়ালো সাড়ে ছয় লাখ টাকা। এরপর বিমানভাড়া প্রায় একলাখ। দাঁড়ালো সাড়ে সাত লাখ টাকা। তাহলে তারা যে ৫ লক্ষ টাকা নিচ্ছে বিমানভাড়া ও টিউশন ফি ছাড়া তাহলে আপনার টোটাল খরচ দাঁড়াচ্ছে প্রায় সাড়ে দশ লাখ টাকা। এরপর মিনিমাম পাঁচশো ডলার এনডোর্স করতে হবে। সেই হিসাবে আপনাকে পে করতে হচ্ছে ১১ লক্ষ টাকা। তাই আমরা যখন এক সেমিস্টারের ফি সহ আট লাখ টাকা অফার দিলাম তাদের কাছে বেশী মনে হলো। তাদের কাছে ৫ লক্ষ টাকা কম মনে হচ্ছে। এই ব্যপারটা অনেকটা ফোন কোম্পানীগুলোর অফারের মতো। একটা প্যাকেজের দাম তারারাখে এভাবে মাত্র ৬৯৯ টাকা। মানুষের চোখে ৬ সংখ্যাটাই ধরা পড়ে। এটা যে ৭০০ টাকাই সেটা তার নজরে পড়েনা। এই সুত্র মেনে ব্যবসা করে যাচ্ছে এজেন্টরা।
তাই কম টাকার অফারের ফাঁদে পা দিয়ে নিজের ভবিষ্যত নষ্ট করবেন না। কানাডা এখন আগের কানাডা নেই। সেখানে পড়তে গেলে আপনাকে পড়তেই হবে। কাজ করতে পারবেন কিন্তু পাশাপাশি দেখানো পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। তাই ভিসার পর টিউশন ফি দেয়ার জুড়ি নেই। একথা মেনে নিয়ে ভিসা প্রসেসিং শুরু করবেন।
আমাদের কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আপনার ফাইল দিতে হবে এই অকটোবর মাসের মধ্যেই। প্রথমে ভিসা ক্লাবের মেম্বার হোন তারপর আবেদন করুন আমাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.visa24bd.com থেকে।
কানাডার শিক্ষাব্যবস্থায় সবচেয়ে বড়ো মৌসুম হলো সেপ্টেম্বর ইনটেক। এই ইনটেকে সারা বিশ্ব থেকে বিপুল পরিমান বিদেশী ছাত্রছাত্রী কানাডাতে ভর্তি নিয়ে থাকে। আর এদের চাপ সামলাতে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে প্রচুর ভিসা ইস্যু করতে হয় হাই কমিশনগুলোর জন্য। আর এই চাপ সামলাতে কানাডার হাই কমিশনগুলোও কিছু লুকানো পলিসি মেনটেইন করে চলে। তারা সারা বছর বরাদ্দকৃত ভিসা থেকে অনেক ছাত্রছাত্রীদের রিফিউজ করে সেইসব ভিসাগুলো জমিয়ে রেখে দেয় সেপ্টেম্বরের জন্য। আর তাই প্রচুর ছাত্রছাত্রী ভিসা পায় সেপ্টেম্বর ইনটেকে। তাই সেপ্টেম্বর ইনটেককে বলা হয় বাল্ক সেমিস্টার।কানাডার ভিসা যেহেতু পেপারবেজড তাই এ্যামবাসিতে ভিসা ইন্টারভিউ নেই। আমেরিকার ভিসার মতো এর সিস্টেম এতো জটিল নয়। ভিসার ব্যপারে ইউনিভার্সিটিগুলো গুরু দায়িত্ব পালন করে। অনেক ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটিগুলো ভিসা লেটার প্রদান করে থাকে। ভিসা লেটার প্রদান করলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
ভিসাসফরইউ সেপ্টেম্বর সেমিস্টারের জন্য কানাডার ফাইল নেয়া শুরু করেছে। আপনি যদি ২০১৬-২০১৭ তে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে থাকেন এবং আপনার রেজাল্ট ৩.৫ হয়ে থাকে তবে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনাকে ভিসার আগে একটাকাও বিনিয়োগ করতে হবেনা। ভিসার পর আমাদের দিতে হবে ৯ লাখ টাকা। বর্ধিত সুজোগ সুবিধা, এ্যাডমিশন কস্ট, জেনুইন ব্যাংক ডিপোজিট, মেডিকেল, ভিসা ফি, রেজিস্টেশন ফি, ইনশ্যুরেন্স, পেপারসাপোর্ট, সব আমরাই দেব আপনার জন্য। ভিসা না হলে আপনার এক টাকাও খরচ নেই। আপনি যদি মাদ্রাসা স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলেও কোন সমস্যা নেই। আমরা আপনার ভিসা করিয়ে দেব। এই টাকার মধ্যে বিমানভাড়া অন্তুর্ভুক্ত নেই।
আবেদন করতে হবে এখনই। আপনি জানেন যে ভালো ভালো ইউনিভার্সিটি খুব দ্রুত তাদের এ্যাডমিশন ক্লোজ করে দেয় তাই আগেই আবেদন করুন। আবেদন করার জন্য আপনাকে আমাদের ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হবে।
বাংলাদেশের অনেক স্টুডেন্ট আছে যারা কানাডা যাবার চেষ্টা করেও পারছেন না। বহু এজেন্ট নানা ধরনের ক্রাইটেরিয়ায় স্টুডেন্ট চাচ্ছেন। বাংলাদেশের সাধারন ছাত্রছাত্রী যারা ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়েছেন ২০১৬-২০১৭ তে বা যারা মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করেছেন বা যাদের এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৩.০ রেজাল্ট আছে ২০১৬ বা ২০১৭ সালের তারা আমাদের SPECIAL CARE CANADA STUDENT VISA এর সুযোগ নিতে পারেন। এই আওতায় যারা কানাডায় যেতে চান পড়াশোনা করতে বা ঢুকতে চান তাদের সবার জন্য এই সুযোগ সমানভাবে রয়েছে।
নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রেখে আবেদন করুনঃ
পড়াশোনা ঃ ইন্টার কমপ্লিটেড
মিডিয়াম ঃ জেনারেল বোর্ড, ইংলিশ মিডিয়াম বা মাদ্রাসা বোর্ড
রেজাল্টঃ এসএসসিতে মিনিমাম ৩.০ এইচএসসিতে ৩.০
সনঃ ২০১৬-২০১৭ তে পাস।
কাগজপত্রসমূহঃ পাসপোর্ট, ছবি, এ্যাকাডেমিক ডক্যুমেন্টের মূল কপি।
ফুল কন্ট্রাক্ট পেমেন্ট ঃ ভিসার পর ৮ লক্ষ টাকা।
সেমিস্টারঃ অগাস্ট। ভিসা হবে জুনে।
যারা জুলাইতে কানাডা ঢুকতে চান তারা ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারেন ভিসার ব্যপারে। আপনারা জানেন যে ভিসাসফরইউ একটি অনলাইন ভিসা মার্কেটপ্লেস। যে সমস্ত ভিসা এজেন্ট খুব বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করে তাদের সাথে জোটবদ্ধভাবে কাজ করে ভিসাসফরইউ। ভিসার আগে আপনাকে এক টাকাও প্রদান করতে হবেনা। নিজের কাগজপত্র নিজে জমা দেবেন ও তুলবেন।
সরাসরি কল দিন 01772369451 এ বা এ আপনার রিজিউম আপলোড করে আবেদন করুন।
আপনারা জানেন যে এখন কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য সামার ইনটেক চলছে। সামার ইনটেক কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এপ্রিল-মে, আবার কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জুন-জুলাই। পুরো মার্চ মাসেই আমরা কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ফুল কন্ট্রাক্টে স্টুডেন্ট ফাইল গ্রহন করছি। এখন যে ফাইলগুলো নিচ্ছি সেগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর তারিখ জুন মাসের আট তারিখ থেকে বাইশ তারিখ। অর্থাৎ আপনার ভিসা হবে মে মাসের শুরুতেই।
কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বর্তমানে আমরা যে অফার দিয়েছি তাকে এক কথায় বৈপ্লবিকই বলা যায়। ভেবে দেখুন এখনও পর্যন্ত ঢাকার অনেক বড়ো বড়ো এজেন্সি কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে IELTS ছাড়া কোন ধরনের পেপার প্রসেস করছেই না, সেখানে আমরা IELTS ছাড়া, কেবল এসএসসি ও এইচএসসিতে সিজিপিএ ৩.৫ এ ফুল কন্ট্রাক্টে কোন প্রকার অগ্রিম ছাড়াই কাজ করছি। আমরা এমনকি স্টুডেন্টের বাবা বা পেরেন্টস এর কোন ব্যাংক এ্যাকাউন্টও চাচ্ছিনা। অর্থাৎ আপনি কেবল আপনার এ্যাকাডেমিক পেপার আর পাসপোর্ট দিয়েই খালাস। আমরা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সব সাপোর্ট দেব। ভিসা হলে আমাদের টাকা দেবেন, আর না হলে এক টাকাও দেবার দরকার নেই। মাদ্রাসার যে ছেলেটা আমেরিকা বা কানাডা যাবার স্বপ্ন দেখতো সে তো গত এক দশক ওসব দেশে যাবার আশা ত্যাগ করেই বসেছিল। আমরা এমনকি মাদ্রাসা বোর্ডের এ্যাকাডেমিক পেপার দিয়ে কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যাডমিশন করাচ্ছি, ভিসা করাচ্ছি। আপনি কি মনে করেন না যে কোন ছাত্রের বিদেশে বিশেষ করে কানাডার মতো দেশে স্বপ্নবুননে এই অফার এক অনন্য ও অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে? আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন। আপনার যদি ২০১৫, ২০১৬ বা ২০১৭ এ এইচএসসি শেষ হয়ে থাকে এবং আপনি যদি মাদ্রাসার স্টুডেন্ট হয়ে আলিম পাশ করে থাকে উক্ত বছরগুলোতে আর আপনার রেজাল্ট দুটোতেই যদি ৩.৫ থেকে থাকে তবে স্বপ্ন বুনতে পারেন। আমরা আপনার কানাডার মতো উন্নত দেশে স্বপ্নবুননে সহায়তা দিয়ে থাকি। শুধু পাসপোর্ট, ছবি আর আপনার এ্যাকাডেমিক পেপারস নিয়ে চলে আসুন আমাদের কাছে। অথবা
www.visa24bd.com এ যান এবং আপনার রিজিউম পোস্ট করে সরাসরি আবেদন করুন।
ভিসার পর আমাদের দিতে হবে কেবল ভিসা সহায়তার জন্য ৮ লাখ টাকা। যদি আপনি কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেই চান তবে সাথে আপনাকে আরও নিতে হবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকার মধ্যে বিমান ভাড়া থাকছেনা। তবে সবক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হবে। মেম্বার হবার পর আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন নিরাপত্তার সাথে।