Follow us

শুধুমাত্র আমেরিকা কানাডা ইংল্যান্ড এর স্টুডেন্ট ভিজিট ভিসা
হোয়াটসএ্যাপ করুন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১

Newsletter

আমেরিকার স্টেট ইউনিভার্সিটি, কানাডার নামকরা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।আমেরিকা কানাডা ইউকে ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা 01772369451
Showing posts with label জার্মানির ভিসা. Show all posts
Showing posts with label জার্মানির ভিসা. Show all posts

Thursday, October 13, 2016

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য জার্মানীতে ব্লক এ্যাকাউন্ট করা


জার্মানীর ব্যাংক এর ফর্ম ওদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে পূরণ করুন। নিচে একটি স্যাম্পলের লিঙ্ক দিলাম। ওভাবে করতে পারেন। ডিজিটালি মানে কম্পিউটারে ফিল আপ করা ভালো। এতে পড়তে সুবিধা হয়। পূরণ করার সময় ফর্মের ঘর শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি আপনার আরো লেখার থাকে তো হাতে লিখে দিতে পারেন। এটা আপনার ইচ্ছা। পুরোটা হাতে লিখলেও কোনো সমস্যা নেই। আপনি যদি কোনো ভার্সিটিতে চান্স না পেয়ে থাকেন কিন্তু (সময় বাঁচানোর জন্য বা অন্য কারণে) আগে থেকেই এ্যাকাউন্ট খুলতে চান তাতে কোনো সমস্যা নেই। ভার্সিটি এর নামের অংশটুকু ফাঁকা রাখবেন সেক্ষেত্রে।

বিস্তারিত বোঝার জন্য নিচে একটা পূরণ করা স্যাম্পল ফর্মের ডাউনলোড লিঙ্ক দিলাম।

সাবধান, সাবধানঃ সব পূরণ করবেন শুধু সিগনেচার ছাড়া। দুটি সিগনেচার ভুলেও করবেন না। ওটা আপনাকে এ্যাম্বাসিতে অফিসারের সামনে করতে হবে। যদি ভুলে আগে করে নিয়ে যান তো ঐ ফর্ম ওরা নেবে না। আপনাকে আরেকটি নিয়ে আসতে হবে।




৩। সাথে এক কপি পাসপোর্টের (ছবি + বিস্তারিত তথ্যের দুটি পেজের) ফটোকপি নেবেন। আমি কালার কপি মানে স্ক্যান করে কালার প্রিন্টাউট নিয়েছিলাম (দেখতে ভালো লাগে ) সাদাকালো কপি হলেও সমস্যা নেই। শুধু আপনার ছবিটা যেন একেবারেই অস্পষ্ট না মনে হয় সেদিকে একটু খেয়াল রাখবেন।


৪। এবারে একটা A4 সাইজের কাগজ ভরার বড় খামে প্রেরকের ঠিকানায় ইংরেজিতে আপনার নাম-ঠিকানা আর প্রাপকের ঠিকানায় নিচেরটুকু লিখে (আমি প্রিন্টাউট নিয়ে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছিলাম) জিনিসপাতি ভরে ফেলুন। কি কি নিচ্ছেন তার তালিকা- 


১। সিগনেচার বাদে বাকিটুকু পূরণ করা ডয়েচে ব্যাঙ্কের এ্যাপ্লিকেশন ফর্ম। 


২। পাসপোর্টের ফটোকপি। 


৩। আপনি কোনো ভার্সিটির এ্যাডমিশন লেটার পেয়ে থাকলে সেটার ফটোকপি বা প্রিন্টাউট। 


৪। আপনার পাসপোর্ট। 


৫। কলম। 


* প্রাপকের ঠিকানা-


ঠিকানার জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন!

৫। যদিও ওয়েবসাইটে লেখা আছে দেড়টা তবে হাতে সময় রাখার জন্য একটার মাঝে যাওয়াই ভালো। আপনার সিরিয়াল তাহলে আগে হবে এবং মাঝখানে অন্য কাজে আসা লোকজন থেকেও আগে থাকতে পারবেন। এ্যাম্বাসির গেটে গিয়ে বলবেন ব্লক এ্যাকাউন্টের ফর্ম এর জন্য এ্যাটেসটেশন করাতে এসেছেন। ভেতর থেকে আপনাকে দেড়টার সময় আসতে বলবে। আপনি মোটামুটি সোয়া একটার দিকেই আবার যাবেন। লোক বেশি হলে দেখবেন তখনই একজন একজন করে ভেতরে ঢোকাচ্ছে। আপনার পালা এলে ধীরেসুস্থে ঢুকে যাবেন। এরপরে ওখানকার অফিসিয়ালরাই আপনাকে কি কি করতে হবে জানাবে। সামনে কাগজে সিরিয়াল দেওয়ার জন্য নাম- মোবাইল নাম্বার লিখে রেখে আপনাকে ভেতরে ওয়েটিং রুম এ বসাবে।


আপনার সিরিয়াল এলে আপনার নাম ডাকা হবে। শুধুমাত্র এ্যাপ্লিকেশন ফর্ম, পাসপোর্টের ফটোকপি, পাসপোর্টের অরিজিনাল কপি আর কলম নিয়ে ভেতরে যাবেন। আপনারে অফিসার তার সামনে সিগনেচার করতে বলবে। সিগনেচার করবেন। খেয়াল রাখবেন আপনার পাসপোর্টের সিগনেচার আর ফর্মের সিগনেচার যেনো হুবহু একই হয়। এবার ওরা আপনার সবকিছু (কলম বাদে ) রেখে আবার বাইরে ওয়েটিং রুমে ওয়েট করতে বলবে। একে একে সবার নেওয়া শেষ হলে ওরা এ্যাটেসটেশন করে আপনাকে নাম ডেকে সবকিছু ফেরত দেবে। সাধারণত এক থেকে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কাজ হয়ে গেলে অরিজিনাল পাসপোর্ট বাদে বাকি সবকিছু খামে ভরে কুরিয়ার করে দেবেন।

৭। এবার অপেক্ষা করতে থাকুন। নির্দিষ্ট সময় পরে ওরা আপনাকে ইমেইল করে কনফার্মেশন জানাবে। আমার ক্ষেত্রে কুরিয়ার করার নয় দিন পরে কনফার্মেশন ইমেইল এসেছে। ইমেইল এ একটা পিডিএফ এ্যাটাচ করা থাকবে।ওই পিডিএফ টা প্রিন্টআউট করে বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক কে প্রমাণ হিসেবে দেখাতে পারবেন।

কি কি কারনে পড়তে যাবার জন্য জার্মানী সেরা

উচ্চ শিক্ষার জন্য জার্মানি বিশ্বের ৩য় জনপ্রিয় গন্তব্য। জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের প্রায় বারো শতাংশ ছাত্র/ছাত্রী পৃথীবির বিভিন্ন দেশ থেকে আগত। উচ্চ শিক্ষার জন্য জার্মানি একটি আকর্ষণীয় স্থান এবং জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী নিয়োগকারীদের দ্বারা সম্মানিত বিশ্বব্যাপী। জার্মানিই কেনো আপনার গন্তব্য হবে! দেখুন তাহলে-যে দশটি কারণে জার্মানি হতে পারে উচ্চ শিক্ষার জন্য আপনার সেরা গন্ত্যব্য-

১) আপনি পাচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ স্বীকৃত ডিগ্রীঃ-

?????????????????????????????????????????????????????জার্মানির উচ্চ শিক্ষা বিশ্বের সেরা। জার্মানির প্রকৌশল ও বিজ্ঞান শিক্ষার ব্যাপারে বেশ সুনাম রয়েছে।জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহের ডিগ্রী বিশ্বর নিয়োগকারীদের কাছে বেশ গ্রহণ যোগ্য।

২) আপনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবেনঃ-

graduation hat with euro money
জার্মানির উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যেকের জন্য। এই মহুর্তে জার্মানিতে ৪৫০ টি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৭,৫০০ এর মত কোর্স করানো হচ্ছে। জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন ধরনের ডিগ্রী অফার করে যেমন:- ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ইত্যাদি। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈজ্ঞানিক বিষয়সহ গবেষণা উপর অধিক গুরুত্ব দেয়। অপরপক্ষে, ফলিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুব অনুশীলন-ভিত্তিক হয়। আপনি যদি শৈল্পিক বিষয়গুলোর প্রতি অধিক আগ্রহী হন, তাহলে আপনি কলেজ অব আর্টস, ফিল্ম, মিউজিক এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন।

৩) আপনি ইংরেজীতেও অধ্যয়ন করতে পারেনঃ-

600_372451022
জার্মান মাধ্যম ছাড়াও আপনি ইংরেজী মাধ্যমে পড়তে পারেন বিশেষ করে মাস্টার্স লেভেলে। এটা অবশ্য ভাল সংবাদ যদি আপনি জার্মান না জানেন বা সামান্য জার্মান জানেন। বর্তমানে কত গুলো কোর্স ইংরেজী মাধ্যমে করানো হয় তা আপনি এই www.daad.de ডাটাবেজ থেকে খুজে পাবেন।

৪) আপনি একা ননঃ-

You_Are_Not_Alone_by_zirv
জার্মানিতে ১২% ছাত্র/ ছাত্রী পৃথীবির বিভিন্ন দেশ থেকে পড়তে আসে, আপনার মতই। পৃথীবির বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ছাত্র/ ছত্রীদের সাথে বন্ধুত্ব করে আপনি আপনার অবসর সময় কাটাতে পারেন। আপনি যাতে সহজেই জার্মানিতে মানিয়ে উঠতে পারেন সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন ধরনের মেন্টরি প্রোগ্রাম করিয়ে থাকে যেমনঃ- বাডি, টমটম ইত্যাদি।

৫) আপনাকে খুব কম টিউশন ফি পরিশোধ করতে হবে-কখনও কখনও এই সামান্য টিউশন ফি ও লাগে নাঃ-

euro-coins
জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সমুহতে সাধারণত ছাত্র/ছাত্রীদের কোন টিউশন ফি দিতে হয় না, ক্ষেত্র বিশেষ লাগলেও সেটা খুবই সামান্য। প্রায় সকল জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান পেয়ে থাকে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমুহতে স্নাতক পড়ালেখার কোন টিউশন ফি নেই। কিছু মাস্টার্স বিষয়ে টিউশন ফি আছে কিন্তু সেটা অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় খুবই নগণ্য।

৬) আপনি খুবই সাশ্রয়ী খরচে বসবাস করতে পারবেনঃ-

German eco-house
অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় জার্মানিতে জীবন যাত্রার ব্যয় সহনীয় । খাদ্য, ভাড়া, পোশাক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এর খরচ অন্যান্য ইইউ ভুক্ত দেশের সম পর্যায়ের। শিক্ষার্থী হিসেবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি ছাড় পাবেন। থিয়েটার,জাদুকর, ওপেরা হাউজ,সিনেমা ও সুইমিংপুল এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে আপনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড দেখালে ছাড় পাবেন।

৭) আপনি বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি পেয়ে লাভবান হতে পারেনঃ-

moneytree-500x325
একজন বিদেশী শিক্ষার্থী তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল ফলাফল করে আর্থিক সহায়তা পেতে পারে।ডাড ( www.daad.de )জার্মানির সবচেয়ে বড় বৃত্তি প্রদানকারী সংস্থা। এটি পৃথীবির বিভিন্ন দেশের ছাত্র/ ছাত্রীদের বৃত্তি দিয়ে থাকে। শুধু ডাড নয় এই রকম আরো বিভিন্ন ধরনের সেবা মুলক প্রতিষ্ঠান বৃত্তি প্রদান করে থাকে।

৮) আপনি একটি নিরাপদ দেশে বাস করতে পারবেনঃ-

peace
আন্তর্জাতিক মানদন্ডে জার্মানি একটি নিরাপদ দেশ। এখানকার পুলিশ খুবই বিশ্বস্ত আপনি যে কোন বিষয়ে পুলিশের সহোযোগীতা পাবেন। আপনি ছোট কিংবা বড় যে শহরেই বাস করেন না কেন কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই চলতে পারবেন।

৯) আপনি ইউরোপর প্রানকেন্দ্র বসবাস করতে পারবেনঃ-

Map_Europe
সমুদ্র সৈকত, পর্বতমালা, ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন শহর এবং প্রাকৃতি সৌন্দর্যের এক নীলাভুমির সমন্বয় পাবেন। জার্মানিতে বসবাস করা মানে ইউরোপের কেন্দ্রে বসবাস করা কারণ এর চারদিকে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ অবস্থিত। আপনি প্যারিস, কোপেনহেগেন, হেগ, ব্রাসেলস, জুরিখ ইত্যাদি আকর্ষণী স্থানে বেড়াতে যেতে পারেন কোন রকম ভিসা ছাড়াই। দুই তিন ঘন্টার প্লেন অথবা বাস ভ্রমনের ফলেই আপনি বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। ছুটির দিনের ভ্রমন খুবই আরামদায়ক।

১০) আপনি একটি ভাষা শিখতে পারেন এবং এটা আপনাকে বিভিন্ন কাজের সযোগ করে দিবেঃ-

using-too-many-hand-gestures
ভাষার দিক দিয়ে জার্মান ভাষার অবস্থান দশম। সারা পৃথিবীতে ১৮৫ মিলিয়ন লোক জার্মান ভাষায় কথা বলে। আপনি জার্মান মাধ্যমে পড়তে পারেন এমনকি আপনি যদি সামান্য জার্মানও জানেন। জার্মান মাধ্যমে পড়ালেখা করলে জার্মানিতে জীবন ধারণ করা অনেক সহজ মনে হবে। কেউ বলে না জার্মান ভাষা সহজ কিন্তু জার্মান ভাষা শেখার বিভিন্ন পন্থা রয়েছে যেমন জার্মান ভাষার বিভিন্ন কোর্স, আপনার জার্মান ফ্ল্যাটমেট ও ইন্টারনেট থেকে।

Sunday, August 28, 2016

ব্লু কার্ড-জার্মানীর খোলা দরজা

২০০০ সালের আগে জার্মানিতে বাইরে থেকে কেউ এসে কাজ করবে- এটা ছিল চিন্তার বাইরে। এই দেশের মানুষ ছিল রক্ষণশীল, আমেরিকা কানাডার মতন মাইগ্রেশন বলে কিছুতে এখানে কেউ বিশ্বাস করত না। আর দেশের অর্থনীতি আত্মনির্ভরতা থেকে এরকম কিছুর প্রয়োজনীয়তাও কেউ অনুভব করেনি। একারণে এখানে ছিল না বিদেশীদের কাউকে কাজের অনুমতি দেবার মতন কোন আইনও। এখানে বড়জোর পড়াশোনা শেষ করা যেত, কিন্তু পড়া শেষ করে আবার সবাই যে যার দেশে ফিরে যাবে এইটাই ধরে নেওয়া হত। আশি বা নব্বইয়ের দশকে জার্মানিতে পাড়ি দিয়েছিল অনেক বাংলাদেশী, যাদের অনেকেই পরবর্তীতে এখানে থেকে গিয়েছিলেন। তবে এদের সিংহভাগ থেকে গিয়েছেন রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে বা কোন জার্মান নাগরিককে বিয়ে করে। কাজের অনুমতি না থাকায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে জার্মানিতে এসে ভদ্র চাকুরী করে বসত গড়েছেন, এদের সংখ্যা ছিল হাতে গণা দুই একজন।

নব্বইয়ের দশকেও যখন জার্মান অর্থনীতির ক্রমাগত বুম অব্যাহত থাকল, দক্ষ কর্মশক্তির অভাবটাও প্রকট হতে থাকল ক্রমেই। সেইসাথে বাড়তে থাকল কলকারখানাতে বিদেশী দক্ষ শ্রমিক নেবার জন্য ইউনিয়ন এবং রাজনৈতিক চাপ। তবে এর বিপক্ষেও ছিল অনেক জনমত। অবশেষে ২০০০ সালে প্রথম জার্মানিতে গ্রিন কার্ড নামে ৫ বছরের জন্য একটা পাইলট প্রজেক্ট চালু হল। এর আওতায় শুধুমাত্র উচ্চ বেতন ধারীদেরকে জার্মানিতে সরাসরি কাজ নিয়ে আসার অনুমতি দেয়া হল। পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির ফান্ডিং দিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হতে শুরু হল ইংরেজিতে মাস্টার্স কোর্স। সেই থেকেই মূলত শুরু হল জার্মানিতে দক্ষ এবং উচ্চশিক্ষিত মাইগ্রেটদের আগমন।
তবে এই গ্রিন কার্ডটাও ছিল শুধুমাত্র সাময়িক কাজের অনুমতি মাত্র। এখানেও ধরে নেওয়া হল যে, এই দক্ষ শ্রমিকরা কয়েক বছর কাজ করে আবার স্ব স্ব দেশে ফিরে চলে যাবে। নামে মাত্র একটা অপশন থাকল, যারা বছরে ৮৭,০০০ ইউরো আয় করবে তাদেরকে সাথে সাথে স্থায়ী বাসস্থান দিয়ে দেয়া হবে। এই ক্যাটাগরিতে পাঁচ বছরে ১০০ জন বিদেশীকেও পাওয়া গেল না, গ্রিন কার্ড নিয়ে কাজ করতে এসেও জার্মানিতে পাকা ভাবে থেকে যাওয়াটা রয়ে গেল প্রায় অসম্ভবের মতন। এই কাজের অনুমতি পেতে হলেও ছিল অনেক ঝক্কিঝামেলা। নতুন পদে বিদেশী কাউকে নেওয়ার আগে ফার্মগুলোকে আগে এক মাস ধরে বিজ্ঞাপন দিয়ে রাখতে হত যদি সমমানের কোন জার্মান নাগরিক পাওয়া যায়। এক মাস পর কাউকে পাওয়া না গেলে তবেই মাত্র বিদেশীদের নেওয়া যেত। এখানে যারা পড়তে আসত, তাদেরকে পাশ করার আগেই চাকরি যোগাড় করতে হত। তা না হলে পাশ করার সাথে সাথেই ভিসা শেষ, চাকরি খোঁজার জন্য কোন ধরণের ভিসার নিয়ম ছিল না।
অর্থনীতি যতই শক্তিশালী হতে থাকুক, একটা ব্যাপারে জার্মানি পিছিয়ে ছিল অনেকদিন থেকেই। আর সেটা হল ঋণাত্মক জন্মহার। এই দেশে কাজ শেষ করার পর সব বুড়োবুড়ি মোটা অঙ্কের পেনশন পায়, সেই টাকার যোগান হয় মূলত যারা কাজ করছে তাদের দেয়া ট্যাক্স থেকে। এই দেশের প্রচলিত সিস্টেমের জন্য আরেকটা খারাপ খবর ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি। বুড়োবুড়িরা সহজে মরছে না, কিন্তু সরকার বাধ্য থাকছে তাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত পেনশন ও চিকিৎসা ভাতা দিতে। একসময় জার্মানদের উপলব্ধি হল, জন্মহার কম থাকায় কোনভাবেই সব কর্মরত শ্রমিকদের ট্যাক্স দিয়েও একসময় আর পেনশনের ভাতা যোগাড় করা সম্ভব নয়। ধারণা করা হয়, আনুমানিক ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের পর থেকেই পেনশন ভাতা দেয়ার জন্য অন্য পথ খুঁজতে হবে সরকারকে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ২০১২ সালের আগস্ট মাস থেকে খুলে গেল জার্মানিতে বিদেশীদের কাজ করার পথ। এইবার আগেকার কঠিন অবাস্তব নিয়ম কানুন বাদ দিয়ে ঢেলে সাজানো হল বিদেশী দক্ষ কর্মী নেবার আইন কানুন গুলোকে। চালু হল জার্মানিতে ব্লু-কার্ড।
এই নতুন নিয়মের মধ্যে চারটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসল।
1.       ব্লু-কার্ড পাবার জন্য বেতনের সীমা কমিয়ে আনা।
2.       পরিবারের জন্য সহজ ভিসার নিয়ম ও তাদের জন্য কাজ করার অনুমতি।
3.       সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার দ্রুত করন। কাজ পেলে সাথে সাথেই কাজ ও থাকার অনুমতি, কোন ধরণের বিলম্ব ছাড়াই।
4.       এখানে পড়তে আসা ছাত্র ছাত্রীদের জন্য কাজের অনুমতি বাড়ানো, পড়া শেষ করার পর শুধুমাত্র চাকুরী খোঁজার জন্য ভিসা দেয়া ইত্যাদি।
ব্লু-কার্ড বেতন সীমাঃ
যাদেরই জার্মানির যেকোনো ইউনিভার্সিটির ডিগ্রী বা জার্মান সমমানের ডিগ্রী অন্যদেশ থেকে নেওয়া আছে, এবং তারা যদি বছরে ৪৭,৬০০ ইউরোর বেশি বেতন পায় এমন চাকুরী খুঁজে পায়, তাহলে তারা ব্লু-কার্ডের জন্য যোগ্য বলে গণ্য হবে। ন্যাচারাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত, আইটি বা ডাক্তারসহ যেসব ক্ষেত্রে জার্মানিতে দক্ষ লোকের বিশেষ ঘাটতি আছে, সেইসব বিষয়ে এই বেতন সীমার পরিমাণ এই মুহূর্তে বছরে ৩৭,১২৮ ইউরো।
ব্লু-কার্ড বাংলাদেশ থেকেও সরাসরি পাওয়া সম্ভব। এর জন্য বাংলাদেশের রিকগনাইজড ডিগ্রি পাওয়াই যথেষ্ট। কেউ চাইলেই বাংলাদেশে বসেও ইন্টারনেটে জব সার্চ করতে পারে, এর জন্য জার্মান সরকার থেকে ইংরেজিতে বেশ কিছু সাইট অনুমোদন করা হয়েছে। এরজন্য জার্মান কর্মসংস্থানের ওয়েব সাইট দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।
কাজের অনুমতিতে কোন বিলম্ব থাকছে না
জার্মানিতে বিদেশীদের কর্মসংস্থানের জন্য যে সরকারি সংস্থাটি নিয়োজিত আছে, সেটি হল সাভ (Zentrale Auslands und Fachvermittlung (ZAV))। যারা প্রথম ক্যাটাগরিতে ব্লু-কার্ড পাচ্ছে (বাৎসরিক বেতন ৪৭,৬০০ ইউরো বা তার বেশি), এদের জন্য সাভ থেকে অনুমতি নেবার কোন প্রয়োজন থাকছে না। আবেদন করার সাথে সাথেই এমব্যাসি থেকে জার্মানির কাজ ও থাকার প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে ব্লু-কার্ড পাচ্ছে (বাৎসরিক বেতন ৩৭,১২৮ ইউরো বা তার বেশি), তাদের জন্য অবশ্য আবেদনের পর সাভের অনুমতি নিতে হবে।
উদাহরণ ১ (বাংলাদেশ থেকে সরাসরি জার্মানিতে আসতে হলে)
ধরা যাক, বুয়েট থেকে ব্যাচেলর/মাস্টার্স পাশ করে একটি ছেলে/মেয়ে জার্মানির কোন কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে আসতে চায়। তার জন্য স্টেপগুলো এমন হবেঃ
1.       ইন্টারনেটে বসে পছন্দমতন স্পেশালাইজেশন অনুযায়ী জব খুঁজে বের করা।
2.       নেটে বসেই আবেদন, সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজ পাঠিয়ে দেয়া।
3.       অনেক ক্ষেত্রে প্রাথমিক ইন্টার্ভিউ হয় ফোনে, প্রার্থী পছন্দ হলে ফ্লাইট ও হোটেল ভাড়াসহ ইন্টার্ভিউতে সরাসরি আমন্ত্রণ জানানো হবে।
4.       চাকুরীর কন্ট্রাক্ট পেপার নিয়ে ঢাকাস্থ জার্মান এমব্যাসিতে ভিসার আবেদন জমা দেয়ার পর বেতনের ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে ভিসার জন্য এক থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে। প্রাথমিক ভিসার সময়কাল তিন মাস। এটা জার্মানিতে আসার পর পরই চার বছর পর্যন্ত বাড়ানো যায়।
উদাহরণ ২ (বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রী যারা জার্মানিতে পড়াশোনা করেছে)
যারা জার্মানিতে এসে ডিগ্রী নিয়েছে, তাদের জন্য স্টেপগুলো আরেকটু সহজ। ব্লু-কার্ডের নিয়মের সাথে সাথে এখানে পড়া শেষ করার পর ১৮ মাসের জন্য শুধুমাত্র একটা চাকুরী খুঁজে নেবার জন্য ভিসা দেওয়ার নিয়ম হয়েছে। এদেরকে যা করতে হবেঃ
1.       পড়া শেষ করে জার্মানিতে ১৮ মাসের মধ্যে চাকরি খুঁজে বের করা।
2.       চাকরির কন্ট্রাক্ট নিয়ে ফরেন অফিসে থাকা ও কাজের পারমিট চেয়ে আবেদন করা।
3.       কোন জার্মান এই জব করতে পারত কিনা- এই জাতীয় কোন ধরণের পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই সাথে সাথে এদেরকে চার বছর পর্যন্ত ভিসা ও কাজের অনুমতি দেয়া হবে।
অন্যান্য নতুন কিছু সুযোগ-সুবিধাঃ
1.       জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় আগত ছাত্র-ছাত্রীদের কাজের অনুমতি আগেকার ৯০ দিন থেকে বাড়িয়ে এখন থেকে বছরে ১২০ দিন করা হয়েছে।
2.       ইচ্ছে করলে বাংলাদেশ থেকে ৬ মাসের জন্য শুধুমাত্র চাকরির সন্ধানে জার্মানিতে আসার ভিসা পাওয়া যায়। এই সময়ে কোন চাকরি খুঁজে পেলে, বাকিসব প্রক্রিয়া উপরের উদাহরণ ২ এর মতন হবে।
3.       ব্লু-কার্ড প্রাপ্তদের পরিবার (স্বামী/স্ত্রী) সাথে সাথেই ভিসা ও যেকোনো কাজের অনুমতি পাবেন।
স্থায়ী আবাসনঃ
•             ব্লু-কার্ড পাওয়ার ৩৩ মাস পরই জার্মানিতে স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি পাওয়া যাবে। এমনকি কারোও যদি জার্মান ভাষা ভাল ভাবে শেখা থাকে (বি১ লেভেল), তাহলে তারা ব্লু-কার্ড পাবার মাত্র ২১ মাসের পরেই স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পাবে। উল্লেখ্য, ব্লু-কার্ড ছাড়াও পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট পাওয়া সম্ভব, তবে তার জন্য প্রায় ৫ বছর সময় লাগে।
•             যারা জার্মানিতে পড়াশোনা করেছে, তারা ব্লু-কার্ড পাবার ২ বছর পরেই স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পাবে।
•             গবেষক, বিজ্ঞানী বা ইন্ডাস্ট্রিতে উঁচু পদে অধিষ্ঠিতদের (অথবা বছরে ৬৫,০০০ হাজার ইউরোর উপরে বেতন) সাথে সাথে জার্মানিতে স্থায়ী আবাসনের অনুমতি দেয়া হবে।

Thursday, February 04, 2016

মোটিভেশন লেটার কি ও কেন প্রয়োজন


মোটিভেশন লেটার সাধারণত স্কলারশিপ বা ফান্ডিং পেতে প্রয়োজন হয়।এটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রাথমিক রিকোয়ারমেন্ট হতে পারে। সার্টিফিকেট মার্কশিট সত্যায়িত করে যখন পাঠাবেন তখনই আপনাকে এসবের সাথে একটি মোটিভেশন লেটার দিতে হবে। অনেক সময় মাস্টার্সে ভর্তির জন্যও মোটিভেশন লেটার চাওয়া হয়। এই পত্রের মাধ্যমে আপনি মূলত আপনার নিজের সম্পর্কে বলার পাশাপাশি কেন আপনি নিজেকে স্কলারশিপ বা ফান্ডিং অথবা কোন কোর্সে ভর্তির উপযুক্ত মনে করছেন, তার সপক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে হয়। একইসাথে চাকরী বা ইন্টার্নশীপ পেতেও মোটিভেশন লেটার লিখতে হয়।
বিষয়বস্তু:

আপনার পূর্ববর্তী শিক্ষা, জ্ঞান, সনদ ইত্যাদি
কি বিষয়ে কোথায় পড়াশোনা করেছেন, কতগুলো সেমিস্টার ছিল, ডিগ্রির নাম ইত্যাদি
কাজের অভিজ্ঞতা, যদি থাকে
বিষয়গত বিদ্যা, দক্ষতা (স্কিল), ভাষাগত যোগ্যতাখন
পুরষ্কার (এওয়ার্ড), বৃত্তি, সম্মাননা ইত্যাদি

একাডেমিক মোটিভেশন
কেন আপনি এই বৃত্তির বা ভর্তির জন্য আবেদন করছেন, এই শিক্ষা আপনার ভবিষ্যতের জন্য কিভাবে কাজে লাগবে, ইত্যাদি।
আপনি যদি কোন বিশেষ ইউনিভার্সিটি পছন্দ করে থাকেন, তাহলে সেটার পেছনের কারণগুলো কি কি?
কেন আপনি জার্মানিতে বা অন্য কোন দেশে পড়তে যেতে চান?
উপরোক্ত কারণসমূহ দর্শানোর সময় আপনার ব্যক্তিগত, ক্যারিয়ার ইত্যাদি লক্ষ্যের সাথে কোন সম্পর্ক থাকলে সেটা লিখতে পারেন।

বৃত্তি বা ফান্ডিং আবেদন
কেন আপনি নির্দিষ্ট কোন বৃত্তি আবেদন করেছেন?
আপনি এই বৃত্তি থেকে কি প্রত্যাশা করছেন?
এই বৃত্তি কিভাবে আপনার ব্যক্তিগত বা প্রফেশনাল লক্ষ্য পৌঁছুতে সাহায্য করবে?

ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Interest)
আপনার পাঠ্যক্রমের বাইরে অর্জিত বিশেষ কৃতিত্ব আপনি এখানে লিখতে পারেন। দাবা টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন বা আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বা কোন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা ইত্যাদি অনেক কিছুই এখানে আসতে পারে।
লেটার অফ মোটিভেশনের দৈর্ঘ্য ১-৩ [এ-ফোর] পাতার মধ্যে হওয়া উচিত।




মোটিভেশন পত্রের উদাহরণঃ

জার্মানীতে ভর্তির একাডেমিক যোগ্যতা

জার্মানিতে পড়ার জন্য সাধারণ ন্যুনতম যেসব একাডেমিক যোগ্যতা প্রয়োজন আছে, তাদের একটি তালিকা এখানে দেয়া হল। জার্মানির প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত, একারণে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব রিকিউরমেন্ট থাকে যেটা কিনা শুধুমাত্র কোর্সের ওয়েব লিংকে গিয়েই দেখা যাবে। এখানে একটা সাধারণ ধারণা দেওয়া হল, কোন লেভেলে কি কি ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।

ব্যাচেলরঃ
এইচ এস সি বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সার্টিফিকেট অথবা সমমানের সার্টিফিকেট
জার্মানিতে এসেসমেন্ট পরীক্ষা পাস করতে হবে। বাকি ইনফো দেখুন স্টুডেন্ট কলিগের ওয়েব সাইটে (www.studienkollegs.de/en/)
ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট বা অন্যান্যরা যারা শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের সার্টিফিকেট লাগবে।
এ-লেভেল সার্টিফিকেট ইংল্যান্ডের হলে স্টুডিন্ট কলিগ প্রয়োজন নেই। খেয়াল রাখতে হবে যে, এ-লেভেলে অন্তত একটি ভাষার কোর্স নিতে হবে।
কিছু ইউনিভার্সিটি বিশেষ কিছু সার্টিফিকেট চায়, যেমনঃ
TestAS (www.testas.de)
SAT/ACT
ভাষা



জার্মান ভাষায় ব্যাচেলর করতে চাইলে টেস্টডাফ বা ডিএসহা (“TestDaF” (test of German as a foreign language) or “Deutsche Sprachprüfung für den Hochschulzugang ausländischer Studienbewerber” (DSH))
গোয়েথে থেকে সি-২ লেভেল পর্যন্ত জার্মান ভাষা শেখা থাকলে উপরোক্ত পরীক্ষা দেবার প্রয়োজন নেই।
ইংরেজিতে পড়ার জন্য টোফেল বা আইএলটিএস প্রয়োজন। একেক ইউনিভার্সিটিতে একেক রকম মার্ক বা ন্যুনতম স্কোর প্রয়োজন, কোন সাধারণ নিয়ম নেই।

মাস্টার্সঃ
এইচ এস সি বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সার্টিফিকেট অথবা সমমানের সার্টিফিকেট।
রিকগনাইজড ইউনিভার্সিটি ডিগ্রি। সাধারণত তিন বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রিও গ্রহণযোগ্য।
ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট বা অন্যান্যরা যারা শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদেরকে কমপক্ষে ১৫ বছর পড়াশোনার প্রমাণ দেখাতে হবে। এসএসসি পর্যন্ত ১০ বছর এবং যদি ৩ বছরের ডিপ্লোমা হয়, তাহলে ২ বছরের মাস্টার্স ডিগ্রি লাগবে। তবে সব ইউনিভার্সিটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট গ্রহণ নাও করতে পারে, এই ব্যাপারে কোন সাধারণ নিয়ম নেই।

পিএইচডিঃ
মাস্টার্সের সব যোগ্যতা এখানেও প্রযোজ্য হবে।
৪ বছরের ব্যাচেলর করেও পিএইচডিতে সুযোগ পাওয়া যেতে পারে ব্যতিক্রমী রেজাল্ট বা পাবলিকেশন থাকলে।
জার্মানিতে মাস্টার্স করা থাকলে পিএইচডিতে সুযোগ সহজ হয়।

১ স্টাডি গ্যাপ কোন সমস্যা নয়!!

২ ভর্তির জন্য ন্যূনতম বা কোন ধরণের বয়স সীমা নেই।

৩ অনেকেই প্রোফাইল দিয়ে জানতে চায়, এই প্রোফাইল দিয়ে ভর্তির সম্ভাবনা কতটুকু। আমার কাছে এমন কোন যন্ত্র বা প্রোগ্রাম নেই যেটা দিয়ে সম্ভাবনা মাপা যায়, কারও কাছে আছে বলেও জানা নেই। চান্স পাওয়া না পাওয়া নির্ভর করে কতজন সেই কোর্সে আবেদন করেছে তার উপর। তবে যত কম জিপিএ, তত বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৪ ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনিক্যাল এবং ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি বা ম্যাথের স্টুডেন্টরা প্রায় সকল ক্ষেত্রেই মাস্টার্সে অন্য টেকনিক্যাল বা ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডে সুইচ করতে পারবে।

৫ জিআরই বা টোফেল দিয়ে সিজিপিএ ঘোচানো যাবে না। আবার যেখানে GRE চেয়েছে, সেখানে বেশী সিজি দিয়েও কাজ হবে না, যদি না GRE থাকে।

৬ রেজাল্ট ২.৮ নিয়েও এডমিশন পাওয়া যায়। তবে সিজিপিএ কম থাকলে অন্তত ১৫-২০ টা ইউনিতে এপ্লাই করতে বলব।

৭ “IELTS/TOEFL করা কি জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক?”
না, বরং মাস্টার্স/ব্যাচেলর করতে যথেষ্ট ইংরেজি জ্ঞান আছে কি না সেটা প্রমাণ করাই মুখ্য।

৫ বছর আগের উদাহরণ দেই। আবেদনের সময় টোফেল পরীক্ষার ফলাফল তখনও হাতে এসে পৌঁছেনি। ওদিকে আবেদনের সময় পার হয়ে যাচ্ছে বলে ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি মাধ্যমের সনদ দিয়ে এক জনের জন্য আবেদন করে দিলাম। টোফেলের রেজাল্ট আসতে আসতে হাতে অফার লেটার চলে আসল। জার্মানিতে গিয়ে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির দিন টোফেল সনদ দেখাল সে। ইন্টারন্যাশনাল অফিসে যে ভদ্রলোক তার সার্টিফিকেট দেখল, তার চেয়ে আমার স্টুডেন্টের ইংরেজি খারাপ না। সুতরাং এই নিয়ে কোন বাতচিত হল না। আমার মনে হয় না এখনও এই অবস্থার খুব বেশি পরিবর্তন হয়েছে।জার্মানিতে সবাই যোগ্যতা দেখে, সার্টিফিকেট নিয়ে এখানে খুব কম ইউনিভার্সিটি মাতামাতি করে। একটা ছেলে ইংরেজিতে একটা ইমেইল করলেই আমরা বুঝতে পারি, তার ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার যোগ্যতা কতটুকু। আমেরিকা কানাডায় টোফেল, জিয়ারি জাতীয় পরীক্ষা গুলো অনেকটা ব্যবসার মত হয়ে গেছে, জার্মানিতে একারণে বেশীরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় এই জাতীয় সার্টিফিকেটকে এখনও বাধ্যতামূলক না করে বরং “থাকলে ভাল” ট্যাগ দেয়। তবে কিছু কিছু জার্মান ইউনিভার্সিটি যারা কিনা অনেক বেশি আবেদনকারীর চাপে পড়ে, তারা টোফেল, জিয়ারি ইত্যাদিকে আবশ্যক হিসেবে লিখে দেয় যাতে করে আবেদন কম পড়ে।ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর করা আছে এই সার্টিফিকেট দিয়ে অনেক ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করা যায়। মনে রাখতে হবে যে, IELTS করা থাকলে এবং ভাল মার্ক পেলে সেটা এই সার্টিফিকেটের চেয়ে বেশি ভাল। কোন কোন ইউনিভার্সিটিতে এই সনদ গ্রহণযোগ্য হবে, এর কোন তালিকা নেই। সরাসরি ইউনিভার্সিটিকে লিখলে জানা যেতে পারে।

৮ প্রশ্নঃ বাংলাদেশে ডিপ্লোমা করেছি। জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় যেতে পারব কিনা বা এর জন্য কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন?

উত্তরঃ “ডিপ্লোমা স্টুডেন্ট বা অন্যান্যরা যারা শুধু মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট আছে, তাদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের সার্টিফিকেট লাগবে।” জার্মানিতে শুধুমাত্র এইচএসসি বা সাধারণ বিশবিদ্যালয়ের ব্যাচেলর সার্টিফিকেট মানদন্ড হিসেবে দেখা হয়। ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এখনও সরাসরি রিকগনাইজড নয়। তবে এটা কোন নিয়ম নয়, বরং জার্মানির একেক ইউনিভার্সিটি একেক ভাবে একে মুল্যায়ন করে থাকে।সমাধান হল যে ইউনিভার্সিটিতে পড়তে চান, সেখানে সরাসরি কোর্স কোওরডিনেটরকে ইমেইল করে আপনার যাবতীয় সার্টিফিকেট মার্কশিট স্ক্যান করে পাঠান। তারা জানিয়ে দিবে কোন লেভেলে ভর্তি হবার জন্য কি কি করতে হবে।

সরাসরি জার্মানিতে ব্যাচেলরে ভর্তি হবার জন্য বাংলাদেশ থেকে দুই বছর ব্যাচলর শেষ করা হয়েছে এমন সার্টিফিকেট দেখাতে হয়। এখানেও ডিপ্লোমাদের জন্য একটু ট্রিকি। কারণ কেউ কেউ এসএসসির পর ৪ বছর পড়াশোনা করেছে।

মাস্টার্সের জন্য বাংলাদেশ থেকে সর্বনিম্ন ১৫ বছর পড়াশোনা দেখাতে হয়। তার মানে এইচএসসি+৩ বছরে ব্যাচেলর শেষ করা থাকতে হবে। ডিপ্লোমাদের জন্য যারা এসএসসি করে ডিপ্লোমাতে ঢুকেছে, তাদের সরাসরি মাস্টার্সে এডমিশন পাবার সম্ভাবনা তাই খুব কম।

জার্মানিতে বেশীরভাগ ইউনিভার্সিটি ভর্তির ব্যাপারে অনেক উদার। যোগ্য ছেলেমেয়েদের এখানে সবসময় সুযোগ দেয়া হয়। সুতরাং, যদি মনে করেন, জার্মানিতে সরাসরি ব্যাচেলর শুরু করার যোগ্যতা রাখেন, তাহলে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করে দেখুন।

জার্মানীর স্টুডেন্ট ভিসা-১

জার্মানীর টিউশন ফি না থাকায়, জার্মানিতে পড়ার জন্য যা দরকার তা হল থাকা খাওয়ার খরচ। অন্যান্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশের চেয়ে জার্মানির খরচ তুলনামূলক ভাবে কম, বিশেষ করে স্ক্যান্ডিন্যাভিয়ান দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে। জীবনযাত্রার খরচ অবশ্যই প্রত্যেকের লাইফ স্টাইলের উপর নির্ভর করে, তারপরও এখানে একটা ধারণা দেয়া হল।

জার্মানিতে ১৭৫টি শহর ও উপ-শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সব মিলিয়ে ৩৮০ টি স্বীকৃত ইউনিভার্সিটি রয়েছে। এইসব ভার্সিটিতে প্রদান করা হয় প্রায় ১৫,০০০ কোর্স। আমেরিকা বা কানাডার মত জার্মানিতে ইউনিভার্সিটি RANKING খুব জনপ্রিয় কোন বিষয় নয়। এর কারণ মূলত এই যে, জার্মানিতে পড়াশোনা ফ্রি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ফান্ডিং আসে মূলত স্টেট থেকে, যার পরিমাণ বন্টন করা আছে ইউনিভার্সিটির ছাত্র সংখ্যা, রিসার্চ ইত্যাদির উপর। আমেরিকা কানাডার মতন এখানে ভার্সিটিগুলো ফান্ডিং এর উপর বাহিরের দেশের ছাত্রছাত্রীদের উপর নির্ভরশীল নয়। একারণে জার্মানির প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন খুব উঁচু মান বজায় রাখে, তেমনি ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষন করার জন্য এদেরকে র‍্যাঙ্কিং এর উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং জার্মানিতে পড়তে আসলে ইউনিভার্সিটির RANKING নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বললেই চলে।

অর্থনীতি যতই শক্তিশালী হতে থাকুক, একটা ব্যাপারে জার্মানি পিছিয়ে ছিল অনেকদিন থেকেই। আর সেটা হল ঋণাত্মক জন্মহার। এই দেশে কাজ শেষ করার পর সব বুড়োবুড়ি মোটা অঙ্কের পেনশন পায়, সেই টাকার যোগান হয় মূলত যারা কাজ করছে তাদের দেয়া ট্যাক্স থেকে। এই দেশের প্রচলিত সিস্টেমের জন্য আরেকটা খারাপ খবর ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি। বুড়োবুড়িরা সহজে মরছে না, কিন্তু সরকার বাধ্য থাকছে তাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত পেনশন ও চিকিৎসা ভাতা দিতে। একসময় জার্মানদের উপলব্ধি হল, জন্মহার কম থাকায় কোনভাবেই সব কর্মরত শ্রমিকদের ট্যাক্স দিয়েও একসময় আর পেনশনের ভাতা যোগাড় করা সম্ভব নয়। ধারণা করা হয়, আনুমানিক ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের পর থেকেই পেনশন ভাতা দেয়ার জন্য অন্য পথ খুঁজতে হবে সরকারকে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ২০১২ সালের আগস্ট মাস থেকে খুলে গেল জার্মানিতে বিদেশীদের কাজ করার পথ। এইবার আগেকার কঠিন অবাস্তব নিয়ম কানুন বাদ দিয়ে ঢেলে সাজানো হল বিদেশী দক্ষ কর্মী নেবার আইন কানুন গুলোকে। চালু হল জার্মানিতে ব্লু-কার্ড।

যেহেতু জার্মানিতে টিউশন ফি নেই, পড়াশোনা এখানে কোন পণ্য নয় এবং একই সাথে সকল বিশ্ববিদ্যালয় একটা নির্দিষ্ট মান বজায় রাখে – এই দেশে পড়তে আসতে হলে ছাত্রছাত্রীদেরও একটা বিশেষ যোগ্যতার কথা খেয়াল রাখতে হবে। আর সেটা হল, একটা নির্দিষ্ট মান নিয়ন্ত্রণ! কোনমতে শুধু একটা ডিগ্রী সার্টিফিকেট নিয়ে জার্মানিতে পড়তে আসাও যেমন উচিত হবে না, তেমনি সত্যিকার অর্থে যাদের উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা নেই, তারা আসলে জার্মানিতে পড়ার জন্য যোগ্য নয়।

জার্মানিতে আসতে চাইলে সবচেয়ে আগে যে উপদেশটি আমি ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে থাকি, সেটা হল জার্মান শেখা। অনেকেই বলে জার্মান শেখা কঠিন, এত সময় কই ইত্যাদি। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, জার্মান শেখা আসলে একটি নতুন দেশে এসে সফল হবার মূল চাবিকাঠি। জার্মান না শেখার কারণে পড়াশোনা চলাকালীন সময় থেকে শুরু করে পরবর্তিতে চাকরী খোঁজা থেকে সামাজিক জীবনে যে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়, তার কাছে আগে থেকেই জার্মান শেখা অনেক বেশী সহজ এবং বুদ্ধিমানের কাজ।

বাংলাদেশের সকল সরকারী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় যাদের ডিগ্রিকে জার্মানিতে সরাসরি স্বীকৃতি দেয়া হয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং প্রতিষ্ঠানের নাম, স্থান এবং স্ট্যাটাসের তালিকা এই পর্বে দেয়া হল। তুমি যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পড়ে থাক, তাহলে জার্মানিতে তোমার ডিগ্রী সরাসরি গন্য করা হবে। মনে রাখবে, মাস্টার্সে ভর্তির জন্য বাংলাদেশ থেকে করা ৪ বছরের ব্যাচেলর গন্য করা হয়। একইসাথে এইসব ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে ২ বছর সফলভাবে পড়া সম্পন্ন করা থাকলে জার্মানিতে ব্যাচেলরে সরাসরি ভর্তি হওয়া সম্ভব,

জার্মানি যেতে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি ব্লক একাউন্ট দিয়ে ৮ হাজার ইউরো দেখানো। অনেকের জন্যই একটা বিশাল দেয়ালের মতন, আবার টাকা দেখানোর পরেও টাকা পাঠানো নিয়ে অনেক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। অনেককে আবার জার্মানিতে আসার পরে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হয়, কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা দ্বিতীয় বছরেও চাওয়া হয়। এই বাঁধা পাশ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায়টির নাম স্পন্সরশীপ।

Monday, January 04, 2016

জার্মানীর ইমিগ্রেশন

বর্তমান বিশ্বে যে কয়টি দেশ উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে তার মধ্যে জার্মানী অন্যতম। জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে জার্মান জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর এ কারনে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে আজ জার্মানীতে পাড়ি জমাচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য যাচ্ছে, কিছু সংখ্যক যাচ্ছে পড়াশুনা অথবা ব্যবসায়িক কাজে আর কিছু সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে কেবলমাত্র প্রযুক্তির শিখরে অবস্থানকারী দেশটিকে ঘুরে দেখতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক জার্মানীর ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন।

ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
  • জার্মানীতে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে তার নিজ দেশের জার্মান অ্যাম্বেসীতে ভিসার আবেদন করতে হয়। বাংলাদেশের নাগরিকগণ ঢাকাস্থ জার্মান অ্যাম্বেসীতে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। ভিসার আবেদনপত্র দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
  • দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী তা যাচাই বাছাই করার জন্য সে দেশের নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবেন। যেমন, আপনি যদি “Residence Permit” এর জন্য আবেদন করেন তাহলে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন ফরম সেদেশের ইমিগ্রেশন দপ্তরে (the Auslaenderbehoerde) পাঠিয়ে দেবেন। ইমিগ্রেশন দপ্তর, স্থানীয় কর্মসংস্থান দপ্তরের (the Arbeitsamt)সুপারিশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।
  • যদি কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্রটি অনুমোদন করেন তবে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ প্রার্থীকে ভিসা প্রদান করবেন।

ভিসার ক্যাটাগরী
  • Residence Permit/Employment Visa (স্থায়ী বসবাস/কর্মসংস্থান ভিসা)
  • Study Visa (পড়াশোনার জন্য ভিসা)
  • Tourist Visa (স্বল্পকালীন ভ্রমন ভিসা)
  • Business Trip Visa  (ব্যবসায়িক ভ্রমন ভিসা)

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন:
টুরিষ্ট ভিসার জন্য (Tourist Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং ডিক্লারেশন লেটার
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • পাসপোর্টের মূল কপি এবং ফটোকপি (অন্তত ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং কমপক্ষে ২টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • চলতি ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট এবং এর একটি ফটোকপি
  • নিয়োগকর্তৃপক্ষের রেফারেন্স লেটার
  • গ্রুপ ট্রাভেল/হোটেল রিজার্ভেশন/এয়ারলাইন রিজার্ভেশনের প্রমানপত্র এবং ফটোকপি
  • ভিসা ফি

স্টাডি ভিসার জন্য (Study Visa)
  • ২টি যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটারের অনুলিপি।
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মূল পাসপোর্ট এবং এর ফটোকপি
  • যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাবেন সেখান থেকে ইস্যুকৃত ‘Letter of Acceptance’
  • আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমানপত্র ও এর ফটোকপি (যা প্রমান করবে জার্মানীতে অবস্থানকালীন সময়ে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল অবস্থানে থাকবেন।

বিজনেস ট্রিপ ভিসার জন্য (Business Trip Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটার
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মূল পাসপোর্ট এবং এর ফটোকপি (কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং ২ টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে)
  • আপনার বর্তমান ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট এবং এর ফটোকপি
  • বিজনেস রেফারেন্স – অর্থাৎ জার্মানীতে কোন কোম্পানী বা সংগঠনের তরফ থেকে আপনার জন্য পাঠানো Invitation letter যেখানে উল্লেখ থাকবে যে ঐ সংস্থা জার্মানীতে অবস্থানকালে আপনার সব খরচ বহন করবে।

স্থায়ী বসবাস/কর্মসংস্থান
জার্মানীতে ভিসা (Employment /Residence Permit Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত ২টি আবেদন ফরম এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটার এবং অনুলিপি।
  • ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • জার্মানীতে আপনার ভবিষ্যৎ নিয়োগদানকারী কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে “Employment Contract” অথবা “Letter of Intent”

ভিসা ফর্মের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবেন
কাউন্সিল সার্ভিস এন্ড ভিসা ইনফরমেশন জার্মানী দূতাবাস, ঢাকা
১৭৮, গুলশান এভেনিউ, গুলশান-২
ফোনঃ ৮৮৫৩৫৪২১-২৪,
ইমেইল: info@dhaka.diplo.de
             aadhaka@optimaxbd.net
ওয়েব: www.dhaka.diplo.de
সময়: দুপুর ১.১৫ থেকে ৩.০০ পর্যন্ত।
অবশ্যই টেলিফোনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে করে যেতে হবে।

ভিসা ইস্যু করার জন্য প্রয়োজনীয় সময়
  • স্বল্প সময়ের ভিজিটের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া করার সময়সীমা ২ থেকে ১০ কর্মদিবস।
  • দীর্ঘতর সময়ের ভিজিটের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া করতে বেশ কয়েকমাসও লেগে যেতে পারে।
  • ব্যস্ত মৌসুমে একজন ভিসা আবেদনকারীকে আবেদনের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে। সেজন্য আবেদনকারীকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে আবেদন করতে হবে।

ভিসার জন্য প্রযোজ্য ফি
  • যারা ৩ মাসের বেশী অবস্থানের জন্য ভিসার (National Visa) আবেদন করবেন (যেমন, study, employment ইত্যাদি ভিসা) তাদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভিসা ফি হচ্ছে ৬০ ইউরো।
  • যারা ৩ মাসের বেশী জার্মানীতে অবস্থান করবেন এবং প্রথম ৩ মাসের মধ্যে অন্যকোন “শেনঝেন” দেশ ভ্রমন করবেন (যেমন scientist) তাদের জন্য ভিসার (hybrid visa) আবেদন ফি ৬০ ইউরো।
  • এক্ষেত্রে কোন কোন যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুপারিশে পর্যায়ে ছাড়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

ভিসার মেয়াদ
  • Study ভিসার মেয়াদ study period এর মেয়াদের সমান।
  • স্বল্পকালীন অবস্থানের ভিসার মেয়াদ ৯০ দিন।
  • হাইব্রিড, দীর্ঘকালীন ভ্রমন/স্থায়ী বসবাস (residence permit) ইত্যাদি ভিসার মেয়াদ ৯০ দিনের বেশী।

জার্মানীরি ভিসা প্রক্রিয়া

বর্তমান বিশ্বে যে কয়টি দেশ উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে তার মধ্যে জার্মানী অন্যতম। জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে জার্মান জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর এ কারনে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে আজ জার্মানীতে পাড়ি জমাচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ স্থায়ী ভাবে বসবাস করার জন্য যাচ্ছে, কিছু সংখ্যক যাচ্ছে পড়াশুনা অথবা ব্যবসায়িক কাজে আর কিছু সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে কেবলমাত্র প্রযুক্তির শিখরে অবস্থানকারী দেশটিকে ঘুরে দেখতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক জার্মানীর ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন।

ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
  • জার্মানীতে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে তার নিজ দেশের জার্মান অ্যাম্বেসীতে ভিসার আবেদন করতে হয়। বাংলাদেশের নাগরিকগণ ঢাকাস্থ জার্মান অ্যাম্বেসীতে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। ভিসার আবেদনপত্র দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
  • দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী তা যাচাই বাছাই করার জন্য সে দেশের নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবেন। যেমন, আপনি যদি “Residence Permit” এর জন্য আবেদন করেন তাহলে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন ফরম সেদেশের ইমিগ্রেশন দপ্তরে (the Auslaenderbehoerde) পাঠিয়ে দেবেন। ইমিগ্রেশন দপ্তর, স্থানীয় কর্মসংস্থান দপ্তরের (the Arbeitsamt)সুপারিশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।
  • যদি কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্রটি অনুমোদন করেন তবে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ প্রার্থীকে ভিসা প্রদান করবেন।

ভিসার ক্যাটাগরী
  • Residence Permit/Employment Visa (স্থায়ী বসবাস/কর্মসংস্থান ভিসা)
  • Study Visa (পড়াশোনার জন্য ভিসা)
  • Tourist Visa (স্বল্পকালীন ভ্রমন ভিসা)
  • Business Trip Visa  (ব্যবসায়িক ভ্রমন ভিসা)

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন:
টুরিষ্ট ভিসার জন্য (Tourist Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং ডিক্লারেশন লেটার
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • পাসপোর্টের মূল কপি এবং ফটোকপি (অন্তত ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং কমপক্ষে ২টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • চলতি ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট এবং এর একটি ফটোকপি
  • নিয়োগকর্তৃপক্ষের রেফারেন্স লেটার
  • গ্রুপ ট্রাভেল/হোটেল রিজার্ভেশন/এয়ারলাইন রিজার্ভেশনের প্রমানপত্র এবং ফটোকপি
  • ভিসা ফি

স্টাডি ভিসার জন্য (Study Visa)
  • ২টি যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটারের অনুলিপি।
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মূল পাসপোর্ট এবং এর ফটোকপি
  • যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাবেন সেখান থেকে ইস্যুকৃত ‘Letter of Acceptance’
  • আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমানপত্র ও এর ফটোকপি (যা প্রমান করবে জার্মানীতে অবস্থানকালীন সময়ে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল অবস্থানে থাকবেন।

বিজনেস ট্রিপ ভিসার জন্য (Business Trip Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটার
  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মূল পাসপোর্ট এবং এর ফটোকপি (কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং ২ টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে)
  • আপনার বর্তমান ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট এবং এর ফটোকপি
  • বিজনেস রেফারেন্স – অর্থাৎ জার্মানীতে কোন কোম্পানী বা সংগঠনের তরফ থেকে আপনার জন্য পাঠানো Invitation letter যেখানে উল্লেখ থাকবে যে ঐ সংস্থা জার্মানীতে অবস্থানকালে আপনার সব খরচ বহন করবে।

স্থায়ী বসবাস/কর্মসংস্থান
জার্মানীতে ভিসা (Employment /Residence Permit Visa)
  • যথাযথভাবে পূরণকৃত ২টি আবেদন ফরম এবং প্রয়োজনীয় ডিক্লারেশন লেটার এবং অনুলিপি।
  • ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • জার্মানীতে আপনার ভবিষ্যৎ নিয়োগদানকারী কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে “Employment Contract” অথবা “Letter of Intent”

ভিসা ফর্মের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবেন
কনস্যুলার সার্ভিস এন্ড ভিসা ইনফরমেশন জার্মানী দূতাবাস, ঢাকা
১৭৮, গুলশান এভেনিউ, গুলশান-২
ফোন: ৯৮৫৩৫২১, এক্সট ১৫৩
ইমেইল: info@dhaka.diplo.de
ওয়েব: www.dhaka.diplo.de

সময়: দুপুর ১.১৫ থেকে ৩.০০ পর্যন্ত।

অবশ্যই টেলিফোনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে করে যেতে হবে।


ভিসা ইস্যু করার জন্য প্রয়োজনীয় সময়
  • স্বল্প সময়ের ভিজিটের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া করার সময়সীমা ২ থেকে ১০ কর্মদিবস
  • দীর্ঘতর সময়ের ভিজিটের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া করতে বেশ কয়েকমাসও লেগে যেতে পারে।
  • ব্যস্ত মৌসুমে একজন ভিসা আবেদনকারীকে আবেদনের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে। সেজন্য আবেদনকারীকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে আবেদন করতে হবে।

ভিসার জন্য প্রযোজ্য ফি
  • যারা ৩ মাসের বেশী অবস্থানের জন্য ভিসার (National Visa) আবেদন করবেন (যেমন, study, employment ইত্যাদি ভিসা) তাদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভিসা ফি হচ্ছে ৬০ ইউরো।
  • যারা ৩ মাসের বেশী জার্মানীতে অবস্থান করবেন এবং প্রথম ৩ মাসের মধ্যে অন্যকোন “শেনঝেন” দেশ ভ্রমন করবেন (যেমন scientist) তাদের জন্য ভিসার (hybrid visa) আবেদন ফি ৬০ ইউরো
  • এক্ষেত্রে কোন কোন যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুপারিশে পর্যায়ে ছাড়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

ভিসার মেয়াদ
  • Study ভিসার মেয়াদ study period এর মেয়াদের সমান।
  • স্বল্পকালীন অবস্থানের (শেনঝেন) ভিসার মেয়াদ ৯০ দিন।
  • হাইব্রিড, দীর্ঘকালীন ভ্রমন/স্থায়ী বসবাস (residence permit) ইত্যাদি ভিসার মেয়াদ ৯০ দিনের বেশী।

ভিসা সম্পর্কিত আরো তথ্যের জন্য আগ্রহী বাংলাদেশীগন নিম্নের ঠিকানাগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন:
  • Goethe Institute (German Cultural Institute)
২৩, ধানমন্ডি আ/এ
রোড নং-২, ঢাকা-১২০৫

জার্মানির ভিসা

পশ্চিম ইউরোপের সমৃদ্ধ দেশ জার্মানিতে পড়াশোনায় টিউশন ফি লাগে না সেই সাথে নানা ধরনের বৃত্তির সুযোগ আছে আর সেখানকার শিক্ষার মান নিয়েও কারো মনে প্রশ্ন নেই। তবে জার্মান ভাষা শেখা নিয়ে অনেকে দ্বিধায় থাকেন। জার্মান ভাষা শিখতে ঢাকারজার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে খোঁজ নিতে পারেন। এছাড়া ইংরেজি মাধ্যমেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে।

জার্মানির ৪৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, মানবিকসহ সব শাখাতেই উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ আছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থেকে যেসব ডিগ্রি নেয়া যায়:
  • ব্যাচেলর
  • মাস্টার্স
  • ডিপ্লোমা
  • ডক্টরেট
  • পোষ্ট ডক্টরেট

বিভিন্ন ধরনের বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ আছে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে:
  • স্থাপত্য
  • সাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
  • প্লান্ট অপারেশনস
  • পেইন্ট টেকনোলজি
  • ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচার এন্ড এনভায়রনমেন্টাল প্ল্যানিং
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • টেকনিক্যাল ইনফরমেটিকস
  • ইংলিশ এন্ড আমেরিকান স্টাডিজ
  • জার্মান স্টাডিজ
  • ইতিহাস
  • গভর্ন্যান্স
  • পলিটিক্যাল সায়েন্স
  • অ্যাডভান্সড ম্যাটারিয়ালস
  • অ্যাডভান্সড অনকোলজি
  • কমিউনিকেশন টেকনোলজি
  • এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
  • ফিন্যান্স
  • মলিকিউলার সায়েন্স
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • গণিত
  • কম্পিউটার সায়েন্স
এছাড়া বিভিন্ন ভাষা এবং প্রকৌশলবিদ্যার নানা বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
 জার্মানির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়:
  • হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি
  • ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাড হনেফ
  • লুদভিক ম্যাক্সিমিলিয়ান ইউনিভার্সিটি অব মিউনিখ
  • ফ্রি ইউনিভার্সিটি অব বার্লিন
  • হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি
  • উলম ইউনিভার্সিটি
  • ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাড হনেফ

শিক্ষা বৃত্তি:
জার্মানিতে পড়াশোনা করা বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকের প্রায় ২৫ ভাগই শিক্ষা বৃত্তি পেয়ে থাকেন। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি গবেষণার জন্য বৃত্তি দেয়া হলেও স্নাতক পর্যায়ে বৃত্তির সুযোগ কিছুটা কম। শিক্ষা বৃত্তি দেয়া উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান:
  • ডিএএডি কনরাড আডেনাওয়ার ফাউন্ডেশন
  • হাইনরিশ ব্যোল ফাউন্ডেশন
  • ফ্রিডরিশ এবার্ট ফাউন্ডেশন
  • বোরিংগার ইংগেলহাইম ফাউন্ডেশন

কিভাবে আবেদন করবেন
  • জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে আবেদনের নিয়মের পাশাপাশি বৃত্তির তথ্যও পাওয়া যাবে।
  • আপনি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এডমিশন অফিসে যোগাযোগ করে ভর্তি ফরম ও অন্যান্য বিষয়ে তথ্য জানতে পারেন।
  • কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট থেকে আপনি আবেদন ফর্মটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
  • বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনাকে ভর্তির সকল প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করবেন।
  • অন্তত ১ বৎসর সময় হাতে রেখে আপনি আপনার আবেদন প্রক্রিয়াটি শুরু করুন।
  • আবেদনের তারিখ শেষ হওয়ার ৬-৮ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবেন।

বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতা এবং কোর্সের মেয়াদ:
কোর্সের নাম
শিক্ষাগত যোগ্যতা
ভাষাগত যোগ্যতা
কোর্সের মেয়াদ
ব্যাচেলর
কমপক্ষে ১২ বৎসর মেয়াদী শিক্ষা
জার্মানি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়ন কোর্স DeF অথবা DSH. কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে IELTS/TOFEL গ্রহণযোগ্য
৩ - ৪ বৎসর মেয়াদী পূর্ণকালীন কোর্স
মাস্টার্স
১৫ - ১৬ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
জার্মানি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়ন কোর্স DeF অথবা DSH. কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে IELTS/TOFEL গ্রহণযোগ্য
১ - ২ বৎসর মেয়াদী পূর্ণকালীন কোর্স
পিএইচডি
মাস্টার্স/এমফিল
DeF/DSH/English
৩ থেকে ৪ বৎসর পূর্ণকালীন কোর্স

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • পূরণকৃত আবেদন ফরম
  • সকল পরীক্ষা পাসের সনদপত্র ও মার্কসীটের ফটোকপি
  • স্কুল/কলেজের ছাড়পত্র
  • জার্মান/ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণপত্র
  • পাসপোর্টের ফটোকপি

জার্মানিতে বসবাস ও কাজের সুযোগ
বসবাসের জন্য জার্মানি অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি দেশ, খরচের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে জার্মানিতে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা ৯০ পূর্ণ দিবস অথবা ১৮০ অর্ধ দিবস কাজ করতে পারেন। সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজের অনুমোদন নেই। একজন ছাত্র/ছাত্রী নিম্নের যে কোন একটি কাজ বেছে নিতে পারেন:
  • পিজা ডেলিভারি
  • ক্লিনিং
  • বারটেন্ডিং
  • হেলথ কেয়ার সার্ভিস
  • ফ্রুট পিকিং
  • হোটেল সার্ভিস

জার্মানিতে পড়াশোনাসহ অন্যান্য তথ্যের জন্য জার্মানিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংগঠন “বিসাগ” ওয়েবসাইট দেখতে পারেন:http://bsaagweb.de/

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)


এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন



এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----সার্বিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----সার্বিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts

Sample Text

Facebook

Labels