নিজে নিজে ভিসা আবেদন করতে ভিজিট করুন www.visa24bd.com
আলবেনিয়া জব ভিসার কাজ চলছে। যোগাযোগ করুন 01772369451

Newsletter

আলবেনিয়া,রোমানিয়া,তুরস্ক,ক্রোয়েশিয়া জব ভিসার কাজ চলছে। দুই মাসে ভিসা বেতন ৫০-৮০ হাজার টাকা। সাইপ্রাস স্টুডেন্ট ভিসা, কানাডা স্কুলিং ভিসা। যোগাযোগ করুন 01772369451

Friday, November 27, 2020

ক্রোয়েশিয়ার ভিসা এখন ঢাকা থেকেই

রোনার পরে মাল্টার আশা দেখা গিয়েছিল। ইটালীর ভিজিট ভিসা ও জব ভিসার দেখা পাওয়ার সুজোগও প্রায় কাছিয়ে এসেছিল। কিন্তু আকস্মাৎ সব আবার স্তব্দ। দেখা গেল করোনা শীতের মধ্যে আরও ব্যাপক আকারে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় সবগুলো ইউরোপিও দেশ লক ডাউনে চলে গেছে। তবে এই লক ডাউনে নেই ক্রোয়েশিয়া। এই দেশটি বহাল তবিয়তে কাজ করে চলেছে। বর্তমানে ঢাকা থেকেই ক্রোয়েশিয়ার ভিসা হচ্ছে। ঢাকার জেমকন গ্রুপ ভিসার দায়িত্ব নিয়েছে। আপনার নিশ্চয়ই জানেন যে নাবিল আহমেদ এমপি যিনি যশোহর অঞ্চলের একজন মাননীয় এমপি, বর্তমানে ক্রোয়েশিয়ার কনসাল জেনারেল হিসাবে কর্মরত রয়েছেন বাংলাদেশে। এখন আপনি যদি ক্রোয়েশিয়া থেকে ওয়ার্ক পারমিট পান তবে আপনাকে কষ্ট করে দিল্লী যেতে হবেনা। খুব সহজেই আপনি ঢাকা থেকে ভিসা নিতে পারেন। ক্রোয়েশিয়া থেকে ওয়ার্ক পারমিট আসতে বড়োজোর দুই মাস লাগবে। এবং ঢাকায় জেমকন গ্রুপের অফিসে জমা দিলে তা দিল্লী থেকে ভিসা হয়ে আসতে ২০ দিন সময় নেবে। তারা আপনার পাসপোর্ট জমা রাখবে না। বা কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও চাইবে না। দিল্লী থেকে স্টিকার আসলে তারা আপনার পাসপোর্টে জাস্ট সেটা লাগিয়ে দেবে। দিল্লী যেতে গেলে বেশ কিছু টাকা নষ্ট হয়ে যায় এবং সময়ও নষ্ট হয়ে যায়। এরচেয়ে ঢাকা থেকে ভিসা নিলে খরচ হলেও তা আপনার সময় নষ্ট করবে না। বিদেশের হোটেলে অপেক্ষা করার চাইতে দেশে নিজের বাড়িতে অপেক্ষা করা অনেক সাশ্রয়ী ও নিরাপদ। তাই ক্রোয়েশিয়াতে আবেদন করুন ঢাকা থেকেই। আপনার জন্য ক্রোয়েশিয়াতে কাজ করেন এমন কিছু নিরাপদ এজেন্ট রয়েছে আমাদের। আমাদের ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করলে আমরা আপনাকে সেই সব এজেন্টের মাধ্যমে ভিসা পেতে সহায়তা করবো। বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক পেইজে আসুন এবং লাইক দিয়ে আমাদের ইনবক্স করুন। ফেসবুক পেইজের ঠিকানা WWW.FACEBOOK.COM/VISAMARKETPLACE

Sunday, November 22, 2020

সৌদি যেতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আপডেট লাগবে না

 


সৌদিগামীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যদিও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মেয়াদ ৬ মাস তারপরও যাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ১/১/২০২০ তারিখে বানানো হয়েছিল তারা সেই সার্টিফিকেট দিয়েই সৌদি ভিসা নিতে পারবেন। অর্থাত যাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মেয়াদ ৬ মাসের বেশী হয়ে গেছে তারাও আবেদন করতে পারবেন। 

Sunday, November 15, 2020

কানাডা স্কুলিং ভিসা কি

র্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ভিসাটি হলো কানাডা স্কুলিং ভিসা। এই বিষয়ে গত ঈদের পর থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমরা মেসেজ পেয়েছি ৪৫৩টি। প্রত্যেকের প্রশ্ন ছিল কম বেশী এমন ‘আমার ছেলেমেয়েকে কিভাবে কানাডার স্কুলে ভর্তি করতে পারি এবং আমি কি তাদের সাথে কানাডা যেতে পারব কিনা।’ কিন্তু ব্যস্ত থাকার কারনে আমরা তাদেরকে বিস্তারিত জানাতে পারিনি। তাই এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করলাম কানাডা স্কুলিং ভিসা নিয়ে।
এটা সেই সকল ছাত্র ছাত্রীদের জন্য যারা কেজি১ থেকে দশম শ্রেনীতে পড়ছে। এরা এখান থেকে ট্রান্সফার নিয়ে কানাডার যেকোন স্কুলে ভর্তি হবে। তারপর ভিসার জন্য দাঁড়াবে। এই ভিসায় এখন পর্যন্ত রিফিউজ হিস্টোরী নেই। এখানে ছাত্র ছাত্রীর সাথে বাবা ও মা ভিজিট ভিসা পাবেন কানাডার। তবে স্টুডেন্টকে অবশ্যই ১৮ বছরের নিচে হতে হবে। এদের লাগবেনা IELTS রেজাল্ট, লাগবেনা ইংরেজী দক্ষতা। কানাডাতে পরিবারসহ যাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এই ভিসা।
বাবা ও মায়ের যোগ্যতাঃ যেহেতু বাবা বা মা স্টুডেন্টের সাথেই ভিজিট ভিসা পাবেন তাই তাদের আর্থিক ব্যপারটা অগ্রগন্য। বাবা বা মায়ের এ্যাকাউন্টে ন্যুনতম ৩০ লাখ টাকা থাকতে হবে। এবং আয় ব্যয়ের কাগজপত্র থাকতে হবে অর্থাৎ টাকা কিভাবে আয় হলো তার প্রমানপত্র যাকে বলা হচ্ছে স্টেটমেন্ট অব ফান্ড। এর মধ্যে আপনার ব্যাংক সাপোর্ট ছাড়াও রয়েছে ব্যবসায়ের কাগজপত্র ও অন্যান্য সাপোর্টিভ পেপারস। এগুলো অবশ্য খুব সহজেই পাবেন। এজেন্টও সাহায্য করতে পারবে এই ক্ষেত্রে। জেনুইন ব্যাংক সাপোর্ট দিতেও পারেন তারা।
আবেদন ও ভিসা প্রক্রিয়াঃ সে যাই হোক, আপনার যদি সব পেপারস থাকে তবে আপনি কানাডার স্কুলে আবেদন করতে পারেন। স্কুল আপনার কাছ থেকে প্রাথমিক খরচ হিসাবে ৪০০ থেকে ৪৫০ কানাডিয়ান ডলার নেবে। তারপর আপনাকে একটি অফার লেটার পাঠাবে। এটি কন্ডিশনাল অফার লেটার। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলকে অগ্রিম টিউশন ফি পাঠাতে হয়। এটি সাধারনতঃ দশ থেকে ১১ লাখ টাকা হয়। এটি আপনি আপনি ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে আমরা আপনাকে ভিসার পর টিউশন ফি পে করার সুজোগ করে দিতে পারি। এরপর আপনি অনলাইনে ভিসা ফি পে করে কানাডা ভিসার আবেদন করবেন। স্টুডেন্ট স্কুলিং ভিসার জন্য আবেদন করবে। মা বাবা ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন করবে। স্কুলিং ভিসার এ্যামবাসি ফি ২১০০০ টাকা (ভিসা ফি ও এক্সপ্রেস)। ভিজিট ভিসার জন্য এ্যামবাসি ফি ৮ হাজার টাকা। ৯৯% ক্ষেত্রে আপনারা সবাই ভিসা পাবেন। এই ভিসা খুব কমই রিফিউজ হয়। এটি জানুয়ারী ও মার্চ সেমিস্টারের স্কুলিং ভিসা। তবে কানাডার স্কুলে নিচের শ্রেনীগুলোতে ভর্তির সময় অনেকটা শেষের দিকে। ভিসা হয়ে যাবার পর আপনি ফ্লাই করতে পারবেন। ঢাকা থেকে ফ্লাইট হবে। ভিসার পর আপনাকে ভিসা এজেন্টের সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হতে পারে। আপনি যদি ভিসার আগে টিউশন ফি পে করেন তবে সেটা হবে দুই লক্ষ টাকার মতো। যদি ভিসার পরে টিউশন ফি পে করেন তবে ভিসার পর দিতে হবে তিন লক্ষ টাকার মতো। জানুয়ারী সেমিস্টারে কানাডার স্কুলে ভর্তি হতে চাইলে আপনাকে এখনই ফাইল দিতে হবে।

আরও বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সাইটে যান http://www.visa24bd.com/view-visa…/offersviewdetail/376.html

Wednesday, November 11, 2020

তবে কি চালু হতে যাচ্ছে H1B / H2B ভিসা?


