আপনারা জানেন যে এখন কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য সামার ইনটেক চলছে। সামার ইনটেক কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এপ্রিল-মে, আবার কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জুন-জুলাই। পুরো মার্চ মাসেই আমরা কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ফুল কন্ট্রাক্টে স্টুডেন্ট ফাইল গ্রহন করছি। এখন যে ফাইলগুলো নিচ্ছি সেগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর তারিখ জুন মাসের আট তারিখ থেকে বাইশ তারিখ। অর্থাৎ আপনার ভিসা হবে মে মাসের শুরুতেই।
কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বর্তমানে আমরা যে অফার দিয়েছি তাকে এক কথায় বৈপ্লবিকই বলা যায়। ভেবে দেখুন এখনও পর্যন্ত ঢাকার অনেক বড়ো বড়ো এজেন্সি কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে IELTS ছাড়া কোন ধরনের পেপার প্রসেস করছেই না, সেখানে আমরা IELTS ছাড়া, কেবল এসএসসি ও এইচএসসিতে সিজিপিএ ৩.৫ এ ফুল কন্ট্রাক্টে কোন প্রকার অগ্রিম ছাড়াই কাজ করছি। আমরা এমনকি স্টুডেন্টের বাবা বা পেরেন্টস এর কোন ব্যাংক এ্যাকাউন্টও চাচ্ছিনা। অর্থাৎ আপনি কেবল আপনার এ্যাকাডেমিক পেপার আর পাসপোর্ট দিয়েই খালাস। আমরা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সব সাপোর্ট দেব। ভিসা হলে আমাদের টাকা দেবেন, আর না হলে এক টাকাও দেবার দরকার নেই। মাদ্রাসার যে ছেলেটা আমেরিকা বা কানাডা যাবার স্বপ্ন দেখতো সে তো গত এক দশক ওসব দেশে যাবার আশা ত্যাগ করেই বসেছিল। আমরা এমনকি মাদ্রাসা বোর্ডের এ্যাকাডেমিক পেপার দিয়ে কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যাডমিশন করাচ্ছি, ভিসা করাচ্ছি। আপনি কি মনে করেন না যে কোন ছাত্রের বিদেশে বিশেষ করে কানাডার মতো দেশে স্বপ্নবুননে এই অফার এক অনন্য ও অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে? আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন। আপনার যদি ২০১৫, ২০১৬ বা ২০১৭ এ এইচএসসি শেষ হয়ে থাকে এবং আপনি যদি মাদ্রাসার স্টুডেন্ট হয়ে আলিম পাশ করে থাকে উক্ত বছরগুলোতে আর আপনার রেজাল্ট দুটোতেই যদি ৩.৫ থেকে থাকে তবে স্বপ্ন বুনতে পারেন। আমরা আপনার কানাডার মতো উন্নত দেশে স্বপ্নবুননে সহায়তা দিয়ে থাকি। শুধু পাসপোর্ট, ছবি আর আপনার এ্যাকাডেমিক পেপারস নিয়ে চলে আসুন আমাদের কাছে। অথবা
www.visa24bd.com এ যান এবং আপনার রিজিউম পোস্ট করে সরাসরি আবেদন করুন।
ভিসার পর আমাদের দিতে হবে কেবল ভিসা সহায়তার জন্য ৮ লাখ টাকা। যদি আপনি কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেই চান তবে সাথে আপনাকে আরও নিতে হবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকার মধ্যে বিমান ভাড়া থাকছেনা। তবে সবক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হবে। মেম্বার হবার পর আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন নিরাপত্তার সাথে।
প্রতিবছর ৩৫ মিলিয়নের অধিক লোক কানাডা ভ্রমণ করতে যায়। মূলত কানাডা প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ পরিবার পরিজন ও বন্ধ-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোক সেখানে গমন করে।
