ফিজিতে দ্বীপের সংখ্যা হলো ৩৩০টি আর এর আয়তন হলো ১৮০০০ বর্গ কিলোমিটার। আপনি যদি মানচিত্রের দিকে তাকান তবে দেখতে পাবেন খুব কাছাকাছিই রয়েছে আরও দুটো দ্বীপ, যেগুলো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। মাত্র ৯ লাখ মানুষ নিয়ে ফিজি দেশের মূল ভাষা তিনটি। ইংরেজী, ফিজিয়ান ও হিন্দী। যদিও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে এর অবস্থান বেশ কিছুটা দুরে তারপরও অস্ট্রেলিয়ানরা ও নিউজিল্যান্ডাররা একে তাদের দ্বীপই মনে করে। এখানে তারা বেড়াতে আসে, মাছ ধরতে আসে। ফিজিকে বলা হয় অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের রূপকথার রাজ্য। নিউজিল্যান্ডের অনেক গরুর দুধের বিজ্ঞাপনে ফিজির দৃশ্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রতি বছর সারা পৃথিবী থেকে ৫ লক্ষের বেশী দর্শনার্থী ফিজিতে আসেন শুধু এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। আর এখানে খুব সহজেই কাজ খুঁজে পাওয়া যায়। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বার, ক্যাসিনো, ট্রান্সপোর্ট বা ড্রাইভিং সেক্টরে কাজ পাওয়া কোন ব্যপারই নয়।
আমরা বর্তমানে ফিজির ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করছি মাত্র দেড় মাস সময়ের মধ্যে।সাধারনত যারা সৌদি, কাতার কুয়েত বা আবুধাবীর কাজের ভিসার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করেন তারা ওসব দেশে না গিয়ে এখানে আসতে পারেন। কারন মধ্যপ্রাচ্যে লাইফ নেই। ফিজিতে আসতে পারা মানেই একসময় অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডে চলে আসা ও স্থায়ী হওয়া।যদিও এটা অবৈধ, তারপরও অস্ট্রেলিয়াতে এমন বহু বাংলাদেশী পাবেন যারা ফিজিতে গিয়ে সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়া ঢুকে বৈধ হয়েছেন।
ফিজির ওয়ার্ক পারমিট জব ভিসা এক নজরেঃ
কাজঃ রাজমিস্ত্রী/ ফিটার/ কাঠমিস্ত্রী বা কার্পেন্টার/ওয়েল্ডার ইত্যাদি।
কাজের সময়ঃ আট ঘন্টা।
ওভারটাইমঃ আছে।
বেতনঃ ৪০ হাজার টাকা।
কন্ট্রাক্টঃ দুই বছরের ও পুনঃনবায়নযোগ্য।
থাকা ও খাওয়াঃ কোম্পানীর।
ভিসার মূল্যঃ ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
পেমেন্টঃ ভিসার পর।