ক্ষমতায় আসার পরপরই বেশ কিছু ভিসা ক্যাটাগরি ও তাদের ধরনের পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেন আমেরিকার নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশে ভিসার ওপর যে কড়াকড়ি আরোপ করেছিলেন এবং স্পাউস ভিসা প্রায় বন্ধ করে দিতে বসেছিলেন, বাইডেন আসাতে এসব ভিসা নতুন করে অবমুক্ত হতে চলেছে। জানা গেছে বাইডেন এর পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকাতে H1B ভিসা সহ হাই স্কিল ভিসার সংখ্যা বাড়ানো এবং দেশভিত্তিক চাকরি ভিসার কোটা তুলে দেয়া। এর ফলে কোন কোন দেশ থেকে অসংখ্য শ্রমিক নিয়োগের পথ সুগম করলো আমেরিকা। এই বিশেষ সুবিধা দেয়ার ফলে ভারত থেকে প্রচুর নতুন অভিবাসী স্থান করে নেবে আমেরিকাতে। তবে এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশও উপকৃত হবে বলে বিশ্বাস করেন সবাই। শুধু তাই নয় যারা এতোদিন আমেরিকাতে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছিলেন তাদের পক্ষেও খুব দ্রুত গ্রীন কার্ড পাওয়া এবার সহজ হয়ে যাবে। আশা করা যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকেও দ্রুত H1B ভিসা চালু হতে পারে।

(ভিসা২৪বিডি ভিসা নিউজ ডেস্ক)

Monday, November 09, 2020

মাল্টায় পড়তে যাবেন কেন?

মাল্টা বেশ ছোট একটা দেশ অথচ তার কতো নাম । আপনি শুনলে আশ্চর্য হবেন যে মাল্টা আমাদের ঢাকা শহর থেকে কিছুটা বড়ো একটি দেশ । আয়তন ৩১৬ বর্গ কিলোমিটার মাত্র । অথচ এই দেশে যাবার জন্য হন্যে হয়ে থাকে শত শত মানুষ । কেন? কারন হলো এই দ্বীপরাষ্ট ইউরোপে অবস্থিত এবং ইটালীর পাশের একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই ইটালী ঢুকতে পারবেন আপনি । এই দেশে চাকরির পাশাপাশি অনেকেই পড়তে যাচ্ছে । পড়তে যাবার কারনও আছে । প্রথমত ইউরোপিও দেশ বলে এখানে পড়াশোনার মান অতি উন্নত ।

বর্তমানে বিশ্বের স্বনামধন্য সব দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা মাল্টায় পড়াশোনা করতে আসছে। মাল্টাতে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাল্টাতে ৮টির বেশি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে বিশ্বের ৮০টি দেশ থেকে প্রত্যেক বছর প্রায় ১১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য এসে থাকে।আরও বেশ কয়েকটি কারনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন হলো নিচের কারনগুলোঃ
এখানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডিগ্রি প্রদানকারী অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
তুলনামূলকভাবে স্বল্প টিউশন ফি দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
স্বল্প খরচে বাস করতে পারবেন।
শিক্ষা খাতে নিত্যনতুন বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন।
পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ ও ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন।
আইইএলটিএস ছাড়াও মাল্টায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
অনেক ধরনের কোর্স থেকে নিজের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করে পড়তে পারবেন।
মাল্টায় অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রফেশনাল শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার উপায় রয়েছে। মাল্টায় বেশিরভাগ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই উচ্চ শিক্ষা প্রদান করে থাকে। অ্যাকাডেমিক উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত স্বাধীন বিষয়গুলোতে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে প্রফেশনাল অ্যাক্টিভিটিসের জন্য তারা আপনাকে থিওরিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড প্রদান করবে। তাদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থাও লাতভিয়ার মতো ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অফ অ্যাকাডেমিক এডুকেশনের অন্তর্ভুক্ত। এখান থেকে গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করার পর নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর থিসিস করতে পারবেন, যেটা ব্যাচেরলরস ডিগ্রি এবং মাস্টারস ডিগ্রি উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রোগ্রামগুলো মূলত বিভিন্ন বিষয়ের গভীরে আলোকপাত করে এবং আপনি চাইলে যেকোনো বিষয় নিয়ে এখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন করতে পারবেন। তারা বর্তমানে যেসব বিষয় নিয়ে প্রফেশনাল উচ্চ শিক্ষা প্রদান করছে সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে আইটি, সিস্টেমস কনফিগারেশন, টেকনোলজিস এন্ড বিজনেস, রিসার্চ এন্ড সাইকোলজি ইত্যাদি। শিক্ষার্থীরা মূলত এক্ষেত্রে যেকোনো একটি বিষয় বাছাই করে সেটার উপর যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিষয়টির গভীরে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করবে।
মাল্টায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে যেসব ডকুমেন্টের প্রয়োজন পড়বে সেগুলো হচ্ছে,
মাল্টার ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে এটা প্রিন্ট করিয়ে হার্ড কপিতেও পূরণ করতে পারবেন।
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ছবিগুলো অবশ্যই সত্যায়িত করতে হবে।
আপনার অরিজিনাল পাসপোর্টের কপি এবং এর পূর্বে অন্য কোথাও ভিজিটের উদ্দেশ্যে গিয়ে থাকলে সেটার কপি।
৩০ হাজার ইউরো ব্যাংক ব্যালেন্সের সাথে ইউরোপিয়ান ট্র্যাভেল ইন্স্যুরেন্সের কনফার্মেশন লেটার।
‘কেন আপনি মাল্টায় যেতে চাইছেন’ এই বিষয়ের উপর একটি কাভার লেটার।
আপনার ফ্লাইট সম্পর্কিত সব ধরণের তথ্য ও টিকেটের কপি। একইসাথে রিটার্ন টিকেটের কপিও দেখাতে হবে।
মাল্টার অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একটি হোটেল রিসার্ভেশনের কপি।
আপনার সিভিল স্ট্যাটাস বোঝানোর জন্য বিয়ের সার্টিফিকেট অথবা জন্ম নিবন্ধন পত্রের কপি।
এনরোলমেন্টের সত্যায়িত কপি। এক্ষেত্রে সত্যায়িত করে নিলে ভালো হয়।
মাল্টায় যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাইছেন সেখান থেকে লিভ অ্যাপ্রুভাল লেটারের কপি সংগ্রহ করতে হবে।মাল্টার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করার পর, আপনার জন্মদিন ও ভিএলএন নাম্বার দিয়ে ভিসার অবস্থান ট্র্যাকিং করতে পারবেন।ভিসা ও ভর্তির প্রসেসিং হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৮০ থেকে ৯০ দিন লাগতে পারে। অনলাইনে ভিসার আবেদন করার জন্য সর্বোচ্চ ৬০০০০টাকা থেকে ৮০০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। অনলাইন ভিসা অ্যাসিস্ট অ্যাকাউন্ট করার জন্য ১০০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা খরচ হবে। বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের জন্য ২৫০০ টাকা থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।এরপর আপনার টিউশন ফি পাঠাতে হবে সর্বোচ্চ ৫০০০ থেকে ৭০০০ ইউরো । আপনার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে থাকতে হবে ২৫ লাখ টাকার মতো । সব মিলিয়ে আপনি যদি এই ভিসার কাজটি নিজে করতে যান তবে গলদঘর্মই হতে হবে । তারচেয়ে ভাল একজন ভিসা এজেন্টের সহায়তা নেয়া অনেক সহজ । আমাদের কয়েকজন ভেরিফায়েড এজেন্ট ফুল কন্ট্রাক্টে মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসার অফারটি দিচ্ছেন অর্থাৎ তারা ভিসার আগে কোন টাকা নিচ্ছেননা। ফ্রি এ্যাসেসমেন্টের জন্য আপনার এসএসসি ও এইচএসসি মার্কশিট সার্টিফিকেট, পাসপোর্টের কপি ও ছবি assessment@visa24bd.com এই ইমেইল ঠিকানায় পাঠান। 
আমাদের এজেন্টগন ৯,৫০,০০০ টাকায় মাল্টার স্টুডেন্ট ভিসার প্যাকেজটি দিচ্ছেন। এর মধ্যে ১ বছরের টিউশন ফি সহ যাবতীয় খরচ রয়েছে। ভিসার আগে কোন টাকা কাউকে প্রদান করতে হবেনা। সেশন ২০২১
যোগাযোগ করুন 01772369451 নাম্বারে। 

Tuesday, October 27, 2020

ঢাকা থেকে নেবেন ক্রোয়েশিয়ার ভিসা


রোনার সংকটকাল এখন প্রায় শেষের পর্যায়ে। যদিও আমরা প্রতিনিয়ত রেডিও টিভিতে শুনছি যে সংক্রমন বাড়ছে, তারপরও ইউরোপ কিন্তু এর মধ্যেই সব গুছিয়ে ফেলেছে। তাদের প্রচুর মৃত্যুর কারনে বড়ো বড়ো ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে লোকবল সংকট দেখা দিয়েছে। যেজন্য তারা দ্রুত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে জনবল আমদানী করতে চাচ্ছে। ক্রোয়েশিয়াতে হোটেল, ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো চাকরি রয়েছে যেগুলোতে আপনি আপনার যোগ্যতা প্রমান করতে পারেন। আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা শূন্যের পর্যায়ে থাকে তারপরও সেখানে আবেদন করতে সমস্যা নেই। খুব দ্রুত আপনার জব অফার ও ওয়ার্ক পারমিট চলে আসবে। কাগজপত্র সব গুছানোর পর আপনাকে কোথাও পাঠাবেন না এজেন্ট। আগে ক্রোয়েশিয়ার জন্য দিল্লী যেতে হতো। এই অকটোবর মাসেও যখন দেখা গেল যে ইন্ডিয়া ভিসা দিচ্ছেনা তখন বাংলাদেশের কনসুলেট থেকে ঘোষনা দিল ঢাকাতেই ক্রোয়েশিয়ার পাসপোর্ট জমা নেয়া হবে এবং এখান থেকেই ভিসা দেয়া হবে। এজন্য ওয়ার্ক পারমিট আসার পর ধানমন্ডিতে অবস্থিত কনসুলেটে সব জমা করতে হবে। তাই এখন আর দিল্লী যেতে হচ্ছেনা। আপনি যদি আমাদের এজেন্টদের মারফত ক্রোয়েশিয়ার ভিসা করতে চান তবে আপনাকে পাসপোর্ট দিতে হবে ও একটি নিরাপত্তা চেক দিতে হবে। নিরাপত্তা চেকের বীপরিতে এগ্রিমেন্ট করতে হবে সরকারী স্ট্যাম্পের ওপর। এরপর সবকিছুই করবেন এজেন্ট। কাউকে কোন পেমেন্ট দিতে হবেনা ভিসার আগে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার রেকর্ডের উপর নির্ভর করেই আপনার সাথে কথা বলবেন এজেন্ট। অতীতে যদি আপনার কোন খারাপ রেকর্ড থাকে তবে আপনার নিকট থেকে এ্যাডভান্স চাইতেই পারেন এজেন্ট।
ভিসার দাম বর্তমান বাজারে সাড়ে ৭ লাখ টাকার মতো। এটি যেহেতু জব ভিসা তাই অবশ্যই সরকারীভাবে ম্যান পাওয়ার হবে। ম্যানপাওয়ার হবার পর ঢাকা থেকেই ফ্লাইট হবে। তবে ফ্লাইট বিষয়টা এয়ারলাইনস এর চলাচলের উপর নির্ভর করে হবে। অনেকেই ইটালীর ঘটনার পর ভয় পেয়ে গেছেন যে আপনাকে হয়তঃ ক্রোয়েশিয়া থেকে ফেরত দিতে পারে। না, এমন কোন সম্ভাবনা ক্রোয়েশিয়ার ক্ষেত্রে নেই। আজ পর্যন্ত কাউকে ক্রোয়েশিয়ান এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত আসতে হয়নি। 
আপনি যদি আগ্রহী হন ক্রোয়েশিয়ার জব ভিসার বিষয়ে তবে মেম্বার হয়ে নেবেন। তারপর আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি চলে যেতে হবে এজেন্টের অফিসে। ঢাকাতে ক্রোয়েশিয়ার ভালো কাজ করছে এমন আটজন এজেন্ট রয়েছে। এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চলে আসুন এদের কাছে। আরেকটি বিষয় বলে রাখি ক্রোয়েশিয়াতে বেতন হবে ৫০০ ইউরো থেকে ৮০০ ইউরো পর্যন্ত। আপনার যোগ্যতার উপর নির্ভর করবে এটা। যার যতো বেশী যোগ্যাতা তার বড়ো বেতনের সম্ভাবনাও বেশী। আমাদের এজেন্টরা যথেষ্ঠ দক্ষ ভিসার ব্যপারে। আপনার ভিসা ৯৯% নিশ্চিত। এবং খুব কম সময়ে ভিসা হবে।

আমাদের ফেসবুক পেজের লিংক ঃ  

মেম্বার হবার জন্য এখানে ক্লিক করুন 


Saturday, October 03, 2020

কিস্তিতে জব ভিসা

অবানিজ্যিক পরিধিতে VISA24BD সাধারন বিদেশগামী, চাকুরীতে বিদেশগামী, পড়াশোনার জন্য বিদেশগামী বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য অনেক ধরনের পরিকল্পনা প্রনয়ন করেছে গত আট বছর ধরে। এগুলোর বেশীরভাগই ছিল খেটেখাওয়া সাধারন মানুষ, কর্মজীবি ছাত্রছাত্রী বা ভ্রমনেচ্ছু যাত্রীদের নিয়ে। এবং জব ভিসার জন্য খুঁজে খুঁজে সেই সব সৎ বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী ভিসা এজেন্টদের বের করেছে যারা সাধারন যাত্রীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে। আট বছরের বেশী সময়ের ভেতর আমরা বহু সাধারন যাত্রীদের ভিসা করিয়েছি আমাদের বিশ্বস্ত এজেন্টদের মাধ্যমে। এ পর্যন্ত কোন বিদেশ যাত্রী বলতে পারবেনা যে VISA24BD এর কোন এজেন্ট তাদের সাথে প্রতারনা করেছে। 
২০২০ এ VISA24BD নিয়ে এলো এ বছরের সবচেয়ে আকর্ষনীয় এবং বিশ্ময়কর অফার কিস্তিতে জব ভিসা। আমরা দেখেছি ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিশ্বের বড়ো বড়ো দেশসমূহে জব ভিসাতে প্রচুর খরচ হয়ে থাকে একজন যাত্রীর। এতো খরচ করে জব ভিসাতে গিয়ে দেশে সে কোন টাকা রেখে যেতে পারেনা সংসার প্রতিপালনের জন্য। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা জব ভিসার এজেন্টদের সাথে কথা বলি। বারবার আলোচনা করে নেতিবাচক বিষয়গুলো বাদ দিয়ে ইতিবাচক বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসা হয় এবং কিছু নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কিস্তিতে জব ভিসার বিষয়টি। যেমন ধরুন একজন ছাত্র জব ভিসাতে রোমানিয়া যাবে। তার টাকা লাগবে সাত লাখ টাকা। কিস্তিতে তাকে প্রথম পর্বে ভিসার পর পরিশোধ করতে হবে মাত্র তিন লাখ টাকা। বাকি পরিশোধযোগ্য অংক ২৪টি ধাপে প্রদেয় থাকবে। এর ফলে জব ভিসা বা বিদেশ যাবার সময় যাত্রীর যে অমানবিক আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয় সেটি অনেক কমে যাবে। এবং যাত্রী বিদেশে চাকুরী করে তার বাকী টাকা ধাপে ধাপে পরিশোধ করতে পারবে। এখানে যে বিষয়টি বলে নেয়া ভাল যে, অনেক সময় একজন এজেন্ট ভিসার কাজটি করেন না। তাকে সহায়তা করার জন্য আরও অনেকে এর মধ্যে জড়িত থাকে। ফলে কিস্তিতে ভিসার ব্যপারে একজন রাজী হলেও অন্যজন গররাজী থেকেই যান। তাছাড়া যাত্রীর পরবর্তিতে টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা কোথায়? যেখানে দেশী ব্যাংকগুলোতে লোন নেবার পরে লোন পরিশোধ করার ক্ষেত্রে অনিয়ম চলে সেখানে বিদেশে চলে গেলে তার টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা কোথায়? তাই নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে ভাবনা চিন্তা করে VISA24BD নতুন কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করেছে যাতে বিদেশ যাত্রীরা ২৪টি কিস্তিতে তাদের বিদেশ যাবার খরচ বিদেশে চাকরি করেই পরিশোধ করতে পারবে। এবং ভিসা এজেন্টরাও আগের চেয়ে বেশী ক্লায়েন্ট পাবেন এবং তাদের টাকার নিরাপত্তাও থাকছে। এ বিষয়ে VISA24BD প্রবাসী কল্যান ব্যাংকের সাথে কাজ করবে।
কিস্তিতে যে সমস্ত দেশে চাকরি ভিসায় সুজোগ দেয়া যাবে সে দেশগুলো হলো রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, আলবেনিয়া, মাল্টা। স্টুডেন্ট ভিসায় বা ভ্রমন ভিসায় কিস্তির সুবিধা পাওয়া যাবে না। 
তবে এখানে বলে রাখা ভাল, কারা আমাদের এই প্রজেক্টে অন্তর্ভুক্ত হবেন।
১। যাদের আর্থিক সামর্থ আমাদের কাছে অনুকুল বলে বিবেচিত হবেনা।
২। যারা বর্তমানে আমাদের ভিসা ক্লাব মেম্বার।
৩। ভিসা২৪বিডিডটকম কতৃক যাদের প্রফাইল পরিপূর্ন নিরাপদ হিসাবে গৃহীত হয়েছে।
৪। মেম্বার ছাড়াও যারা ফেসবুকে আমাদের সাথে ন্যুনতম ১ বছর ছিলেন ও নানা সময়ে লাইক ও কমেন্ট দিয়ে উৎসাহিত করেছেন।

