আপনি জানেন যে, পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ কানাডা তাদের কুইবেক প্রদেশে ৫০,০০০ ইমিগ্র্যান্ট নেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে। একে বাংলায় বলা হয়ে থাকে অভিবাসী ভিসা, কেউ বলে মাইগ্রেশন ভিসা। যে যাই বলুকনা কেন এই সমস্ত ভিসা অন্যান্য সকল ভিসা থেকে আলাদা। যেমন ধরুন আপনি স্টুডেন্ট হিসাবে বা টুরিস্ট হিসাবে কানাডায় ঢুকতে চাইলে সেদেশের ইমিগ্রেশন আপনাকে রিফিউজ করতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ইমিগ্রেশন ভিসার জন্য আবেদন করেন তবে আপনার যদি পয়েন্ট থাকে তবে আপনাকে কখনই রিফিউজড হতে হবেনা।তাই বেশরিভাগ মানুষ কানাডায় এ্যাপ্লাই করতে চান এই ক্যাটাগরিতে। কানাডার সব ভিসা ক্যাটাগরির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হলো স্কিলড ওয়ার্কার ভিসা (skilled workers). খেয়াল রাখবেন স্কিলড ওয়ার্কার ভিসার পয়েন্ট সিস্টেম একটু বেশী কঠিন তবে একবার পয়েন্ট পেয়ে গেলে ওদেশের ইমিগ্রেশন কতৃপক্ষ চেষ্টা করেও আপনাকে রিফিউজড করতে পারবেনা। তাই একটু চেষ্টা করে দেখুন আপনার পয়েন্ট কি এর সাথে মেলে কিনা। একবার চেষ্টা করে দেখুননা। যদিও এর ফর্ম একটু দীর্ঘ, তারপরও একটু সময় নিয়ে জীবনের মোড় ঘোরাবার চেষ্টা করুননা। ফর্মের মাঝামাঝি গিয়ে থেমে যাবেননা। সময় নিয়ে ফর্ম পূর্নাঙ্গভাবে পুরন করুন। নিচের লিংকে ক্লিক করে কানাডিয়ান সাইটে যান এবং ফর্ম পুরন করুন।এটিকে বলা হয় কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন ভিসা পয়েন্ট ক্যালকুলেটর।
Follow us
Newsletter
Showing posts with label Study Canada. Show all posts
Showing posts with label Study Canada. Show all posts
Saturday, May 13, 2017
Sunday, April 16, 2017
শুরু হচ্ছে কানাডার স্কিলড মাইগ্রেশন
On April 16, 2017
In Canada, Canada visa, Study Canada, কানাডায় পড়াশোনা, কানাডায় মাইগ্রেশন, কানাডার চাকরি, ভিসা
কানাডায় অভিবাসনের নতুন সুযোগ দিচ্ছে দেশটির সরকার। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার নামক এই কার্যক্রমের আওতায় ৫০ ক্যাটাগরিতে ভিসা দেবে দেশটি। চলতি মাসের শুরু থেকেই এই কর্মসূচীর অধীনে আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম প্রায় ১ বছর পর্যন্ত চলবে। সারা পৃথিবী থেকে ২৫ হাজার প্রার্থী কানাডায় পাড়ি জমানোর সুযোগ পাবেন।আবেদনকারীর যোগ্যতা প্রমাণে কিছু শর্ত দিয়েছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। সবগুলো শর্ত পরিপালনের ক্ষেত্রে নাম্বার ধরা হয়েছে ১০০ পয়েন্ট। একজন আবেদনকারীর ন্যূনতম ৬৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। অর্থসূচকের এ রিপোর্ট থেকে আপনি মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার যোগ্যতা আর প্রাপ্য পয়েন্ট।
যে কেউ চাইলেই স্কিলড ওয়ার্কার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তার জন্য অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।
- পাঠকদের সুবিধার্থে অর্থসূচকের পক্ষ থেকে এই অবশ্য পূরণীয় শর্তগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হল : -
- প্রার্থীর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পেশায় এক বছরের পূর্ণকালীন কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে ১০ বছরের আগের অভিজ্ঞতা অযোগ্যতা বলে পরিগণিত হবে।
- এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই কানাডার জাতীয় পেশাগত শ্রেনীবিভাজনের আওতাধীন হতে হবে।
