Follow us

শুধুমাত্র আমেরিকা কানাডা ইংল্যান্ড এর স্টুডেন্ট ভিজিট ভিসা
হোয়াটসএ্যাপ করুন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১

Newsletter

আমেরিকার স্টেট ইউনিভার্সিটি, কানাডার নামকরা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।আমেরিকা কানাডা ইউকে ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা 01772369451
Showing posts with label অস্ট্রেলিয়ার ভিসা. Show all posts
Showing posts with label অস্ট্রেলিয়ার ভিসা. Show all posts

Tuesday, January 05, 2016

অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন

অর্থ বিত্ত বৈভব আধুনিকতার ছোঁয়ায় অস্ট্রেলিয়ার জীবনমান অনেক উন্নত। এই দেশে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের অনেকেই স্বপ্ন দেখে। ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।

ইমিগ্রেশনের শর্তাবলী
অস্ট্রেলিয়ায় ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে যেসব শর্তাবলী পূরণ করতে হয় তা হল-
ক) এখানে আর্কিটেক্ট, বায়োলজিস্ট এন্ড সাইনটিস্ট, বিজনেস কনসালটেন্টস এন্ড অ্যানালাইসিস, ডেন্টিস্ট, ফিজিসিয়ান, ফার্মাসিস্ট, সাইকোলজিস্ট, নার্স, সোশ্যাল ওয়ার্কার, রেষ্টুরেন্ট ম্যানেজার এবং চিফ শেফ হিসেবে চাকুরী ও পড়ার জন্য যাওয়া যায়।
খ) বিভিন্ন যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে মোট ১৬০ পয়েন্ট অর্জনের ব্যবস্থা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন  ৬৫ পয়েন্ট অর্জন করলে ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
গ) যোগ্যতা অর্জনের পয়েন্ট নিম্নরুপ
  • ইনভেস্টরের ট্রেড সার্টিফিকেটের পয়েন্ট ৬০।
  • ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সের জন্য ৩০ পয়েন্ট, ৩০ থেকে ৩৪ বছর বয়সের জন্য ২৫ পয়েন্ট, ৩৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সের জন্য ২০ পয়েন্ট, ৪০ থেকে ৪৪ বছর বয়সের জন্য ১৫ পয়েন্ট রয়েছে।
  • ল্যাংগুয়েজ আইইএলটিএস এ ৫.৫ পেলে ২৫ পয়েন্ট অর্জন করা যায়।
  • স্টেট/টেরিটোরি স্পনসরশীপের পয়েন্ট ১০।
  • রিজিওনাল স্টাডি ৫ পয়েন্ট।
  • স্পাউস স্কিলস (পেশাগত/অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানগত) ৫ পয়েন্ট।
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে ডক্টরেট ডিগ্রীর জন্য ২৫ পয়েন্ট, মাস্টার ডিগ্রীর জন্য ১৫ পয়েন্ট, সেকেন্ড ক্লাস ওনারের জন্য ১৫ পয়েন্ট এবং আন্ডার গ্রাজুয়েশন ডিগ্রীর জন্য ১৫ পয়েন্ট রয়েছে।
ঘ) আবেদনকারীর ইংরেজী ভাষায় পুরোপুরি দক্ষতা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে পেশাজীবীদের আইইএলটিএস – এ সর্বনিম্ন ৫.৫ পেতে হবে।
ঙ) স্টুডেন্টদের ইমিগ্রেশন করতে কোন পয়েন্ট এর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র আইইএলটিএস – এ সর্বনিম্ন ৫.৫ পেতে হয়। বাবা বা নিকট আত্নীয়ের ব্যাংক একাউন্টে ৩০,০০,০০০ (ত্রিশ লক্ষ) টাকা দেখাতে হয়।
চ) দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ইন্টারভিউ নেয়া প্রয়োজন কেবল তখনই ইন্টারভিউর জন্য ভিসা আবেদনকারীকে ডাকা হয়। ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে ভিসার ইন্টারভিউ  অনুষ্ঠিত হয়।
ছ) সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করে পেশাজীবীদের ভিসা পেতে সময় লাগে প্রায় ৬ থেকে ১২ মাস এবং স্টুডেন্টের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ভিসা পাওয়া যায়।
জ) ভিসা আবেদন রিফিউজ হলে আপিল করার ব্যবস্থা রয়েছে। সেক্ষেত্রে একজন আইনজীবির মাধ্যমে পুনরায় আবেদন করা যায়।

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন সেগুলো হলো 
  • একাডেমিক সার্টিফিকেট
  • ৫ বছরের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট
  • ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট (বিবাহত হলে)
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
  • পাসপোর্টের প্রথম ৬ পাতার ফটোকপি
  • জন্ম সনদ পত্র
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট
  • ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট
  • ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবাসয়ী হলে)
  • ইনকাম ট্যাক্স স্টেটমেন্ট (চাকুরী/ ব্যবসায়ী হলে)

অফিসের সময়সূচী
শুক্রবার ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকী পাঁচদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দূতাবাস অফিস খোলা থাকে। তবে দুপুরের বিরতি ১২.৩০ থেকে ১.০০ টা পর্যন্ত।

যোগাযোগ
অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন,
১৮৪ গুলশান নর্থ এভিনিউ, গুলশান-২
ঢাকা-১২১২।
ফোন:  ৮৮১৩১০৫
ওয়েব সাইট:  http://bangladesh.embassy.gov.au

Friday, January 01, 2016

অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা কিভাবে?

অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে ভিএফএস সেন্টারে।

ঠিকানা:
ডেল্টা লাইফ টাওয়ার, ৫ম তলা, প্লট: ৩৭, সড়ক: ৯০, নর্থ এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা- ১২১২।

ই-মেইল:

হেল্প লাইন:
+ 88 02 9895894 (রবি থেকে বৃহস্পতি সকাল ৮:৩০ টা থেকে দুপুর ২ টা এবং বিকাল ৩ টা থেকে বিকাল ৪টা।

অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন এন্ড বর্ডার প্রটেকশন এর বাংলাদেশ অফিসটি রয়েছে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলীয় হাই কমিশন অফিস প্রাঙ্গণে।

ঠিকানা:
১৮৪, গুলশান এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা-১২১২।
হেল্প লাইন: +8802 8813105 এক্সটেনশন 452 (রবি- থেকে বৃহস্পতি, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা)

ক্লায়েন্ট আওয়ার হল সকাল ৮:৩০ টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত, ওয়েবসাইট থেকে এপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে যেতে হবে।

নিয়মকানুন:
  • সর্বশেষ ফরম্যাটের 157A ফরমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
  • স্টুডেন্ট ভিসার সাক্ষাতকারের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন থেকে যোগাযোগ করা হবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র নিয়ে যেতে হবে।
  • কেবল পূর্ণকালীন কোর্সের জন্য ভিসা দেয়া হয়। খন্ডকালীন কোর্সের জন্য ভিসা দেয়া হয় না।
  • ১৯৬৭ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে কাজ করছে কেবল এমন ব্যাংকের আমানত গ্রহণ করা হয়।
  • কোন এজেন্সির সাথে বিশেষ কোন চুক্তি নেই অস্ট্রেলিয়া সরকারের। কাজেই আবেদনপত্র নিজে জমা দেয়া বা ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে যেভাবেই জমা দেয়া হোক না কোন একইভাবে সেগুলোর মূল্যায়ন করা হয়।
  • ভিসা আবেদনের আগেই অস্ট্রেলীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করা হয়। তবে কোন অস্ট্রেলীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়াটাই ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না। অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হয়।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া এবং টিউশন ফি দেয়ার প্রক্রিয়ায় অস্ট্রেলীয় সরকারের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিজ দায়িত্বে ভর্তি ফি ফেরত নিতে হবে।
  • www.oanda.com সাইটটি থেকে মুদ্রা বিনিময়ে হারের (দুই দিনের বেশি পুরনো নয়) প্রিন্ট আউট দিতে হবে।

