তেরই জুন বিশ্বকাপ ফুটবলের সবচেয়ে বড় খেলাটাই রয়েছে যেদিন স্বাগতিক দেশ রাশিয়া খেলবে আর্জেন্টিনার সাথে। শুধু এই খেলার ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে প্রথম দিনের সব টিকিট। যারা রাশিয়ায় খেলা দেখতে যাবেন তারা অনেকেই এই খেলার টিকিট পাননি। তবে যারা পরের খেলাগুলো দেখতে যাবেন তাদের জন্য ভিসাসফরইউ ব্যবস্থা করেছে সম্পুর্ন ফুল কন্ট্রাক্ট রাশিয়ার ভিসার। আপনি এখন ইচ্ছে করলেই ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়েই রাশিয়ার ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর ভিসা হবে সুনিশ্চিত। আপনি যদি ভিসা ক্লাবের মেম্বার হন তবে মাত্র ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় রাশিয়ার ভিজিট ভিসা নিতে পারেন। ভিসার জন্য আপনার পাসপোর্ট, ছবি আর এনআইডিই যথেষ্ঠ। কোন টাকা আগে দিতে হবেনা। ভিসার পর পেমেন্ট করবেন ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ভিসা হবে মাত্র ১২ দিনে। সম্পুর্ন সাদা পাসপোর্টে ভিসা হবে। তাই যারা এর মধ্যে রাশিয়ায় ঢুকতে চান তারা দ্রুত যোগাযোগ করুন।
Follow us
Newsletter
Showing posts with label রাশিয়ার ভিসা. Show all posts
Showing posts with label রাশিয়ার ভিসা. Show all posts
Monday, May 28, 2018
Saturday, February 17, 2018
রাশিয়া সাদা পাসপোর্টে ভিজিট ভিসা (বিজনেস)
রাশিয়ায় ১৪ জুন হতে ১৫ জুলাই ২০১৮ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবল । এই বারই প্রথম যখন বিশ্বকাপ পূর্ব ইউরোপে এবং ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপে অনুষ্ঠিত হবে। ইউরোপীয় রাশিয়ার উরাল পর্বতমালায় একটি স্টেডিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে।বিশ্বকাপ উপলক্ষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ফুলবল প্রেমিকরা ছুটে যাবে রাশিয়া। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এদেশের ফুটবল প্রেমিকদের সংখ্যা আগের চেয়ে কমে গেছে সত্যি কিন্তু এখনও ফুটবল পাগলদের কমতি নেই পথে ঘাটে। জানুয়ারী মাস থেকেই আমরা এই বিষয়ে ফোন পাচ্ছি। অনেকেই রাশিয়া যাবার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাদের জন্য আমাদের কয়েক জন এজেন্ট নির্ধারিত ভিজিট ভিসার বাইরে বিজনেস ভিসার ব্যবস্থা করেছেন। কেননা বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় খেলার টিকিট পাওয়া খুবই কষ্টকর ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। ইন্টারন্যাশনাল টিকিট ব্ল্যাকাররা আগে থেকেই সব টিকিট কিনে নিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে দেয়।
বিশ্বকাপের খেলার টিকিট হাতে না পেয়ে ভিসার আবেদন করা যায়না। তাছাড়া ভিজিট ভিসার জন্য প্রচুর চাপ থাকায় ভিসা ইস্যু বন্ধ হয়ে যায়। তাই অন্য কারন দেখিয়ে আপনাকে ভিসা নিতে হবে।
রাশিয়াতে বিজনেস ভিসার জন্য আপনার খরচ হবে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আপনার পাসপোর্ট এ কোন দেশের ভিজিট ভিসা না থাকলেও কোন সমস্যা নেই। ভিসা হবে। তাই শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে চলে আসুন। আগে থেকেই আবেদন করে চলে যান রাশিয়ার বিশ্বকাপের মাঠে, অবশ্যই সঠিক সময়ে। ফোন দিন 01772369451
Tuesday, October 03, 2017
রাশিয়াতে ভালোই আছে ছাত্ররা
বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ রাশিয়ায় ব্যবসা, চিকিৎসাসহ নানা পেশায় বিচরণ বাড়ছে বাংলাদেশিদের। সেখানে দেড় হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি এখন স্থায়ীভাবে বাস করছেন। এদের বেশীরভাগই গিয়েছেন স্টুডেন্ট ভিসায়। পড়াশোনা শেষ হবার পর তারা এখন সেখানে আছেন এবং কাজ করছেন।