- প্রার্থীকে অবশ্যই ইংরেজী অথবা ফ্রেঞ্চ ভাষায় দক্ষ হতে হবে। এক্ষেত্রে ভাষার দক্ষতা প্রমাণের জন্য আইইএলটিএসের মতো আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফলাফল প্রমাণ হিসাবে দাখিল করা যাবে।
- প্রার্থীর অবশ্যই ছয়টি সিলেকশন ফ্যাক্টরের ১০০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই ৬৭ থাকতে হবে। (এই বিষয়ে নিম্নে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে)।
- প্রার্থীর কানাডায় নিজের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
- প্রার্থীকে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজে সম্পৃক্ততা অযোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।
সিলেকশন ফ্যাক্টর -
শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভাষার দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স, কানাডায় চাকরি প্রস্তাব এবং অভিযোজ্যতা এই ছয়টি বিষয়কে সিলেকশন ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য করে কানাডা। এই ছয়টি ফ্যাক্টর অধীনের মোট ১০০ পয়েন্টের প্রেক্ষিতে প্রার্থীর যোগ্যতা বিচার করা হয়। এক্ষেত্রে ৬৭ নাম্বার পাওয়া যোগ্যতার প্রাথমিক শর্ত। বলতে গেলে এই সিলেকশন ফ্যাক্টরই কানাডায় আবেদনের প্রধান বিবেচ্য।
শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভাষার দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স, কানাডায় চাকরি প্রস্তাব এবং অভিযোজ্যতা এই ছয়টি বিষয়কে সিলেকশন ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য করে কানাডা। এই ছয়টি ফ্যাক্টর অধীনের মোট ১০০ পয়েন্টের প্রেক্ষিতে প্রার্থীর যোগ্যতা বিচার করা হয়। এক্ষেত্রে ৬৭ নাম্বার পাওয়া যোগ্যতার প্রাথমিক শর্ত। বলতে গেলে এই সিলেকশন ফ্যাক্টরই কানাডায় আবেদনের প্রধান বিবেচ্য।
শিক্ষা-
শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডক্টরেটের জন্য ২৫, স্নাতকোত্তরের জন্য ২৩ ও অন্যান্য যোগ্যতার জন্য ক্রমানুসারে পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন সর্বনিম্ন সীমা নেই, তবে কোনো কোনো পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক থাকা বাধ্যতামূলক।
শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডক্টরেটের জন্য ২৫, স্নাতকোত্তরের জন্য ২৩ ও অন্যান্য যোগ্যতার জন্য ক্রমানুসারে পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন সর্বনিম্ন সীমা নেই, তবে কোনো কোনো পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক থাকা বাধ্যতামূলক।
ভাষা-
ইংরেজী ও ফ্রেঞ্চ কানাডার দাপ্তরিক ভাষা। প্রার্থীকে এই দুই ভাষার যে কোন একটিতে বলা, পড়া, লেখা ও শোনার ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে। ভাষার জন্য সিলেকশন কোটায় মোট ২৪ পয়েন্ট বরাদ্দ রয়েছে। প্রার্থীকে অবশ্যই এর মধ্যে ১৬ পয়েন্ট পেতে হবে।
ইংরেজী ও ফ্রেঞ্চ কানাডার দাপ্তরিক ভাষা। প্রার্থীকে এই দুই ভাষার যে কোন একটিতে বলা, পড়া, লেখা ও শোনার ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে। ভাষার জন্য সিলেকশন কোটায় মোট ২৪ পয়েন্ট বরাদ্দ রয়েছে। প্রার্থীকে অবশ্যই এর মধ্যে ১৬ পয়েন্ট পেতে হবে।
কাজের অভিজ্ঞতা-
কাজের অভিজ্ঞতার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৯ পয়েন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বা কমপক্ষে ১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
কাজের অভিজ্ঞতার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৯ পয়েন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বা কমপক্ষে ১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়স –
বয়সের জন্য মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ রেখেছে কানাডা। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের জন্য ১২ পয়েন্ট এবং এর অধিক বয়সের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য ১ পয়েন্ট করে বাদ দেওয়া হবে। বয়স ৪৭ এর বেশি হলে কোন পয়েন্ট প্রদান করা হবে না। তবে বয়সের ক্ষেত্রে পয়েন্ট পাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
বয়সের জন্য মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ রেখেছে কানাডা। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের জন্য ১২ পয়েন্ট এবং এর অধিক বয়সের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য ১ পয়েন্ট করে বাদ দেওয়া হবে। বয়স ৪৭ এর বেশি হলে কোন পয়েন্ট প্রদান করা হবে না। তবে বয়সের ক্ষেত্রে পয়েন্ট পাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
কানাডায় চাকরি প্রস্তাব-
কানাডায় পৌঁছানোর আগে প্রাপ্ত চাকরি প্রস্তাবের জন্য সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রার্থী বৈধ নিয়োগের জন্য ১০ পয়েন্ট এবং অভিযোজ্যতার কোটায় ৫ পয়েন্ট বোনাস পাবেন। তবে ভিসার আবেদনের জন্য চাকরির প্রস্তাব বাধ্যতামূলক নয়।
কানাডায় পৌঁছানোর আগে প্রাপ্ত চাকরি প্রস্তাবের জন্য সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রার্থী বৈধ নিয়োগের জন্য ১০ পয়েন্ট এবং অভিযোজ্যতার কোটায় ৫ পয়েন্ট বোনাস পাবেন। তবে ভিসার আবেদনের জন্য চাকরির প্রস্তাব বাধ্যতামূলক নয়।
অভিযোজন ক্ষমতা-
কানাডায় গিয়ে প্রার্থীর অভিযোজন সম্ভাব্যতা বিচার করা হয় এই ক্যাটাগরির মাধ্যমে। আর এর জন্য মোট দশ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কানাডায় কাজের ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট পাবেন। কানাডায় অধ্যয়নের ইতিহাস থাকলে পাবেন ৫ পয়েন্ট। এছাড়া স্বামী/স্ত্রী কিংবা পরিবারের কোন সদস্য কানাডায় অবস্থান করলে পাবেন ৫ পয়েন্ট।
কানাডায় গিয়ে প্রার্থীর অভিযোজন সম্ভাব্যতা বিচার করা হয় এই ক্যাটাগরির মাধ্যমে। আর এর জন্য মোট দশ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কানাডায় কাজের ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট পাবেন। কানাডায় অধ্যয়নের ইতিহাস থাকলে পাবেন ৫ পয়েন্ট। এছাড়া স্বামী/স্ত্রী কিংবা পরিবারের কোন সদস্য কানাডায় অবস্থান করলে পাবেন ৫ পয়েন্ট।
এই শর্তগুলো পূরণ হলে যে কেউ চাইলে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তবে, আগে নিজের যোগ্যতা বিচার করে ভিসার জন্য আবেদন করুন।
Wednesday, June 22, 2016
কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য
পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েই পেশাজীবির খাতায় নাম লেখাচ্ছেন অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী, অর্থাৎ পড়াশোনা শেষেই চাকরি! এমন দেশের উদাহরণ দিতে গেলে প্রথম সারিতেই আসবে ‘কানাডা’। বিশ্বমানের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ থাকায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ প্রতি বছরই পাড়ি দিচ্ছে কানাডায়। বর্তমানে কানাডা সরকার তাদের বৈদেশিক নীতি কিছুটা শিথিল করতে যাচ্ছে। আগের মতো সিঙ্গাপুর থেকেই ভিসার ডিসিশন যদিও আসবে তারপরও কিছুটা শীথিলতার কারনে আগের চেয়ে বেশীসংখ্যক ছাত্রছাত্রী ভিসা পেতে পারে।
আবেদন যেভাবে:
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে সেশন শুরুর অনেক আগেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি অফিস’ সেশন শুরুর এক বছর আগেই আবেদনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। দেখা যায় যে আপনি যদি জানুয়ারী সেমিস্টারে ভর্তি হতে চান তবে আপনাকে অকটোবরের দিকে পেপার প্রসেস শুরু করতে হবে। সেপ্টেম্বরের জন্য শুরু করতে হবে জুনের দিকে। কানাডায় পড়াশোনা করা যায় দুই ভাষায়−ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ। ইংরেজি ভাষায় পড়াশোনা করতে চাইলে টোফেল স্কোর (আইবিটি) থাকতে হবে ৭৫, আইইএলটিএস-এর ক্ষেত্রে অন্তত ৬.০। পাশাপাশি ভালো একাডেমিক ফলাফল এবং আর্থিক সচ্ছতার নির্ভেজাল কাগজপত্রও থাকতে হবে।
অফার লেটার পেলেই ভিসা আবেদন:
অফার লেটার পাওয়ার পর আবেদন করতে হবে ভিসা বা স্টাডি পারমিটের জন্য। ভিসা পেতে বাংলাদেশে কানাডার দূতাবাস অনুমদিত ভিসা সেন্টারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি জমা দিতে হবে। ঠিকানা: ভিএফএস কানাডা অ্যাপলিকেশন সেন্টার, তাজ ক্যাসিলিনা, ৩সি, তৃতীয় তলা, ২৫ গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। ঢাকা ছাড়াও সিলেট ও চট্রগ্রামে আছে এ ভিসা সেন্টার।
ভিসা আবেদনের ফরম সংগ্রহ করতে কিংবা ভিসা আবেদনের তথ্য জানতে ভিজিট করুন এ সাইটে− www.vfs-canada.com.bd । ‘স্টুডেন্ট ভিসা’র জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-ফিসহ আবেদন জমা দেয়ার পর এ সাইট থেকে আবেদন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থাও জানা যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত কারনে এই পেপার প্রসেসের সাথে যুক্ত তাদের দ্বারা আপনার প্রসেসিং করানোটাই যুক্তিযুক্ত হবে কেননা আপনি হয়তঃ ভালো ইংরেজী জানেন কিন্তু যারা দীর্ঘদিন এসব করে আসছেন তাদের অভিজ্ঞতা অবশ্যই আপনার চেয়ে অনেক বেশী। তাই আমেরিকা বা কানাডার মতো দেশের বেলায় নিজে নিজে অগ্রসর না হওয়াটাই ভালো।
স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে খরচও ভিন্ন:কানাডায় টিউশন ফি কত হবে, তা নির্ভর করে স্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ার ভিন্নতার ওপর। ব্যাচেলর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে বিষয়ভেদে ছয় হাজার থেকে দশ হাজার কানাডিয়ান ডলার খরচ হয় বছরে। অন্যদিকে দুই হাজার থেকে সাত হাজার কানাডিয়ান ডলার হলেই মাস্টার্সের অনেক প্রোগ্রামে পড়াশোনা করা যায় অনায়াসে। প্রসঙ্গত, ১ কানাডিয়ান ডলার প্রায় ৮২ টাকার সমান। অন্যান্য দেশের মতো কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা ২০ ঘন্টা খন্ডকালীন কাজের সুযোগ পায়, তবে এর আগে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে হয়।
বিঃদ্রঃ আপনার যদি IELTS এ ৫.৫ থেকে থাকে তবে আমি আপনার পুরো পেপার প্রসেস করে দেবো। সেক্ষেত্রে ভিসা হবার সম্ভাবনা ৯৫%।
আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।
গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২
আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫
আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬
আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি
আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩
জার্মানীর ভিসা