ভিসা ফি
ভিসা ক্যাটাগরি
অস্ট্রেলীয় ডলারে
বাংলাদেশি টাকায়
শিক্ষার্থী
৫৩৫
৪০৭৮০
স্টুডেন্ট এডিশনাল এ্যাপ্লিক্যান্ট চার্জ ১৮+
৪০৫
৩০৮৭০
স্টুডেন্ট এডিশনাল এ্যাপ্লিক্যান্ট চার্জ অনূর্ধ্ব
১৩৫
১০২৯০

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বা ব্র্যাক ব্যাংকে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারে ভিসা ফি জমা দেয়া যায়। ব্যাংক ড্রাফট মাশুল ৩০০ টাকা। ভিএফএস সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কাউন্টারও আছে। ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ভিসা ফি ফেরত দেয়া হয় না।

ভিসা আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি,
  • কোন কাগজ ইংরেজিতে না হলে সেটা সার্টিফাইড অনুবাদ যুক্ত করতে হবে,
  • কোন কাগজের মূলকপি চাওয়া হলে আলাদা খামে ভরে দিতে হবে,
  • বর্তমান এবং আগের পাসপোর্টের ব্যবহৃত পাতাগুলোর নোটারাইজড কপি (ভিএফএস অফিসে পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত করা যায়),
  • ছয় মাসের বেশি পুরনো নয় এমন চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি,
  • জন্মসনদের সত্যায়িত কপি,
  • সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনুমতি সংক্রান্ত চিঠি বা তার সত্যায়িত কপি (এটি ফেরত দেয়া হবে না),
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্ম-অভিজ্ঞতার সনদের সত্যায়িত কপি,
  • অস্ট্রেলিয়া পড়তে যাওয়ার কারণ উল্লেখ করে দেয়া বিবৃতি যেখানে সংশ্লিষ্ট কোর্সের মাধ্যমে আবেদনকারী কিভাবে উপকৃত হবে তার ব্যাখ্যা থাকবে,
  • স্পন্সরের সাথে আবেদনকারীর সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্ম-সনদ, পাসপোর্ট, কিংবা স্কুলের কাগজপত্রের ফটোকপি,
  • পূরণকৃত ফাইন্যান্সিয়াল গ্যারান্টি ফর্ম,
  • সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করার ইতিহাস থাকলে সেখানে কাজের রেকর্ড এবং ছাড়পত্রের ফটোকপি,
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (১২ মাসের বেশি পুরনো নয়), যে সার্টিফিকেটের মাধ্যমে বোঝা যায় আপনি কোন ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ছিলেন কিনা বা আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা আছে কিনা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী, সন্তানদের  সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ ইত্যাদির কপি দিতে হবে,
  • স্বামী-স্ত্রী কেউ মারা গিয়ে থাকলে বা বিচ্ছেদ হয়ে থাকলে প্রমাণ হিসেবে মৃত্যুসনদ বা বিচ্ছেদসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে হবে,
  • ১৮ বছরের কম বয়সীরা অস্ট্রেলিয়া গিয়ে যার সাথে থাকবে তার সাথে সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

আবেদন নিষ্পত্তি:
AL3 এবং AL4 আবেদন নিষ্পত্তিতে মোটামুটিভাবে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ লাগে। আর ALX আবেদন নিষ্পত্তিতে ৩০ কর্মদিবস প্রয়োজন হয়।


স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পর পাসপোর্ট নবায়ন করে নেয়া যাবে।

অস্ট্রেলিয়ার রেসিডেন্স ভিসা হবে কিভাবে?

অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন এমন লোকেদের সেখানে অস্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়া হয় আর এজন্য দেয়া হয় অস্থায়ী বসবাস ভিসা বা Temporary residence visa। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার কোন প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরশীপের প্রয়োজন হয় যাতে অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অফ ইমিগ্রেশন এন্ড বর্ডার প্রোটেকশন (DIBP) এর অনুমোদন থাকতে হয় আর এসব করতে হয় ভিসা আবেদন করার আগেই। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন পেশার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা নিতে হয়। ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে লং স্টে ভিসার আবেদন অনলাইনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েও করা যায়।

ভিসা ফি
ভিসার ধরন
ভিসা ফি (অস্ট্রেলীয় ডলারে)‌
ভিসা ফি (বাংলাদেশী টাকায়
অস্থায়ী কাজ –সাবক্লাস ৪০১
৩৬০
২৭৪৪০
অস্থায়ী কাজ- অতিরিক্ত আবেদনকারীর জন্য (১৮+)
৩৬০
২৭৪৪০
অস্থায়ী কাজ- অতিরিক্ত আবেদনকারীর জন্য (অনূর্ধ্ব ১৮)
৯০
৬৮৬০
অস্থায়ী কাজ –সাবক্লাস ৪০২
৩৬০
২৭৪৪০
অস্থায়ী কাজ- অতিরিক্ত আবেদনকারীর জন্য (১৮+)
১৮০
১৩৭২০
অস্থায়ী কাজ- অতিরিক্ত আবেদনকারীর জন্য (অনূর্ধ্ব ১৮)
৯০
৬৮৬০
অস্থায়ী কাজ –সাবক্লাস ৪০৩
৩৬০
২৭৪৪০

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বা ব্র্যাক ব্যাংকে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারে ভিসা ফি জমা দেয়া যায়। ব্যাংক ড্রাফট মাশুল ৩০০ টাকা। ভিএফএস সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কাউন্টারও আছে। ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ভিসা ফি ফেরত দেয়া হয় না।



পূর্বশর্ত:
অস্ট্রেলিয়ায় অস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দাদের সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। অস্ট্রেলীয় মূল্যবোধকে সম্মান জানাবে এই মর্মে একটি ঘোষণাপত্রে সাক্ষর করতে হয় ১৮ বা ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের। ব্যক্তিস্বাধীনতা, আইন ও সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য, নারী-পুরুষ সমতা, সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন, দরিদ্রদের প্রতি সহানুভূতি, জনস্বার্থে কাজ করা ইত্যাদিই অস্ট্রেলীয় মূল্যবোধ। এছাড়া জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে কাজের সমান সুযোগ দেয়াটাও অস্ট্রেলীয় মূল্যবোধের অংশ। আর অস্ট্রেলিয়ার ভাষা হচ্ছে ইংরেজি তাই সেটা জানতেই হবে।

অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে ভিএফএস সেন্টারে।

ঠিকানা:
ডেল্টা লাইফ টাওয়ার, ৫ম তলা, প্লট: ৩৭, সড়ক: ৯০, নর্থ এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা- ১২১২।

ই-মেইল:

হেল্প লাইন:
+ 88 02 9895894 (রবি থেকে বৃহস্পতি সকাল ৮:৩০ টা থেকে দুপুর ২ টা এবং বিকাল ৩ টা থেকে বিকাল ৪টা।

অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন এন্ড বর্ডার প্রটেকশন এর বাংলাদেশ অফিসটি রয়েছে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলীয় হাই কমিশন অফিস প্রাঙ্গণে।

ঠিকানা:
১৮৪, গুলশান এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা-১২১২।
হেল্প লাইন: +8802 8813105 এক্সটেনশন 452 (রবি- থেকে বৃহস্পতি, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা)

ক্লায়েন্ট আওয়ার হল সকাল ৮:৩০ টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত, ওয়েবসাইট থেকে এপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে যেতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসার যাবতীয় তথ্য

ছুটি কাটানো, বেড়ানো কিংবা আত্নীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা করতে অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আবার কাজ বা চাকরি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে তিন মাসের কম সময়ের জন্য অস্ট্রেলিয়া যেতেও ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। তিন মাসের কম সময়ের কোন কোর্স করতেও ভিজিটর ভিসায় অস্ট্রেলিয়া যাওয়া যায়।

যারা ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে:
  • যেকোনো পাসপোর্টধারী অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। আবার অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিটর ভিসায় অবস্থানকারীরা আরও বেশি সময়ে অস্ট্রেলিয়া থাকতে চাইলে পুনরায় ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
  • অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে এধরনের ভিসা আবেদন জমা দিতে হয় এবং আবেদনকারী অস্ট্রেলিয়ার বাইরে অবস্থানকালেই কেবল ভিসা দেয়া হয়।
  • অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বা অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের মা-বাবাদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে ভিএফএস সেন্টারে।

ঠিকানা:
ডেল্টা লাইফ টাওয়ার, ৫ম তলা, প্লট: ৩৭, সড়ক: ৯০, নর্থ এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা- ১২১২।

ই-মেইল:

হেল্প লাইন:
+ 88 02 9895894 (রবি থেকে বৃহস্পতি সকাল ৮:৩০ টা থেকে দুপুর ২ টা এবং বিকাল ৩ টা থেকে বিকাল ৪টা।

অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন এন্ড বর্ডার প্রটেকশন এর বাংলাদেশ অফিসটি রয়েছে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলীয় হাই কমিশন অফিস প্রাঙ্গণে।

ঠিকানা:
১৮৪, গুলশান এভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা-১২১২।
হেল্প লাইন: +8802 8813105 এক্সটেনশন 452 (রবি- থেকে বৃহস্পতি, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা)

ক্লায়েন্ট আওয়ার হল সকাল ৮:৩০ টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত, ওয়েবসাইট থেকে এপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে যেতে হবে।


ট্যুরিস্ট স্ট্রিম (সাবক্লাস ৬০০)
ছুটি কাটানো, বেড়ানো কিংবা আত্নীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা করতে অস্ট্রেলিয়া যেতে ট্যুরিস্ট স্ট্রিমের আওতায় আবেদন করতে হবে। ব্যবসায়িক বা চিকিৎসা সংক্রান্ত উদ্দেশ্যে যেতে হলে এ পদ্ধতিতে ভিসার আবেদন করা যাবে না।

অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে যারা অস্ট্রেলিয়া যাবেন তাদের অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকেই ভিসার আবেদন করতে হবে আর যারা অস্ট্রেলিয়ায় আছেন এবং অবস্থানের সময় বাড়িয়ে নিতে চাইছেন তাদের অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে।

বিজনেস ভিজিটর স্ট্রিম (সাবক্লাস ৬০০)
ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া যেতে বিজনেস ভিজিটর স্ট্রিমের আওতায় আবেদন করতে হবে। সাধারণ ব্যবসায়িক কাজ ছাড়াও ব্যবসায়িক আলাপ আলোচনা বা কনফারেন্সের জন্য বিজনেস ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।

পুনরায় অস্ট্রেলিয়া যেতে কিংবা দীর্ঘ সময় থাকতে
অস্ট্রেলিয়ায় ভ্রমণ বা পরিবারের সদস্য ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা করতে ভিজিটর ভিসা দেয়া হয়। দীর্ঘসময় অবস্থানের জন্য এ ধরনের ভিসা দেয়া হয় না। ভবিষ্যতে আবার ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে চাইল তাকে অবশ্যই লম্বা একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কাটাতে হবে। অস্ট্রেলিয়া গিয়ে দীর্ঘ সময় থাকার প্রয়োজন হলে অন্য ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

ভিজিটর ভিসার আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় এক বা একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যাবে। সাধারণভাবে ভিসার মেয়াদ তিন মাস অর্থাৎ মোট তিন মাস অবস্থান করা যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। তবে ছয় মাস বা একবছর মেয়াদী ভিসাও দেয়া হয়। ভিসার মেয়াদ কতটা হবে এবং আবেদনকারী কয়বার প্রবেশের অনুমতি পাবেন সেটা আবেদনকারীর ব্যক্তিগত চাহিদা বা অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

ভিসা ফি
ভিসা ক্যাটাগরি
ভিসা ফি (অস্ট্রেলিয়ান ডলারে)‌
ভিসা ফি (বাংলাদেশী টাকায়)
ট্যুরিস্ট স্ট্রিম
১৩০
৯৯১০
বিজনেস ভিজিটর স্ট্রিম
১৩০
৯৯১০

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বা ব্র্যাক ব্যাংকে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকায় অস্ট্রেলিয়ান ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারে ভিসা ফি জমা দেয়া যায়। ব্যাংক ড্রাফট মাশুল ৩০০ টাকা। ভিএফএস সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কাউন্টারও আছে। ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলেও ভিসা ফি ফেরত দেয়া হয় না।

