আপনারা সবাই জানেন কানাডা এতোবড়ো একটা দেশ যাকে মহাদেশ বললেও ভুল হবেনা। আর এতোবড়ো দেশের লোকসংখ্যা মাত্র তিন কোটি ছত্রিশ লাখ ২০১৬ এর আদমশুমারী মতে। বাংলাদেশর ১৯ কোটি জনসংখ্যা যদি কানাডার ভেতর ১০ গুন করে ভরা হয় তারপরও কানাডার একেকটা প্রদেশ ভরতে পারবেন না। তাই কানাডার মূল লক্ষ্য হলো এর জনসংখ্যা বাড়ানো যাতে করে তাদের জনশক্তি বাড়ে। তাই তারা চায় বিদেশ থেকে দক্ষ জনবল বিভিন্ন মাধ্যমে দেশে আনা। যারা অদক্ষ তাদের আসা বন্ধ করা। যেমন ধরুন স্টুডেন্ট ভিসার কথাই ধরা যাক। কানাডা চায় মেধাবীরা এদেশে আসুক যাতে তারা ভবিষ্যতে সেই দেশে উন্নতিতে তারা অবদান রাখতে পারে। এই চিন্তা করে তারা স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে মেধা যাচাই করে দুটো বিভাগে যে তার সিজিপিএ কতো এবং ইংরেজীতে তার দক্ষতা কেমন। IELTS ছাড়াও আমাদের অনেক ভিসা হয়েছে, সেক্ষেত্রে তারা সিজিপিএ দেখে ভিসা দিয়েছে। এরপর তারা জুন মাস থেকে IELTS ছাড়া ফাইলগুলো পুরোপুরি রিজেক্ট করা শুরু করে। এই অবস্থা দেখে আমরাও আমাদের ডিসিশন পরিবর্তন করি। পুরাতন বিজ্ঞাপন পরিবর্তন করে IELTS সহ যেসব ফাইল আছে সেগুলো নিতে শুরু করি। সেজন্য অনেকেই আমাদের ভুল বুঝেছেন যে আমরা আগে বলেছি IELTS ছাড়া ভিসা হবে এবং পরে বলছি IELTS লাগবে। খেয়াল রাখবেন আমরা আমাদের সব পোস্টেই আপডেটেড তথ্য সরবরাহ করি। কাউকে ভুল তথ্য সরবরাহ করে আমাদের কোন লাভ নেই। আমরা মূলত ব্লগার ছিলাম। মানুষের উপকারের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখলাম আমাদের বাঁচতে হবে। তাই মেম্বারশিপ করে ৪০০ টাকা নেয়া শুরু করলাম। এই ৪০০ টাকা ছাড়া আমাদের আর কোন লাভ নেই। আপনার ভিসা হলে এজেন্টের লাভ, আপনার লাভ। আর এই ৪০০ টাকার বিনিময়ে আপনি পাচ্ছেন আমাদের তথ্য, ভিসা সেবা। আপনি মেম্বার হলে আমরা আপনার জন্য একজন সঠিক ভিসা এজেন্ট খুঁজে দেব। যাকে আমরা বলছি ভেরিফায়েড এজেন্ট। আমরা ভেরিফাই করার কেউ নই। ভেরিফাই করবে সরকার, আমরা জাস্ট দেখে নেই যে তারা সত্যিকার অর্থে ভেরিফায়েড কিনা, যেমন তাদের এমপি লাইসেন্স আছে কিনা, তাদের আপডেটেড ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা, তারা প্রতিবছর সরকারকে কর দিচ্ছে কিনা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা এবং পরিশেষে তাদের ট্র্যাক রেকর্ড কেমন অর্থাৎ তাদের ভিসা রেশিও কেমন ও তাদের নামে কোন হুলিয়া আছে বা অভিযোগ আছে কিনা। এ পর্যন্ত আমরা সারা দেশের অগনিত সৎ যোগ্য ভিসা এজেন্ট পেয়েছি ও তাদের সাথে কাজ করেছি ও করছি। কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রেও তাই। এখন আর IELTS ছাড়া ভিসা হবেনা।দয়া করে IELTS ছাড়া ভিসার জন্য দাঁড়াবেন না। দ্রুত IELTS পরীক্ষা দিয়ে নিন। IELTS পরীক্ষা তেমন কঠিন কোন বিষয় নয়। পরীক্ষা দিলেই আপনি 4.5 পাবেন। আর তাতেই চলবে। আপনার যদি ২০১৭-২০১৮ তে এইচএসসি থাকে তবে মার্কস যাই থাকুক আপনি IELTS পরীক্ষা দিয়ে নিন। ২০১৯ এর জানুয়ারী ইনটেকের জন্য ফাইল দেবার সর্বশেষ সময় এই অগাস্ট মাস। জানুয়ারীর জন্য এ্যামবাসি ফেস করবেন সেপ্টেম্বর বা অকটোবর মাসে। IELTS থাকলে আপনার ভিসা অনেকটাই নিশ্চিত হবে। আপনি যদি ২০১৭-২০১৮ এর এইচএসসির পরীক্ষার্থী হয়ে থাকেন তবে কানাডার ভিসার জন্য আমাদের ফোন দিন। এবং ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করুন।ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য নিচের ডান দিকের বাটন ও আবেদন করার জন্য বাম দিকের বাটনটি চাপুন।
Follow us
Newsletter
Showing posts with label কানাডার ভিসা. Show all posts
Showing posts with label কানাডার ভিসা. Show all posts
Wednesday, August 01, 2018
Tuesday, June 07, 2016
কানাডায় নিজের ভিসা নিন নিজেই....
On June 07, 2016
In Canada, Canada immigration, study in Canada, কানাডা, কানাডায় জব, কানাডায় পড়াশোনা, কানাডার ভিসা
(পুন: সংক্ষেপিত ভার্সন) প্রতিবছর ৩৫ মিলিয়নের অধিক লোক কানাডা ভ্রমণ করতে যায়। মূলত কানাডা প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ পরিবার পরিজন ও বন্ধ-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোক সেখানে গমন করে।
সাধারণত পর্যটক, সন্তান অথবা নাতী-নাতনীর সাথে দেখা করা, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য, অবস্থানের সময়সীমা বৃদ্ধি, কানাডার মধ্য দিয়ে ভ্রমণ (ট্রানজিট ভিসা, এজন্য ফি লাগে না) ইত্যাদি কারণে অনেকেই কানাডা গিয়ে থাকেন। তবে উদ্দেশ্য যাই হোক, এজন্য লাগবে ভিসা।
প্রথম ধাপ: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের পর ১৪ থেকে ৭৯ বছর বয়সী বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা আবেদনের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হয়।
দ্বিতীয় ধাপ: ভিসা আবেদন কোন কোন বিষয়ে করা যাবে সে সম্পর্কে জানতে লিংকটিতে যান:http://www.canadainternational.gc.ca/singapore-singapour/visa.aspx?lang=eng&menu_id=4
তৃতীয় ধাপ: এখনhttp://www.cic.gc.ca/english/information/applications/index.asp লিংকটিতে গিয়ে যে বিষয়ে ভিসার আবেদন করবেন সেই ফরমটি বেছে নিবেন। ফরমটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে পূরণ করবেন। পূরণকৃত ফরমটি প্রিন্ট করবেন।
আপনার আবেদন ফরমটির শেষ পৃষ্ঠায় বারকোড আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। বারকোডযুক্ত পেইজটি সকল ফরমের উপরে যুক্ত করবেন। বারকোড পরিষ্কার রাখবেন, বিকৃত, অস্পষ্ট ও নোংরা করবেন না।
ফরমটি ভাল মানের কাগজে প্রিন্ট করবেন। সম্ভব হলে লেজার প্রিন্টারে প্রিন্ট করবেন।
সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন কানাডা (CIC) এ যে সকল কাগজপত্র চায় সেগুলো দিতে না পারলে ওয়েভার ফরম বা মওকুফের ফরম পূরণ করে সাইন করবেন। ওয়েভার ফরম পেতে ক্লিক করুন:http://www.vfsglobal.ca/canada/bangladesh/pdf/Waiver_Form_291015.pdf
চতুর্থ ধাপ: গোপণীয়তা নীতি জানতে ও VFS consent form পেতে ক্লিক করুন:http://www.vfsglobal.ca/canada/bangladesh/pdf/vfs_consent_form.pdf
এই ফরমটি পূরণ করে অবশ্যই আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করবেন। অন্যথায় আপনার আবেদনপত্রটি গৃহিত হবে না!
পঞ্চম ধাপ: ভিসা ফি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ফি (Biometric fee) প্রদান করতে লিংকটিতে ক্লিক করুন:http://www.cic.gc.ca/english/information/fees/index.asp
ফি প্রদানের রসিদ অবশ্যই প্রিন্ট করে আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করবেন।
ষষ্ঠ ধাপ: এখন পাসপোর্ট, ছবি, আবেদনপত্র, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ নিকটস্থ Canada Visa application centre (CVAC) in Bangladesh যাবেন। সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। সার্ভিস চার্জ সংক্রান্ত বিস্তারিত দেখুন:http://www.vfsglobal.ca/canada/bangladesh/Service_and_Service_Charge.html
সপ্তম ধাপ: আবেদনপত্র প্রদান করে রসিদ নিবেন। রসিদে ট্রাকিং নম্বর থাকবে। নম্বরটি অনলাইনে আবেদনপত্রের অবস্থা জানার জন্য লাগবে।
আবেদনপত্র জমাদানের পর তার অবস্থা জানতে ভিজিট করুন:http://www.vfsglobal.ca/canada/bangladesh/track_your_application.html. ট্রাকিং নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।
প্রদত্ত লিংকগুলিতে প্রবেশ করে প্রতিটি বিষয় ধৈর্যসহ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। প্রতিটি ধাপ আস্তে আস্তে অতিক্রম করবেন। নিয়মগুলো ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করবেন। অন্যথায় ভুল হতে পারে। আর ভুল হলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে।
Monday, January 04, 2016
কানাডা যাবার আগে জেনে নিন
বিস্তীর্ণ স্থলভাগ, মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কানাডার অনেক মিল। কিন্তু অমিলও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ ঐতিহ্য এড়িয়ে চলার প্রবণতা থাকলেও কানাডার লোকেরা ব্রিটিশ ঐতিহ্যের জন্য বেশ গর্ব করে। বিশেষ করে ইউরোপের দু’টি দেশ ব্রিটেন আর ফ্রান্সের অভিবাসীদের মাধ্যমে কানাডার ইতিহাস আর ঐতিহ্য যথেষ্ট প্রভাবিত হয়েছে। ফরাসি এবং ইংরেজি দুটো ভাষাই প্রচলিত কানাডায়। বিশেষ করে কানাডার কুইবেক এবং নিউ বার্নসউইকের অধিবাসীরা প্রধানত ফরাসী ভাষায় কথা বলে। কাজেই যারা কানাডা যাওয়ার কথা ভাবছেন তাদের এই দু’টি ভাষার একটি অবশ্যই জানতে হবে।
বিশাল এই দেশটির জনসংখ্যা সাড়ে তিন কোটি। দক্ষ কূটনীতি, মানবাধিকার মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা, শান্তিরক্ষা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে বিশ্ব মঞ্চে বেশ প্রভাবশালী দেশ কানাডা। কানাডার মানুষের জীবনযাত্রার মান বেশ উন্নত, মানবাধিকার মূল্যবোধের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক অধিকার রক্ষা প্রভৃতি সূচকে সব সময়ই প্রথম সারির দেশ কানাডা।
স্থানীয় সময়
প্রায় এক কোটি বর্গ মাইলের বিশাল দেশ হওয়ায় একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবস্থা অনুসরণ না করে মোট ছয়টি সময় এলাকা বা টাইম জোনে ভাগ করা হয়েছে কানাডাকে। গ্রিনিচ মান সময় থেকে কানাডার স্থানীয় সময় সাড়ে তিন ঘণ্টা থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত পিছিয়ে থাকতে পারে। এছাড়া গ্রীষ্মে এখানকার ঘড়ি এক ঘণ্টা এগিয়ে নেয়া হয়।
সংক্ষিপ্ত তথ্য:
- রাজধানী: অটোয়া
- সবচেয়ে বড় শহর: টরেন্টো
- অফিসিয়াল ভাষা: ইংরেজি এবং ফরাসি, এছাড়া আরও কয়েকটি ভাষাকে স্থানীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- আয়তন: ৯৯,৮৪,৬৭০ বর্গ কিলোমিটার
- জনসংখ্যা: ৩,৫৬,৭৫,৮৩৪ (২০১৪ সালের হিসাব)
- মুদ্রা: কানাডীয় ডলার(CAD)
- মুদ্রা বিনিময় হার: ১ কানাডীয় ডলার = ৬২ বাংলাদেশি টাকা (প্রায়) মার্চ ২০১৫ এর তথ্য
- আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড: +১
- ইমার্জেন্সি ডায়াল: ৯১১
- ইন্টারনেটে কান্ট্রি ডোমেইন: .ca
- বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা: ১২০ ভোল্ট, ৬০ হার্জ (টাইপ ‘এ’ প্লাগ)
- ধর্ম:
- রোমান ক্যাথলিক ৩৮.৭%
- প্রটেস্টান্ট ১৭%
- কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন না: ২৩.৯%
- অন্যান্য ১০%
পরিমাপ পদ্ধতি:
কানাডায় মেট্রিক পদ্ধতি চালু হলেও বয়স্কদের মধ্যে এখনো পুরনো ব্রিটিশ পদ্ধতির ব্যবহার দেখা যায়। তাদের মধ্যে ফুট, মাইল প্রভৃতি এককের ব্যবহার দেখা যায়। এছাড়া অনেকেই তাপমাত্রা বোঝাতে এখনো ফারেনহাইট একক ব্যবহার করেন। অবশ্য আবহাওয়া বার্তায় সেলসিয়াস এককই ব্যবহার করা হয়। তবে নায়াগ্রার মত কিছু সীমান্ত এলাকায় ফারেনহাইট এককে আবহাওয়া বার্তা দেয়া হয়।
কানাডার আবহাওয়া:
বিশাল দেশ হওয়ায় কানাডার আবহাওয়া সম্পর্কে এক বাক্যে বলা কঠিন। দেশটির অধিকাংশ এলাকায় শীতকালটা বেশ কঠিন। কিছু কিছু এলাকায় জুলাই আগস্টেও গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মত হয়। কিন্তু দক্ষিণ অন্টারিও’র মত জনবহুল জায়গাগুলোতে আবহাওয়া কিছুটা সহনীয়। আবার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় শীতকালের তাপমাত্রাও হিমাঙ্কের ওপরে থাকে।
কানাডার অধিকাংশ শহরাঞ্চল যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত। কাজেই শীতকাল ছাড়া কানাডার শহরগুলোয় বেড়াতে গেলে তুষার ঝড়ের মত প্রতিকূল আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে হবে না। কানাডার জনবহুল এলাকাগুলোতে গ্রীষ্মকালটা বেশ সংক্ষিপ্ত হয়। টরেন্টো, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভৃতি এলাকার তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
কানাডার ভিসার সকল তথ্য
ম্যাপল পাতার দেশ কানাডা যেতে বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা আবশ্যক। বাংলাদেশে কানাডার ভিসা আবেদন কেন্দ্র সিভিএসি পরিচালনার কাজটি করে ভিএফএস বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড। একমাত্র কানাডা ভিসা আবেদন কেন্দ্রকেই ভিসা আবেদন গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছে সে দেশের সরকার। ভিসা আবেদনপত্র জমা নেয়ার পাশাপাশি পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র বিতরণের কাজটিও কানাডার ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে করা হয়। এছাড়া প্রয়োজনে ভিসা সাক্ষাতকারের জন্য শিডিউলের ব্যবস্থা করে। কানাডার অভিবাসন ভিসা আইন ও গাইডলাইন অনুসারে ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা ভিসা আবেদন নিষ্পত্তি করেন, ভিসা ইস্যু করা না করার ব্যাপারে সিভিএস বা কানাডার ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কোন ভূমিকা নেই।
ভিএফএস কানাডা ভিসা আবেদন কেন্দ্র
ঢাকা
|
৫ম তলা, ডেল্টা টাওয়ার, প্লট-৩৭, রোড-৯০,
গুলশান নর্থ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ।
|
চট্টগ্রাম
|
বাড়ী নং-৩৮, চেম্বার হাউজ, ৫ম তলা
আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম-৪১০০, বাংলাদেশ।
|
সিলেট
|
৮ম তলা, নির্বাণ ইন, মির্জা জঙ্গল রোড,
রামের দীঘির পাড়, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।
|
- সরকারি ছুটির দিন ছাড়া রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে।
- সকাল ০৯:০০ থেকে বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকে।
আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময়: সকাল ০৯:০০ থেকে বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত।
পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়: বিকাল ০৩:০০ টা থেকে বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত।
হেল্প লাইন:
- ফোন::+88 09606 777 888 (সকাল ০৯:০০ থেকে বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত)
- ই-মেইল: info.canadabd@vfshelpline.com
(ই-মেইল বা এসএমএস-এর মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ব্যক্তিগত তথ্য না দেয়াই ভালো কারণ এ ধরনের বার্তা ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। )
ভিসা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ জানাতে নাম, যোগাযোগের ঠিকানা ইত্যাদি উল্লেখ করে অভিযোগ পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে। এক কর্ম দিবসের মধ্যে প্রাপ্তিস্বীকার করা হয় এবং তিন দিনের মধ্যে পূর্ণ জবাব দেয়া হয়।
ট্যুরিস্ট ভিসা
বেড়াতে কিংবা পরিবারের সদস্য বা বন্ধুবান্ধবের সাথে দেখা করতে কানাডা যেতে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনীদের সাথে দেখা করতে
কানাডার নাগরিক এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করছে এমন সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনী থাকলে দু’বছর মেয়াদী প্যারেন্ট এন্ড গ্র্যান্ড প্যারেন্ট সুপার ভিসা দেয়া হয়।
ভিসার তথ্য
কানাডা ভ্রমণ বা বা কানাডা হয়ে অন্য দেশে যাওয়ার প্রয়োজন হলে বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা প্রয়োজন হবে। এদিকে ২০১৩ সালে থেকে কানাডা ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশীদের জন্য ছবির পাশাপাশি ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কানাডার ট্যুরিস্ট ভিসার নিয়মাবলী
- বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে
- সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে
- কানাডা থাকা এবং সেখান থেকে ফেরার মত আর্থিক সচ্ছলতা আছে, এর প্রমাণ হিসেবে চাকরি, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সম্পদ দেখাতে হবে।
- মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড থাকলে কানাডা প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয় না।
- এছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং কানাডায় অবস্থানকারী কারো আবেদনপত্র প্রয়োজন হতে পারে।
- ব্যবসা বা পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে বারবার কানাডা যাওয়ার প্রয়োজন হলে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেয়া হয়।
- কেবল একবার প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয় সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার মাধ্যমে।
- বিমানের যাত্রা বিরতি বা ফ্লাইট বদলের জন্য ৪৮ ঘণ্টার কম সময় কানাডা অবস্থানের প্রয়োজন হলে ট্রানজিট ভিসা দেয়া হয়।
- ভিসা আবেদনের সাথে একটি সাক্ষরিত কনসেন্ট ফর্ম বা সম্মতিপত্র দিতে হয়, এটি ছাড়া ভিএফএস ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করা হয় না।
- ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর একটি রসিদ দেয়া হয় এই রসিদে এটি ট্র্যাকিং নম্বর থাকে যেটি ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানা যায়।
আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর কানাডা সরকারের তরফ থেকে পাসপোর্ট জমা দেয়ার জন্য রিকোয়েস্ট লেটার পাঠানো হবে এই রিকোয়েস্ট লেটারসহ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আবেদনকারী নিজে অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ভিসা আবেদন কেন্দ্রে গিয়ে পাসপোর্ট জমা দিতে পারে।
পাসপোর্ট সংগ্রহ:
আবেদনকারী নিজে গিয়ে অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেখে নিয়ে কানাডার ভিসা অফিস থেকেও পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যায়।
সার্ভিস চার্জ
|
বায়োমেট্রিকসের জন্য ৮৫ কানাডিয়ান ডলার প্রয়োজন হয়। বায়োমেট্রিকস ফি দেয়ার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে দরখাস্ত প্রক্রিয়াকরণ ফি জমা দিতে হয় না।
অন্যান্য সেবার জন্য সার্ভিস চার্জ
|
কানাডার ভিসা আবেদন কেন্দ্রে কেবলমাত্র নগদ টাকার মাধ্যমে এসব সেবা মাশুল জমা দেয়া যাবে। ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক গৃহীত হয় না।
ভিসা ফি জমা দেয়া
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে ভিসা আবেদন ফি জমা দেয়া যায়। এছাড়া ভিএফএস কেন্দ্রে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি বুথ রয়ছে সেখান থেকেও ব্যাংক ড্রাফট সংগ্রহ করা যায়। এজন্য সার্ভিস চার্জ হিসেবে ২৮০.৩০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। আবার কানাডার কোন ব্যাংক থেকেও “রিসিভার জেনারেল ফর কানাডা” বরাবরে কানাডিয়ান ডলারে ব্যাংক ড্রাফট করে জমা দেয়া যায়।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ভিসা আবেদন কেন্দ্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়:
- ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন ক্যামেরা, অডিও/ভিডিও ক্যাসেট, কম্প্যাক্ট ডিস্ক, এমপিথ্রি প্লেয়ার, ফ্লপি, ল্যাপটপ, পোর্টেবল মিউজিক প্লেয়ার ইত্যাদি নিয়ে প্রবেশ ভিসা আবেদন কেন্দ্র প্রবেশ নিষেধ।
- ট্রাভেল ব্যাগ, ব্যাক প্যাক, ব্রিফকেস, স্যুটকেস, চামড়া, পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ইত্যাদি সাথে নিয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। কেবল ভিসা আবেদনপত্র নেয়ার জন্য একটি প্লাস্টিক ব্যাগ নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।
- সীল করা প্যাকেট বা এনভেলপ নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করা যায় না।
- ম্যাচ বাক্স, লাইটার বা অন্য কোন দাহ্য বস্তু নিয়ে প্রবেশ করা যায় না।
- ছুরি, কাঁচি জাতীয় ধারালো বস্তু এবং অস্ত্র বা বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ নিয়ে প্রবেশ করা যায় না।
- এসব ছাড়া আরও কোন সামগ্রী নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করলে সেটা নিয়ে প্রবেশে বাধা দেয়া হতে পারে।
- আবেদনকারী ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশে অনুমতি দেয়া হয় না, তবে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদের জন্য সাহায্যকারীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়, শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের সাথে অনুবাদক প্রবেশ করতে পারে।
- ভিসা আবেদন কেন্দ্রে প্রবেশের সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই সরকারি পরিচয়পত্র দেখাতে হবে, এটা পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ন্যাশনাল আইডি কার্ড হতে পারে।
- ব্যাগ বা যেসব জিনিসপত্র নিয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না তা গেটে রেখে প্রবেশের কোন ব্যবস্থা নেই। সেগুলো নিজ দায়িত্বেই বাইরে রেখে প্রবেশ করতে হবে।
কানাডার ভিসার পয়েন্ট সিস্টেম
পয়েন্ট তালিকা ফ্যাক্টর অনুসারে ভাগ করা। নিম্নে ফ্যাক্টরগুলোর বর্ণনা দেওয়া রয়েছে।
ফ্যাক্টর ১:
শিক্ষা: সর্বোচ্চ ২৫ পয়েন্ট
ইউনিভার্সিটি ডিগ্রি
|
পয়েন্ট
|
পিএইচডি অথবা মাস্টার্স এবং কমপক্ষে ১৭ বছরের (পূর্ণকালীন) বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
২৫
|
দুইটি বা তার অধিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং কমপক্ষে ১৫ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
২২
|
ব্যাচেলর পর্যায়ে ২ বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি এবং কমপক্ষে ১৪ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
২০
|
ব্যাচেলর পর্যায়ে ১ বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি এবং কমপক্ষে ১৩ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
১৫
|
ট্রেড বা নন ইউনিভার্সিটি সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা
| |
তিন বছরের ডিপ্লোমা, ট্রেড সার্টিফিকেট বা শিক্ষানবিশ এবং কমপক্ষে ১৫ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
২২
|
দুই বছরের ডিপ্লোমা, ট্রেড সার্টিফিকেট বা শিক্ষানবিশ এবং কমপক্ষে ১৪ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
২০
|
এক বছরের ডিপ্লোমা, ট্রেড সার্টিফিকেট বা শিক্ষানবিশ এবং কমপক্ষে ১৩ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
১৫
|
ডিপ্লোমা, ট্রেড সার্টিফিকেট বা শিক্ষানবিশ এবং কমপক্ষে ১২ বছরের পূর্ণকালীন বা পূর্ণকালীনের সমমান পড়াশোনা
|
১২
|
সেকেন্ডারি স্কুল এডুকেশনাল ক্রেডেনসিয়াল
|
৫
|
ফ্যাক্টর ২:
ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ ভাষা দক্ষতা: সর্বোচ্চ পয়েন্ট ২৪
- যদি কেউ ইংরেজি এবং ফ্রেঞ্চ দুইটি ভাষাই অনর্গল বলতে, পড়তে, লিখতে ও শুনতে পারেন তাহলে তিনি ভাষা দক্ষতায় ২৪ পয়েন্ট পান।
- যদি তেমন না হয় তাহলে প্রথমেই যে ভাষা ভালো দক্ষতা রয়েছে সে ভাষাকে প্রথম অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ঠিক করতে হয়।
- ভাষা দক্ষতার পয়েন্ট নির্ধারিত হয় ঐ ভাষায় বলতে পড়তে, লিখতে, শুনতে পারার দক্ষতার উপর নির্ভর করে।
ভাষা
|
পয়েন্ট
|
প্রথম অফিসিয়াল ভাষা
|
১৬
|
দ্বিতীয় অফিসিয়াল ভাষা
|
৮
|
স্কিল
|
বিবরণ
|
উচ্চ দক্ষতা
|
কর্মক্ষেত্র এবং সামাজিক ক্ষেত্রে কার্যকর ভাবে যোগাযোগে সক্ষম, খুব ভালোভাবে বলতে, শুনতে, পড়তে, লিখতে পারা বুঝায়।
|
অল্প দক্ষতা
|
এই ভাষায় যোগাযোগ করতে পারা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজে বুঝতে পারা, বলতে, শুনতে, পড়তে ও লিখা পারাকে বুঝায়।
|
বেসিক/ দক্ষতা নেই
|
এই ভাষা খুব সামান্যই দক্ষতা রয়েছে এবং এই ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ করতে কষ্ট হয়।
|
ভাষা দক্ষতার পয়েন্ট
দক্ষতা
|
পয়েন্ট
|
প্রতিটি দক্ষতার জন্য টেস্ট রেজাল্ট
| |||
স্পিকিং
|
লিসেনিং
|
রিডিং
|
রাইটিং
| ||
| উচ্চতা |
৪
|
৬.৫-৯.০
|
৭.৫-৯.০
|
৬.৫-৯.০
|
৬.৫-৯.০
|
| অল্প |
২
|
৫.৫-৬.০
|
৫.৫-৭.০
|
৫.০-৬.০
|
৫.৫-৬.০
|
| বেসিক |
১
|
৪.০-৫.০
|
৪.৫-৫.০
|
৩.৫-৪.৫
|
৪.০-৫.০
|
| দক্ষতা নেই |
০
|
৪.০ এর কম
|
৪.৫ এর কম
|
৪.৫ এর কম
|
৪.০ এর কম
|
প্রথম ভাষা (সর্বোচ্চ ১৬) ইংলিশ
|
স্পিক
|
লিসেন
|
রিড
|
রাইট
|
উচ্চ দক্ষতা
|
৪
|
৪
|
৪
|
৪
|
অল্প দক্ষতা
|
২
|
২
|
২
|
২
|
বেসিক দক্ষতা
|
১ থেকে ২
|
১ থেকে ২
|
১ থেকে ২
|
১ থেকে ২
|
দক্ষতা নেই
|
০
|
০
|
০
|
০
|
দ্বিতীয় ভাষা (সর্বোচ্চ ৮) ফ্রান্স
|
স্পিক
|
লিসেন
|
রিড
|
রাইট
|
উচ্চ দক্ষতা
|
২
|
২
|
২
|
২
|
অল্প দক্ষতা
|
২
|
২
|
২
|
২
|
বেসিক দক্ষতা
|
১-২
|
১-২
|
১-২
|
১-২
|
দক্ষতা নেই
|
০
|
০
|
০
|
০
|
ফ্যাক্টর ৩:
কাজের অভিজ্ঞতা: সর্বোচ্চ ২১ পয়েন্ট
- শুধুমাত্র ১ জুলাই, ২০১১ ইং তারিখে বা পরবর্তী সময়ে গৃহীত আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে এই শর্তাবলী কার্যকর হয়। ১ জুলাই, ২০১১ এর পূর্বে গৃহীত আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে সে সময়ে কার্যকর নিয়মাবলী প্রযোজ্য হয়। কানাডা/ কানাডিয়ান/ অভিবাসন/ ইমিগ্রেশন পয়েন্ট পদ্ধতিতে গত দশ বছরের ভিতর ব্যবস্থাপনা, পেশাগত অথবা উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কাজের ক্ষেত্রে অন্তত ১ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করা হয়। এই পয়েন্ট বন্টনগুলো স্কিল টাইপ ও স্কিল টাইপ এ অথবা স্কিল টাইপ বি হিসাবে তালিকাভুক্ত। যাদের নিম্নোক্ত যে কোন একটি বা একাধিক পেশায় ন্যূনতম ১ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা দক্ষ কর্মী হিসাবে বিবেচিত হয়।
কাজের অভিজ্ঞতা (বছর)
|
১
|
২৩
|
৩
|
৪+
|
পয়েন্ট
|
১৫
|
১৭
|
১৯
|
২১
|
ফ্যাক্টর ৪:
বয়স: সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট
বয়স
|
পয়েন্ট স্কোর
|
১৬ বা এর কম
|
০
|
১৭
|
২
|
১৮
|
৪
|
১৯
|
৬
|
২০
|
৮
|
২১-৪৯
|
১০
|
৫০
|
৮
|
৫১
|
৬
|
৫২
|
৪
|
৫৩
|
২
|
৫৪ বা এর বেশী
|
০
|
কাজের অভিজ্ঞতা: সর্বোচ্চ ২১ পয়েন্ট
| ০৬৩১ রেস্টুরেন্ট এন্ড ফুড সার্ভিস ম্যানেজার ০৮১১ প্রাইমারী প্রোডাকশন ম্যানেজার (একসেপ্ট এগ্রিকালচার) ১১২২ ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল বিজনেস সার্ভিস ১২৩৩ ইনস্যুরেন্স এডজাস্টারস এন্ড ক্লেইমস এক্সামিনার্স ২১২১ বায়োলজিস্ট এন্ড রিলেটেড সায়েন্টিস্ট ২১৫১ আর্কিটেকস্ ৩১১১ স্পেশালিস্ট ফিজিশিয়ান্স ৩১১২ জেনারেল প্রাকটিশনার্স এন্ড ফ্যামেলী ফিজিশিয়ান্স ৩১১৩ ডেন্টিস্ট ৩১৩১ ফার্মাসিস্ট ৩১৪২ ফিজিওথেরাপিস্ট ৩১৫২ রেজিস্টার্ড নার্স ৩২১৫ মেডিকেল রেডিয়েশন টেকনোলজিস্ট ৩২২২ ডেন্টাল থেরাপিস্ট ৩২৩৩ লাইসেন্সড প্রাকটিক্যাল নার্সেস ৪১৫১ সাইকোলজিস্টেস ৪১৫২ সোস্যাল ওয়ার্কার ৬২৪১ শেফস ৬২৪২ কুকস ৭২১৫ কন্ট্রাকটরস এন্ড সুপারভাইজরস, কাপেন্ট্রি ৭২১৬ কন্ট্রাকটরস এন্ড সুপারভাইজরস, ট্রেডস ৭২৪১ ইলেকট্রিশিয়ানস ৭২৪২ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেকট্রিশিয়ানস ৭২৫১ প্লামবার্স ৭২৬৫ ওয়েল্ডার এন্ড রিলেটেড মেকানিক অপারেটরস ৭৩১২ হেভি-ডিউটি ইকুইপমেন্ট মেকানিকস ৭৩৭১ ক্রেন অপারেটরস ৭৩৭২ ড্রিলার্স এন্ড ব্লাস্টার্স ৮২২২ সুপারভাইজরস, ওয়েল এন্ড গ্যাস ড্রিলিং এন্ড সার্ভিস |
- যখন একজন প্রার্থী উপরের যে কোন পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকেন তখন তিনি তার পয়েন্ট স্কোর যাচাই করে নিতে পারেন। ১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতার জন্য ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। পরবর্তী অতিরিক্ত প্রতি ১ বছরের জন্য ২ পয়েন্ট করে যোগ হয় এবং এভাবে একজন প্রার্থীর পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ পয়েন্ট স্কোর করা সম্ভব।
ফ্যাক্টর ৫:
অ্যারেঞ্জড এমপ্লয়মেন্ট (সংস্থানকৃত চাকুরী): সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট
যদি কেউ কানাডা মানব সম্পদ উন্নয়ন (Human Recourse Development Canada-HRDC) কর্তৃক স্বীকৃত এমন একটি চাকুরীর অফার লাভ করে যেখানে স্থানীয় শ্রমবাজার থেকে কর্মচারী নিয়োগদান সম্ভব নয়, তবে তিনি কানাডা ইমিগ্রেশন পয়েন্ট সিস্টেমে ১০ পয়েন্ট লাভ করেন। অবশ্যই এই চাকুরী করতে সমর্থ হতে হয়। প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয় এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রক শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়।
মনে রাখতে হয় নিয়োগদাতাই HRDC এর নিকট আবেদন করে। যদি কেউ ইতোমধ্যেই কানাডায় চাকুরীতে নিযুক্ত থেকে থাকে। তাহলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রার্থী এই দশ পয়েন্ট লাভ করতে পারে।
HRDC- চাকুরীর নিশ্চিত ও স্থায়ী অফার
|
১০
|
যদি প্রার্থী একটি সাময়িক ওয়ার্ক পারমিটসহ কানাডায় থাকে এবং নিম্নোক্ত বিষয় সমূহে প্রমাণ করতে পারেন:
| |
আপনার চাকুরী নির্দিষ্ট সেক্টরের কনফার্মেশন সহ HRDC কর্তৃক বৈধতা লাভ করে।
|
১০
|
প্রার্থীর চাকুরী HRDC মূল্যায়নের আওতাভুক্ত নয়, কারণ এই চাকুরী আন্তর্জাতিক কোন চুক্তির (যেমন: নাফটা) আওতাধীন অথবা এর ফলে কানাডা উল্লেখযোগ্য ভাবে লাভবান হচ্ছে (যেমন: আন্তঃ কোম্পানী বদলীকৃত কর্মচারী)
|
১০
|
ফ্যাক্টর ৬:
উপযোজন (সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট)
নিচের তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট লাভ করতে পারে।
প্রার্থীর বৈধ সঙ্গীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
| ||
১
|
মাধ্যমিক স্কুল (হাই স্কুল) ডিপ্লোমা অথবা অনধিক
|
০
|
ন্যূনতম ১/২ বৎসরের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এবং সর্বমোট ন্যূনতম ১৩ বৎসরের শিক্ষাজীবন
|
৩
| |
ন্যূনতম ৩ বৎসরের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এবং সর্বমোট ১৫ বৎসরের শিক্ষাজীবন
|
৪
| |
ন্যূনতম ৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী এবং কমপক্ষে ১৫ বৎসরের শিক্ষা জীবন
|
৪
| |
স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি ডিগ্রীধারী এবং ন্যূনতম ১৭ বৎসরের শিক্ষাজীবন
|
৫
| |
২
|
যদি প্রার্থীর বৈধ সঙ্গী কানাডায় পড়শোনা করে থাকে অনধিক ২ বৎসরের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা
|
০
|
যদি ১৭ বছর বয়স থেকে কানাডায় অন্তত: ২ বৎসরের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপন করা হয়
|
৫
| |
৩
|
যদি প্রার্থী অথবা তার বেধ সঙ্গী কানাডায় কাজ করে থাকেন
| |
অনধিক ১ বৎসরের পূর্ণকালীন কাজের অভিজ্ঞতা
|
০
| |
যদি ন্যূনতম ১ বৎসরর কানাডায় পূর্ণকালীন কাজ করে থাকে
|
৫
| |
৪
|
যদি প্রার্থী বা তার আইনগত বৈধ সঙ্গীর পরিবার কানাডায় থাকে
| |
যদি না থাকে
| ||
যদি মা/বাবা, দাদা/দাদী, ফুফু, খালা, মামা, ভাই, বোন, সন্তান, নাতী/ নাতনী কানাডার নাগরিকে বা স্থায়ী বসবাসকারী হয়ে থাকে।
|
৫
| |
৫
|
অ্যারেঞ্জড এমপ্লয়মেন্ট
| |
থেকে না থাকলে
|
০
| |
যদি প্রার্থী ইতোমধ্যেই এই অ্যারেঞ্জড এমপ্লয়েমেন্ট ফ্যাক্টরের আওতায় পয়েন্ট লাভ করে থাকে
|
৫
| |
একনজরে পয়েন্ট তালিকা
ফ্যাক্টর
|
সর্বোচ্চ পয়েন্ট
|
| বয়স |
১০
|
| শিক্ষা |
২৫
|
| ভাষা দক্ষতা |
২৪
|
| কাজের অভিজ্ঞতা |
২১
|
| অ্যারেঞ্জড এমপ্লয়েড |
১০
|
| উপজোজন |
১০
|
ইমিগ্রেশন ফরম পূরণ ভিডিও গাইড:
আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২
আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬
আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি
আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩
জার্মানীর ভিসা


