Follow us

শুধুমাত্র আমেরিকা কানাডা ইংল্যান্ড এর স্টুডেন্ট ভিজিট ভিসা
হোয়াটসএ্যাপ করুন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১

Newsletter

আমেরিকার স্টেট ইউনিভার্সিটি, কানাডার নামকরা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।আমেরিকা কানাডা ইউকে ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা 01772369451
Showing posts with label ভিসা. Show all posts
Showing posts with label ভিসা. Show all posts

Friday, January 25, 2019

দেখে নিন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি জাল কিনা

আপনি জানেন যে বিদেশ যেতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। এটা ছাড়া আপনার পেপার অনেক দেশের এ্যামবাসি জমা নিতে চাইবেনা। বিশেষ করে কানাডা এ্যামবাসি তো পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি ভিসা দিলেও রেখে দেবে না দিলেও রেখে দেবে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য। তবে বর্তমানে এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়ে হয়রানি হচ্ছে বহু মানুষ। আবার ভুয়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েও মানুষের মনে তৈরী হয়েছে ভিন্ন ধারনা।  পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল চক্রের বেশ কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করায় সেবা প্রত্যাশীদের অনেকে মনে সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। বিদেশ যেতে হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর দরকার হয়। আর জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশ গেলে পড়তে হবে বিপদে। তাহলে কি করবেন? প্রশ্নকে সহজ করে উত্তরে বলা যায় দরকার সচেতনতা আর কিছু সহজ টেকনিক। আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল না আসল তা পরীক্ষা করে নেয়াটা এখন অনেক সহজ। কিভাবে দেখবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আসল না নকল? পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নকল রোধ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ রেফারেন্স নাম্বারসহ বারকোড সিস্টেম চালু করেছে। আপনি যখন অনলাইনে বা ম্যানুয়ালী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করবেন থানা পুলিশ আপনার দেওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।
আপনার নামে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে রেফারেন্স নাম্বারসহ একটি QR কোড জেনারেট হবে। এই রেফারেন্স নাম্বার ও QR কোডের মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করা যাবে। বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন QR কোড থাকবে। কিন্তু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট একটু আলাদা। কেননা প্রতারকচক্র একটি QR কোড ব্যবহার করেই একাধিক জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী করে বিধায় যাচাই করলে একই নাম ঠিকানা আসবে। একই নাম ঠিকানা আসলেও তা পুলিশের অফিসিয়াল লিংক শো করবেনা। বিষয়টি আরো বোধগম্য করা যাক। আপনি ঘরে বসে আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনের মাধ্যমে আপনার গ্রহনকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল কিনা দুইভাবে যাচাই করতে পারেন।
প্রথমত, রেফারেন্স নাম্বার এর মাধ্যমে-
১। Google এ প্রবেশ করে Address Bar এ www.police.gov.bd লিংকটি লিখতে হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইটের লিংক।
২। পুলিশের অফিসিয়াল সাইটটি ওপেন হলে তার ডানপাশে মাঝামাঝি Online Police Clearance লেখা অপশন এ ক্লিক করতে হবে।
৩। Online Police Clearance Certificate লেখা স্ক্রীন দেখা যাবে।
৪। এরপর মেন্যু বারের Search অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৫। Ref No বক্সে নাম্বারটি লিখে View certificate তে ক্লিক করলে স্ক্রীনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখা যাবে।
৬। স্ক্রীনে প্রদর্শিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের নাম-ঠিকানা আর আপনার হাতে থাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর নাম ঠিকানা একই হলে বুঝবেন সার্টিফিকেটটি আসল।
দ্বিতীয়ত, QR কোড স্ক্যান করে-
১। আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনে Google Playstore হতে QR কোড স্ক্যানার সফটওয়ার ডাউনলোড করুন।
২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে QR কোড চিহ্নটি আপনার সেল ফোনে ডাউনলোডকৃত QR কোড স্ক্যানার মাধ্যমে স্ক্যান করুন।
৩। স্ক্যান শেষ হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে সেল ফোনের স্ক্রীনে একটি URL Address দেখা যাবে। যে URL Address টি শুরু হবে www.pcc.police.gov.bd/…… এই Official Link দিয়ে। সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি ঐ URL Address টি দেখা না গিয়ে শুধু নাম ঠিকানা আসে তবে বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি আসল নয়।
কোন কোন বারকোড স্ক্যানার সফটওয়ার সরাসরি Official URL Link টি না দেখিয়ে একটি web search option দেখায়। সেক্ষেত্রে Web search এ ক্লিক করলে official Link টি দেখা যাবে এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবহু দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি নকল।
৪। আর যদি দেখা যায় সার্টিফিকেটে কোন QR কোড নেই তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় তা ভুয়া।
তাছাড়া দৃশ্যমান বিষয়সমূহ:
১। সার্টিফিকেটে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ থানার গোল সীল থাকবে।
২। পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার এর কাউন্টার স্বাক্ষর থাকবে।
৩। সার্টিফিকেটের পেছনের পাতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি (কনস্যুলার) এর স্বাক্ষরসহ গোল সীল থাকবে। ‍উক্ত গোল সীলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে।

Wednesday, May 16, 2018

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপে ক্যাশ ব্যাক অফার

আপনারা জানেন যে বাংলাদেশ থেকে যারা বিদেশে যেতে চায় তাদের বিপুল পরিমান চাপ সামলাতে আমাদের একটি ক্লাব চালু আছে, যার নাম ভিসা ক্লাব। এবং এও জানেন যে আপনি যদি কোন দেশের ভিসা পেতে আমাদের সাহায্য চান বা তথ্য সহযোগিতা চান আপনাকে অবশ্যই আমাদের এই ক্লাবের মেম্বার হয়ে তারপর ভিসার আবেদন করতে হবে বা তথ্য সহযোগিতা চাইতে হবে। এই ক্লাবের সদস্যপদের খরচ ষান্মাষিক ৩০০ টাকা ও বাৎসরিক ৪০০ টাকা। এই সময়ের মধ্যে আপনি যতোবার ইচ্ছে যে কোন দেশের জন্য ভিসার আবেদন করতে পারেন। ভিসা ক্লাবের মেম্বার হলে আপনি যা পাবেন তা হলোঃ
১। কোন টাকা অগ্রিম প্রদান না করেই ভিসা প্রসেসিং শুরু করা।
২। যে কোন দেশের যে কোন ভিসার তথ্য সংবাদ।
৩। ভিসা হলে সমগ্র ভিসা খরচের ওপর ডিসকাউন্ট।
৪। বিমান টিকিটে ডিসকাউন্ট (যারা শুধুমাত্র আমাদের ভেরিফায়েড সরকারী রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেস করবেন।)
৫। বিদেশে অবস্থানকালে যে কোন সমস্যায় আমাদের মেম্বার থাকাকালীন বাংলাদেশের কনসুলেটের মাধ্যমে সহায়তা।

ভিসা ক্লাবে যোগদানের জন্য আমাদের যে ফি রয়েছে তার ওপর গোটা রমজান মাসে আপনি পাচ্ছেন ১০% ক্যাশ ব্যাক অফার। অর্থাৎ আপনি যদি ভিসা ক্লাবের ছয়মাসের জন্য ৩০০ টাকা বিকাশ করেন তবে তাৎক্ষনিক ৩০ টাকা ক্যাশ ব্যাক পাবেন। এক বছরের ৪০০ টাকা বিকাশ করলে ক্যাশ ব্যাক পাবেন ৪০ টাকা। আপনি যদি কোন এজেন্টের পার্সোানাল বিকাশ নাম্বার থেকে আমাদের টাকা পাঠান তবে তার নিকট থেকে উক্ত টাকা চেয়ে নিন কারন আমাদের টাকা পেমেন্ট করতে তার কোন টাকা কাটেনি এবং সে এই পরিমান টাকা ক্যাশ ব্যাক পেয়েছে।

১০% ক্যাশ ব্যাক পাবার জন্য রমজান মাসে আপনার নিজের পার্সোনাল বিকাশ বা এজেন্টের পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার থেকে আমাদের 01749260935 মার্চেন্ট নাম্বারে কেবলমাত্র বিকাশ মেনু ৩ চেপে PAYMENT সিলেক্ট করুন এরপর REFERENCE এ ২ ও COUNTER NO এ ৪ দিয়ে টাকা পাঠিয়ে দিন। তাৎক্ষনিক আপনি বিকাশ অফিস থেকে ১০% ক্যাশ ব্যাক পেয়ে যাবেন। আমাদের উক্ত বিকাশ নাম্বারে সেন্ড মানি বা এজেন্ট নাম্বার থেকে কোন টাকা পাঠানো যায়না। টাকা পাঠাবার জন্য ও ক্যাশ ব্যাক পেতে কেবলমাত্র বিকাশ মেনু ৩ চেপে PAYMENT সিলেক্ট করতে হবে।
মেম্বার হতে চাইলে নিচের ভিসা ক্লাবের মেম্বার হোন বাটনে ক্লিক করে ফর্ম পুরন করে পেমেন্ট করুন। এই অফার ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে।


Tuesday, January 02, 2018

ভিসার আগে জেনে নিন

বাংলাদেশের বহু অঞ্চল থেকে আমাদের কাছে ফোন করে আপনারা বিভিন্ন তথ্য জানতে চান এবং ভিসা সংক্রান্ত ব্যপারে আমাদের সহায়তা চান। যেহেতু VISASFORYOU সৃষ্টি হয়েছে কোন প্রকার লাভ ছাড়াই আপনাকে সহায়তা করার জন্য এবং আমরা কয়েকজন ব্লগার মিলেই এই সাইট এবং প্রতিষ্ঠানটি চালাই তাই আমাদের সহায়তা করাও আপনাদের প্রয়োজন। নিচে যে সকল ভিসার কপি আপনারা দেখেছেন তা আমরা আমাদের বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে পেয়েছি এবং এরা সকলে আমাদের ভিসা ক্লাবের সদস্য। আপনার যদি বিদেশে চাকরি, ভ্রমন, ইমিগ্রেশন, পড়াশোনা ইত্যাদি ব্যপারে আমাদের সাহায্য চান তবে কয়েকটা বিষয় আপনাকে স্মরন রাখতে হবে।
১। আমরা যা কিছু করি তা আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টের সাহায্য নিয়ে করে থাকি। এসব এজেন্ট একেবারে ধোয়া তুলসিপাতা তা বলবোনা কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে ও রাষ্টীয় বিধিমালায় এই ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে যে সকল কাগজপত্র ও লাইসেন্স প্রয়োজন হয় তা এদের আছে। অভিজ্ঞতা আছে। সততা আছে। সর্বপরি এরা ভিসা অর্জনের ব্যপারে পরিক্ষীত। এদের অফিস আছে, এদের ট্রেড লাইসেন্স আছে, অনেকেরই ম্যানপাওয়ার লাইসেন্স আছে, এরা নিজস্ব ও কোম্পানীর টিন সার্টিফিকেটে সরকারকে বাৎসরিক ট্যাক্স প্রদান করে। তাই এদেরকে আমরা ভেরিফায়েড এজেন্ট বলি। এদেরকে ভেরিফাই করা আমাদের কম্ম নয়। যেহেতু সরকারীভাবে ভেরিফায়েড ও ভিসা তোলার ব্যপারে পরিক্ষীত তাই এরাই আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্ট।
২। কখনও আমাদের অফিসে আসতে চাইবেন না, কারন আমরা ভিসা এজেন্ট নই। আমরা ভিসার কাজ করিনা। খেয়াল রাখবেন একজন এজেন্ট যেমন করেন, টেবিলে বসে ক্যান্ডিডেটের সাথে ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন তা আমাদের সম্ভব নয়। তাই আমাদের অফিসে ভ্রমন প্রয়োজন নেই। আমরা পুরোপুরিই অনলাইন ভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এখানে কেউ আপনার সাথে মুখোমুখি বসে কথা বলার মতো সময় পায়না। যা জানতে চাইবেন তা উপরে দেয়া নাম্বারে জানতে চাইবেন। আমাদের একটাই নাম্বার। লাইন বিজি না থাকলে প্রথম ফোনেই আমাদের একজন অপারেটর কল ধরবেন।
৩। আপনি যদি মনে করেন বিদেশে যাওয়া আপনার একান্ত প্রয়োজন। যদি মনে করেন এমন কাউকে পাচ্ছেন না যাকে বিশ্বাস করা যায়। এমন কোন এজেন্ট পাচ্ছেন না যে পরীক্ষিত। জব ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, ইমিগ্রেশন ভিসা বা টুরিস্ট ভিসা সেটা যাই হোক আমাদের ভিসা ক্লাবের সদস্য হয়ে যান। ভিসা ক্লাবের সদস্য না হলে আমরা আপনাকে সার্ভিস দিতে পারবোনা। আমাদের সাইটে ভিসা ক্লাবের ফর্ম পুরন করুন। প্রদেয় নাম্বারে ৩০০ টাকা বা ৪০০ টাকা বিকাশ করুন। যদি ছয় মাসের জন্য সদস্য হতে চান তবে ৩০০ টাকা ও এক বছরের জন্য ৪০০ টাকা বিকাশ করুন। বিকাশ করার পর আপনার ই-মেইল আইডিতে একটি মেম্বারশিপ কার্ড ও একটি সিরিয়াল নম্বর প্রদান করা হবে। ওটিই আপনার মেম্বারশিপ কনফার্মেশন কোড।পাশে দেখানো শুধুমাত্র মেম্বারগন যোগাযোগ করুন বাটনটি ব্যবহার করে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ ও আবেদন করতে পারবেন ও আবেদন করতে পারবেন। ভিসা ক্লাবের সিরিয়াল নম্বর না থাকলে আপনি আমাদের মাধ্যমে ভিসা সংক্রান্ত ব্যপারে কোন প্রকার সহায়তা পাবেন না।

৪। খেয়াল রাখবেন, আমাদের এজেন্টগন ভেরিফায়েড কিন্তু আপনি কি ভেরিফায়েড? অবশ্যই না। দেখা গেল সিলেটের কোন এক গ্রাম থেকে এসেছেন আপনি, আপনার পাসপোর্ট খালি- সেখানে কোন ভিসা নেই।ভিসা হবার পর আপনি টাকা দিতে পারবেন এমন নিরাপত্তা আপনি দিতে পারছেন না। আপনি যখন ভিসা প্রসেসিং করতে চাইবেন এজেন্ট তার নিরাপত্তার কারনে কিছু সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইবে। এটা খুব স্বাভাবিক ব্যপার। আপনি সিকিউরিটি না দিলে কোন এজেন্টের পক্ষে আপনার পেপার প্রসেস করা সম্ভব নয়। আপনি বলবেন আপনার পাসপোর্ট যেহেতু এজেন্ট রেখে দিয়েছেন তাই ওটাই ডিপোজিট। কিন্তু না, আপনার পাসপোর্টই কেবল আপনার দেয়া সিকিউরিটি হতে পারেনা। VISASFORYOU বাংলাদেশে প্রচলিত কয়েকটি সিকিউরিটি ডিপোজিট সম্পর্কে তুলে ধরলোঃ

 ক। অর্থিক ডিপোজিটঃ আপনি যেহেতু নিশ্চিত ভিসা হবার পর আপনি ভিসার জন্য ধার্যকৃত অর্থ এজেন্টকে প্রদান করতে সক্ষম এবং মানসিকভাবেও প্রস্তুত ভিসা পেলে যাবার ব্যপারে তাই এজেন্ট চাইলে একটা সিকিউরিটি ডিপোজিট আপনাকে প্রদান করতে হবে। কারন এজেন্ট যখন ভিসা করে দেবেন তখন আপনি যদি মত বদলে ফেলেন বা ফোনটার সিম বদলে ফেলেন এজেন্টের লগ্নিকৃত পুরো টাকাটাই জলে যাবে।তাই দেখা যায়, বাংলাদেশের বড়ো বড়ো ভিসা এজেন্টগন বিনা আর্থিক ডিপোজিটে কোন কাজই করেন না। ছোট ছোট ফার্মগুলো অল্প লাভের জন্য কোন ডিপোজিট না নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ে যায়। তাই মনে রাখবেন, আপনি যাবেন এটা নিজে নিশ্চিত কিন্তু এজেন্ট নিশ্চিত হবে তখন যখন আপনি ডিপোজিট দিয়ে কাজ শুরু করবেন। আপনি যদি যাবার ব্যপারে শতভাগ নিশ্চিত হন তবে আর্থিক ডিপোজিট দিতে আপনার নারাজ হবার কথা নয়।
খ। এগ্রিমেন্ট এগেন্সট চেক বা চেকের বীপরিতে চুক্তিনামাঃ আপনি যেহেতু জামানত দিতে নারাজ তাই আপনাকে একটি চেক দিতে হবে যার নাম্বারটি চুক্তিনামায় উল্লেখ থাকবে। আপনার এ্যাকাউন্টে অবশ্যই পুরো টাকা থাকতে হবে, অর্থাৎ যে টাকার ওপর আপনার চুক্তি হয়েছে। এবং পুরো টাকার ওপর চেক প্রদান করতে হবে। ধরুন কন্ট্রাকট হয়েছে পাঁচ লাখ টাকা। পাঁচ লাখ টাকা আপনার এ্যাকাউন্টে থাকতে হবে এবং আপনাকে চেকও দিতে হবে পাঁচলাখ টাকার। শুধুমাত্র চেকের ডেট থাকবে ভবিষ্যতে, অর্থাৎ চেকটি হবে ফিউচার ডেটেড। এই ডেটটি আপনাকে দেবেন এজেন্ট। ভিসা হবার সময় নির্ধারন করে এই চেকের তারিখটি আপনি বসাবেন। আপনি ভয় পেতে পারেন যে, এজেন্ট আপনার সই নকল করে তারিখটি কেটে তার নিচে আপনার সই জাল করে টাকা তুলে ফেলতে পারেন। এজন্য আপনি ব্যাংকে একটি আবেদন করে রাখুন যেন নির্দিষ্ট তারিখের আগে কেউ টাকা তুলতে না পারেন। আবার ধরুন আপনি এক মাস পরের ডেট দিয়েছেন চেকে। এক মাস পেরিয়ে যেতে বসেছে কিন্তু আপনার ভিসা হচ্ছেনা, তখন আপনি এজেন্টকে আরেকটি চেক প্রদান করে আগের চেকটি ফিরিয়ে নিন ও ব্যাংকে আরেকটি আবেদন করুন।
গ। বিশিষ্ট ব্যাক্তির নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্রঃ আপনি যদি উপরের কোনটি পছন্দ না করে থাকেন তবে এই সিকিউরিটি ডিপোজিটটি দিতে পারেন। যদিও এই সিকিউরিটি বাংলাদেশে  প্রথম চালু করেছে VISASFORYOU, তারপরও এটি বেশ নির্ভরযোগ্য সিকিউরিটি। আপনাকে নিশ্চয় আপনার এলাকার ইউপি মেম্বার বা কাউন্সিলরগন চেনেন। তাদের নিকট থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র আনবেন যে তিনি আপনাকে চেনেন এবং টাকা দেবার সামর্থ আছে এবং ভিসা হবার পর আপনি আমাদের টাকা প্রদান করবেন। আপনি যদি না করেন তবে তিনি তার দায়িত্ব নেবেন। আশাকরি, এবার আপনি সকল ঝামেলা থেকে মুক্ত। প্রত্যয়নপত্র দেবার পর VISASFORYOU নিজের দায়িত্বে আপনার এলাকায় যাবে এবং প্রত্যয়নপত্রটি ভেরিফাই করে এজেন্টের মাধ্যমে কাজ শুরু করবে।