যাদের ভিসা প্রসেসিং এর কাজ চলছে তারা এই প্রজেক্টে অন্তর্ভুক্ত হবেন না। তাদের চুক্তিপত্রে যতো টাকার কথা উল্লেখ ছিল ঠিক সেই পরিমান ফি ভিসার পরে অবশ্যই তাদের পরিশোধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে কিছু কিছু ভিসার খরচ কমেছে কিন্তু চুক্তিপত্রে যেখানে যা উল্লেখ ছিল সেখানে তাই প্রদেয় হবে।
কিভাবে এই প্রজেক্টে অন্তর্ভুক্ত হবেনঃ
১। প্রথমে আমাদের ভিসা ক্লাবের সদস্য হবার ফর্মটি পুরন করুন।
২। ভিসা২৪বিডিডটকমের মূল ওয়েব সাইটে যান ও সাইন আপ করুন।
৩। ভিসা২৪বিডিডটকমে আপনার ছবিসহ সকল তথ্য আপলোড করুন।
এরপর আমরা আপনার প্রদেয় সকল তথ্য যাচাই করবো নিজস্ব পদ্ধতিতে। ভিসা২৪বিডিডটকমে আপনার প্রদেয় সকল তথ্য কেবল আমরাই দেখতে পারি। ক্যান্ডিডেট প্রোফাইল থেকে বাইরের কেউ কখনও আপনার কন্ট্রাক্ট ডিটেইলস দেখতে পায়না।
৪। আপনার এলাকার কাউন্সেলর বা চেয়ারম্যান কতৃক একটি প্রত্যয়নপত্র আমাদের ঠিকানায় কুরিয়ার সার্ভিস কতৃক পাঠাতে হবে। (প্রত্যয়নপত্রের বিষয়বস্তু নির্ধারিত থাকবে।)
৫। সর্বশেষ আমাদের সাথে আপনার অভিভাবকের একটি চুক্তিপত্র করতে হবে।
ভিসা২৪বিডিডটকম কতৃক সংযোজিত এই পদ্ধতিতে সাধারন খেটেখাওয়া মানুষ যারা টাকার অভাবে বিদেশে গমন করতে পারতোনা, নতুন এই কিস্তিতে চাকরি ভিসার অফার পাওয়ার পর তারা বিদেশে যেতে পারবে। 

রোমানিয়া যাবার সময় এখনই

রোমানিয়া বললে আমার কাছে যে সবচেয়ে বড়ো বিষয়টি উঠে আসে তা হলো কাউন্ট ড্রাকুলার প্রাসাদ। ব্রাম স্টোকার রোমানিয়ার ট্রানসিলভ্যানিয়া, বুকোভ্যানিও ও মলডাভিয়ার সীমান্তপ্রদেশে অবস্থিত কার্পেথিয়ান পর্বতমালায় কাউন্ট ড্রাকুলার নির্জন পোড়ো দুর্গের কথা উল্লেখ করেছেন। অবশ্য রোমানিয়ার বেশীরভাগ বাড়িঘরই এখনও এমনই দেখতে। তবে ব্রাম স্টোকার যেমন লিখেছিলেন আসলে রোমানিয়ার মানুষজন কিন্তু তেমনই।এখনও তারা বড়ো বেশী কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও আমুদে। তারা যেমন অতিথি পছন্দ করেন তেমন পানশালাগুলোতেও অতিথির অভাব নেই। পুরো রোমানিয়াই যেন আনন্দের স্বর্গরাজ্য। তবে রোমানিয়ার সব অঞ্চলের মানুষ এমন নয়। বুঝতে হবে এটি ইউরোপিও দেশ, ইউরোপিয়ান দেশের স্পর্শ তো এখানে থাকবেই। আপনি যদি ঘুরতে এখানে আসেন তবে বলবো আপনি সঠিক জায়গাটিতেই এসেছেন।ঘুরতে আসলে রোমানিয়া হলো স্বর্গ। আর টাকা কামাতে এলে আমি বলবো এখানে থেকে ভাষাটা শিখুন তাহলেই মানুষ আপনাকে কাজ দেবে। অন্ততঃ চলতে পারার মতো কিছুটা ভাষা আপনার জানা দরকার কারন রোমানিয়ার মানুষ ইংরেজী বোঝে না।তবে আপনি কাজ করতে চাইলে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এখানে। ২০১৬ সালে আমরা যখন রোমানিয়ায় যাই তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল দেশে আর না ফিরে এখানেই বিয়ে করে সেটেল্ড হয়ে যাই। এখানকার মেয়েরা এতো সুন্দরী যে না দেখলে অনুমান করতে পারবেন না। আর তাদের ব্যবহারও অতুলনীয়।আপনি খুব সহজে তাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথাবার্তা বলতে পারবেন ও তাদের কাছ থেকে বিদেশে থাকার ব্যপারে সহায়তা নিতে পারবেন। শুধু রোমানিয়া নয়, পূর্ব ইউরোপিও অঞ্চলে আপনি যদি স্থায়ী হতে চান তবে নারীরাই আপনাকে প্রকৃত সহায়তা দিতে পারবে।
রোমানিয়াতে শহরের চেয়ে গ্রামের সংখ্যাই বেশী, তবে আপনি সেগুলোকে শহর ভেবে ভুল করবেন। প্রতিটা গ্রামই ছবির মতো সুন্দর। শহরের রাস্তার ডান পাশ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয় বিধায় প্রথমে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে যদি আপনি ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে এখানে আসেন বা এখানে গাড়ি কেনেন। আপনি দক্ষ ড্রাইভার হলেও এখানে গাড়ি চালনা আবার শিখতে হবে আপনাকে।
রোমানিয়া পৃথিবীতে মদ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে বিধায় এখানকার মানুষজনের প্রায় সকলেই মদ পান করে।আর রোমানিয়ার মদ বা ওয়াইন পৃথিবীর চমৎকার পানীয় হিসাবে গন্য হয়ে থাকে। আপনার যদি চাকরি করার ইচ্ছে থাকে তবে প্রথমেই এসব শুঁড়িখানার চাকরিই আপনি পাবেন কেননা এসব চাকরি এখানে বেশী পাওয়া যায়। তবে চাকরির অভাব নেই এখানে।অটোমোবাইল, টেক্সটাইল, চামড়াশিল্প, ইলেক্ট্রনিক্স, আইটিসহ প্রভৃতির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে রোমানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার কারনে সেখানে যাবার জন্য আমাদের দিল্লী গিয়ে ভিসা আবেদন করতে হয়।
অনেকেই তার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারে রোমানিয়া বাজে দেশ, প্রতারকদের দেশ ইত্যাদি।কিন্তু আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি মোটেও তা নয়। বসবাসের জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও আরামদায়ক রাজধানী হলো বুখারেস্ট।আর আপনি যদি রোমানিয়ার কোন পতিতালয়ে গিয়ে ধোকা খেয়ে আসেন বা কোন মদ পান করতে গিয়ে মাতালের সাথে মারামারি করে আসেন তবে অবশ্যই আপনার অভিজ্ঞতা হবে আমার চেয়ে ভিন্ন। কেউ যদি টাকা আয় করার জন্য রোমানিয়ায় আসে তবে অবশ্যই আপনার স্বপ্ন ব্যর্থ হবেনা। আসার আগে মুক্তমন নিয়ে আসবেন এবং কিছুটা স্মার্ট হয়ে আসবেন এবং আপনার বিষয়ভিত্তিক কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবেন তাহলে আপনি পৃথিবীর যেকোন জায়গায় গিয়ে সফল হতে পারবেন। ২০ সালের জুলাই মাস থেকে পুনরায় রোমানিয়ার ওয়ার্ক পার্মিটের কাজ শুরু হয়েছে। খরচ হবে ৭ লাখ টাকা। অনেকেই আপনাকে আরও কম খরচের অফার দেবে। বিশ্বাস করবেন না তাদেরকে। কারন তারা একটা ওয়ার্ক পারমিট দশ জনের নামে বানিয়ে ভিসা করতে চায়। এটা গ্যাম্বলিং। ভিসা হয়ে গেলে তো সে অর্ধ কোটি টাকা আয় করে নিল। আর যদি ধরা খেয়ে যায় তবে আপনাদের পাসপোর্টগুলো সব বাতিল হবে ও ইউরোপিও দেশে আগামী দশ বছরেও ঢুকতে পারবেন না। তাই যারা বেশী টাকার অফার দেয় তাদের নিকট থেকেই আবেদন করুন। 

Sunday, August 16, 2020

কিভাবে ইউরোপের ভিসায় আবেদন করবেন

নেকেই জানতে চাচ্ছেন যে, করোনা সংক্রমনের পরের স্টেজে আমাদের কোন কোন দেশের ভিসার অফার আছে এবং কিভাবে ভিসা নেয়া যাবে। আপনার ইতিমধ্যে জানেন যে ভিসা২৪বিডি কোন এজেন্সি নয়। আমরা দেশের বিভিন্ন ভিসা এজেন্টের সাথে কাজ করি, এসব এজেন্ট ভেরিফায়েড এজেন্ট। বর্তমানে আমাদের কাছে আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, রোমানিয়া মাল্টার জব ভিসা রয়েছে। আপনি এসব দেশে আবেদন করতে চাইলে দুই ভাবে করতে পারেন। এক মেম্বার হয়ে এবং মেম্বার ছাড়া। মেম্বার হয়ে আবেদন করতে চাইলে আপনাকে ১০০০ টাকা দিয়ে মেম্বার হয়ে আমাদের মূল অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.visa24bd.com এ আপনার সিভি আপলোড করে আবেদন করতে হবে। আর যদি মেম্বার ছাড়া আবেদন করতে চান তবে আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এজেন্ট অফিসে চলে আসবেন। সেখানেই আবেদন করবেন। বর্তমানে করোনা সংক্রমনের কারনে সীমিত সময়ের জন্য আমাদের সার্ভিস নাম্বার অন থাকছে। জরুরী কোন তথ্য জানার থাকলে 01772369451 নাম্বারে কল দেবেন সকাল ১০ থেকে বিকাল ৩টা। আমাদের ফেসবুক পেইজে ভিজিট করুন এখানে ক্লিক করে https://www.facebook.com/visamarketplace/

Tuesday, July 28, 2020

শুরু হলো মাল্টার জব ভিসা

মাল্টা বেশ ছোট একটা দেশ অথচ তার কতো নাম । আপনি শুনলে আশ্চর্য হবেন যে মাল্টা আমাদের ঢাকা শহর থেকে কিছুটা বড়ো একটি দেশ । আয়তন ৩১৬ বর্গ কিলোমিটার মাত্র । অথচ এই দেশে যাবার জন্য হন্যে হয়ে থাকে শত শত মানুষ । কেন? কারন হলো এই দ্বীপরাষ্ট ইউরোপে অবস্থিত এবং ইটালীর পাশের একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই ইটালী ঢুকতে পারবেন আপনি । এই দেশে বহু লোক চাকরির জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের পর আবারও খুলতে যাচ্ছে মাল্টার ভিসা। অগাস্টের ৩ তারিখের পর আবার খুলে যাচ্ছে এই দেশের জব ভিসা। তাদের মন্ত্রীসভায় বিষয়টি পাশ হয়ে গেছে। এর আগে সিদ্ধান্ত ছিল যে তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে ননস্কিলড ওয়ার্কার সেদেশে যেতে পারবেনা। বর্তমানে এই ব্যানটি উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। তাই ঈদের পর থেকে আবারও শুরু হবে মাল্টার কাজ। যারা মাল্টায় যেতে ইচ্ছুক তারা আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাকে বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চলের সবচেয়ে যোগ্য ভিসা এজেন্ট পেতে সহায়তা দেবো কোন লাভ ছাড়াই। তবে আমাদের প্রাথমিক শর্ত হলো আপনাকে আমাদের মেম্বার হতে হবে। মেম্বার হলে আপনার ভিসা প্রসেসিং এ আমরা যাবতীয় সহায়তা দেব। কিভাবে মেম্বার হবেন এ সম্পর্কে উপরে লেখা দেখতে পাবেন। মাল্টার যাবতীয় তথ্য ফেসবুক পেজে দেয়া হবে। আমাদের ফেসবুক পেজের ঠিকানা https://www.facebook.com/visamarketplace/

