আপনারা জানেন যে পোল্যান্ড কৃষিনির্ভর দেশ। তারপরও ইউরোপের এই দেশ শিল্পন্নোত ও উন্নত সবদিক থেকে। বাংলাদেশ থেকে পোল্যান্ডে বহুদিন ধরে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় মানুষ যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে প্রসেসিং করা হলেও আসলে ভিসা হয় ভারতের দিল্লী থেকে। আর এই কারনেই এই ভিসাগুলো হতে বহুদিন সময় লাগে। সেখানে খুব সহজেই ভারতীয়দের ভিসা দেয়া হয়ে থাকে। ভারতীয়দের ভিসা হতে সময় নেয়া হয় এক মাস। সেখানে বাংলাদেশীদের ভিসা হতে সময় নেয় চার মাস বা তারও বেশী। সে যাই হোক, ভিসা হচ্ছে সেটাই বড়ো কথা। মূল ভিসার ৯০% চলে যায় ভারতীয়দের দখলে। বাংলাদেশীরা পায় মাত্র দশভাগ বা তারও কম। ভিসা২৪বিডি খুব যত্ন সহকারে প্রতিটি ক্লায়েন্টের তথ্য সার্ভারে ধারন করে, তাদের ফাইল প্রসেস করে এবং তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখে কার্যকরী ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এজন্য আমাদের প্রতিটি ভিসা ক্লাব মেম্বার ভিসা প্রসেসিং এর জন্য যথেষ্ঠ সহায়তা পেয়ে থাকে।
পোল্যান্ডের জন্য বর্তমানে নানা ক্যাটাগরিতে জব সিলেকশন চলছে। আপনার পেশা ও অভিজ্ঞতা বুঝে আপনি ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করুন। পোল্যান্ডের জন্য খরচ হবে ১০ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশী টাকা যা ভিসার পর দিতে হবে আপনাকে। ভিসার আগে কোন টাকা দিতে হবেনা।
আবেদন করুন। যোগাযোগ করুন 01772369451 এ।

ইউরোপ সম্পর্কে ইন্টারনেটে বাংলায় বিভিন্ন ব্লগে এমন সব কথাবার্তা প্রায়ই দেখি যে কখনও ইউরোপে আসবেন না। ইউরোপ হলো একটা নোংরা জায়গা। দেশে থাকতে ইউরোপ সম্পর্কে অনেক কথা শোনা যায় কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো ভিন্ন। দেশ থেকে তরুন ছেলে মেয়েরা অনেক স্বপ্ন দেখে ইউরোপে আসে তারপর খুব সমস্যায় পড়ে যায় ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা আসলে কোনদিন চায়না যে আপনি ইউরোপে আসুন। আপনি এদের প্রশ্ন করুন তবে তোমরা কেন গিয়েছিলে? তোমাদের তো অনেকেই নিষেধ করেছিল। তোমরা তো সব বাধা উপেক্ষা করেই গিয়েছিলে। তোমরা তো এখনও ইউরোপের মাটি কামড়ে পড়ে আছ। দেশে আমরা যা কিছু করে টাকা কামাচ্ছি তোমরা আমাদের চেয়ে বেশী টাকা কামাচ্ছ। তবে কেন শুধু শুধু আমাদের হতাশ করছো? হ্যাঁ আমরা জানি বিদেশে কষ্ট করেই টাকা কামাতে হয়। দেশে আমরা ক্রশ ফায়ারে মরছি, গাড়ি দুর্ঘটনায় মরছি, বন্যায় মরছি, না খেয়ে মরছি, রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে মরছি, না হয় ধুঁকে ধুঁকে মরছি-মরছি তো? তোমরা তো মরছো না। এ্যালকোহল খেয়ে দিব্বি চুর হয়ে আছ। গালে লাল লাল টোল পড়ছে দিনে দিনে। যদি দু’ একটা সোনালী চুলো ভাগ্যে জুটে যায় তো কেল্লা ফতে! একেবারে ইউরোপের রাজা বন গিয়া! পাসপোর্ট পর্যন্ত করিয়ে ছাড়বে সেই সোনালী চুলো।