এর একটি বড় অংশই জড়িত ব্যবসা-বাণিজ্যে। সরকারি প্রতিষ্ঠানেও কাজ করছেন অনেকে। কয়েকজন প্রবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে কমপক্ষে ৬০০ বাংলাদেশি খাদ্যদ্রব্য, ইলেকট্রনিক্স, গার্মেন্ট পণ্যসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। অনেক ব্যবসায়ীর রাশিয়ার বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আর্থিক লেনদেন আছে। বেশ কয়েকজন চিকিৎসক সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও প্রবাসীরা কর্মরত। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ আবার চাহিদা থাকায় বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাট নিয়ে রাশিয়াতেই প্রক্রিয়াজাত করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। জানা যায়, দেশটির রাজধানী মস্কোতেই অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি চিকিৎসক কাজ করছেন। তাদের মধ্যে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. শেখ হাবিবের বেশ সুনাম। নিজস্ব ক্লিনিকে তিনি রোগী দেখেন। শুধু রাশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদেরই নয়, স্থানীয়দেরও আস্থা অর্জন করেছেন এই চিকিৎসক। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, রাশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বাঙালিরা ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আশির দশকে যারা সে দেশে শিক্ষার্থী হিসেবে গিয়েছিলেন তারা অনেকেই ছুটিতে বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন পণ্য কিনে রাশিয়ায় আসতেন। পরে তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতেন। লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ব্যবসা করেন। কেউ কেউ মস্কোতে মোবাইল ফোনের দোকান দিয়েছেন। অনেকে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে রাশিয়ার খুচরা ও পাইকারি বাজারে বিক্রি করছেন। মসকোভা নামের সুপার মার্কেটে ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসা করছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। প্রবাসী ব্যবসায়ীরা মস্কোতে বিজনেস সেন্টার কিনে ভাড়াও দিচ্ছেন। কারও আছে বিশাল চিনির বাজার। অনেকেই কাপড় ধোয়ার আধুনিক দোকান দিয়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকালে মৌসুমি ব্যবসা হিসেবে বাচ্চাদের ওভার জ্যাকেট বানিয়ে বিক্রি করছেন অনেক বাংলাদেশি। এ সময়ে অন্তত ১০০ জন ওভার জ্যাকেটের ব্যবসা করেন। তারা আরও জানান, রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি, চামড়া, পাটজাত পণ্য ও তৈরি পোশাকের প্রচুর চাহিদা। তাই রাশিয়ায় প্রবাসীদের ব্যবসা প্রসারের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে দু-তিনজন বড় ব্যবসায়ী খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা মধ্যপ্রাচ্যর বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করছেন। ইরান, আজারবাইজান ও তুরস্ক থেকে কনটেইনারে আনছেন ফল ও শাক-সবজি। রাশিয়ার বাজারে সেসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে দেদার। মস্কোর এমন একজন ব্যবসায়ী মোতালিব পাটোয়ারি। রাশিয়ায় চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর ডিগ্রি নিয়েছেন। কিন্তু এখন তিনি পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। মোতালিব পাটোয়ারি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘রাশিয়ায় ছাত্রাবস্থায় দেশে ছুটি কাটাতে গেলে ফেরার পথে একসঙ্গে তিনটা জিন্স প্যান্ট আনতাম। অনেক সময় একটির ওপর আরেকটি পরেও রাশিয়ায় ঢুকেছি। পরে ১০ ডলারে কেনা একটি প্যান্ট ৩০ ডলারে বিক্রি করতাম। ’ এ ব্যবসায়ী আরও জানান, বর্তমানে মস্কোতে তার খাদ্যপণ্যের ব্যবসার বেশ প্রসার হয়েছে। তিনি এখন বাংলাদেশ থেকে চা নিয়ে মস্কোর বাজার ধরার চেষ্টা করছেন।
Tuesday, November 01, 2016
রাশিয়ার ভিসার আদ্যপ্রান্ত
সোভিয়েত ইউনিয়ন আমার সারা জীবনের স্বপ্ন।পৃথিবীতে যদি বাংলাদেশের পর অন্য কোন দেশে চলে যেতে বলা হয় তবে আমি সরাসরি বলবো-সোভিয়েত ইউনিয়ন। যদিও সেই সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন আর নেই। রাশিয়া নামটা আগের মতোই বলবৎ আছে। নামের পরিবর্তনে কি যায় আসে।রাশিয়া আছে সেই আগের মতোই।আমার দেখা রাশিয়া, যদিও পুরোটা আগের মতো নেই। রাশিয়া বহু ভাগে বহু নামে বিভক্ত হয়েছে, তারপরও রাশিয়া আমার কাছে এক আবেগের নাম। যাই হোক, রাশিয়া এখন আর রাজনৈতিকভাবে আগের মতো নেই। এখন এ গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলে কি হবে জনসাধারনের বোধ কিন্তু আগের মতোই আছে। তাদের নৈতিকতা, চালচলন, ভাবগাম্ভির্য, রক্ষনশীলতা এখনও নজর কাড়ে। যদিও অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়া বেশ দুর্বল তারপরও সেখানে গেলে চাকরি পাওয়া বা ব্যবসা করা কঠিন কিছু নয়।বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ার ভিসা পাওয়া তেমন কঠিন কিছু মনে হয়না। তবে যেহেতু এ্যামবাসিতে এখনও ইন্টারভিউ পদ্ধতি রয়েছে সেহেতু এখনও ভিসা পাওয়া সর্বসাধারনের জন্য একেবারে পানিভাত হবে ভাবা যায়না।ব্রিটিশ পাসপৌর্ট থাকলে, সকালে টিকেট কিনে বিকেলেই পাড়ি দেওয়া যায় বিশ্বের বহু দেশে। কিন্তু রাশিয়া সে-রকমের দেশ নয় ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কারণে। রাশিয়া যেতে ভিসা লাগে। আর, সেই ভিসা পেতে আবেদন করতে হয় এন্তার তথ্য দিয়ে।
রাশিয়ার ভিসা-আবেদনপত্রে শুধু নিজের নাম-ঠিকানা ও জন্মতারিখ-জন্মস্থান নয়, আবেদনকারীর মা-বাবার নাম, জীবনসঙ্গীর নাম, নিজের শিক্ষা ও কর্ম এবং গত দশ বছরে ভ্রমণ করা সকল দেশের নাম তারিখ-সহ উল্লেখ করতে হয়। শুধু তাই নয়, ভিসার জন্যে অনলাইনে আবেদন করে, সেই আবেদনপত্রের হার্ডকপি-সহ ভিসা অফিসে সশরীরের উপস্থিত হতে হয়। বলাই বাহুল্য, সাথে ভিসা ফী লাগে বেশ ভালো অঙ্কেরই।
নর্মাল ও আর্জেণ্ট ভিসার মধ্যে পার্থক্য কী? পার্থক্য হচ্ছে ফীর ও সময়ের। আর্জেণ্ট হলো নেক্সট ডে বা পরদিনের সার্ভিস।
এখানে রাশিয়ান ভিসা প্রোসেসিং সম্পর্কে অনেক কিছুই তুলে ধরা হলো।ব্যক্তিগত বিষয়:
বুধবার: সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা
ভিসা পেতে নিম্নোক্ত তথ্যাবলী কনস্যুলার বিভাগে দাখিল করতে হবে|
১. ভিসার জন্য একটি দরখাস্ত ফরম পূরণ করতে হবে (যা প্রত্যেকের জন্য প্রযোজ্য) ফরমটি কনস্যুলার বিভাগে পাওয়া যায়| অসম্পূর্ণ ফরম গ্রহণযোগ্য হবেনা| ফরমটি টাইপ অথবা স্পষ্ট অক্ষরে লিখতে হবে|
২. মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট এবং ইহার প্রথম ৩ পৃষ্টার ফটোকপি| পাসপোর্ট ভিসা ইস্যু তারিখ থেকে কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে| (ছাত্রদের জন্য কমপক্ষে দেড় বছর)
৩. রাশিয়ান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা ফেডারাল মাইগ্রেশন সার্ভিসের স্থানীয় শাখা অফিস থেকে প্রাপ্ত আমন্ত্রণ পত্র ও তার ফটোকপি|তাদের মাধ্যমে আমন্ত্রণ পত্র রাশিয়া থেকে ব্যবস্থা করতে হয় যারা (ব্যক্তি, ব্যবসায়িক অংশিদার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) দরখাস্তকারীকে আমন্ত্রণ করেন| মূল কপি ছাড়া ফটোকপি জমাদান গ্রহণ করা হয়না| যারা পরিদর্শণের উদ্দেশ্যে রাশিয়া ভ্রমণ করতে আগ্রহী আমন্ত্রণ পত্রের পরিবর্তে টুরিষ্ট ভাউচারের মুল কপি ও বিদেশ ভ্রমনকারীর গ্রহণ নিশ্চয়তা যা পেতে পারেন রাশিয়ান টুরিষ্ট কাম্পানী থেকে উহা রাশিয়ান ফেডারেশনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার বিভাগ কর্তৃক নিবন্ধনকৃত|
৪. দরখাস্তকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি| ছবি সাদা-কালো বা রঙ্গিন হতে পারে| বিষয় হচ্ছে কাগজের মান|
৫. বিমানের মূল টিকেট বা সংরক্ষিত আসন নিশ্চয়তার প্রমান প্রত্র ও ইহার কপি সমূহ|