ভিসা ক্লাব ও এর উপকারীতা

‘টাকা দেন দুবাই যামু।’ আশির দশকে খুব ফেবারিট একটা কোটেশন ছিল বাংলাদেশ টিভির। মানুষের মুখে মুখে চলত এই উক্তিটা। একটা নাটকের সংলাপ ছিল এই বাক্যটা। নাটকের শেষে দেখা গেল দুবাই যাবার জন্য টাকা জোগাড় করা হয় অনেক কষ্টে। টাকা দেয়াও হয় দালালের হাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা মেরে দেয় দালাল, আর শম্ভুর দুবাই যাওয়া হয়না। এটা কেবল বিটিভির নাটকের একটি দৃশ্য নয়, সমগ্র বাংলাদেশের দৃশ্য। আপনি বিদেশ যাবেন। দালাল দরকার। দালাল ছাড়া আপনাদের পেটের ভাত হজম হবেনা। বিশ্বাস করে সব টাকা তুলে দেবেন তার হাতে, আর সে সব টাকা মেরে পালিয়ে যাবে। আপনার সব রাগ গিয়ে পড়বে এজেন্টদের ওপর। এজেন্টরা খারাপ, এজেন্টরা টাকা মারে, ওমুক তমুক। আসলে ব্যপারটা উল্টো। 
সে যাই হোক, প্রার্থীর একটা সমস্যা হলো যে তারা দালালকে যেমন বিশ্বাস করে তেমন এজেন্টকে করেনা। তবে সব এজেন্ট সম্পর্কে যে আমরা ঢালাওভাবে এই কথা বলবো তাও নয়। সব এজেন্টকেও আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না। সবাই ভেরিফায়েড নয়। VISAS4U আপনাদের এই সমস্যার সমাধানের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। কাকে বিশ্বাস করবেন? কাউকে বিশ্বাস করার দরকার নেই।আমরা কাউকে বিশ্বাস করাবার জন্যও সৃষ্টি হয়নি। আপনি বিশ্বাস করবেন যুক্তিকে। এক লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে জুস বিক্রী করছে। আর এক লোক দোকানে জুস বিক্রী করছে। আপনি কার কাছ থেকে জুস কিনবেন? নিশ্চয়ই দোকান থেকে। কারন যে লোকটা রাস্তায় দাঁড়িয়ে জুস বিক্রী করছে সে কাল নাও থাকতে পারে কিন্তু যে লোকটা দোকান নিয়ে বসেছে তাকে কাল দোকান খুলতেই হবে। জুসে যদি ভ্যাঁজাল থাকে তবে তাকে আপনি ধরতে পারবেন কিন্তু রাস্তার হকারকে আপনি পাবেন না। যে লোকটা দীর্ঘদিন ধরে দোকান নিয়ে বসে শুধু জুস বিক্রী করে যাচ্ছে বছরের পর বছর আপনি তাকে বিশ্বাস না করলেও VISAS4U করে। আমরা সেই সমস্ত ডেডিকেটেড ভেরিফায়েড এজেন্টদের খুঁজে বের করেছি যারা দীর্ঘদিন ধরে সাফল্যের সাথে ভিসার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তাদেরকে চার্টবদ্ধ করেছি  ভেরিফায়েড এজেন্ট নামে এবং তাদের কাজের ব্যপারে একেবারে নিশ্চিত। আপনি তাদের মাধ্যমে যদি ভিসা করাতে চান তবে আমাদের সাহায্য নিতেই হবে। আর আপনি যদি আমাদের ভিসা ক্লাবের পেইড মেম্বার না হয়ে থাকেন তবে আমাদের মাধ্যমে এই সেবা পাবেন না। আমাদের এই সেবা নিতে গেলে আপনাকে আমাদের ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হবে। ভিসা ক্লাবের মেম্বার হতে হলে আপনাকে ভিসা ক্লাবের ফর্ম ফিল আপ করে ক্লাব ফি পাঠাতে হবে (১০০০/৮০০ টাকা)। আমরা মনে করি দালালের বা নড়বড়ে এজেন্ট এর হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিয়ে ধরা খাওয়ার চেয়ে ১০০০ বা ৮০০ টাকা দিয়ে আমাদের সদস্য হলে তারচেয়ে অনেক বেশী সেবা পাবেন। কারন আপনি যদি সরাসরি কোন এজেন্টের কাছে যান তবে আপনার আর এজেন্টের মাঝে কেউ থাকছেনা অভিযোগ করার মত বা জানানোর মতো। ধরুন একজন এজেন্ট একবার এক রকম কথা বললো আবার তার কথা পরিবর্তন করলো। আপনি তখন কার মাধ্যমে সেটা মীমাংসা করবেন? ধরুন আপনি থাকেন সিলেটে বা রংপুরে। ঢাকায় এসে আপনি ভিসা প্রসেসিং করবেন কিন্তু সাহস পাচ্ছেন না। কাকে বিশ্বাস করবেন? আমাদের সদস্য হয়ে থাকলে আমরাই আপনার সাথে একজন ভেরিফায়েড এজেন্টর সাক্ষাত করিয়ে দেব। আপনার ও এজেন্টের মাঝে অবস্থান করে আমরা দু’জনের কথা ও বক্তব্য অনুসরন করবো ও রেকর্ড করবো।ভিসা হওয়া না হওয়া এ্যামবাসির বা হাইকমিশনের ব্যপার যাকে আপনি ভাগ্য বলে মনে করেন। একজন রিফিউজ হতেই পারে। তাই বলে সাধারনের বেলায় যা ঘটে তা আপনার বেলায় ঘটবে না। কেউ আপনার সাথে প্রতারনা করবে না। দুই রকমের কথা বলবে না। সঠিক সময়ের মাঝে কাজ পাবেন সঠিকভাবে। ভিসা হবার পর VISAS4U আপনার কাছ থেকে কোন টাকা একস্ট্রা চার্জ করবে না। মনে রাখবেন VISAS4U দালাল নয়। এজেন্টের দেয়া টাকার অংক বাড়িয়ে নিজে লাভ করবেনা। VISAS4U  এখনও একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আপনার ভিসা হবার পর আমরা কিছুটা কমিশন গ্রহন করি এজেন্টের নিকট থেকে তাও সার্বিক দৃষ্টিকোন থেকে অতি অল্প পরিমানে যেন আমাদের অফিশিয়াল কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়। ভিসা ক্লাবের সদস্য হবার ফর্মটি সঠিকভাবে পুরন করুন ও ১০০০/৮০০ টাকা বিকাশ করুন নির্দিষ্ট নাম্বারে এবং ট্রানজেকশন আইডিটি বসান তারপর সদস্য হোন বাটন চাপুন। সাথে সাথে আপনি মেম্বার হয়ে যাবেন। আমাদের কোন নাম্বারে কল দিয়ে বলারও দরকার নেই। মেম্বার হবার পর আপনার কাছে একটি কনফারমেশন মেইল যাবে সাথে থাকবে একটি মেম্বারশিপ কার্ড। এরপর আপনি আমাদের মুল সাইটে যান এবং সাইন আপ করে আপনার রিজিউমটি আপলোড করুন। রিজিউম আপ করার পর মূল সাইট থেকে যে কোন ভিসায় ক্লিক  করে আবেদন করুন। আবেদন করার পর আমাদের একজন অফিসার আপনার সাথে যোগযোগ করবেন। এরপরই ভিসার কাজ শুরু করতে পারবেন আপনি। 
তবে খেয়াল রাখবেনঃ কেবলমাত্র যাদের বিদেশ যাওয়া একান্ত জরুরী এবং খুব শীগ্রি যারা বিদেশ যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারাই কেবলমাত্র ভিসা ক্লাবের সদস্য হোন। হোক সেটা জব ভিসা, হোক ভিজিট ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা। বিদেশ যাওয়া যাদের একান্ত প্রয়োজন তারাই ভিসা ক্লাবের সদস্য হোন। অন্যথায় ভিসা ক্লাবের সদস্য হবার কোন প্রয়োজন নেই।

Friday, July 10, 2020

আলবেনিয়াই হোক আপনার ইউরোপের ঠিকানা

লবেনিয়া হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান দেশসমূহের একটি ছোট্ট দেশ। দেশটিতে প্রায় ৩০ লাখ জনগোষ্ঠী বসবাস করে। দেশটির রাজধানী তিরানা। দাফতরিক ভাষা আলবেনিয়ান। অধিকাংশ যুবক ইংরেজি, ইতালিয়ান ও গ্রিক ভাষায় কথা বলে।
দেশটির বর্তমান মাথাপিছু আয় প্রায় ৫ হাজার ৩০০ ডলার। মুদ্রা হচ্ছে লেক। গ্রিস, মেসিডোনিয়া, কসোভো, মন্টিনিগ্রো ও একপাশে ইতালির আদ্রিয়াটিক সাগর দ্বারা বেষ্টিত। যার আয়তন প্রায় ২৮ হাজার ৭৪৮ বর্গমাইল। দেশটিতে ৭৫% মুসলিম ও ২৫% খ্রিষ্টান রয়েছে। সাংবিধানিক কোন ধর্ম নেই।
ইউরোপের সর্বোচ্চ সম্প্রীতির দেশ। ১৯৯০ সালে আলবেনিয়া ইউরোপের সবচেয়ে গরিব দেশ ছিল। ২০০৮ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে আখ্যায়িত হয়। সোশ্যালিস্ট পার্টির কর্নধার ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এডি রামা ২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। ২০০৪ সালে তিনি বিশ্বের সেরা মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দেশটির মানুষ খুবই অতিথিপয়ারণ। তাই আন্তর্জাতিক পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সেখানে প্রতি বছর প্রায় ৫ মিলিয়নের বেশি পর্যটক বেড়াতে যায়।
যারা কম খরচে ইউরোপে সেটেল্ড হতে চান তাদের জন্য আলবেনিয়া। যে কোন বিদেশি আলবেনিয়ায় ভিসা ও রেসিডেন্স পার্মিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভিসার তেমন কোন জটিলতা নেই। বাংলাদেশে আলবেনিয়ান দূতাবাস নেই। সাধারণত ভিসা নিতে হয় চীন থেকে। আলবেনিয়া যাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রেসিডেন্স পার্মিট দেওয়া হয়। রেসিডেন্স পার্মিট কার্ড পাওয়ার পরই আর কোন ভিসার প্রয়োজন হয় না। রেসিডেন্স পার্মিট কার্ড থাকলেই যে কোন সময় টিকিট কেটে যাতায়াত করা যায়। বিশ্বে আলবেনিয়ান পাসপোর্ট র্যাঙ্ক হলো ৪৭তম। কোন বিদেশি বৈধভাবে ৫ বছর থাকলেই আলবেনিয়ার নাগরিকত্ব ও পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আলবেনিয়ান পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ১১৪টি দেশে ফ্রি অ্যাকসেস করা যায়। কিছু কিছু কারনে বলা যায় আলবেনিয়া আপনার চাকরি বা ব্যবসার জন্য খুবই ভালো হবে। এর কারনগুলো নিম্নরূপঃ
১. বিশ্বে ১৮২টি দেশের মধ্যে ইজি বিজনেস ডুইং কান্ট্রি হিসাবে যার অবস্থান ৬৫তম।
২. ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী দুর্নীতি পরায়ন রাষ্ট্র হিসাবে ১৮০টি দেশের মধ্যে যার অবস্থান ৯১তম।
৩. ইক্যুয়াল ট্যাক্স অপরচুনিটি অর্থাত ফরেন ও আলবেনিয়ানদের জন্য একই ট্যাক্স নীতিমালা।
৪. লিবারেল ও ইনফরমিস্ট বিজনেস ক্লাইমেট।
৫. বিশাল বাজারে মুক্ত প্রবেশাধিকার।
৬. অনুকূল ভৌগলিক অবস্থান।
৭. কম্পিটেটিভ লেবার কস্ট।
৮. ফ্রি ইকোনমিক জোন।
৯. নাগরিকত্বের জন্য আবেদন সহজ।
১০. ইনসেনটিভ অন স্পেসিফিক বিজনেস।
১১. ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট ফ্যাসিলিটিজ।
১২. ডিরেক্ট মালিকানা (কোন অংশদারিত্ব না দিয়ে)।
১৩. পটেনশিয়াল গ্রোইং কান্ট্রি।
১৪. ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ নেওয়া।
১৫. প্রয়োজনীয় প্রাইভেট ল্যান্ড প্রোপার্টি ও ফ্ল্যাট কেনা।
১৬. সহজ ভিসা ও রেসিডেন্স পার্মিট সিস্টেম।
১৭. বিশ্ব সম্প্রীতির দেশ ‘নো কান্ট্রি রিলিজন’।
আমরা তাই মনে করি করোনা ক্রাইসিসের যুগে যেহেতু সব দেশ ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আপনার উচিত হবে আলবেনিয়াতে জব ভিসা নিয়ে ভাগ্য গড়তে এখনই চলে যাওয়া। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা যাই হোক না কেন কোন সমস্যা নেই। ভিসা নেবার জন্য আপনাকে এ্যামবাসিতে দাঁড়াতে হবেনা। চীন থেকে ভিসা হয়ে আসলে তারপর আপনি পেমেন্ট দেবেন। যেহেতু সেনজেন দেশগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে তাই আপনি যদি আলবেনিয়াতে জব ভিসা নিয়ে প্রবেশ করেন তবে খুব সহজে গ্রীসে চলে যেতে পারবেন। তবে আমরা এটা আশাকরি যে, আলবেনিয়াতেই আপনি আপনার বাকি জীবনটা সুখেই কাটাতে পারবেন।

Monday, June 15, 2020

করোনার পরে ইউরোপের ভিসা অফার

মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই ক্রমশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে ইউরোপ। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালির মতো দেশগুলোতে ধীরে ধীরে লকডাউন উঠেছে। ফ্রান্স নিজেকে 'গ্রিন জোন' বলে চিহ্নিত করেছে। করোনাকালে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ নিজেদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে তা-ও ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয়। তবে সোমবার তা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হলো। অর্থাৎ, সীমান্ত পেরনোর সময় আর কোনো বাধার মুখে পড়তে হবে না সাধারণ মানুষকে। গ্রীষ্মকাল শুরু হয়ে গিয়েছে ইউরোপে। এই সময় সব চেয়ে বেশি পর্যটক দেশ বিদেশে বেড়াতে যান। ইতালি, ফ্রান্সের মতো দেশে এই সময়টা অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গ্রীষ্মকালীন পর্যটন ব্যবসায় বিপুল লাভ করে এই দেশগুলো।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, করোনা কালে ইউরোপে অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছিল। সে কথা মাথায় রেখেই আর সময় নষ্ট করা হয়নি। সীমান্ত খুলে দিয়ে পর্যটন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। যাতে দ্রুত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে।কোভিড১৯ এর কারনে আমদের পররাষ্ট্র দফতর, জনশক্তি ও অন্যান্য সরকারী সংস্থাগুলো বন্ধ থাকার কারনে আমরাও ইতিমধ্যে নতুন কোন অফার বা তথ্য আপনাদের দিতে পারিনি। এখনও পর্যন্ত কয়েকটি দেশ ছাড়া আর কোন দেশের ভিসার অফার পাওয়া যায়নি। যে কয়টি দেশের অফার আমরা পেয়েছি সেগুলো হলো রোমানিয়া, তুর্কী ও আলবেনিয়া। এই তিনটি দেশের বেশ কিছু অফার আমাদের হাতে চলে এসেছে। আপনারা জানেন যে ইউরোপে ইতিমধ্যে করোনার প্রকোপ কমে এসেছে এবং সেখানকার বর্ডারগুলো একে একে খুলে যাচ্ছে। ফলে একটি সেনজেন দেশে গেলে আপনি যে কোন সেনজেন দেশে চলে যেতে পারছেন। আর একটি দুঃখজনক হলেও সত্যি বিষয় যে ইউরোপে প্রচুর মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রান হারিয়েছেন। এসব মৃত্যুতে জব সেকটরে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। এই শূন্যতা পূরনে সেসব দেশগুলো সচেষ্ঠ হয়েছে। এর ফলে এই মুহুর্তে ভিসার কঠোরতা তৃতীয় বিশ্বের দেশসমুহে অনেকটা কম কেননা এই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকেই তাদের দেশে প্রচুর কর্মী নিয়োগ হয়ে থাকে।
আমাদের নিকট এই মুহুর্তে আলবেনিয়া ও রোমানিয়ার বেশ কিছু অফার রয়েছে। এই অফারগুলো দেখতে হলে আমাদের ফেসবুক পেজে যেতে হবে। কম খরচে এই সব অফার দেখার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন এবং আমাদের ফেসবুক পেইজে যান। কোন তথ্য জানার থাকলে আমাদের ইনবক্স করুন।

Tuesday, December 24, 2019

ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা এলো

আপনারা জানেন যে ক্রোয়েশিয়া একটি নন সেনজেন দেশ। তারপরও সেখানে জব ভিসা হচ্ছে। এবং আপনারা এও জানেন সম্ভবত যে সেনজেন দেশে ভিসা হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে বর্তমানে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নন সেনজেন দেশগুলোতে জব ভিসার কাজ শুরু করেছি। শুরু করেছি ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা, রোমানিয়া জব ভিসা, সার্বিয়া জব ভিসা ইত্যাদি। বর্তমানে আমাদের হাতে প্রথম সারিতে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা। সাধারন ওয়ার্কার ও ফ্যাকটরি ওয়ার্কার হিসাবে চাকরি হবে। সাধারনতঃ আট ঘন্টা ডিউটি টাইম। এর পর ওভার টাইম করতে পারবেন। বেতন ৬০০০০ টাকা থেকে ৭৫০০০ টাকা। ওভারটাইম এর টাকা আলাদা পাওয়া যাবে। দুই বছরের কন্ট্রাক্ট, এর পর বাড়ানো যাবে। প্রসেসিং সময় ২ থেকে আড়াই মাস। যেহেতু বাংলাদেশে ক্রোয়েশিয়ার কনসুলেট নেই তাই দিল্লী গিয়ে ভিসা নিতে হবে। এজন্য প্রার্থী নিজে গিয়ে ভিসা আনতে হবে। দিল্লী যাবার খরচ, থাকা ও খাওয়া খরচ প্রার্থীকে বহন করতে হবে। টোটাল খরচ হবে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ভিসা ক্লাবের মেম্বারদের জন্য ২০,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট রয়েছে। আমাদের ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে বা লাইক করতে এই লিংকে ক্লিক করুন https://www.facebook.com/visamarketplace/

