আপনি অবাক হবেন এটা শুনলে যে, চায়নায় মাত্র ৪ লক্ষ টাকায় শুধু ১ বছরের টিউশন ফি নয়, থাকা-খাওয়া, বিমান ভাড়া, ভিসা ফি, ইনশ্যুরেন্স, মেডিকেল ভিসার আগে সকল খরচ চলে যায়। আপনি বাংলাদেশে যদি কাউকে পড়াশোনা করাতে চান হোস্টেলে রেখে তবে এর চেয়ে বেশী টাকা চলে যায়। সেখানে আপনি চিনের চমৎকার চমৎকার অত্যাধুনিক শহরে থাকা খাওয়া পড়াশোনা করছেন মাত্র ৪ লাখ টাকায়! এটা কি অবিশ্বাস্য নয়? যদি আপনি সত্যিকার অর্থে পড়াশোনা করতে চান। চায়নায় এমবিএ, বিবিএ, ট্রিপল ই সব করতে পারবেন এই টাকায়। কারন আপনি চায়নায় স্কলারশিপ পাচ্ছেন। এর জন্য যে আপনার খুব ভালো রেজাল্ট থাকতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার এসএসসি এইচএসসিতে ৩.০ থাকলেই চলবে।
ভিসাসফরইউ খুব অল্প সময়েই আপনার জন্য করে দেবে এই ভিসা। চিনে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য যে সময়টুকু লাগবে তা হলো কনফারমেশন, মেডিকেল, ভিসার জন্যই। আর চিনে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে রয়েছে ভিসার শতভাগ নিশ্চয়তা। আপনি যদি ইউরোপের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন তবে এমন নিশ্চয়তা কিন্তু পাবেননা। তাই সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন এবং সময় নষ্ট না করে চিনে স্টুডেন্ট ভিসায় ভরতি হয়ে যান। VISAS4U সরাসরি কাজ করবে এই ক্ষেত্রে। দেরি না করে আমাদের মেম্বার হয়ে যান এবং দ্রুততার সাথে চিনে স্থায়ী হয়ে নিজের ভাগ্য গড়ে নিন।
চীনে এমবিবিএস, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইইই, হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ, অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি বিষয়ে পড়া যায়। এমবিবিএসে পড়া কিছুটা ব্যয়বহুল। কারণ, অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশিদের স্কলারশিপ দেওয়া হলেও এমবিবিএসে সবাইকে দেওয়া হয় না। তবে প্রতিবছর বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো করলে এমবিবিএসে কাউকে কাউকে স্কলারশিপ দেয়। পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবেন।প্রথমে এসএসসি ও এইচএসসির মার্কসিট, সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে অফার লেটারের জন্য আবেদন করতে হবে। চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইট চায়নিজ ভাষায় হওয়ায় নিজে নিজে আবেদন করা কষ্টসাধ্য। এ ক্ষেত্রে চায়নিজ ভাষা জানে এমন এজেন্সির সাহায্য নেওয়া যায়। তবে প্রতারক থেকে সাবধান।
বিশ্ববিদ্যালয় কাগজপত্র পাওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে জেডব্লিউ-২০২ পাঠায়। এটা নিয়ে পরবর্তীকালে ভিসার জন্য দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসার আবেদনের সঙ্গে হেলথ সার্টিফিকেট দিতে হবে। ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চেকআপ করিয়ে সেখান থেকে এই সার্টিফিকেট নিতে হয়। আবেদন করার দুই দিনের মধ্যেই ভিসা পাওয়া যায়। তবে অনেকে প্রথমবার ভিসা পায় না। এ ক্ষেত্রে আবার চেষ্টা করতে হবে। ভিসা পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব চলে আসা ভালো। কারণ, ভিসার মেয়াদ এক মাস থাকে। আসার পর আবার ভিসার মেয়াদ বাড়াতে হয়। এটা বেশ সহজ এবং বেশি সময় লাগে না।
এবার আসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান প্রসঙ্গে। চীনে আমাদের দেশের মতো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সব সরকারি। এখানে আছে প্রায় এক হাজার ১০০ মেডিকেল কলেজ। তবে সব কটি বিদেশি শিক্ষার্থীকে পড়াতে পারে না। আবার আমাদের বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল) চীনের সব মেডিকেল কলেজে পড়ার অনুমতি এবং সার্টিফিকেটের অনুমোদন দেয় না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ভালো, শুধু সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে পড়ার অনুমতি ও অনুমোদন দেয়। তাই চীনে আসার আগে অবশ্যই বিএমডিসি থেকে অনুমতি ও একটা সার্টিফিকেট আনতে হবে। এক্ষেত্রে খরচ মাত্র ১০০০ টাকা।
এখানকার একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি একেক রকম। আমাদের যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে চুক্তি আছে সেখানে এক বছরের টিউশন ফি চীনের মুদ্রায় (আরবিএম) ২৪ হাজার। এক আরবিএম সমান বাংলাদেশের ১৩ টাকা। আবহাওয়াও একেক শহরে একেক রকম। বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করার আগে দেখতে হবে সেই বিশ্ববিদ্যালয় যে প্রদেশে অবস্থিত, সেখানকার গড় তাপমাত্রা কত।
অনেকে বিদেশে পড়ালেখার পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরি করতে চান। কিন্তু চীনে এ সুযোগ নেই। এ ছাড়া যাঁরা এমবিবিএস পড়বেন, তাঁদের সারা দিন ক্লাস আর ল্যাবেই কাটাতে হবে। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থিওরির ক্লাসের চেয়ে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে অনেক বেশি মনোযোগী। সুযোগ থাকলেও এ কারণে তাঁরা খণ্ডকালীন চাকরি করতে পারবেন না।বাংলাদেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজে একবারেই সব টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু এখানে তা করতে হয় না। প্রতিবছর টিউশন ফি হিসেবে পরিশোধ করতে হয়।চীনে আসার আগে রান্নাবান্নাও কিছুটা শিখে আসা ভালো। তা না হলে কয়েক দিন না খেয়ে থাকতে হবে। কারণ, প্রথমে এসে সবাই চায়নিজ খাবার খেতে পারেন না। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশী-ইন্ডিয়ান ক্যানটিন আছে। তবে অনেকে বলে চায়নিজ এমবিবিএস করে এলে বাংলাদেশে চাকরি পাওয়া যায়না এটা ঠিক নয়। আপনি যদি BMDC থেকে রেজিস্ট্রেশন করে যান তবে দেশে এসে প্রাইভেট প্রাকটিশ করতে পারবেন। তবে যেকোন রেজাল্টেই BMDC এর রেজিস্ট্রেশন সম্ভব নয়। এইচএসসির ইংরেজী, কেমিস্ট্রি, ও বায়োলজিতে এপ্লাস থাকতে হবে ও এসএসসিতে এ মাইনাস থাকলে আপনি এর রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তাহলে আপনি চায়না থেকে এমবিবিএস শেষ করে দেশে এসে প্রাইভেট প্যাকটিশ ও সরকারী চাকরি করতে পারবেন।
এ ছাড়া এখানে এসে চায়নিজ ভাষা শিখতে হবে। এটা শেখাটা বাধ্যতামূলক। ভয়ের কিছু নেই, সুন্দরী নারী শিক্ষকেরা অনেক যত্ন সহকারে চায়নিজ ভাষা শেখান।

বর্তমান সময়ে চীন পৃথিবীর দ্রুত অগ্রসরমান দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। চীনারা মনে করে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং রাস্ট্রীয় উন্নয়নের জন্য শিক্ষার কোন বিকল্প নেই; যে কারণে তারা শিক্ষার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করছে। চীনে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমান বৈশ্বিক বিজ্ঞান প্রযুক্তি এবং বিশেষত শিল্পায়নের সবগুলো ক্ষেত্রকে বিবেচনায় এনে কোর্স প্রনয়ন করা হয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে চীনের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক সংখ্যক বিদেশী শিক্ষার্থীকে আকর্ষন করছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্র/ছাত্রী উচ্চ শিক্ষার্থে চীনা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে গমণ করছে। চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে নিম্নে আলোকপাত করা হলো:
প্রথমত করণীয়
চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অসংখ্য প্রোগ্রাম অফার করে থাকে। তাই একজন আগ্রহী শিক্ষার্থীর প্রথম কাজ হবে ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাদের প্রোগ্রামগুলো সম্পর্কে জেনে নিয়ে তার পছন্দের প্রোগ্রামগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরী করা। অতঃপর তাকে চীনের সবচেয়ে ভাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর খোঁজ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, যত বেশী সংখ্যক ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যায় ততোই ভালো, কারণ এতে একজন শিক্ষার্থীর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
আবেদন পত্র
আবেদনপত্রের জন্য একজন শিক্ষার্থীকে তার পছন্দকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। শিক্ষার্থী ইচ্ছা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় ই-মেইল করে আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র তার ঠিকানায় পাঠানোর অনুরোধ করতে পারে। আবেদন ফরম অত্যন্ত যত্নের সাথে পূরণ করতে হবে এবং ঘষামাজা করা চলবে না। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আবেদনপত্র Process করার জন্য একটি নির্ধারিত ফি নিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে এই ফি ৩৮০ ইউয়ান থেকে ৭৭০ ইউয়ান পর্যন্ত হয়ে থাকে। আবেদন ফি অগ্রিম পরিশোধ করে তার রশিদটি আবেদন ফরমের ডকুমেন্টের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়।
যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবেদনপত্রের সাথে নির্দিষ্ট কিছু কাগজপত্র চেয়ে থাকে যেন তারা এসব ডকুমেন্ট থেকে আপনার যোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে। আবেদনপত্রের সাথে যেসব কাগজপত্র পাঠাতে হয় সেগুলোর নিচে উল্লেখ করা হলো:
- HSK সনদ (আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের জন্য ন্যূনতম ব্যান্ড স্কোর ৪-৬, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের জন্য ৫-৮) যা চাইনীজ ভাষায় আপনার দক্ষতা প্রমাণ করবে।
- যেসব আবেদনকারী ইংরেজী ভাষাভাষী নন, তাদের TOEFL বা IELTS এর প্রয়োজনীয় স্কোর থাকতে হবে এবং এর সনদ সংযুক্ত করতে হবে।
- এম বি এ প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চাইলে GRE বা GMAT এর স্কোর শীট সংযুক্ত করতে হবে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন অধ্যাপকের একাডেমিক সুপারিশপত্র (Recommendation Letter) প্রয়োজন যেখানে ফোন নম্বর, ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি সবকিছু উল্লেখ করা থাকবে।
- প্রার্থীর একটি পূর্নাঙ্গ বায়োডাটা সংযুক্ত করতে হবে।
- ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি।
- ৩ কপি সাম্প্রতিক সময়ে তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করতে হবে।
- পাসপোর্টের ফটোকপি
- আবেদন ফি জমা দেয়ার রশিদ।
কোন কোন পর্যায়ে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায়?
আন্ডারগ্র্যাজুয়েট
চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ৪ বছরের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম চালু আছে। এই প্রোগ্রাম সাধারণ শিক্ষা বা কারিগরী শিক্ষা হতে পারে। এই ৪ বৎসরের অধ্যয়ন শেষে আপনি ব্যাচেলর ডিগ্রী পাবেন কিনা তা নির্ভর করবে আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ভর্তি হয়েছেন এবং কোন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন তার উপর। মনের রাখা প্রয়োজন ভালো মানের চীনা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট
চীনের বেশ কিছু কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাচেলর পর্যায়ে সফল শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স ও পি এইচডি ডিগ্রী অফার করে থাকে। মাস্টার্সের জন্য একজন শিক্ষার্থীকে ৩ বৎসর অধ্যয়ন করতে হয় এবং পিএইচডি’র জন্য মাস্টার্সের পর আরো ৩ বছর অধ্যয়ন করতে হয়।
জনপ্রিয় বিষয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়
চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশী ছাত্র-ছাত্রীর কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় শীর্ষস্থানীয় ১০ টি বিষয় এবং এসব বিষয় যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে ভালো পড়ানো হয় সেগুলোর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:
বিষয়ের নাম
|
বিশ্ববিদ্যায়লের নাম
|
ক্লিনিক্যাল মেডিসিন
|
|
- হুয়াজং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- চায়না ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিভার্সিটি
|
|
|
- দালিয়ান মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি
|
|
|
ইন্টারন্যাশনাল ইকোনোমিক্স এন্ড ট্রেড
|
- ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এন্ড ইকোনোমিক্স
|
- সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ফিন্যান্স এন্ড ইকোনোমিক্স
|
|
|
|
|
- গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ
|
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- হুয়াজং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
|
|
|
|
|
|
- চংগিং ইউনিভার্সিটি অব পোস্টস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন
|
বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন
|
- চায়না ইউনিভার্সিটি অব পলিটিক্যাল সায়েন্স এন্ড ল
|
- ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এন্ড ইকোনোমিক্স
|
|
|
- চংগিং ইউনিভার্সিটি অব পোস্টস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন্স
|
|
|
|
|
চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড লিটারেচার
|
|
- ঈস্ট চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটি
|
- সাংহাই নর্মাল ইউনিভার্সিটি
|
- তিয়ানজিন নর্মাল ইউনিভার্সিটি
|
- গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ
|
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
|
|
- হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
|
|
- বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
|
|
|
- ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
|
- হুয়াঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- বেইজিং ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
- হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
- সেন্ট্রাল সাউথ ইউনিভার্সিটি
|
- শ্যাংডং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- নানজিং ইউনিভার্সিটি অব অ্যারোনটিকস এন্ড অ্যাস্ট্রোনটিকস্
|
স্থাপত্য বিদ্যা
|
|
|
|
|
|
- সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
|
- হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
- দালিয়ান ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
|
কম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
|
- হুয়াংজং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
|
- চংগিং ইউনিভার্সিটি অব পোস্টস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন্স
|
- জিয়ান ইউনিভার্সিটি অব ইলেকট্রনিক সায়েন্স একন্ড টেকনোলজি
|
|
|
|
|
- হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি
|
চাইনিজ ট্রেইনিং
|
|
- সাউথ চায়না নর্মাল ইউনিভার্সিটি
|
- বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটি
|
|
|
|
|
চীনের ষ্টুডেন্ট ভিসা
বিদেশে পড়াশুনা করার জন্য ষ্টুডেন্ট ভিসা প্রাপ্তি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। চীনের ক্ষেত্রেও এটা ব্যতিক্রম নয়। বিদেশীদেরকে চীন সরকার যে বিভিন্ন ধরনের ভিসা প্রদান করে থাকে তার মধ্যে এক্স (X) ক্যাটাগরীর ভিসা বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা হিসাবে দেয়া হয়। যে কোন ছাত্র-ছাত্রী যারা ৬ মাস বা তদুর্ধ্ব সময়ের জন্য চীনে পড়াশোনা করতে যাবেন তাদের জন্য তাদের নিকটস্থ চায়না অ্যাম্বাসী থেকে (X) ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।
ভিসার আবেদন
আপনি চীনে পৌছাবার আনুমানিক তারিখের ১ মাস পূর্বে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। কাউন্সেলর অফিস থেকে আপনাকে ভিসার আবেদন ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে বলা হবে যেসব কাগজপত্র আপনার যোগ্যতা প্রমান করবে। আবেদন ফরম অবশ্যই যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। ঘষামাজা করা যাবে না। প্রার্থীর বয়স ১৮ বছরের কম হলে তার পিতা/মাতা তার পক্ষে স্বাক্ষর করতে পারেন। আবেদন ফর্ম অবশ্যই সশরীরে প্রার্থীর নিজ দেশের চীনা অ্যাম্বেসী অথবা নিকটস্থ কনস্যুলেট জেনারেলের অফিসে জমা দিতে হবে। কোনভাবেই ডাকযোগে আবেদনপত্র জমা নেয়া হবে না। প্রার্থী কোন কারণে অসমর্থ হলে তার পক্ষে অন্য কেউ সশরীরে গিয়ে জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
- মূল পাসপোর্ট (ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
- পূরণকৃত ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
- ১ কপি সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের ফটো।
- শারিরীক যোগ্যতার প্রমানপত্র
- চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত “Visa Application Form For International Students” (JW201 or JW 202) এর একটি মূলকপি এবং একটি ফটোকপি।
- যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন সেখান থেকে ইস্যুকৃত “Letter of Admission” এর একটি মূলকপি ও একটি ফটোকপি।
- আপনি যদি ইতোপূর্বে কখনও চীনের ভিসা পেয়ে থাকেন, তবে সর্বেশেষ ভিসার কপি।
- শিক্ষার্থীর সর্বেশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি কভার লেটার।
- পাসপোর্টের “Personal Data Page” এর ফটোকপি।
এভাবে একজন শিক্ষার্থী উপরোক্ত প্রক্রিয়াগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করে ভালো মানের কোন চীনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য নির্বাচিত হতে পারেন।