৬. ৩ মাসের বেশী মেয়াদের জন্য যদি কেউ দরখাস্ত করেন, এইচ.আই.ভি পরীক্ষা (এইডস) সনদ সেই সাথে মেডিকেল চেকআপ সার্টিফিকেট ও তার ফটোকপি জমি দিতে হবে|
৭. পরিশোধিত ভিসা ফি| ভিসার ফি নির্ভর করে ভিসার ধরণের উপর এবং তা কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ফি প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের দিনে ফি পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ধরনের উপর নির্ভর করে ভিসার ফি ও ইহা� কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশক্রমে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে |
৪দিন থেকে ২০ দিন*
১দিন থেকে ৩ দিন*
একবার প্রবেশ ভিসা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
দুইবার প্রবেশ ভিসা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০টাকা
বহুবার প্রবেশ ভিসা
১২৭৫০ টাকা
২৫৫০০ টাকা
একবার ট্রানসিট ভিসা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
দুইবার ট্রানসিট ভিসা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০ টাকা
* কর্ম দিবস| ছুটির দিন এবং বন্ধের দিন সম্পৃক্ত নহে|
গুরুত্বপূর্ণঃ
১. দরখাস্তকারীর সাথে একান্ত সাক্ষাতের পরে ভিসা সম্পাদনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
২. ভিসা প্রোসেসিং ফি ফেরতযোগ্য নয় এমনকি যদি তা বাতিলও হয়|
৩. একমাত্র সকল প্রয়োজনীয় উল্লেখিত তথ্যাবলী জমাদান ও ফি পরিশোধের পরে ভিসা প্রসেসিং শুরু হয়| একই দিনে ভিসা প্রসেসিং হতে পারে যদি কৌশলগত কর্ম অনুমোদন ধারা থাকে|
৪. তথ্যাবলী ও পরিশোধযোগ্য অর্থ জমাদান করতে হবে রবিবার এ মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে সকাল ১২:০০টার মধ্যে | ভিসা প্রদানের সময়ঃ রবিবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১:০০টা পর্যন্ত| শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ|
৫. ভিসার কোনো ভুলের জন্য দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগ দায়ী নহে যা বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে দৃষ্টি আকর্ষণে আনা হয় নাই|
৬. ভিসা পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হয়না।যদি ভিসা সম্পাদনের পরে ভ্রমনের পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয় তা হলে দরখাস্তকারীকে অবশ্যই নতুন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে|
৭. পূর্ব অবগতি ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
নোটিশঃ
সকল প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের পরে ভিসা প্রোসেসিং শুরু হয়|
নোটিশ ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
দূতাবাস উল্লেখিত তথ্যাবলীর পাশাপাশি অন্যান্য তথ্যাবলী প্রাপ্তির অধিকার সংরক্ষন করে| সম্ভাব্য ভুলের জন্য অনুগ্রহ পূর্বক ভিসা প্রাপ্তির পরেই ভাল করে দেখে নিন (নাম, লিঙ্গ, পাসপোর্ট নং, জন্ম তারিখ, মেয়াদের শর্ত ইত্যাদি) এবং যদি ভুল সংশোধন করার প্রয়োজন হয়, তা হলে যথাশিগ্গির কনস্যুলার বিভাগে ফেরত দিন।
বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে কোন ভুল সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা না হলে কনস্যুলার বিভাগ কোন দায় ভার বহন করবেনা।
ভিসা সম্পাদনের ব্যপারে দূতাবাস কর্তৃক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
Thursday, September 22, 2016
রাশিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা
বিশ্ব পরাশক্তিধর দেশ সমূহের মাঝে একটি দেশ রাশিয়া। বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি কিংবা বিজ্ঞান অথবা সংস্কৃতি সকল ক্ষেত্রে রাশিয়ার রয়েছে বিশেষ অবদান। আর এই রাশিয়াতেই বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন কম খরচে উচ্চশিক্ষা নেয়া এবং গ্রীনকার্ড পাওয়ার সুযোগ!
বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে রাশিয়া অনেক এগিয়ে, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ার দূরত্ব এবং ভূগোল গত অবস্থানের কারণে আমাদের দেশের মানুষ রাশিয়ার বিষয়ে অনেক কম আগ্রহী। রাশিয়া বাংলাদেশ সৃষ্টির শুরু থেকেই বাংলাদেশকে নানান ভাবে সাহায্য এবং সমর্থন দিয়ে আসছে। এখনও রাশিয়াতে বাংলাদেশি ছাত্ররা বিভিন্ন বৃত্তি সহ নানান সুবিধা পেয়ে থাকেন যদি সেখানে উচ্চশিক্ষা নিতে যান।
রাশিয়াতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা, বিশেষ করে অন্যান্য সকল দেশে যেখানে উচ্চ শিক্ষা নিতে হলে উচ্চ মূল্য দিতে হয় সেখানে রাশিয়ায় থেকে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা কিংবা ডিগ্রী নিতে অর্থ অপেক্ষাকৃত কম প্রয়োজন হয়।
রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক উন্নত এবং সেখানে বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্য শাখার সব বিষয়ে পড়া সুযোগ নিতে পারেন। রাশিয়ার একাডেমিক শিক্ষা ব্যবস্থা সাধারণত ইউনিভার্সিটি, একাডেমি, ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, টেকনিক্যাল কলেজ ও স্পেশালাইজড ইনস্টিটিউশন ইত্যাদি স্থরে দেয়া হয়ে থাকে। আপনি চাইলে যেকোনো স্থরে আপনার ভবিষ্যৎ সেক্টর চিন্তা করেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মাঝে মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির পর থেকেই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা রাশিয়াতে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন।
রাশিয়াতে আপনি যদি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে চান তবে আপনাকে কোন প্রকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবেনা। ফলে আপনার উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য বিশাল অংকের অর্থের সংগ্রহ করতেও চিন্তিত হতে হবেনা। এছাড়া আপনি রাশিয়া থেকে সফল ভাবে আপনার শিক্ষা জীবন শেষ করে সে দেশেই গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং সে খানেই স্থায়ী হয়ে যেতে পারবেন। আপনার জন্য রয়েছে রাশিয়াতে লোভনীয় বেশ কিছু চাকরির সুযোগ। তাছাড়া রাশিয়া বিশ্বে বিজ্ঞান এবং বাণিজ্য কিংবা রাজনীতিতে তাদের বিশেষ শক্তিশালী অবস্থায় থাকাতে, আপনি রাশিয়ার যেকোনো শিক্ষার ডিগ্রী নিয়ে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
রাশিয়াতে আপনি ব্যাচেলর ডিগ্রি গ্রহণ করতে হলে ৪ বছরের কোর্স গ্রহণ করতে হবে। আর আপনি যদি যেকোনো বিষয়ে স্পেশালিষ্ট ডিপ্লোমা ডিগ্রী নিতে চান তবে আপনার কোর্স হবে ৫ থেকে ৬ বছর মেয়াদী, এসব কোর্স শেষ করা শিক্ষার্থীরা রাশিয়াতে উচ্চ বেতনে চাকরির সুযোগ পান। রাশিয়ার সকল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি ১ বছরের মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রী গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তবে বিদেশী ছাত্রদের জন্য সব শিক্ষার আগেই এক বছরের বিশেষ রাশিয়ান ভাষা শিক্ষা কোর্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
রাশিয়াতে থেকে আপনি যদি সফল ভাবে আপনার পড়াশুনা শেষ করতে পারেন এবং আপনার রেজাল্ট যদি ভালো হয় তবে রাশিয়ান সরকার আপনাকে সে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করবে। এছাড়াও ভালো মানের রেজাল্টের জন্য আপনি বিশেষ বৃত্তি পাবেন ফলে আপনার যদি মেধা থাকে তবে হয়তো পেয়ে যেতে পারেন ফ্রি পড়া লেখার সুযোগ।
রাশিয়াতে বিজ্ঞান বিভাগের যেকোনো বিষয়ে জন্য উচ্চতর ডিগ্রী নিতে প্রতি শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি লাগবে ২ লাখ ১ হাজার ৯২ টাকা।
কলা বিভাগের জন্য বিষয় ভেদে ২ লাখ ১৬ হাজার থেকে ৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি শিক্ষাবর্ষে এককালীন প্রদেয়।
বাণিজ্য বিভাগের জন্য ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে বিষয় ভেদে ৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা প্রতি শিক্ষাবর্ষে এককালীন প্রদেয়।
এছাড়া প্রতিবছর বাংলাদশি ছাত্রদের জন্য আবাসিক খরচ দিতে হবে ৩৪,৮০০ টাকা থেকে সুযোগ সুবিধা এবং অবস্থা ভেদে ঊর্ধ্বমুখী।