Sunday, December 01, 2019

গ্রাজুয়েটদের জন্য চীনে ব্যাপক সুজোগ

কথাটা শুনে নাক সিঁটকাবেন না । ফেলেও দেবেন না কথাটা। কারন বর্তমানে এমন একটা দেশ বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানী করতে চাচ্ছে যেটা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। চীন। চীন বা চায়না বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ধরতে যাচ্ছে। কারন তারা দেখছে বাংলাদেশের মানুষ যে ধরনের পরিশ্রমী তা প্রায় চিনা জনগনের সমান। এবং তাদের চাহিদাও বেশী নয়। একজন চীনা দিনে প্রায় নয় ঘন্টা পরিশ্রম করেন। বাংলাদেশের একজন কর্মীর জন্য এটা কোন ব্যপার নয়। বাংলাদেশের একজন কর্মী দিনে প্রায় ৮-৯ ঘন্টা কাজ করতে পারেন। এসকল দিক বিবেচনায় এনে চীন বাংলাদেশের কর্মীদের দিকে নজর দেয় এবং চীনা বৈদেশীক নীতিতে জেড ক্যাটাগরি (Z Catagory) ভিসা প্রবর্তন করে। বাংলাদেশ থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসা দেয়া হচ্ছে। তবে কিছু শর্ত প্রযোজ্য। এসব শর্ত মেনে আপনাকে আবেদন করতে হবে।
১। যারা বাংলাদেশ থেকে চায়নাতে জব ভিসাতে যেতে চান তাদের অবশ্যই গ্রাজুয়েট হতে হবে।
২। ন্যুনতম ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৩। গ্রাজুয়েশন সনদপত্র মন্ত্রনালয় কতৃক সত্যায়িত হতে হবে।
বাংলাদেশে প্রচুর কর্মী থাকার পরও কেবল মাত্র এই তিনটি শর্ত দেয়ার কারনে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে জনশক্তি রপ্তানী থেকে। বাংলাদেশ থেকে যেসব কর্মী বিদেশে চাকরি ভিসা নিতে চান তারা বেশীরভাগই অল্প শিক্ষিত এবং তাদের গ্রাজুয়েশন নেই। 
চীনা সরকার এই বিষয়টি শিথিল করবে না। তাই এখন পর্যন্ত যারা কেবল গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন ২০১৭ সালের আগে কেবল তারাই আবেদন করতে পারবেন আমাদের মাধ্যমে। বেতন হিসাবে প্রাথমিক একটা ধারনা দেয়া যেতে পারে। আপাতত প্রায় বেশীরভাগ চীনা ফ্যাকটরিগুলোতে ৪৫০-৫০০ আমেরিকান ডলার দেবার নিয়ম রয়েছে যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০,০০০ টাকার সমান। এরপর ওভারটাইম কাজ করে আরও ১০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। এছাড়া চীনা কোম্পানীগুলো তাদের থাকার জন্য ডরমেটরি ও খাবার সংস্থান করে দিচ্ছে, ফলে বাংলাদেশের একজন কর্মী সর্বোচ্চ সুবিধা পাচ্ছে। 
এই চাকরি ২ বছরের কন্ট্রাক্টে হবে। এরপর আপনি ইচ্ছে করলে তা বাড়াতে পারবেন ২০ বছর পর্যন্ত। ২ বছর মেয়াদ শেষ হবার পর কোম্পানী আপনাকে দেশে আসার জন্য রিটার্ন এয়ার টিকিট দেবে। তবে এর মধ্যে দেশে আসতে হলে আপনাকে নিজের খরচে আসতে হবে।
VISA24BD.COM এর মাধ্যমে চীনা জব ভিসার জন্য আবেদন করতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেইজে যান এবং এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। অথবা আপনার সিভিটি আমাদের পাঠান এই ইমেইলে admin@visa24bd.com

Saturday, October 26, 2019

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?

স্টুডেন্ট ভিসায় গেলে ইউরোপের কোন দেশে যাবেন?
আমি জার্মানীর কথা বলছিনা কারন সেখানে গেলে আপনার IELTS এ ৬.০ লাগবে। তারপর প্রায় ৮ লাখ টাকা ভিসা পাবার আগেই ব্লক এ্যাকাউন্ট করতে হবে। কোথায় যাবেন? ইউরোপের যে কোন দেশেই এখন IELTS চাইছে। আর IELTS নেই মানে হলো আপনার মিডল ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাছাড়া এখন ক্রোয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা, রোমানিয়া, হাঙেরি ভিসা বেশ স্লো। কেউ বলতে পারছেনা কখন এসব দেশের ভিসা ওপেন হবে। এমনকি সার্বিয়া বন্ধ, মাল্টাও বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে আপনি যদি ইউরোপের কোন দেশে স্টুডেন্ট ভিসা পেতে চান তাহলে কোন দেশ ভালো হবে যেদেশ থেকে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশে ঢুকতে পারবেন? অনেকেই আমাদের এই প্রশ্ন করছেন বিশেষত যারা এই বছর বা গত বছর ইন্টার পাশ করেছেন এবং যাদের IELTS নেই। তাদের জন্য এই রিপোর্টটি লেখা হলো।
যাদের IELTS নেই ও যারা ইউরোপে ঢুকতে চান তাদের সবচেয়ে উপযোগী অফার হলোঃ
কসোভো স্টুডেন্ট ভিসা। কারন কসোভো হলো সেই সকল দেশের অন্যতম যেখানে ইউরো চলে এবং নিজস্ব অর্থ চলে। কসোভো হলো সার্বিয়ার বুকের ভেতর থাকা একটি দেশ যেখান থেকে খুব সহজেই আপনি সার্বিয়া চলে যেতে পারছেন। সার্বিয়া ঢোকা আর রোমানিয়া ঢোকা কোন ব্যপারই নয়। অনেকেই রোমানিয়া যেতে চান কাজের ভিসায়। তাদের জন্য কসোভো বেশ উপকারী। আপনি যদি বুলগেরিয়া যেতে চান তবে এখান থেকে তাও সম্ভব, কারন সার্বিয়ার সাথেই রয়েছে বুলগেরিয়া। আরেকটি বিষয় বলে রাখি বুলগেরিয়ার সাথে সেঁটে আছে গ্রীস। সে যাই হোক এবার আসুন টাকা পয়সা খরচের হিসাবে। আমরা জেনুইনভাবে কসোভোর ভিসা করানোর জন্য বিমানভাড়া ও টিউশন ফি সহ নিচ্ছি ৮ লক্ষ টাকা। আর সবচেয়ে বড়ো ব্যপার যে কসোভো ভিসার জন্য আপনাকে এ্যামবাসি ফেস করতে হবেনা এবং ভিসাও ১০০% নিশ্চিত। কসোভো ভিসার জন্য ঢাকা থেকে ডক্যুমেন্ট পাঠিয়ে এ্যামবাসি কতৃক ভিসা করানোর সুজোগ আছে বলে আপনি বাড়িতে বসে ভিসা নিতে পারছেন। আর যেদিন থেকে কাজ শুরু করলেন সেদিন থেকেই আপনার ট্রাভেল ব্যাগ গুছিয়ে রাখতে পারেন ও সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রাখতে পারেন। কারন কখনই আপনার ভিসা রিফিউজ হবেনা। আমাদের কাছে নিশ্চয়তা বিষয়টি বেশ জটিল ও কঠিন একটি বিষয়। আর আমরা নিশ্চয়তা তখনই দিতে পারি যখন আমাদের কাছে ট্র্যাক রেকর্ড থাকে। কসোভো গেলে আপনি যদি পড়তে চান তবে আপনার জন্য তো টিউশন ফি প্রদান করাই আছে। এমনকি এই টাকার মধ্যে আপনার কিছুদিনের বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা আছে। আপনি যদি পড়তে না চান তবে কোন সমস্যা নেই। আপনি কাজ করতে পারবেন। কাজ করে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তাছাড়া যদি চেক রিপাবলিক, জার্মানী, ফ্রান্স চলে যান তবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করার সুজোগ পাবেন। আর কিভাবে যাবেন? বহু মিডিয়া আছে যারা আপনাকে এই বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত। প্রথম কথা হলো আপনাকে কসোভো ঢুকতে হবে। আর আমরা আপনার জন্য নিরাপদে কসোভো স্টুডেন্ট ভিসার ব্যবস্থা করে দিতে সক্ষম।

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন

এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

আপনাদের মন্তব্যসমূহঃ

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আপনার ইমেইল আইডি লিখে সাবমিট করুন এখানে। নতুন পোস্টের সাথে সাথে ই মেইলে পেয়ে যাবেন সব।

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts