![]() |
| কেবলমাত্র এই একটি সেতু যুক্ত করেছে এশিয়া আর ইউরোপকে। |
এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের মিলনস্থলে তুরস্কের অবস্থান, যা কামাল আতাতুর্ক এর দেশ হিসেবে পরিচিত। উভয় মহাদেশের মাঝখানে অবস্থান হওয়ায় সেই প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকে শুরু করে বর্তমানেও ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে দেশটি। গত ১৫-১৬ বছরে শিক্ষা খাতে ব্যাপক আধুনিকায়নের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের প্রায় ১৬০টি দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পাড়ি জামায় এশিয়া-ইউরোপের এই দেশটিতে। বাংলাদেশি কিংবা বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তুরস্কে দুভাবে পড়ার সুযোগ রয়েছে। প্রথমত, বৃত্তির আওতায়; দ্বিতীয়ত, নিজ খরচে। তুরস্ক সরকার প্রতিবছর পাঁচ হাজারের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়ে থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংস্থা বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের বৃত্তিসহ তুরস্কে পড়ার সুযোগ করে দেয়। বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি দিয়ে থাকে।
তবে আমাদের অফারের আওতায় এই বৃত্তি নেই। যদি কেউ পড়াশোনার জন্য তুরস্কে আসে তবে এই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাৎসরিক ৮ হাজার ডলার গুনতে হবে। আর কেউ যদি নেহাৎই তুরস্কে আসে চাকরির আশায় তাহলে তাকে স্টুডেন্ট ভিসাতে আসতে হবে। কারন তুরস্কে স্টুডেন্ট ভিসায় এসে চাকরি এবং টিআরপি বা টেম্পরারী রেসিডেন্স পারমিট গ্রহনের সুজোগ রয়েছে।
আমাদের এই অফারে স্টুডেন্টের কোন IELTS এর প্রয়োজন নেই। এসএসসি ও এইচএসসি রেজাল্ট ৩.০ এর নিচে নামা যাবেনা। ব্রেক অফ স্টাডি ৩ বছরের বেশী গ্রহনযোগ্য বলে বিবেচিত হবেনা। স্টুডেন্ট ঢাকাস্থ তুর্কি এ্যামবাসিতে নিজে পেপার সাবমিট করে ভিসা নেবে। এজন্য তাকে একটি ইন্টারভিউতে অবতীর্ন হতে হবে।
আপনার ভিসার জন্য লাগবে পাসপোর্ট যার মেয়াদ অবশ্যই ৬ মাসের অধিক হতে হবে। চার কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, স্টাডি কন্টিনিউশন লেটার, ইংরেজীতে করা বার্থ সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার। আপনার নিজের একটি স্কাইপ এ্যাকাউন্টের প্রয়োজনও রয়েছে।
সম্পুর্নভাবে ভিসা পেপার প্রসেসের জন্য প্রয়োজন সময় ২ মাস। আমাদের এজেন্টকে আগে কোন টাকা দিতে হবেনা। ভিসাসফরইউ এর নিজস্ব একটি পদ্ধতির মধ্যে প্রধান পদ্ধতিটি হলো আমরা ভিসার আগে কোন টাকা নেইনা। সব টাকা পরে। তাই আপনাকেও তৈরী থাকতে হবে ভিসার পর পেমেন্ট দেয়ার জন্য। ভিসার পর আপনাকে দিতে হবে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকার মধ্যে যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকবে তা হলোঃ ভিসা ফি, ব্যাংক স্পনসর, ইন্সুরেন্স, ১ বছরের টিআরপি কার্ড (টেম্পরারী রেসিডেন্স পারমিট), বিমান ভাড়া, ও এ্যাডমিশন চার্জ। তবে মেডিকেল প্রার্থীকে করতে হবে নিজের টাকায়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে আনতে হবে নিজের থানা থেকে। এছাড়া নিজের খরচে শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও বৈদেশিক মন্ত্রনালয় থেকে নিজের সার্টিফিকেট এ্যাটেসটেশন করে আনতে হবে।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন তুরস্কের পরের দেশই হচ্ছে ইউরোপের বুলগেরিয়া। তুরস্কের মানুষের সাথে ও আবহাওয়ার সাথে ইউরোপের মিল রয়েছে। পৃথিবীতে মুসলমানদের মধ্যে সোনালী চুলের মুসলমান দুটি দেশে দেখা যায়। একটি তুরস্ক ও অন্যটি বসনিয়া হার্জেগোভিনা। তুরস্ক থেকে খুব সহজে বুলগেরিয়া চলে যাওয়া যায়।
