প্রাচীন গ্রীসের কথা কে না জানে। গ্রীসের সভ্যতা অনেক প্রাচীন তাই তাদের আচরন, ব্যবহারের মধ্যেও রাজকীয় ভাবের বহিঃপ্রকাশ রয়েছে। ইউরোপের অনেক দেশেই গ্রীসের মতো এতো প্রাচীন ইতিহাস নেই। বর্তমানে গ্রীস এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যা পুরো ইউরোপের জন্য যে অবস্থানে যাওয়া কঠিন। সে যাই হোক আমাদের আলোচ্য বিষয় গ্রীস ও এর ভিসা। বর্তমানে গ্রীসের ভিসা বেশ কঠিন কারন এই দেশের এ্যামবাসি বাংলাদেশে নেই। আর দেশে এ্যামবাসি না থাকলে অন্য দেশ থেকে ভিসা পেপার চেক করা কঠিন হয় এ্যামবাসিগুলোর জন্য। সে কারনে পেপার চেকের কঠিন প্রক্রিয়ায় না গিয়েই ভিসা রিফিউজ করে দেয় এ্যামবাসি গুলো।
বর্তমানে যেসকল দেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে গ্রীসও একটি। গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট বেশ দামী ওয়ার্ক পারমিটগুলোর একটি। আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন যে গ্রীস সেনজেন কান্ট্রি। আর তার মানে গ্রীসের ভিসা হলে আপনি ইউরোপের অন্য ২৭ টি দেশে ঘুরতে পারছেন। আর গ্রীসে আপনার দুই বছরের ওয়ার্ক পারমিট থাকলে আপনি ইউরোপের অন্য দেশে গেলে সেখানেও থেকে কাজ করতে পারবেন সেনজেন চুক্তির আওতায়। যদিও বর্তমানে সেনজেন চুক্তি বিদেশীদের ক্ষেত্রে মানা হয়না। তারপরও অড জবের ব্যপারে সেনজেনের নাগরিকদের অনীহার কারনে বিদেশীরা এসব সহজে পেয়ে থাকে। তাই কোন বাংলাদেশীর জন্য দেড় দুই লাখ টাকা আয় করা কোন ব্যপার নয়।
বাংলাদেশ থেকে ওয়ার্ক পারমিট বলা হলেও আসলে ওয়ার্ক পারমিটটি এরকমভাবে করা হয় যে, আপনি যখন ভিসার জন্য আবেদন করলেন তখন কোন কোম্পানীর জব কনফার্মেশন দেখানো হলো। কিন্তু যখন ভিসা হলো তখন আর আপনার চাকরি থাকলোনা। মানে চাকরি নয়, আপনার কেবল একটি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করানো হয়েছে। গ্রীসে যাবার পর আপনার কোন চাকরি থাকবেনা। তবে যেহেতু আইনগতভাবে আপনি ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন তাই খুব সহজে আপনি চাকরি জোগাড় করে নিতে পারবেন।
আর এটাই হলো ওয়ার্ক পারমিট বা গ্রীসে কাজ করার অনুমোদন। বর্তমানে গ্রীসে প্রচুর ভিসা হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