যাইহোক, বলছিলাম পোল্যান্ডের জব ভিসার কথা। ব্লগে সব বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের উল্টোপাল্টা মতামত দেখে বিরক্ত লাগে। বিদেশে গিয়ে এখন চাইছে যেন কেউ না যায় দেশ থেকে। এরা কিন্তু একসময় ভালই থাকবে মাঝে আপনি বিভিন্ন মতামত নিতে গিয়ে পড়ে যাবেন বিপদে। কোনদিন আপনার জব ভিসায় ইউরোপ যাওয়া হয়ে উঠবেনা। পোল্যান্ডে জব ভিসার খরচ কিন্তু কমেছে। টোটাল টাকা ৯ লাখ ৫০ হাজার। আগে কোন টাকা অগ্রিম দিতে হবেনা। যা করতে হবে তা হলো আমাদের সাথে আপনি একটি জয়েন্ট এ্যাকাউন্ট করবেন এবং এ্যাকাউন্টে পুরো টাকাটা রাখবেন। তারপর প্রসেসিং আরম্ভ করবেন।
ভিসা হলে টাকা দেবেন নতুবা এক টাকাও না। ইন্ডিয়া যেতে হবে নিজের খরচে। কয়েকটা দিন থাকতে হবে নিজের খরচে। তারপর একেবারে ভিসা নিয়ে দেশে চলে আসবেন। প্রসেসিং শুরু করার আগেই ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে ভিসা২৪বিডিডটকমে সাইন আপ করে রিজিউম আপ করুন। অতঃপর সেখান থেকেই আবেদন করুন। সম্পর্কে

কিছুদিন পূর্বে আমাদের ব্লগ সাইটেই আমরা লিখেছিলাম পোল্যান্ডে ভিসা বন্ধ রয়েছে। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর খুবই ক্ষুদ্র পরিসীমার মধ্যে ভিসা সেবা চালু হয়েছে দিল্লীস্থ পেল্যান্ড কনসুলেটে। হঠাৎ ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে আমাদের বহু প্রার্থীই পোল্যান্ডে আটকা পড়ে যান, যারা পাসপোর্ট না থাকার কারনে দেশে আসতে পারছিলেন না। ভিসা২৪বিডি এর পক্ষ থেকে একদল প্রতিনিধি দিল্লীর শান্তিপথ চানক্যপুরী এলাকায় অবস্থিত পোল্যান্ড এ্যামবাসিতে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তারা কিছু জানাতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে ভারতের কিছু বড় বড় এজেন্সির সহায়তায় প্রতিনিধিদল আবারও বিষয়টি নিয়ে বসলে পোল্যান্ডের কিছু সুত্র নিশ্চয়তা দেয় যে খুব শিগ্রী বিষয়টি নিস্পত্তি করা হবে। গত শনিবার থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হলে বাংলাদেশীদের ভিসা লাগানো পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেয়া হয়।
পোল্যন্ডে ভিসা কার্যক্রম চালু হওয়াতে আমরা আবারও পোল্যান্ডের জব ভিসা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এবং নতুন কিছু সুত্রানুসন্ধানের পর আরও জোরদারভাবে এবং খুবই অল্প সময়ের ভেতর ভিসা পাওয়ার জন্য আশ্বাস পেয়েছি। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে নতুন যে অফারটি পোল্যান্ডের জন্য শুরু করেছি তা নিম্নরূপঃ
জব ভিসা ইন পোল্যান্ডঃ
তথ্য ও সহযোগিতায়ঃ ভিসা২৪বিডিডটকম
কাজঃ ফ্যাক্টরি জব, যে কোন ধরনের
বেতনঃ বাংলাদেশী টাকায় ৬০ হাজার টাকা।
কাজের সময়ঃ ৯-৫টা।
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রবিবার।
ওভারটাইমঃ কাজের সময়ের বাইরে।
থাকা ও খাওয়াঃ কোম্পানীর/ অনেকক্ষেত্রে থাকা কোম্পানী খাওয়া নিজের।
প্রসেসিং সময়ঃ মাত্র ২ মাস।
টোটাল পেমেন্ট আফটার ভিসাঃ ১১ লাখ। ভিসা ক্লাব মেম্বারদের জন্য ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
শর্তসমূহঃ এজেন্টের সাথে একটি ব্যাংকে যৌথ এ্যাকাউন্ট করতে হবে এবং সেখানে তিন লক্ষ টাকা রেখে প্রসেসিং শুরু করতে হবে। টাকা রাখার পর ৩০০ টাকার এগ্রিমেন্ট হবে।প্রার্থীকে নিজের খরচে দিল্লী যাওয়া আসা করতে হবে ও ন্যুনতম ৩ - ৫ দিন থাকতে হবে।
ভিসা না হলে ৩ লক্ষ টাকার পুরোটাই ফেরৎ পাবে প্রার্থী। দেশে ফেরৎ আসার পর ভিসা না হলে চেক দিয়ে পুরো টাকাটাই তুলে নেবে। আর ভিসা হলে বাকি টাকা এজেন্টের হাতে প্রদান করবে এবং যৌথ এ্যাকাউন্টের চেকে সাক্ষর করে দেবে।
যোগাযোগ করুনঃ ভিসা২৪বিডিডটকম 01772369451
অথবা নিচের বাটন টিপে www.visa24bd.com এ আবেদন করুন সরাসরি। তবে নিরাপত্তার জন্য ভিসা ক্লাবের সদস্য হতে ভুলবেন না।

আপনারা জানেন যে পোল্যান্ড ও পর্তুগাল ইউরোপের মধ্যে দুটি দেশ যে দুটি দেশে অবৈধভাবে বহু মানুষ ছিল তারা বর্তমানে স্থায়ীভাবে কাগজপত্র পেয়ে গেছেন। পোল্যান্ড কৃষিনির্ভর উন্নত দেশ। বেশীরভাগই জব ভিসা পাওয়া যায় কৃষিতে। সেখানে জব ভিসার মেয়াদ শেষ হলে, ভিসাটি ৫ বছর পর্যন্ত রিনিউ করার সুজোগ ছিল। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পোল্যান্ড-এ আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারতেন, বা পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো এবং পরিশেষে পোল্যান্ডে স্থায়ী বাসকারী হওয়ার সুযোগ পেতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখেছি 2017 সালের শেষের দিক থেকে এই ভিসার হার দ্রুত কমতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এখন যারা পোল্যান্ডে কোন এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করছেন তারা দীর্ঘ সময়-ভোগান্তির শিকার হবেন এবং শেষ পর্যন্ত কোন ওয়ার্ক পারমিট পাবেন না। আমাদের কাছে বহু ভিসা প্রার্থী ফোন দিয়ে কেবল পোল্যান্ড যাবার ইচ্ছা পোষন করেন। আমরা তাদের সাথে সমইচ্ছা পোষন করিনা। আমরা তাদের আপডেটেড তথ্য প্রদানের চেষ্টা করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ তারা কোন কোন এজেন্টের কথা বিশ্বাস করে পোল্যান্ডের জন্য ফাইল জমা দিচ্ছে। দেখা যাবে ছয় মাস পর তারা ফাইলটি ফেরৎ পাবে কিন্তু এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে কিছু মূল্যবান সময়। তাদেরকে আবারও নতুন কোন দেশের জন্য আবেদন করতে হবে।
তাই এখন আর পোল্যান্ডের জন্য কারো কাছেই ফাইল জমা দেবেন না। আমাদের কাছেও visas4u এর জন্য অনেক ফাইল জমা ছিল যেগুলো আমরা পোল্যান্ডের জন্য প্রসেসিং শুরু করেছিলাম। কিন্তু নভেম্বরের শেষ দিকে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম পোল্যান্ডে কোন একটা সমস্যা হচ্ছে। আমরা দ্রুত ফাইলগুলোকে চেক রিপাবলিকের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিলাম যাতে এই ভিসা প্রার্থীদের সময় নষ্ট না হয় এবং তারা যাতে ইউরোপের সেনজেনভুক্ত অন্য কোন দেশে দ্রুত চলে যেতে পারে জব ভিসাতে। পোল্যান্ডে না যাওয়া হোক চেক রিপাবলিক শিল্পোন্নত প্রতিবেশী দেশ। সেখানে জীবনযাত্রা পোল্যান্ডের চেয়েও আরও ভালো। তাই প্রসেসিং চলমান প্রার্থীগন কোন আপত্তি করেন নি আমাদের কাছে। যদিও চেক রিপাবলিকের ক্ষেত্রে একটু বেশী সময় নিয়ে থাকে দিল্লীর এ্যামবাসিতে, তারপরও পোল্যান্ডের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চেয়ে চেক অনেকখানি উন্নত জীবনযাত্রার সহায়ক হওয়ায় আমরা মনে করি চেক রিপাবলিক পোল্যান্ডের চেয়ে বহুগুনে ভালো ও নিশ্চিত ভবিষ্যত গড়ার জন্য উপযোগী।
তাই নতুন করে কারো কাছে পোল্যান্ডের জন্য ফাইল জমা দেবেন না। এমনও হতে পারে যে 2018 এর এপ্রিল বা মে মাসেই আবার নতুন করে পোল্যান্ডের যাত্রা শুরু হলো। সেক্ষেত্রে আমরাই প্রথম আপনাকে জানাবো এই কথা। এখনও পর্যন্ত পোল্যান্ড অনিশ্চিত ও অন্ধকার। অনেক এজেন্ট আমাদের এই কথার প্রতিবাদ করতে পারেন। তাদেরকে আমরা বলবো যে আমরা নিশ্চিত হয়েই তবে এই পোস্টটি লিখেছি। দিল্লী থেকে নির্ভরযোগ্য ভারতীয় তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা এই রিপোর্টটি তৈরী করেছি। আপনি নিশ্চিত থাকুন গলায় কাঁটা বিঁধে থাকার মতো পোল্যান্ডে বা এ্যামবাসিতে ফাইলটি ঝুলে থাকবে। অতঃপর রিফিউজ হবে।শুধু শুধু ফাইল নেবেন না। সত্য কথা বলে সঠিক পথের সন্ধান দিন মানুষকে। মানুষ কৃতজ্ঞ থাকবে। কৃতজ্ঞতার মূল্য ব্যবসায়িক মূল্যের চেয়ে অনেক বেশী।

বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য পোল্যান্ডের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হতে পারে এক সুবিধাজনক বিকল্প। ইইউ-ভুক্ত হওয়ার পর পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমান্বয়ে ইংরেজি মাধ্যমে কোর্স চালু করছে, যা বিদেশী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আকৃষ্ট করছে। গত বছর ওয়ারশ’তে বাংলাদেশ দূতাবাস চালু হওয়ার পর থেকেই, দূতাবাস পোল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। আমরা পোল্যান্ডের কাজ করছি প্রায় ২ বছর। এর মধ্যে স্টুডেন্ট ভিসা হয়েছে প্রায় ৩৩টি। বর্তমানে পোল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আমাদের কাছে আসতে পারেন। আমাদের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য টোটাল কস্ট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ভিসার আগে দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। আমরা সিকিউরিটি ডিপোজিট ছাড়া কাজ করিনা। কম বেশী সিকিউরিটি জমা আপনাকে দিতে হবেই। পোল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে আপনার সিজিপিএ থাকতে হবে 3.0 এবং IELTS এ 5.5। আপনার আর কোন পেপার সাপোর্ট দরকার নেই। যা কিছু আমরাই করবো। দিল্লী যাবার খরচ আমাদের। ভিসার জন্য সময় প্রয়োজন ৩ মাস। ভিসা হবে এপ্রিল মাসে। আমরা আপনার পেপার সাবমিট করবো জানুয়ারী মাসে। তাই আপনাকে আমাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করতে হবে ৫ই জানুয়ারীর মধ্যে।
এজেন্ট বিজ্ঞাপন নং ৭৭৩
এজেন্ট নং-৮১০৯

আপনি এই ভিসা নিয়ে ইউরোপের সেটেল হতে পারবেন . দূতাবাস থেকে ডি ভিসা হবে . যা সাধারণত ০১ বছরেরমাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা হয়ে থাকে . আর একথা সুস্পষ্ট যে, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে, ভিসাটি ০১-০৪ বছর এমনকি বহু বছর পর্যন্ত ভিসা রিনিউ করতে পারবেন . দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পোল্যান্ড-এ আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন .পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো এবং পরিশেষে পোল্যান্ডে স্থায়ী বাসকারী হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন.
যেভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে
ধাপ 1: ডকুমেন্টস জমা করতে হবে
ধাপ 2: ৬০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হবে
ধাপ 3: আম্বাসি-তে ভিসার জন্য ডকুমেন্ট জমা করতে হবে
ধাপ 4: বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই
চাকরির ধরন
পোল্যান্ডে অনেক ধরনের কাজ আছে।(শিক্ষাগত ও কাজের অভিজ্ঞতা অনুসারে). অগ্রাধিকারভুক্ত চাকুরীর খাত সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো-
1. বিজনেস ম্যানেজমেন্ট / মার্কেটিং অফিসার / একাউন্টেন্ট ইত্যাদি
2. বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়ার. / সিভিল ইঞ্জিনিয়ার. / ইলেক্ট্রনিক মেকানিক ইত্যাদি
3. আইটি , ফ্যাশন ডিজাইন
4. মেডিকেল / মেডিসিন স্পেশালিস্ট
5. হোটেল / রেষ্টুরেন্ট সুপারভাইজার / অফিসার
সময়
60 দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট/ভিসা লেটার ইস্যু হয় +ভিসা প্রসেsসিং সময় (সাধারণত 30-40 দিন প্রায়। দূতাবাসের নিয়ম অনুসারে)
আবশ্যকতা
1. নূন্যতম এইচএসসি (১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা)
2. ইংরেজিতে কথা বলার সাবলীলতা
3. বয়স 18+
4. উদ্যমী, স্মার্ট, কাজ করতে আগ্রহী এবং চরিত্রভাবে বিশ্বস্ত
For visa application following documents have to submit at embassy:
Part 2
· Passport
· Photo (35mm x 45mm)
· Education Certificates + Marksheet (attested)
· Training / Workshop certificates
· Employment details (Experience Letter , Employment Certificate, Office ID, Salary cert., leave letter)
· Bank statement (< 3.5 lakh)
· Insurance
· Police clearance
· India Visa
· Birth Certificate / voter ID
· Family details
বর্তমানে আমাদের এজেন্টগন সাফল্যের সাথে পোল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিটের কাজ করছেন। সাফল্যের হার 99%। ভিসার আগে আমরা কোন প্রকার অগ্রীম নেইনা। বর্তমানে আমাদের রেট ১১ লক্ষ টাকা ভিসার পর। পোল্যান্ডে কাজের ধরন স্টেপ অনুসারে নিচে দেখানো হলো। যারা পোল্যান্ডে আগ্রহী তারা নিচের স্টেপগুলো পছন্দ হলেই কেবলমাত্র আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
১। ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র। চুক্তিপত্রের সময় ক্যান্ডিডেট নিজের এ্যাকাউন্টের একটি এ্যাডভান্স ডেটেড চেক প্রদান করবেন। চেকের ডিটেইলস চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে।
২। ওয়ার্ক পারমিট আসলে ক্যান্ডিডেট নিজের খরচে ভারতে যাবেন এবং ৭ থেকে ১২ দিন থাকবেন।
৩। দিল্লীর পোলিশ এ্যামবাসি থেকে নিজের হাতে ভিসা গ্রহনের সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে আমাদের এজেন্টকে ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করতে হবে।
৪। এরপর ক্যান্ডিডেট বাংলাদেশে চলে আসবেন পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে। বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি মন্ত্রনালয়ে পাসপোর্ট ম্যান পাওয়ার পারমিশনের জন্য জমা দিতে হবে। ম্যান পাওয়ার হবার সাথে সাথেই বাকি তিন লক্ষ টাকা এজেন্টকে প্রদান করতে হবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি visas4u পর্যবেক্ষন করবে। আমরা দেখবো আপনি যাতে অনিরাপদ বোধ না করেন এবং এজেন্টের কর্মশ্রমের প্রাপ্তি যেন নিরাপদ হয়। প্রক্রিয়াটি পছন্দ হলে যোগাযোগ করুন: 01772369451