নিজ খরচে আপনার রাশিয়াতে উচ্চ শিক্ষা নিতে হলে এইচএসসি এবং এসএসসি তে গড়ে ৬০-৭০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। ৮০ শতাংশ নম্বর থাকলে আপনি শিক্ষা বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।
ভিসা ও ভর্তির জন্য যা লাগবে
সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ ও নম্বর পত্র প্রথমে শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়িত করে ফটোকপি সহ মূল কপি, মেডিকেল সার্টিফিকেট (এইচ আইভি টেস্ট) সহ ১০ কপি ছবি ও জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র । মনে রাখা জরুরি নিজ খরচে রাশিয়াতে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য গড় নম্বর থাকতে হবে ৬০-৭০ শতাংশ ।
সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ ও নম্বর পত্র প্রথমে শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে সত্যায়িত করে ফটোকপি সহ মূল কপি, মেডিকেল সার্টিফিকেট (এইচ আইভি টেস্ট) সহ ১০ কপি ছবি ও জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র । মনে রাখা জরুরি নিজ খরচে রাশিয়াতে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য গড় নম্বর থাকতে হবে ৬০-৭০ শতাংশ ।
রাশিয়ার ভিসা
সোভিয়েত ইউনিয়ন আমার সারা জীবনের স্বপ্ন।পৃথিবীতে যদি বাংলাদেশের পর অন্য কোন দেশে চলে যেতে বলা হয় তবে আমি সরাসরি বলবো-সোভিয়েত ইউনিয়ন। যদিও সেই সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন আর নেই। রাশিয়া নামটা আগের মতোই বলবৎ আছে। নামের পরিবর্তনে কি যায় আসে।রাশিয়া আছে সেই আগের মতোই।আমার দেখা রাশিয়া, যদিও পুরোটা আগের মতো নেই। রাশিয়া বহু ভাগে বহু নামে বিভক্ত হয়েছে, তারপরও রাশিয়া আমার কাছে এক আবেগের নাম। যাই হোক, রাশিয়া এখন আর রাজনৈতিকভাবে আগের মতো নেই। এখন এ গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলে কি হবে জনসাধারনের বোধ কিন্তু আগের মতোই আছে। তাদের নৈতিকতা, চালচলন, ভাবগাম্ভির্য, রক্ষনশীলতা এখনও নজর কাড়ে। যদিও অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়া বেশ দুর্বল তারপরও সেখানে গেলে চাকরি পাওয়া বা ব্যবসা করা কঠিন কিছু নয়।বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ার ভিসা পাওয়া তেমন কঠিন কিছু মনে হয়না। তবে যেহেতু এ্যামবাসিতে এখনও ইন্টারভিউ পদ্ধতি রয়েছে সেহেতু এখনও ভিসা পাওয়া সর্বসাধারনের জন্য একেবারে পানিভাত হবে ভাবা যায়না।ব্রিটিশ পাসপৌর্ট থাকলে, সকালে টিকেট কিনে বিকেলেই পাড়ি দেওয়া যায় বিশ্বের বহু দেশে। কিন্তু রাশিয়া সে-রকমের দেশ নয় ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কারণে। রাশিয়া যেতে ভিসা লাগে। আর, সেই ভিসা পেতে আবেদন করতে হয় এন্তার তথ্য দিয়ে।
রাশিয়ার ভিসা-আবেদনপত্রে শুধু নিজের নাম-ঠিকানা ও জন্মতারিখ-জন্মস্থান নয়, আবেদনকারীর মা-বাবার নাম, জীবনসঙ্গীর নাম, নিজের শিক্ষা ও কর্ম এবং গত দশ বছরে ভ্রমণ করা সকল দেশের নাম তারিখ-সহ উল্লেখ করতে হয়। শুধু তাই নয়, ভিসার জন্যে অনলাইনে আবেদন করে, সেই আবেদনপত্রের হার্ডকপি-সহ ভিসা অফিসে সশরীরের উপস্থিত হতে হয়। বলাই বাহুল্য, সাথে ভিসা ফী লাগে বেশ ভালো অঙ্কেরই।
নর্মাল ও আর্জেণ্ট ভিসার মধ্যে পার্থক্য কী? পার্থক্য হচ্ছে ফীর ও সময়ের। আর্জেণ্ট হলো নেক্সট ডে বা পরদিনের সার্ভিস।
এখানে রাশিয়ান ভিসা প্রোসেসিং সম্পর্কে অনেক কিছুই তুলে ধরা হলো।
এখানে রাশিয়ান ভিসা প্রোসেসিং সম্পর্কে অনেক কিছুই তুলে ধরা হলো।
ব্যক্তিগত বিষয়:
বুধবার: সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা
ভিসা পেতে নিম্নোক্ত তথ্যাবলী কনস্যুলার বিভাগে দাখিল করতে হবে|
১. ভিসার জন্য একটি দরখাস্ত ফরম পূরণ করতে হবে (যা প্রত্যেকের জন্য প্রযোজ্য) ফরমটি কনস্যুলার বিভাগে পাওয়া যায়| অসম্পূর্ণ ফরম গ্রহণযোগ্য হবেনা| ফরমটি টাইপ অথবা স্পষ্ট অক্ষরে লিখতে হবে|
২. মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট এবং ইহার প্রথম ৩ পৃষ্টার ফটোকপি| পাসপোর্ট ভিসা ইস্যু তারিখ থেকে কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে| (ছাত্রদের জন্য কমপক্ষে দেড় বছর)
৩. রাশিয়ান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা ফেডারাল মাইগ্রেশন সার্ভিসের স্থানীয় শাখা অফিস থেকে প্রাপ্ত আমন্ত্রণ পত্র ও তার ফটোকপি|তাদের মাধ্যমে আমন্ত্রণ পত্র রাশিয়া থেকে ব্যবস্থা করতে হয় যারা (ব্যক্তি, ব্যবসায়িক অংশিদার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) দরখাস্তকারীকে আমন্ত্রণ করেন| মূল কপি ছাড়া ফটোকপি জমাদান গ্রহণ করা হয়না| যারা পরিদর্শণের উদ্দেশ্যে রাশিয়া ভ্রমণ করতে আগ্রহী আমন্ত্রণ পত্রের পরিবর্তে টুরিষ্ট ভাউচারের মুল কপি ও বিদেশ ভ্রমনকারীর গ্রহণ নিশ্চয়তা যা পেতে পারেন রাশিয়ান টুরিষ্ট কাম্পানী থেকে উহা রাশিয়ান ফেডারেশনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার বিভাগ কর্তৃক নিবন্ধনকৃত|
৪. দরখাস্তকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি| ছবি সাদা-কালো বা রঙ্গিন হতে পারে| বিষয় হচ্ছে কাগজের মান|
৫. বিমানের মূল টিকেট বা সংরক্ষিত আসন নিশ্চয়তার প্রমান প্রত্র ও ইহার কপি সমূহ|
৬. ৩ মাসের বেশী মেয়াদের জন্য যদি কেউ দরখাস্ত করেন, এইচ.আই.ভি পরীক্ষা (এইডস) সনদ সেই সাথে মেডিকেল চেকআপ সার্টিফিকেট ও তার ফটোকপি জমি দিতে হবে|
৭. পরিশোধিত ভিসা ফি| ভিসার ফি নির্ভর করে ভিসার ধরণের উপর এবং তা কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ফি প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের দিনে ফি পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ধরনের উপর নির্ভর করে ভিসার ফি ও ইহা� কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশক্রমে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে |
বুধবার: সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা
ভিসা পেতে নিম্নোক্ত তথ্যাবলী কনস্যুলার বিভাগে দাখিল করতে হবে|
১. ভিসার জন্য একটি দরখাস্ত ফরম পূরণ করতে হবে (যা প্রত্যেকের জন্য প্রযোজ্য) ফরমটি কনস্যুলার বিভাগে পাওয়া যায়| অসম্পূর্ণ ফরম গ্রহণযোগ্য হবেনা| ফরমটি টাইপ অথবা স্পষ্ট অক্ষরে লিখতে হবে|
২. মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট এবং ইহার প্রথম ৩ পৃষ্টার ফটোকপি| পাসপোর্ট ভিসা ইস্যু তারিখ থেকে কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে| (ছাত্রদের জন্য কমপক্ষে দেড় বছর)
৩. রাশিয়ান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা ফেডারাল মাইগ্রেশন সার্ভিসের স্থানীয় শাখা অফিস থেকে প্রাপ্ত আমন্ত্রণ পত্র ও তার ফটোকপি|তাদের মাধ্যমে আমন্ত্রণ পত্র রাশিয়া থেকে ব্যবস্থা করতে হয় যারা (ব্যক্তি, ব্যবসায়িক অংশিদার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) দরখাস্তকারীকে আমন্ত্রণ করেন| মূল কপি ছাড়া ফটোকপি জমাদান গ্রহণ করা হয়না| যারা পরিদর্শণের উদ্দেশ্যে রাশিয়া ভ্রমণ করতে আগ্রহী আমন্ত্রণ পত্রের পরিবর্তে টুরিষ্ট ভাউচারের মুল কপি ও বিদেশ ভ্রমনকারীর গ্রহণ নিশ্চয়তা যা পেতে পারেন রাশিয়ান টুরিষ্ট কাম্পানী থেকে উহা রাশিয়ান ফেডারেশনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার বিভাগ কর্তৃক নিবন্ধনকৃত|
৪. দরখাস্তকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি| ছবি সাদা-কালো বা রঙ্গিন হতে পারে| বিষয় হচ্ছে কাগজের মান|
৫. বিমানের মূল টিকেট বা সংরক্ষিত আসন নিশ্চয়তার প্রমান প্রত্র ও ইহার কপি সমূহ|
৬. ৩ মাসের বেশী মেয়াদের জন্য যদি কেউ দরখাস্ত করেন, এইচ.আই.ভি পরীক্ষা (এইডস) সনদ সেই সাথে মেডিকেল চেকআপ সার্টিফিকেট ও তার ফটোকপি জমি দিতে হবে|
৭. পরিশোধিত ভিসা ফি| ভিসার ফি নির্ভর করে ভিসার ধরণের উপর এবং তা কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ফি প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের দিনে ফি পরিশোধ করতে হবে|
ভিসা ধরনের উপর নির্ভর করে ভিসার ফি ও ইহা� কনস্যুলার বিভাগের নির্দেশক্রমে ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে |
৪দিন থেকে ২০ দিন*
১দিন থেকে ৩ দিন*
১দিন থেকে ৩ দিন*
একবার প্রবেশ ভিসা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
দুইবার প্রবেশ ভিসা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০টাকা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০টাকা
বহুবার প্রবেশ ভিসা
১২৭৫০ টাকা
২৫৫০০ টাকা
১২৭৫০ টাকা
২৫৫০০ টাকা
একবার ট্রানসিট ভিসা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
৪২৫০ টাকা
৮৫০০ টাকা
দুইবার ট্রানসিট ভিসা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০ টাকা
৬৮০০ টাকা
১৩৬০০ টাকা
* কর্ম দিবস| ছুটির দিন এবং বন্ধের দিন সম্পৃক্ত নহে|
গুরুত্বপূর্ণঃ
১. দরখাস্তকারীর সাথে একান্ত সাক্ষাতের পরে ভিসা সম্পাদনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
২. ভিসা প্রোসেসিং ফি ফেরতযোগ্য নয় এমনকি যদি তা বাতিলও হয়|
৩. একমাত্র সকল প্রয়োজনীয় উল্লেখিত তথ্যাবলী জমাদান ও ফি পরিশোধের পরে ভিসা প্রসেসিং শুরু হয়| একই দিনে ভিসা প্রসেসিং হতে পারে যদি কৌশলগত কর্ম অনুমোদন ধারা থাকে|
৪. তথ্যাবলী ও পরিশোধযোগ্য অর্থ জমাদান করতে হবে রবিবার এ মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে সকাল ১২:০০টার মধ্যে | ভিসা প্রদানের সময়ঃ রবিবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১:০০টা পর্যন্ত| শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ|
৫. ভিসার কোনো ভুলের জন্য দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগ দায়ী নহে যা বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে দৃষ্টি আকর্ষণে আনা হয় নাই|
৬. ভিসা পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হয়না| যদি ভিসা সম্পাদনের পরে ভ্রমনের পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয় তা হলে দরখাস্তকারীকে অবশ্যই নতুন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে|
৭. পূর্ব অবগতি ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
১. দরখাস্তকারীর সাথে একান্ত সাক্ষাতের পরে ভিসা সম্পাদনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
২. ভিসা প্রোসেসিং ফি ফেরতযোগ্য নয় এমনকি যদি তা বাতিলও হয়|
৩. একমাত্র সকল প্রয়োজনীয় উল্লেখিত তথ্যাবলী জমাদান ও ফি পরিশোধের পরে ভিসা প্রসেসিং শুরু হয়| একই দিনে ভিসা প্রসেসিং হতে পারে যদি কৌশলগত কর্ম অনুমোদন ধারা থাকে|
৪. তথ্যাবলী ও পরিশোধযোগ্য অর্থ জমাদান করতে হবে রবিবার এ মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে সকাল ১২:০০টার মধ্যে | ভিসা প্রদানের সময়ঃ রবিবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯:০০টা থেকে দুপুর ১:০০টা পর্যন্ত| শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ|
৫. ভিসার কোনো ভুলের জন্য দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগ দায়ী নহে যা বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে দৃষ্টি আকর্ষণে আনা হয় নাই|
৬. ভিসা পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হয়না| যদি ভিসা সম্পাদনের পরে ভ্রমনের পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয় তা হলে দরখাস্তকারীকে অবশ্যই নতুন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে|
৭. পূর্ব অবগতি ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
নোটিশঃ
সকল প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের পরে ভিসা প্রোসেসিং শুরু হয়|
নোটিশ ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
সকল প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী জমাদানের পরে ভিসা প্রোসেসিং শুরু হয়|
নোটিশ ছাড়াই প্রোসেসিংএর সময়, চাহিদা ও ফিস পরিবর্তন হতে পারে|
দূতাবাস উল্লেখিত তথ্যাবলীর পাশাপাশি অন্যান্য তথ্যাবলী প্রাপ্তির অধিকার সংরক্ষন করে| সম্ভাব্য ভুলের জন্য অনুগ্রহ পূর্বক ভিসা প্রাপ্তির পরেই ভাল করে দেখে নিন (নাম, লিঙ্গ, পাসপোর্ট নং, জন্ম তারিখ, মেয়াদের শর্ত ইত্যাদি) এবং যদি ভুল সংশোধন করার প্রয়োজন হয়, তা হলে যথাশিগ্গির কনস্যুলার বিভাগে ফেরত দিন|
বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে কোন ভুল সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা না হলে কনস্যুলার বিভাগ কোন দায় ভার বহন করবেনা|
ভিসা সম্পাদনের ব্যপারে দূতাবাস কর্তৃক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
বাংলাদেশ থেকে প্রস্থানের পূর্বে কোন ভুল সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা না হলে কনস্যুলার বিভাগ কোন দায় ভার বহন করবেনা|
ভিসা সম্পাদনের ব্যপারে দূতাবাস কর্তৃক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়|
আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২
আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬
আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি
আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩
জার্মানীর ভিসা