যদি এব্যপারে আরও কোন প্রশ্ন থাকে তবে প্রশ্ন করুন 01772369451 এ।

Thursday, April 27, 2017

ঝামেলামুক্তভাবে ভিসা নিন WITH VERIFIED AGENTS


FOR COMMON MEMBERS ☺

ভাবছেন আমরা আপনাকে কিভাবে সাহায্য করবো? আমরা নিজেরা কোন এজেন্ট নইতো? না আমরা কোন ভিসার এজেন্ট নই। আমরা নিজেরা কোন ভিসার কাজ করিনা এবং ভিসার কাজের সাথে জড়িত নই। এই ব্লগ আমাদের তিনজনের উদ্যোগের ফসল।আমরা চেয়েছি যেন সাধারন মানুষ খুব সহজে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই যে কোন দেশের ভিসা পেতে পারে। একজন মানুষ বিদেশ যেতে চাচ্ছে, আরেকজন বিদেশে পাঠাতে চাচ্ছে-ঝামেলা তাহলে কোথায়? কেন ঝামেলা হবে? যে বিদেশ যাবে, ভিসা হলে যেমন তার লাভ তেমনি যে পাঠাচ্ছে তারও লাভ। তাহলে প্রতিনিয়ত কেন শুনি এজেন্ট টাকা মেরেছে? কেন শুনি ভিসা হবার পর ক্লায়েন্ট বিদেশ যেতে চাচ্ছেনা? 
এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা তিনজন বসলাম। আমাদের আলোচনা চললো দীর্ঘ তিন ঘন্টা।এবং সেদিনের পরই প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করলো visasforyou ব্লগসাইট। ইচ্ছা ছিল পৃথিবীর প্রতিটা দেশে কিভাবে ভিসা প্রসেসিং করতে হয় তার ডিটেলস লেখা থাকবে এই ব্লগে যা’তে একজন পাঠক ইচ্ছা করলে কারো সাহায্য না নিয়েই নিজে নিজে ভিসা প্রসেসিং করতে পারে। এ বিষয়ে বেশ সফলও হলাম। কিন্তু সব ধরনের ভিসার কাজ, পেপার ওয়ার্ক কিভাবে করতে হয় তার ওপর লিখতে গিয়ে দেখলাম আসলে অনেক বিষয় লেখা সম্ভব নয়। আবার নতুন করে চিন্তা হলো কিভাবে তাহলে এই বিষয়টা সমাধান করা যায়। তখনই মাথায় এলো ভেরিফায়েড এজেন্ট এর বিষয়টা। ঢাকা শহর ঘুরে ঘুরে আমরা তিনজন বিভিন্ন এজেন্সিগুলো পরিদর্শন শুরু করলাম। একটা একটা করে এজেন্সি পরিদর্শন করি, তাদের চিন্তা ভাবনাগুলো আমাদের চিন্তা ভাবনার সাথে মেলাতে শুরু করি তারপর আমাদের লিস্ট থেকে হয় তাকে বাদ দেই অথবা তাকে আমাদের লিস্টে যোগ করি। যদি মনে হয় রিস্কি এজেন্ট তবে তাকে আমাদের লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দেই তৎক্ষনাৎ। এভাবে আমাদের লিস্ট বাড়তে বাড়তে গিয়ে ৮৫ জনে গিয়ে ঠেকে। বর্তমানে আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্ট ৮৫ জন। প্রথম অবস্থায় এই সংখ্যা ছিল ১৪৪ কিন্তু সাফল্যের হার, অনাবশ্যক বাকপটুতা ও নানা কারনে ১৪৪ জন থেকে নেমে ভেরিফায়েড এজেন্ট এর সংখ্যা এখন ৮৫ জন। অর্থাৎ এসব এজেন্ট ঝামেলামুক্ত ও নন রিস্কি। এরা আপনার টাকা মারবেনা এবং এদের সাথে কাজ করলে সাফল্যের সম্ভাবনা বেশী থাকবে। আপনি দেখেছেন যে, উপরে একটি FORM নামে পেজ রয়েছে। প্রথমে এটি পুরন করুন। তারপর উপরে প্রদত্ত ফোন নাম্বারে ফোন করে আমাদের নিশ্চিত করুন আপনার ফর্ম পুরনের বিষয়টি। এরপর অপেক্ষা করুন। এরপর আপনার প্রয়োজন অনুসারে আমরাই আপনার জন্য সঠিক এজেন্ট সিলেক্ট করবো। অপেক্ষা করুন আপনার প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে একটি এসএমএসের জন্য। এসএমএসটি এমন হবে:  PLEASE MEET MR.ARMAN REGARDING CANADIAN VISA PROCESS. HOUSE # 133, ROAD 30, BANANI, DHAKA AT 11.30 ON 04.04.2017
  এরপর আপনার উচিৎ হবে সঠিক সময়ে সঠিক দিনে উক্ত স্থানে উপস্থিত হয়ে মিঃ আরমানের সাথে দেখা করা ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলা ও প্রয়োজনে তাকে আপনার ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করা।



FOR TOP MEMBERS ☺☺☺

উপরের কাজ গুলো আমরা বিনা পারিশ্রমিকে আপনার জন্য করে থাকি। এজন্য আমরা আপনার কাছ থেকে কোনপ্রকার টাকা পয়সা বা সহায়তা গ্রহন করিনা। TOP MEMBER রা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমাদের সহায়তা গ্রহন করতে পারেন। TOP MEMBER রা সরাসরি আমাদের সহায়তা নিয়ে ভেরিফায়েড এজেন্টের সাথে সাক্ষাত করতে পারেন। এজন্য আমরা আপনার হয়ে এজেন্টের সাথে দেখা করবো। আপনাকে সাথে নিয়ে ভিসা প্রসেসিং এর সকল কার্যক্রম দেখাশোনা করবো।ভিসা পাবার পরও বিমানের টিকিট কাটা সহ সকল দায়িত্ব আমাদের। একজন TOP MEMBER আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন একজন গ্রাহক কেননা আমরা মনে করি পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আমরা একজন কেয়ারটেকারের ভুমিকা পালন করছি।
TOP MEMBER হবার নিয়মাবলীঃ

* এখানে ক্লিক করুন TOP MEMBERS CLICK HERE 
* ফর্ম পুরন করার পর আমাদের দেয়া ফোন নম্বরে ফোন করে বা টেক্সট করে ফর্ম পুরন করার বিষয়ে বলুন।
* আমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হবার জন্য আমাদের অফিসে আসতে হবে আপনাকে এবং গাইডেন্স ফি প্রদান করতে হবে।
* আমাদের গাইডেন্স ফি ৫৫০০ টাকা।
* চুক্তিবদ্ধ হবার পরের দিন থেকে আমরা কাজ শুরু করবো আপনার জন্য।
আমাদের ফোন নাম্বার ০১৭৭২৩৬৯৪৫১
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 16, 2017

শুরু হচ্ছে কানাডার স্কিলড মাইগ্রেশন

কানাডায় অভিবাসনের নতুন সুযোগ দিচ্ছে দেশটির সরকার। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার নামক এই কার্যক্রমের আওতায় ৫০ ক্যাটাগরিতে ভিসা দেবে দেশটি। চলতি মাসের শুরু থেকেই এই কর্মসূচীর অধীনে আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম প্রায় ১ বছর পর্যন্ত চলবে। সারা পৃথিবী থেকে ২৫ হাজার প্রার্থী কানাডায় পাড়ি জমানোর সুযোগ পাবেন।আবেদনকারীর যোগ্যতা প্রমাণে কিছু শর্ত দিয়েছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। সবগুলো শর্ত পরিপালনের ক্ষেত্রে নাম্বার ধরা হয়েছে ১০০ পয়েন্ট। একজন আবেদনকারীর ন্যূনতম ৬৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। অর্থসূচকের এ রিপোর্ট থেকে আপনি মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার যোগ্যতা আর প্রাপ্য পয়েন্ট।
যে কেউ চাইলেই স্কিলড ওয়ার্কার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তার জন্য অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।
  • পাঠকদের সুবিধার্থে অর্থসূচকের পক্ষ থেকে এই অবশ্য পূরণীয় শর্তগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হল : -
  • প্রার্থীর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পেশায় এক বছরের পূর্ণকালীন কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে ১০ বছরের আগের অভিজ্ঞতা অযোগ্যতা বলে পরিগণিত হবে।
  • এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই কানাডার জাতীয় পেশাগত শ্রেনীবিভাজনের আওতাধীন হতে হবে।
  • প্রার্থীকে অবশ্যই ইংরেজী অথবা ফ্রেঞ্চ ভাষায় দক্ষ হতে হবে। এক্ষেত্রে ভাষার দক্ষতা প্রমাণের জন্য আইইএলটিএসের মতো আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফলাফল প্রমাণ হিসাবে দাখিল করা যাবে।
  • প্রার্থীর অবশ্যই ছয়টি সিলেকশন ফ্যাক্টরের ১০০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই ৬৭ থাকতে হবে। (এই বিষয়ে নিম্নে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে)।
  • প্রার্থীর কানাডায় নিজের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
  • প্রার্থীকে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজে সম্পৃক্ততা অযোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।

সিলেকশন ফ্যাক্টর -
শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভাষার দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স, কানাডায় চাকরি প্রস্তাব এবং অভিযোজ্যতা এই ছয়টি বিষয়কে সিলেকশন ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য করে কানাডা। এই ছয়টি ফ্যাক্টর অধীনের মোট ১০০ পয়েন্টের প্রেক্ষিতে প্রার্থীর যোগ্যতা বিচার করা হয়। এক্ষেত্রে ৬৭ নাম্বার পাওয়া যোগ্যতার প্রাথমিক শর্ত। বলতে গেলে এই সিলেকশন ফ্যাক্টরই কানাডায় আবেদনের প্রধান বিবেচ্য।
শিক্ষা-
শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডক্টরেটের জন্য ২৫, স্নাতকোত্তরের জন্য ২৩ ও অন্যান্য যোগ্যতার জন্য ক্রমানুসারে পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন সর্বনিম্ন সীমা নেই, তবে কোনো কোনো পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক থাকা বাধ্যতামূলক।
ভাষা-
ইংরেজী ও ফ্রেঞ্চ কানাডার দাপ্তরিক ভাষা। প্রার্থীকে এই দুই ভাষার যে কোন একটিতে বলা, পড়া, লেখা ও শোনার ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে। ভাষার জন্য সিলেকশন কোটায় মোট ২৪ পয়েন্ট বরাদ্দ রয়েছে। প্রার্থীকে অবশ্যই এর মধ্যে ১৬ পয়েন্ট পেতে হবে।
কাজের অভিজ্ঞতা-
কাজের অভিজ্ঞতার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৯ পয়েন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বা কমপক্ষে ১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়স –
বয়সের জন্য মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ রেখেছে কানাডা। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের জন্য ১২ পয়েন্ট এবং এর অধিক বয়সের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য ১ পয়েন্ট করে বাদ দেওয়া হবে। বয়স ৪৭ এর বেশি হলে কোন পয়েন্ট প্রদান করা হবে না। তবে বয়সের ক্ষেত্রে পয়েন্ট পাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
কানাডায় চাকরি প্রস্তাব-
কানাডায় পৌঁছানোর আগে প্রাপ্ত চাকরি প্রস্তাবের জন্য সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রার্থী বৈধ নিয়োগের জন্য ১০ পয়েন্ট এবং অভিযোজ্যতার কোটায় ৫ পয়েন্ট বোনাস পাবেন। তবে ভিসার আবেদনের জন্য চাকরির প্রস্তাব বাধ্যতামূলক নয়।
অভিযোজন ক্ষমতা-
কানাডায় গিয়ে প্রার্থীর অভিযোজন সম্ভাব্যতা বিচার করা হয় এই ক্যাটাগরির মাধ্যমে। আর এর জন্য মোট দশ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কানাডায় কাজের ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট পাবেন। কানাডায় অধ্যয়নের ইতিহাস থাকলে পাবেন ৫ পয়েন্ট। এছাড়া স্বামী/স্ত্রী কিংবা পরিবারের কোন সদস্য কানাডায় অবস্থান করলে পাবেন ৫ পয়েন্ট।
এই শর্তগুলো পূরণ হলে যে কেউ চাইলে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তবে, আগে নিজের যোগ্যতা বিচার করে ভিসার জন্য আবেদন করুন।

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)


এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন



এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----সার্বিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----সার্বিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts

Sample Text

Facebook

Labels