আবেদনপত্রের সাথে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
আবেদনপত্রের সাথে সর্টিফাইড কপি জমা দিলেই চলবে। কোন কাগজের মূল-কপি জমা দেয়ার প্রয়োজন নেই। মূল-কপি প্রয়োজন হলে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হবে। কোন কাগজ ইংরেজিতে না থাকলে সেটার যথাযথ ইংরেজি অনুবাদও জমা দিতে হবে। ভিসা আবেদনের সাথে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেয়া হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ভিসা আবেদন বিবেচনার জন্য আরও তথ্য চাওয়া হতে পারে।

  • বর্তমান এবং আগের পাসপোর্টের (যদি থাকে) সত্যায়িত কপি প্রয়োজন হবে। নোটারী পাবলিকের মাধ্যম সত্যায়ন করতে হবে। ভিএফএস অফিস থেকেও মূল পাসপোর্ট দেখিয়ে সত্যায়ন করে নেয়া যায়।
  • জন্মসনদের সত্যায়িত কপি লাগবে। জন্মসনদে বাবা-মা উভয়ের নাম উল্লেখ থাকতে হবে।
  • পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক (৪৫ মিলিমিটার × ৩৫ মিলিমিটার) ছবি, ছয় মাসের বেশি পুরনো নয়।


১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য
অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদনের জন্য অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন হবে। যদি বাবা কিংবা মা উভয়ে বা তাদের কোন একজন শিশুর সাথে ভ্রমণ না করেন তবে তাদের লিখিত অনুমতিপত্র দেখাতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ফরম ব্যবহার করতে হবে। অভিভাবকের পরিচিতির প্রমাণ হিসবে তাদের পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি দিতে হবে।

১৮ বছরের কম বয়সীরা অভিভাবক ছাড়া অস্ট্রেলিয়া গেলে যার কাছে থাকবে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় তার দায়িত্ব নেবেন এটা নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে জানাতে হবে।

অন্যান্য কাগজপত্র
  • অস্ট্রেলিয়া যেতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে,
  • যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হচ্ছে তার স্বপক্ষে প্রমাণ দেখাতে হবে,
  • কোন সংস্থার আমন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া গেলে সে আমন্ত্রণপত্র,
  • কনফারেন্সে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়া গেল রেজিস্ট্রেশনের বিস্তারিত,
  • অফিসিয়াল কারণে যেতে হলে চাকুরিদাতার তরফে লেখা চিঠি যেখানে ভ্রমণের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হবে;
  • ভ্রমণের বিস্তারিত এবং যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জড়িত তাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা,
  • শিক্ষাগত এবং পেশাগত যোগ্যতার স্বপক্ষে কাগজপত্র,
  • বর্তমান চাকরি এবং অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের বিস্তারিত পরিকল্পনা, ইত্যাদি।

অন্যান্য তথ্য
  • সাধারণত আবেদন নিষ্পত্তিতে ৩০ দিন লাগে। তবে স্বাস্থ্যপরীক্ষা বা অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হলে সময় বেশি লাগতে পারে।
  • ট্যুরিস্ট স্ট্রিম ভিসা আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করা যাবে এই লিংক থেকে: http://www.immi.gov.au/allforms/pdf/1419.pdf
  • বিজনেস ভিজিটর স্ট্রিম ভিসা আবেদন ফরমটি ডাউন লোড করা যাবে এই লিংক থেকে:http://www.immi.gov.au/allforms/pdf/1415.pdf

অস্ট্রেলিয়ার ভিসার কাগজপত্র

অস্ট্রেলিয়ার জীবনমান অনেক উন্নত। এই দেশে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের অনেকেই স্বপ্ন দেখে। ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।
ইমিগ্রেশনের শর্তাবলী
অস্ট্রেলিয়ায় ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে যেসব শর্তাবলী পূরণ করতে হয় তা হলো
ক) এখানে আর্কিটেক্ট, বায়োলজিস্ট এন্ড সাইনটিস্ট, বিজনেস কনসালটেন্টস এন্ড অ্যানালাইসিস,
ডেন্টিস্ট, ফিজিসিয়ান, ফার্মাসিস্ট, সাইকোলজিস্ট, নার্স, সোশ্যাল ওয়ার্কার, রেষ্টুরেন্ট ম্যানেজার
এবং চিফ শেফ হিসেবে চাকুরী ও পড়ার জন্য যাওয়া যায়।
খ) বিভিন্ন যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে মোট ১৬০ পয়েন্ট অর্জনের ব্যবস্থা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিু
৬৫ পয়েন্ট অর্জন করলে ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
গ) যোগ্যতা অর্জনের পয়েন্ট নিুরুপ
ইনভেস্টরের ট্রেড সার্টিফিকেটের পয়েন্ট ৬০।
১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সের জন্য ৩০ পয়েন্ট, ৩০ থেকে ৩৪ বছর বয়সের জন্য ২৫ পয়েন্ট, ৩৫
থেকে ৩৯ বছর বয়সের জন্য ২০ পয়েন্ট, ৪০ থেকে ৪৪ বছর বয়সের জন্য ১৫ পয়েন্ট রয়েছে।
ল্যাংগুয়েজ আইইএলটিএস এ ৫.৫ পেলে ২৫ পয়েন্ট অর্জন করা যায়।
স্টেট/টেরিটোরি ¯পনসরশীপের পয়েন্ট ১০।
রিজিওনাল স্টাডি ৫ পয়েন্ট।
¯পাউস স্কিলস (পেশাগত/অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানগত)৫ পয়েন্ট।
শিক্ষা ক্ষেত্রে ডক্টরেট ডিগ্রীর জন্য ২৫ পয়েন্ট, মাস্টার ডিগ্রীর জন্য ১৫ পয়েন্ট, সেকেন্ড ক্লাস ওনারের
জন্য ১৫ পয়েন্ট এবং আন্ডার গ্রাজুয়েশন ডিগ্রীর জন্য ১৫ পয়েন্ট রয়েছে।
ঘ) আবেদনকারীর ইংরেজী ভাষায় পুরোপুরি দক্ষতা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে পেশাজীবীদের
আইইএলটিএস – এ সর্বনিু ৫.৫ পেতে হবে।
ঙ) স্টুডেন্টদের ইমিগ্রেশন করতে কোন পয়েন্ট এর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র আইইএলটিএস – এ
সর্বনিু ৫.৫ পেতে হয়। বাবা বা নিকট আতœীয়ের ব্যাংক একাউন্টে ৩০,০০,০০০ (ত্রিশ লক্ষ) টাকা
দেখাতে হয়।
চ) দূতাবাস কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে ইন্টারভিউ নেয়া প্রয়োজন কেবল তখনই ইন্টারভিউর জন্য ভিসা
আবেদনকারীকে ডাকা হয়। ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে ভিসার ইন্টারভিউ  অনুষ্ঠিত হয়।
ছ) স¤পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করে পেশাজীবীদের ভিসা পেতে সময় লাগে প্রায় ৬ থেকে ১২ মাস এবং
স্টুডেন্টের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ভিসা পাওয়া যায়।
জ) ভিসা আবেদন রিফিউজ হলে আপিল করার ব্যবস্থা রয়েছে। সেক্ষেত্রে একজন আইনজীবির
মাধ্যমে পুনরায় আবেদন করা যায়।
যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন সেগুলো হলো
একাডেমিক সার্টিফিকেট।
৫ বছরের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট
৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
ম্যারেজ সার্টিফিকেট (বিবাহত হলে)
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
পাসপোর্টের প্রথম ৬ পাতার ফটোকপি
জন্ম সনদ পত্র
মেডিকেল সার্টিফিকেট
ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট
ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবাসয়ী হলে)
ইনকাম ট্যাক্স স্টেটমেন্ট (চাকুরী/ ব্যবসায়ী হলে)
অফিসের সময়সূচী
শুক্রবার ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকী পাঁচদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দূতাবাস
অফিস খোলা থাকে। তবে দুপুরের বিরতি ১২.৩০ থেকে ১.০০ টা পর্যন্ত।
যোগাযোগ
অস্ট্রেলিয়া হাই কমিশন, ১৮৪ গুলশান নর্থ এভিনিউ, ঢাকা-১২১২। ফোন নম্বর ৮৮১৩১০৫ এবং

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)


এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন



এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----সার্বিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----সার্বিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts

Sample Text

Facebook

Labels