সাধারণত পর্যটক, সন্তান অথবা নাতী-নাতনীর সাথে দেখা করা, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য, অবস্থানের সময়সীমা বৃদ্ধি, কানাডার মধ্য দিয়ে ভ্রমণ (ট্রানজিট ভিসা, এজন্য ফি লাগে না) ইত্যাদি কারণে অনেকেই কানাডা গিয়ে থাকেন। তবে উদ্দেশ্য যাই হোক, ভিসার জন্য কষ্ট করতে হয় সবাইকে কারন কানাডার ভিসা বলে কথা। একটা বিশেষ নিয়মে কানাডার ভিসা হয়ে থাকে। আপনি যদি নিজে নিজে চেষ্টা করেন কোন এজেন্ট না ধরেই দেখবেন আপনি রিফিউজ হয়ে গেছেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় এজেন্ট ধরে কাজ করলে আপনার সাদা পাসপোর্টেও ভিসা লেগে যেতে পারে।
সে যাই হোক, নতুন বছরে ভিসাসফরইউ দিচ্ছে কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য ৫০% মূল্য হ্রাসের সুজোগ। আপনি যদি কানাডায় ভিজিট ভিসায় যাবার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে আমরা আপনার অর্ধেক মূল্যে কানাডার ভিসা করিয়ে দেব। আগে আমরা কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য ৪ লাখ টাকা কস্টিং ধরে বিল করতাম। আর এখন ফেব্রুয়ারীর ১ তারিখ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত সকল ভিজিট ভিসার জন্য প্রদেয় সকল ফাইলে ৫০% ছাড় প্রদান করছি। বর্তমানে ভিসা হবার পর আপনি আমাদের প্রদান করবেন ২ লক্ষ টাকা। ভিসা না হলে কোন টাকা প্রদান করার প্রয়োজন নেই। এই অফারে যারা অন্তর্ভুক্ত হবেন না তারা হলেন আমাদের সকল কর্মচারী কর্মকর্তা ও ফিল্ড এজেন্ট কতৃক গৃহীত ফাইল, বাংলাদেশে আমাদের সকল এজেন্ট কতৃক গৃহীত ফাইল ও যারা ইতিমধ্যে আমাদের ফাইল দিয়েছেন ও কাজ শুরু করেছেন তাদের ফাইল। কেবলমাত্র যারা আমাদের ফোন করে, ভিসা ক্লাবের সদস্য হয়ে, www.visa24bd.com ওয়েব সাইটে তাদের রিজিউম আপলোড করে আবেদন করবেন তারাই এই সুজোগ পাবেন। যারা এই অফারটি গ্রহন করতে চান তারা আমাদের সাইটে এসে ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ আগে নেবেন। কিভাবে মেম্বারশিপ নেবেন সেটা ব্লগের ওপরে পিন পোস্টে দেয়া আছে। মেম্বারশিপ নেবার পর www.visa24bd.com ওয়েব সাইটে যান ও সাইন আপ করে নিজের ছবিসহ বায়োডাটা বা রিজিউম আপলোড করুন। বায়োডাটা আপলোড করার পর নিচের এই লিংকে ক্লিক করুন আবেদন করার জন্য। আবেদিত হবার পর আমরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।
ভিসা আবেদনের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য নিচের ”ভিসা ক্লাব মেম্বার হোন” লিংকে ক্লিক করুন:
(IELTS ছাড়াই কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা। এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে দরকার জিপিএ 7.0)
আপনি কি জানেন, গেল বছরে বাংলাদেশ থেকে কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার সাফল্যের হার কত ছিল? কানাডার ইমিগ্রেশন, রিফুজি এবং সিটিজেনশিপ IRCC (EDW) তথ্য মতে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত থেকে সর্বোচ্চ ৬৮% ভিসা সাকসেস রেট হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শতকরা ভিসার হারও নেহায়েত কম নয় বরং এটি বেশ ঈর্ষনীয়। শতকরা হিসাবে ১০০ জনের মধ্যে ৪৬ জন ভিসা প্রত্যাখ্যান হলেও ৫৪ জন ভিসা পায় যা দক্ষিণ এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এ হার ছিল ২৪%, নেপাল ১৭% এবং আফগানিস্তান মাত্র ৮%! ভিসা সাকসেস রেটের দিক দিয়ে শতভাগ সাফল্য লাভ করা একমাত্র দেশটি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট দেশ কাতার। এক্ষেত্রে জাপানের ভিসার শতকরা হার ছিল ৯৮%, লুক্সেমবার্গ এবং অষ্ট্রিয়ার ভিসার হার ৯৭%, দক্ষিন কোরিয়া ৯৬%, ওমান, মেক্সিকো, সুইডেন, স্পেন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স এবং বার্বাডোসের ক্ষেত্রে এ ভিসা হার ৯৪%!
তাই আপনি যদি বলেন বাংলাদেশ থেকে ভিসা হয়না তবে আমি হেসে আপনার কথা উড়িয়ে দেব। আমি বলবো আপনি একদম জানেন না। আমরা ভিসা করি তাই আমরা জানি। যে যাই বলুক, ভিসা হয়ই। তা যদি না হতো এতো স্টুডেন্ট কানাডাতে কিভাবে গেল?
এবার আসি অফারের কথায়। এর আগে আমরা বিজ্ঞাপন দিযেছিলাম যে, আপনার যদি IELTS এ মিনিমাম ৫.০ থাকে তবে আমরা ফুল কন্ট্রাক্টে কাজ করবো। কিন্তু এখন বলছি আরও সহজ শর্তে কানাডা ভিসার কথা। আপনার যদি এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে 7.0 থাকে তারপরও আমরা ফুল কন্ট্রাক্টে কাজ করবো।ভিসার পর আপনি দেবেন আট লাখ টাকা।
আপনি কেবল আপনার পাসপোর্ট, ছবি, বার্থ সার্টিফিকেট দেবেন। আপনার এ্যকাডেমিক পেপারসগুলো যথাযথ বোর্ড কতৃক সত্যায়িত হতে হবে। আপনার আর কোন কাগজপত্র এমনকি বাবা বা মায়ের স্টেটমেন্টও প্রয়োজন নেই। ভিসা হলে আপনি আমাদের দেবেন আট লাখ টাকা। ভিসা না হলে এক টাকাও দেয়া লাগবেনা। বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন 01772369451 এ।
পেপার, ম্যাগাজিন পত্রিকায় কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার যতো বিজ্ঞাপন দেখি সবগুলোতেই IELTS ৬.০ লাগবে। IELTS ছাড়া এজেন্টরা কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার কথা ভাবতেই পারেনা। এই প্রথমবারের মতো আমরা আপনাকে সেই সুজোগ দিচ্ছি। IELTS ছাড়াই আপনি স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা যেতে পারছেন। It's a great opportunity for you indeed! তবে আপনার যদি এসএসসিতে জিপিএ ৫ থাকে এবং এইচএসসিতে মিনিমাম 4.5 থাকে এবং আপনি যদি ২০১৬ বা ২০১৭ তে এইচএসসি পাস হয়ে থাকেন তবে আপনি সেই সুজোগ নিতে পারেন। বা এর উল্টোভাবে, আপনি যদি এসএসসিতে 4.5 ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রেও নিতে পারেন কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসার সুজোগ। ভিসা হবে ফেব্রুয়ারী মাসে। মাত্র দশ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকায় ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসার সুজোগ আপনি ছাড়বেন কেন? প্রয়োজন হলে কানাডায় পড়বেন বা পড়বেন না সেটা কেবল আপনার নিজের ইচ্ছা। বিমান ভাড়া বাদে কানাডা ঢোকার সম্পুর্ন টাকা হলো দশ লাখ পঞ্চাশ হাজার।
প্রসেসিং করার জন্য আপনার শুধু পাসপোর্ট আর ছবি দরকার। প্রয়োজন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর। আর কিছুই প্রয়োজন পড়বেনা।প্রয়োজন পড়বেনা কোন ব্যাংক স্টেটমেন্টেরও। লাগবেনা ভিসা ফি দেয়ার। কারন এটি ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ভিসা হলে টাকা দিতে হবে। না হলে আপনার কোন খরচ নেই। যদি আপনি মনে করেন যে আপনি এই ধরনের ভিসার জন্য যোগ্য তবে আবেদন করুন। যদি আপনার রেজাল্ট সামান্য খারাপও হয়ে থাকে তাও ফোন দিয়ে জানান। এজেন্ট যদি প্রযোজ্য মনে করেন তাহলে আপনি আবেদন করতে পারেন। তবে অবশ্যই এসএসসি বা এইচএসসির যে কোন একটিতে জিপিএ ৫ থাকতে হবে। সরাসরি কল দিন যে কোন দিন সকাল ৯ থেকে দুপুর ১ টা। এবং দুপুর ৩ টা থেকে রাত ৮ টা 01772369451 নাম্বারে।
কানাডায় যারা যাচ্ছেন তারা নানা পদ্ধতিতে কানাডা গমন করছেন। কেউ যাচ্ছেন ভিজিট ভিসায়। ভিজিট ভিসায় গিয়ে থেকে যাচ্ছেন। কেউ স্টুডেন্ট ভিসায়।স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ পার হবার পর তারা আর দেশে ফিরে আসছেনা ।

আবার কেউ ব্যবসায়ীক কারন দেখিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু একইভাবে ফিরে আসছেন না। আবার কেউ ইমিগ্রেশন ভিসা পেয়ে স্থায়ীভাবে চলে যাচ্ছেন। আমাদের কিছু এজেন্ট মেডিকেল ভিসা করছেন যা কানাডার ক্ষেত্রে একেবারে নতুন ধরনের। এটি একটি মেডিকেল ট্রেনিং ভিসা। আপনি কানাডায় যাচ্ছেন মেডিকেল ট্রেনিং এর জন্য। সেখানে পাঁচ কিংবা ছয় মাস থাকবেন, ট্রেনিং করবেন এবং ফিরে আসবেন নিজের দেশে। এটাই হলো ট্রেনিং ভিসা। প্রথমে আপনার নিজের মেডিকেল টেস্ট হবে যে আপনি মেডিকেলি ফিট। তারপর কাগজপত্র পাঠানো হবে কানাডায়। সেখানকার মেডিকেল ইউনিভার্সিটি বা হসপিটাল থেকে পেপার আসার পর আপনি সবকিছু জমা দেবেন এ্যামবাসিতে। এজন্য আপনার প্রথমে খরচ করতে হবে প্রথমে দশ হাজার টাকা যা নিজের মেডিকেল টেস্টের জন্য। এবং কানাডা থেকে পেপার আসার পর নিজের ভিসা ফি ও অন্যান্য খরচ বাবদ দিতে হবে তিরিশ হাজার টাকা। তাই ভিসার আগে খরচ হবে আপনার চল্লিশ হাজার টাকা। ভিসার পর এজেন্টকে দিতে হবে ৯ লক্ষ টাকা। এটির মধ্যে বিমানের টিকিটের খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।আমাদের দেখা কানাডার ভিসার ব্যপারে এটিই সবচেয়ে সহজ ভিসা যার জন্য আইইএলটিএস বা ভালো রেজাল্টের কোন প্রয়োজন নেই। যে কেউ সহজেই এই ভিসাতে যেতে পারে। তবে এই ভিসাও কতোদিন বহাল থাকে বলা মুশকিল কেননা বাংলাদেশে একজন একটা কাজ সফলভাবে করতে থাকলে সকলে তাকে অনুসরন করে।সকলে যখন একই দিকে দৌড়ায় তখন কাজটার শৈল্পিক গুনগতমান নষ্ট হয়ে তা পাবলিক মানের হয়ে যায়। ফলে ভিসা হতে থাকে রিফিউজ। আমেরিকার ভিসার ক্ষেত্রে তাই ঘটেছে এবং অনেক দেশের ভিসার ক্ষেত্রে ঘটছে। তাই আপনার উচিৎ হবে আপনি ভিসা পেলে কি ভিসায় কোথায় যাচ্ছেন তা এয়ারপোর্ট পেরুনোর আগে কাউকে না বলা।
একনজরে কানাডার মেডিকেল ট্রেনিং ভিসার খরচ:
ভিসা: মেডিকেল ট্রেনিং ভিসা (ভিজিটর হিসাবে)।
কাগজপত্র: পাসপোর্ট, ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বার্থ সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি/ স্মার্ট কার্ড,
খরচ: ভিসার আগে অফেরৎযোগ্য ৪০,০০০ টাকা ও ভিসার পর ৯ লাখ টাকা।
বিমানভাড়া: অন্তর্ভুক্ত।
এয়ারপোর্ট ট্যাক্স: অন্তর্ভুক্ত।
visas4u ব্লগে দেয়া ফোন নাম্বার দেখে আমাদের প্রচুর প্রার্থীই ফোন দেয় প্রতিদিন যাদের বেশীরভাগই কানাডা, ইউএসএ এসব বড়ো দেশে যাবার স্বপ্ন দেখে। অথবা তাদের স্বপ্ন দেখানো হয়। আমাদের এজেন্ট যখন ফোনে বলে যে কানাডা যেতে গেলে IELTS লাগবে তখন তারা বলে যে আমরা তথ্য জানিনা। তারা অমুক তমুক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জেনেছে যে তাদের ভিসা হবে। যখন তাদের জিজ্ঞাসা করি যে তাদের কি এসএসসি পাস সার্টিফিকেট আছে? তারা বলে নেই। জিজ্ঞাসা করি কোন অভিজ্ঞতা আছে? নেই। কোন দেশে কি ঘুরেছেন? না। তখন তারা বলে টাকা দিলেই নাকি ভিসা করা যায়। এদের কারা এসব কথা বলে জানিনা তবে তাদের উদ্দেশ্যে একটা কথা বলা দরকার যে, টাকাটা কারা খাবে? ভিসা অফিসার? নাকি এজেন্ট? নাকি যে আপনাকে খবর দিয়েছে সে? নাকি কানাডিয়ান গভর্নমেন্ট? যদি কানাডিয়ান গভর্নমেন্ট টাকা না খায় তবে ভিসা কিভাবে দেবে তারা?
আমাদের ব্লগের নিচে একটি ভিসা ক্লাবের ফর্ম আছে যা প্রতিদিন অনেকেই পুরন করে। এই ফর্মগুলো যখন আমাদের কাছে আসে তখন আমরা দেখি যে এদের বেশিরভাগেরই কোন অভিজ্ঞতা নেই, তারা না জানে কোন কাজ না করেছে পড়াশোনা। অথচ তারাই আবার ফর্ম এ লিখেছে যে তারা ওয়ার্ক ভিসায় ইউরোপে যেতে চায়।মনে রাখবেন বাংলাদেশে গায়ে খাটলেই লেবার হওয়া যায় কিন্তু ইউরোপে গায়ে খাটলেই লেবার হওয়া যায়না।লেবার হতে গেলে লেবার সার্টিফিকেট লাগে। অনেকেই হয়তো সৌদি আরবে লেবার হিসাবে অনেকদিন কাজ করেছে। সৌদিতে কাজ করতে তেমন কোন যোগ্যতা লাগেনা। কেবল শক্ত সমর্থ হলেই চলে। কিন্তু সৌদির অভিজ্ঞতা আপনি ইউরোপ বা কানাডায় এ্যাপ্লাই করবেননা। বড়জোর কোন দালাল আপনার টাকা খেয়ে আপনাকে ভুমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে বা তুরস্ক হয়ে বুলগেরিয়া তারপর রোমানিয়া বা হাঙেরি ঢোকানোর চেষ্টা করতে পারে কিন্তু তারপর? আপনার ভাবেন ইউরোপে ঢুকলেই হলো। ঢাকা শহরের দিকে তাকান। প্রতিদিন কতো মানুষ ঢাকা শহরে আসছে। হোটেলে থাকছে, কোন কাজ না পেয়ে বস্তি কিংবা ফুটপাথে থাকছে। আবার অপরদিকে গুলশানে, বনানীতে, ধানমন্ডিতে কতো ধনী মানুষ বাস করছে। ঢাকা শহরের আনাচে কানাচে বাড়িওয়ালারাও থাকে, ভালো চাকরি করে বাসা ভাড়া নিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে চলছে এমন মানুষও ঢাকায় থাকে। তাদের সাথে কি ঐসব ফুটপাথে থাকা মানুষের তুলনা করতে পারবেন? কারন তাদের কোন যোগ্যতা নেই। তারা যে ভালো চাকরি করবে তাদের কোন পড়ালেখা নেই, অভিজ্ঞতা নেই। বাধ্য হয়ে তারা চুরি ডাকাতি করে, মাদকদ্রব্যের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে, বা একটা চা সিগারেটের দোকান নিয়ে বসে, রিকসা চালায়। তারপরও কোনদিন তারা ঢাকায় বাড়ি বানানোর স্বপ্ন দেখেনা। নিজের পেট চালিয়ে দেশে হয়তো কিছু টাকা পাঠাতে পারে। ইউরোপে যারা পুশ হয়ে ঢোকে সেসব মানুষদেরও একই সমস্যা। তারা কোনদিনও সেখানে ভালো চাকরি পাবেনা। তাই আজ থেকে বডি কন্ট্রাক্ট কথাটা ভুলে যান। যোগ্যতা থাকলেই তবে ইউরোপ বা কানাডা যাবার স্বপ্ন দেখুন। অন্যের স্বপ্নের কাঁধে ভর দিয়ে ইউরোপ বা কানাডা যাবেননা। সঠিক ভিসা নিয়ে ইউরোপ বা কানাডা যান।
কানাডার ভিসার জন্য নানা ধরনের পদ্ধতি আছে। এ বছর ৬ ই জুনের পর একসপ্রেস এনট্রি প্রোগ্রামে পরিবর্তন এনেছে কানাডিয়ান সরকার। একসপ্রেস এনট্রি প্রোগ্রামে যারা এই সময়ের পরে এ্যাপ্লাই করবেন তাদের অবশ্যই সেদেশে আত্মীয় স্বজন থাকতে হবে। আপনার যদি ফরাসী ভাষায় দক্ষতা না থাকে তবে আপনার পয়েন্ট ক্যালকুলেশনে পুরো নাম্বার আসবেনা। আপনাকে ফরাসী ভাষার ওপর একটি পরীক্ষায় ৭ তুলতে হবে তবেই আপনি পয়েন্ট স্কোরে পুরো পয়েন্ট পাবেন। মনে করুন আপনার বা আপনার স্ত্রীর কোন আত্মীয় স্বজন সেখানে থাকেন। তাহলে আপনি ১৫ নাম্বার পাবেন। তাই আপনার কানাডা যাবার কোন আশা নেই যদি আপনার এমন কোন যোগ্যতা না থাকে। দয়া করে বিদেশে ভিসার ব্যপারে মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্ন দেখা বর্জন করুন যা আপনার জীবনের জন্য ক্ষতিই বয়ে আনবে। নিজের দৈনতার বিষয়ে সচেতন থাকুন বা নিজের যোগ্যতার বিষয়ে কনফিডেন্ট থাকুন। তবে বিড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ে না পড়লেও কিছুটা খাবার মুখের কাছে পড়তে পারে। আপনি যদি ইংলিশে ভালো না হন, ফরাসী ভাষার ওপর দক্ষতা না থাকে বা ওদেশে কোন আত্মীয় স্বজন না থাকে তবে আপনি কানাডার জন্য আবেদন করবেন না।
কানাডায় আপনার সঠিক চাকুরি খোঁজার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েই পেশাজীবির খাতায় নাম লেখাচ্ছেন অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী, অর্থাৎ পড়াশোনা শেষেই চাকরি! এমন দেশের উদাহরণ দিতে গেলে প্রথম সারিতেই আসবে ‘কানাডা’। বিশ্বমানের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ প্রতি বছরই পাড়ি দিচ্ছে কানাডায়। বর্তমানে কানাডা সরকার তাদের বৈদেশিক নীতি কিছুটা শিথিল করতে যাচ্ছে। আগের মতো সিঙ্গাপুর থেকেই ভিসার ডিসিশন যদিও আসবে তারপরও কিছুটা শীথিলতার কারনে আগের চেয়ে বেশীসংখ্যক ছাত্রছাত্রী ভিসা পেতে পারে।
আবেদন যেভাবে:
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে সেশন শুরুর অনেক আগেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি অফিস’ সেশন শুরুর এক বছর আগেই আবেদনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। দেখা যায় যে আপনি যদি জানুয়ারী সেমিস্টারে ভর্তি হতে চান তবে আপনাকে অকটোবরের দিকে পেপার প্রসেস শুরু করতে হবে। সেপ্টেম্বরের জন্য শুরু করতে হবে জুনের দিকে। কানাডায় পড়াশোনা করা যায় দুই ভাষায়−ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ। ইংরেজি ভাষায় পড়াশোনা করতে চাইলে টোফেল স্কোর (আইবিটি) থাকতে হবে ৭৫, আইইএলটিএস-এর ক্ষেত্রে অন্তত ৬.০। পাশাপাশি ভালো একাডেমিক ফলাফল এবং আর্থিক সচ্ছতার নির্ভেজাল কাগজপত্রও থাকতে হবে।
অফার লেটার পেলেই ভিসা আবেদন:
অফার লেটার পাওয়ার পর আবেদন করতে হবে ভিসা বা স্টাডি পারমিটের জন্য। ভিসা পেতে বাংলাদেশে কানাডার দূতাবাস অনুমদিত ভিসা সেন্টারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি জমা দিতে হবে। ঠিকানা: ভিএফএস কানাডা অ্যাপলিকেশন সেন্টার, তাজ ক্যাসিলিনা, ৩সি, তৃতীয় তলা, ২৫ গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। ঢাকা ছাড়াও সিলেট ও চট্রগ্রামে আছে এ ভিসা সেন্টার।
ভিসা আবেদনের ফরম সংগ্রহ করতে কিংবা ভিসা আবেদনের তথ্য জানতে ভিজিট করুন এ সাইটে− www.vfs-canada.com.bd । ‘স্টুডেন্ট ভিসা’র জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-ফিসহ আবেদন জমা দেয়ার পর এ সাইট থেকে আবেদন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থাও জানা যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত কারনে এই পেপার প্রসেসের সাথে যুক্ত তাদের দ্বারা আপনার প্রসেসিং করানোটাই যুক্তিযুক্ত হবে কেননা আপনি হয়তঃ ভালো ইংরেজী জানেন কিন্তু যারা দীর্ঘদিন এসব করে আসছেন তাদের অভিজ্ঞতা অবশ্যই আপনার চেয়ে অনেক বেশী। তাই আমেরিকা বা কানাডার মতো দেশের বেলায় নিজে নিজে অগ্রসর না হওয়াটাই ভালো।
স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে খরচও ভিন্ন:
কানাডায় টিউশন ফি কত হবে, তা নির্ভর করে স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ার ভিন্নতার ওপর। ব্যাচেলর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে বিষয়ভেদে ছয় হাজার থেকে দশ হাজার কানাডিয়ান ডলার খরচ হয় বছরে। অন্যদিকে দুই হাজার থেকে সাত হাজার কানাডিয়ান ডলার হলেই মাস্টার্সের অনেক প্রোগ্রামে পড়াশোনা করা যায় অনায়াসে। প্রসঙ্গত, ১ কানাডিয়ান ডলার প্রায় ৮২ টাকার সমান। অন্যান্য দেশের মতো কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা ২০ ঘন্টা খন্ডকালীন কাজের সুযোগ পায়, তবে এর আগে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে হয়।
বিঃদ্রঃ আপনার যদি IELTS এ ৫.৫ থেকে থাকে তবে আমি আপনার পুরো পেপার প্রসেস করে দেবো। সেক্ষেত্রে ভিসা হবার সম্ভাবনা ৯৫%।
(পুন: সংক্ষেপিত ভার্সন) প্রতিবছর ৩৫ মিলিয়নের অধিক লোক কানাডা ভ্রমণ করতে যায়। মূলত কানাডা প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ পরিবার পরিজন ও বন্ধ-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোক সেখানে গমন করে।
সাধারণত পর্যটক, সন্তান অথবা নাতী-নাতনীর সাথে দেখা করা, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য, অবস্থানের সময়সীমা বৃদ্ধি, কানাডার মধ্য দিয়ে ভ্রমণ (ট্রানজিট ভিসা, এজন্য ফি লাগে না) ইত্যাদি কারণে অনেকেই কানাডা গিয়ে থাকেন। তবে উদ্দেশ্য যাই হোক, এজন্য লাগবে ভিসা।
প্রথম ধাপ: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের পর ১৪ থেকে ৭৯ বছর বয়সী বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা আবেদনের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হয়।
আপনার আবেদন ফরমটির শেষ পৃষ্ঠায় বারকোড আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। বারকোডযুক্ত পেইজটি সকল ফরমের উপরে যুক্ত করবেন। বারকোড পরিষ্কার রাখবেন, বিকৃত, অস্পষ্ট ও নোংরা করবেন না।
ফরমটি ভাল মানের কাগজে প্রিন্ট করবেন। সম্ভব হলে লেজার প্রিন্টারে প্রিন্ট করবেন।
এই ফরমটি পূরণ করে অবশ্যই আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করবেন। অন্যথায় আপনার আবেদনপত্রটি গৃহিত হবে না!
ফি প্রদানের রসিদ অবশ্যই প্রিন্ট করে আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করবেন।
সপ্তম ধাপ: আবেদনপত্র প্রদান করে রসিদ নিবেন। রসিদে ট্রাকিং নম্বর থাকবে। নম্বরটি অনলাইনে আবেদনপত্রের অবস্থা জানার জন্য লাগবে।
প্রদত্ত লিংকগুলিতে প্রবেশ করে প্রতিটি বিষয় ধৈর্যসহ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। প্রতিটি ধাপ আস্তে আস্তে অতিক্রম করবেন। নিয়মগুলো ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করবেন। অন্যথায় ভুল হতে পারে। আর ভুল হলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে।