চেক রিপাবলিকে দ্রুত ও ১০০% কনফার্ম ভিসা অফার-----------------------------------------------চেক রিপাবলিকে জব ভিসায় আমরা দিচ্ছি ১০০% নিশ্চয়তা ও ২৫ দিনে ফ্লাই করার গ্যারান্টি। ১০ দিনে ওয়ার্ক পারমিট, ৫ দিনে এ্যামবাসি ফেস ও পরবর্তী ১০ দিনে ভিসা হাতে পাওয়া ও ফ্লাই। বিশেষ প্রক্রিয়ার এই জব ভিসার জন্য আপনাকে আগে কোন টাকা পে করতে হবেনা। চেক রিপাবলিকে পৌছে পেমেন্ট করবেন। কাজ চেক রিপাবলিকের ফ্যাকটরিতে। বেতন ৭০,০০০ টাকা। থাকা কোম্পানীর ও খাওয়া নিজের। ওয়ার্ক পারমিট আসার পর আপনাকে কেবল নিজের খরচে দিল্লীতে গিয়ে এ্যামবাসি ফেস করতে হবে। আবেদন করার পর আপনি যে আর্থিকভাবে সমর্থ এটা প্রমান করার জন্য একটি পে-অর্ডার করবেন এবং আপনার কাছে রাখবেন। পে-অর্ডারটির ফটোকপি আমাদের দিতে হবে। তাছাড়া চেক ও এগ্রিমেন্ট করতে হবে। মাত্র তিনজনের জন্য এই কাজ করা যাবে। দ্রুত যোগাযোগ করুন 01772369451
TOTAL COST 15,000,00
To apply click here........APPLY

কোন কোন দেশের ভিসার ক্ষেত্রে ১০০% নিশ্চয়তা দেয়া যায় যদি সেটা চেক রিপাবলিক, রাশিয়া বা মালয়শিয়া ভিসার ব্যাপার হয়। এছাড়া আমেরিকা বা কানাডা ভিসার ব্যপারে কেউ যদি ১০০% শব্দ উল্লেখ করে থাকে তবে তাকে প্রতারক ছাড়া কিছু ভাববেন না। চেক রিপাবলিক ভিসা কেন ১০০% গ্রান্টেড হয়? এর কারন হলো ওয়ার্ক পারমিট। চেক রিপাবলিকে যদি ওয়ার্ক পারমিট ঠিক থাকে তবে আপনার ভিসা হবে নিশ্চিত। পোল্যান্ডের ক্ষেত্রেও তাই। তবে চেকের ব্যপারে দেখবেন কিছু কিছু এজেন্ট অনেক কম টাকায় অফার দিয়ে থাকে যেমন ঢাকার ফকিরেরপুল এলাকার একজন এজেন্ট চেক রিপাবলিকের জন্য ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকে। পোল্যান্ডের জন্য নেন ৪ লাখ টাকা। এটা কিভাবে সম্ভব। আমাদের এক্সপার্ট বললো সেটাও সম্ভব। কারন তারা ইউরো দিয়ে আবেদন করে একজনের জন্য। যখন ওয়ার্ক পারমিট আসে তখন সেটা কপি করে আরও দশজনের নামে চালায়। তাহলে তো যা পায় তাই দিয়েই সম্ভব। সেক্ষেত্রে বাই চান্স যদি ভিসা হয়ে যায় তবে যা পাওয়া যায় তাই লাভ। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ভিসা না পাবার সম্ভাবনা তবে দিল্লী যদি ব্যস্ততার কারনে কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ না করে বা চেক কোম্পানী যদি ঠিক সময়মতো উত্তর না দেয় ভিসা ইস্যু হয়ে যেতে পারে। আর এজেন্টরা এই সুজোগটাই নেয়। খেয়াল রাখবেন ভিসা ইস্যু হলেও আপনি চেক রিপাবলিকে ঢোকার পর অবৈধ কারন আপনার প্রকৃত ওয়ার্ক পারমিট নেই। কোন কোম্পানীতে কাজ না থাকার অর্থ হলো যে আপনি অবৈধ।তাই কখনও কম টাকার অফারে প্রলোভিত হবেন না। যেখানে টাকা কম সেখানে ঘাপলা থাকতে পারে।
২০১৮ সালে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দিল্লীর চেক রিপাবলিক এ্যম্বাসীর সকল এ্যাপয়েন্টমেন্ট শেষ হয়ে গেছে। তাই তারা আর কোন এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিচ্ছেনা। এই অকটোবর থেকে পুনরায় এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া শুরু হবে। শোনা যাচ্ছে আগের মতো ই-মেইলে এ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে। তবে আমাদের দিল্লীর সোর্স এখনও তা কনফার্ম করেননি। যদি ই-মেইল এ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু করা হয় তবে তা সকলের জন্যই আশীর্বাদ বয়ে নিয়ে আসবে।
চেক রিপাবলিকের ওয়ার্ক পার্মিট ও জব ভিসার জন্য আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্ট নিচ্ছেন ১২ লক্ষ টাকা যা আপনার নিকট থেকে ভিসার পর নেয়া হবে।তবে ওয়ার্ক পারমিট এলে আপনার নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা জমা নেয়া হবে। এ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট পাবার পর আপনাকে নিজের খরচে দিল্লী যেতে হবে। সেখানে আমাদের ভারতীয় এজেন্ট আপনাকে ভিসার ব্যপারে সহায়তা করবেন। পেপার জমা দিয়ে আপনি দেশে চলে আসবেন।চেক রিপাবলিক এ্যাম্বাসী আপনার নিকট থেকে কেবল আনুসঙ্গিক কাগজপত্র জমা রাখবে কিন্তু আপনার পাসপোর্ট ফেরৎ দিয়ে দেবে। পরবর্তীতে ভিসা তোলার জন্য আপনাকে আবার দিল্লী যেতে হবে তখন পাসপোর্টটি তারা এক ঘন্টার জন্য রাখবে এবং সেখানে স্টিকার মেরে দেবে।ভিসা নিয়ে আপনি দেশে আসার পর আমাদের ফি পরিশোধ করবেন।চেক রিপাবলিকে ভিসা পেতে সর্বোমোট আপনার ৮ মাস লাগতে পারে তবে যেদিন আপনি আমাদের কাছে এসে এ্যগ্রিমেন্ট করবেন ঠিক সেদিন থেকেই আপনি ইউরোপে যাবার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে পারবেন কারন ভিসা কখনই রিজেক্ট হবেনা।
 |
| ভিসা পেয়ে চেক রিপাবলিকে চলে গেছেন আরমান হোসেন (ফেসবুকে পাওয়া তাদের ছবি।)। |
আমরা গত বছর কোন এক পোস্টে লিখেছিলাম যে, ইউরোপে ঢোকার রাস্তা হলো এস্তোনিয়া। কিন্তু বর্তমানে এস্তোনিয়া হার্ডলাইনে চলে যাওয়ায় বাংলাদেশীদের জন্য ইউরোপে যাবার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। তখন আরও কয়েকটি দেশ একই সাথে খুলে যায়। তা হলো স্পেন ও গ্রীস। তারপর স্পেন ও গ্রীস একই সাথে বন্ধ হয়ে যায়। আবারও খুলে যায় কয়েকটি দেশের ভিসা পাবার পথ। তারমধ্যে অন্যতম হলো চেক রিপাবলিক। আমাদের অনেক ব্লগ পাঠক মনোযোগ দিয়ে আমাদের পূর্বের পোস্টগুলি পড়েন কিন্তু নতুন পোস্ট পড়েন না। ভিসা সংক্রান্ত আপডেটেড তথ্যের জন্য আমাদের উপরের পোস্টগুলো পড়ুন। চেক রিপাবলিক বর্তমানে ইউরোপে ঢোকার পথ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদিও দেশের বেশীরভাগ মানুষই এই দেশের নাম জানেন না, তারপরও বলতে হয় যে ইউরোপের মধ্যে বেশ ভালো একটা দেশ বলতে চেক রিপাবলিকই রয়েছে যেখানে খুব অল্প সময়ের ভেতর আপনি পিআর পাবেন। এবং পনেরো দিনের ভেতর টিআরপি পাবেন। মানচিত্রে দেখুন, পোল্যান্ডের পাশের দেশ চেক রিপাবলিক। এখানে ঢুকলে আপনি সেনজেনভুক্ত যে কোন ২৮টি দেশে চলে যেতে পারবেন। তাছাড়া চেকে থাকলেও আপনি খুব অল্প সময়ের ভেতর পিআর বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি পাবেন। আপনার জব ভিসা পাবার তিন মাসের ভেতর আপনার পরিবার নিয়ে চলে যেতে পারবেন ইউরোপে। তাছাড়া, ইউরোপিয়ান আইন অনুসারে আপনার স্ত্রী বা স্বামী সেখানে চাকরি পাবে ও সন্তান পড়াশোনা করতে পারবে।এই ধরনের সুজোগ কোন সেনজেন দেশে নেই তাই আপনাকে যদি ইউরোপে ঢোকার উপদেশ আমরা দেই তবে সেনজেন দেশ হিসাবে চেক রিপাবলিকেই ঢোকার উপদেশ দেব। নিচে ডিসেম্বর মাসে হওয়া আমাদের চেক রিপাবলিকের কিছু ভিসা দেয়া হলো।
চেক রিপাবলিকের সম্পুর্ন অফার সম্পর্কে জানতে আমাদের ভিসা পোর্টাল
www.visa24bd.com ভিজিট করুন ও আপনার রিজিউম আপ করুন।

চেক রিপাবলিক। আগের নাম চেকোস্লোভাকিয়া। তখন ছিল সমাজতন্ত্র, আর এখন গনতন্ত্র। সেই সমাজ ব্যবস্থাও নেই এখন। চেক রিপাবলিক এখন একটা উন্নত দেশের নাম। এই দেশের চারপাশে রয়েছে পোল্যান্ড, জার্মানী, অস্ট্রিয়া ও স্লোভাকিয়া। যদিও ইউরোপে বেকারত্ব বাড়ছে কিন্তু জব ভিসার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই তাদের জন্য যারা ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাচ্ছেন। জব তাদের দেশের সরকার দেবে।অনেকে ভাবে যে অনেক দেশে বেকারত্ব চলছে, তারা সেখানে জব পাবে কিনা। ইউরোপে বেকারত্ব বলতে ভিন্ন জিনিষ বোঝায়। যেমন একজন চেক বা একজন পোলিশ তাদের দেশের এক লক্ষ টাকার চাকরি করতে চাইবেনা। সে যে বেতন চাইবে তা হবে চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। সে যদি এই পরিমান টাকার জব না পায় তবে তাকে বেকারত্ব বলে। ইউরোপে বেকারত্ব বলতে এটাই বোঝায়।কিন্তু একজন বাংলাদেশীর জন্য এক লক্ষ টাকার চাকরি অনেক বড়ো ব্যপার। সে এই টাকার চাকরির জন্য বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ টাকা খরচ করে যাচ্ছে। তাই যাবার আগে এতো চিন্তা করবেন না। ইউরোপে পার্ট টাইম জব করেও আপনি দেশে ছয় তলা বাড়ি বানাতে পারবেন বছর শেষে, কারন আপনি বাংলাদেশে যে চাকরি করতে চাননা সেই চাকরি ওখানে গিয়ে তো করবেনই বরং পারলে সারা রাতও চাকরি করতে চাইবেন। আপনার কথা হলো যেহেতু টাকা কামাতে বিদেশ এসেছি তবে বসে থাকবো কেন?
আমাদের প্রচুর এজেন্ট যারা চেক রিপাবলিকের কাজ করে তারা এই মাসে ব্যপক সাফল্য পেয়েছেন। এই সাফল্য এরকম যে একজন এজেন্ট দশ জন ক্লায়েন্ট নিয়ে দিল্লী গেছেন। তার দশটাই ভিসা হয়েছে। অনেক এজেন্ট দিল্লীতে অপেক্ষা করছেন এখনও। তাদের মারফত আমরা দিল্লীর এ্যামবাসি থেকে নানা ধরনের তথ্য জানতে পারি। আমাদের সর্বশেষ জানা তথ্যটি হলো যে, আগামী চারমাস চেক রিপাবলিকের ভিসা উঠবে। তারপর বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে আপনাকে সুজোগ নিতে হবে।
চেক রিপাবলিকের ব্যপারে যদি আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে নিচের সুবিধা ও তথ্যসমূহ কাজে লাগাতে পারেন।
কাজ: কনস্ট্রাকশন / ফ্যাক্টরি। আপনার প্রোফাইলের ওপর নির্ভর করে কাজ হবে। প্রসেসিং সময়: ২ মাস
বেতন: ৬০ হাজার টাকা মাসে
থাকা ও খাওয়া: ফ্রি
পেমেন্ট: ভিসার পর
চুক্তি: ২ বছর
ভিসা হবে: ১ বছরের, পরে ২০ বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। সমগ্র পেমেন্ট: ১১ লক্ষ
শর্তসমূহ: ওয়ার্ক পারমিট আসার পর চেক ও এগ্রিমেন্ট করতে হবে। নিজের খরচে ভারত ভ্রমন, দিল্লী এ্যামবাসিতে ফাইল সাবমিট করে পাসপোর্ট প্রদান ও সংগ্রহ করতে হবে এবং দেশে আসতে হবে। দেশে আসার পর ম্যান পাওয়ার হবে এবং ম্যান পাওয়ার হবার আগেই ৮ লাখ টাকা প্রদন করতে হবে। ম্যান পাওয়ার হবার পর বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে।
চেক রিপাবলিকের ভিসা সমূহ: