Follow us

শুধুমাত্র আমেরিকা কানাডা ইংল্যান্ড এর স্টুডেন্ট ভিজিট ভিসা
হোয়াটসএ্যাপ করুন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১

Newsletter

আমেরিকার স্টেট ইউনিভার্সিটি, কানাডার নামকরা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।আমেরিকা কানাডা ইউকে ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা 01772369451

Thursday, November 30, 2017

কুয়েতের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে কুক, সহকারী কুক নিয়োগ

যারা নিয়মিত বিভিন্ন তথ্য ও সংবাদ সংগ্রহ করেন বা নিয়মিত বিদেশের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দেখে থাকেন তাদের এ বিষয়টি অজানা নয় যে, কুয়েতে নিয়োগ বহুদিন ধরেই বন্ধ ছিল। যেখানে কাতার, আবুধাবী, ওমান নিয়মিত বিজ্ঞাপনে ছিল সেখানে কুয়েত ছিল একেবারে অনুপস্থিত। বর্তমানে কিছু কিছু নিয়োগ নতুন করে শুরু করেছে কুয়েত। যারা কুয়েতে যেতে চান তাদের জন্য ভালো সংবাদ হলো কুয়েতের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, হোটেল ও আবাসিক হোটেল, কুক শেফ ও সহকারী কুকের জন্য বাংলাদেশের দিকে হাত বাড়িয়েছে। যারা কুয়েতের বিষয়ে আগ্রহী তাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ভাষা: আরবী ভাষা কিছুটা জানতে হবে।
অভিজ্ঞতা: আরবী খাবারের নাম ও রন্ধন প্রনালী জানতে হবে এবং তা রাঁধতে জানতে হবে।
অবশ্যই যাদের সৌদি, কাতার, কুয়েত বা আরব দেশে থাকার অভিজ্ঞতা ছিল তারাই এক্ষেত্রে ভালো করবেন। আমাদের কয়েক জন এজেন্ট এই নিয়োগ দিচ্ছেন। বেশ কম টাকায় আপনি যেতে পারবেন কুয়েতে। মাত্র ১ লাখ সত্তর হাজার টাকায় আপনি পাবেন চল্লিশ হাজার টাকা বেতন ও থাকা খাওয়া। কুয়েতী ডেলিগেটের সামনে আপনাকে কিছু রান্না করে দেখাতে হবে যে আসলেই আপনি আরবী খাবার সম্পর্কে জানেন। আর রেগুলার তা রান্না করতেও পারবেন। আর তা হলেই আপনি যেতে পারবেন স্বপ্নের দেশ কুয়েত।
তাই বলে কি আপনি এই সুজোগ নিতে পারবেন না?
যারা আরবী খাবার সম্পর্কে জানেন না তারাও এই সুবিধা নিতে পারেন। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আরবী খাবার শেখার কোর্স করা যায়। আপনি সেসব স্থানে খোঁজ নিতে পারেন। কম বেশী পাঁচ কিংবা সাত হাজার টাকার কোর্স ফি। দশ বারো দিন কোর্স করলেই মোটামুটি ধারনা হয়ে যাবে। তাছাড়া মোটামুটি ইংলিশ জানলে আরবী ভাষা না জানলেও চলবে। দুই মাস সময়ের মধ্যে ভিসা হয়ে যাবে। এই টাকার মধ্যে বিমানভাড়া, ভিসা ফি ও সকল খরচ অন্তর্ভুক্ত। চুক্তি ২ বছরের। ভিসা হয়ে যাবার পর টাকা প্রদান করতে হবে। 
ভেরিফায়েড এজেন্টের সাথে এ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন 01772369451 

Monday, November 20, 2017

আজারবাইজানে পড়াশোনার চমৎকার সুজোগ

পশ্চিম এশিয়ার একটি প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র। এটি কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী স্থলযোটক দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত রাষ্ট্র। আয়তন ও জনসংখ্যার দিকে থেকে এটি ককেশীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৃহত্তম। দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে ইরান, পশ্চিমে আর্মেনিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া। এছাড়াও ছিটমহল নাখশিভানের মাধ্যমে তুরস্কের সাথে আজারবাইজানের একচিলতে সীমান্ত আছে। আর্মেনিয়ার পর্বতের একটি সরু সারি নাখশিভান ও আজারবাইজানকে পৃথক করেছে। দেশটির সংবিধানের ৪৮ নম্বরধারানুযায়ী আজারবাইজান

একটি সেকুলার রাষ্ট্র এবং এতে ধর্মীয়স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।দেশটিতে ৩-৪ শতাংশ খ্রিষ্টানের মধ্যে রাশিয়ান, জর্জিয়ান এবং আর্মেনিয়ান অর্থোডক্সের প্রাধান্য রয়েছে। আজারবাইজান যদিও তেমন ধনী দেশ নয় তারপরও আমাদের দেশের বা পার্শ্ববর্তী দেশের চেয়ে  অনেক এগিয়ে রয়েছে। তাই এদেশ থেকে প্রতি বছর প্রচুর ছাত্র ছাত্রী এই দেশে যাচ্ছে পড়াশোনার জন্য। এখানে পড়াশোনার মান উন্নত এবং খরচ খুব কম। পড়াশোনার খরচ প্রায় বাংলাদেশের মতোই, কিন্তু মানের দিক থেকে ইউরোপ বা আমেরিকার কাছাকাছি। তাছাড়া এখান থেকে অন্যদেশে চলে যাবার সুযোগ রয়েছে। মনে রাখতে হবে যে আজারবাইজান রাশিয়ান স্টেট ছিল তাই পড়াশোনার দিক থেকেও এগিয়ে আছে রাশানদের মতোই। এদেশের অনেক বাবা তার ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিন্তিত। রাজনৈতিক অবস্থা, মাদকের ভয়াল থাবার কারনে ছিন্নভিন্ন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশী যুবসমাজের অস্তিত্ব। ইউরোপের বা আমেরিকার ভিসা যেখানে ১০০% কঠিন এবং প্রচুর অর্থবিত্ত থাকলে সেখানে পড়াশোনা করা যায় সেখানে ৪.৫০,০০০ হাজার টাকায় আজারবাইজানের সবচেয়ে ভালো ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার অসাধারন সুযোগ খোলা রয়েছে। আবার আজারবাইজান থেকে পরবর্তীতে ইউরোপে চলে যাবার সুবিধা থাকায় বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের আজারবাইজানের দিকে বেশ ঝোঁক দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে আমাদের নানা ভেরিফায়েড এজেন্ট তাদের রেট আমাদের পাঠাচ্ছেন। এদের মধ্যে নিচের কয়েকটি রেট ছাত্রছাত্রীদের সবচেয়ে প্রিয়।
Package included (Package 1)

Package amount: Tk  4, 00,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0100)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank Statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 Month accommodation
 (8) Health insurance
(9) Airport Pick up.
(10) ID, Hostel, Library & International student card
(11) TRP card in Azerbaijan


Package included (Package 2)

Package amount: Tk 4,00,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0174)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank sponsor (Local)
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 month accommodation
(9) Airport Contact


Package included (Package 3)

Package amount: Tk 3,50,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0211)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 Month accommodation


Package included (Package 4)

Package amount: Tk 3, 00,000/-(ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0326)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(7) 1 year Tuition fees

Sunday, November 19, 2017

সুইডেনে যাবার পরের অংশ

(আমাদের মাধ্যমে যারা সুইডেনে গেছেন তারা অনেকে বিভিন্ন দেশে চলে গেছেন। আবার অন্য দেশ থেকে ফিরে এসে দেখেছেন আপনাদের পারমিট বাতিল হয়েছে। যারা আমাদের মাধ্যমে সুইডেনে টুরিস্ট ভিসায় বা ভিজিট ভিসায় গিয়ে সঠিক সময়ের ভেতর দেশে ফিরে আসেননি তারা অবশ্যই অবৈধ হয়ে যাবেন। তাদের জন্য এই পোস্ট।)
যারা ইইউ-র নাগরিক না তাদের, অধিকাংশ পরিস্থিতিতে, সুইডেনে কাজ করার জন্য কাজের পারমিট থাকা দরকার৷ কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য, কর্মচারী  হিসাবে আপনি নিশ্চয় চাকরির আমন্ত্রণ পেয়েছেন৷ তাছাড়া, সুইডেনে আসার জন্য, আপনাকে নিশ্চয় একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়েছে ও বৈধ কাজের পারমিট নিয়ে নিতে হয়েছে৷ আপনি সুইডেনে এসে কাজের খোঁজ করার জন্য কাজের পারমিট পাবেন না৷

কাজের পারমিট জারি করার দায়িত্ব সুইডেনের মাইগ্রেশন বোর্ড অর্থাত্ অভিবাসন বোর্ডের

কাজের পারমিটের আবেদন করতে হলে, আপনার সুইডেনে এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই তা করতে হবে৷ আপনি সুইডেনের অভিবাসন বোর্ডের (সুইডেন মাইগ্রেশন বোর্ড ) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ করা ও বসবাস করার পারমিটের আবেদন পূরণ করে দিতে পারেন৷
সুইডেনে আসার জন্য যদি আপনার ভিসার প্রয়োজন হয় তাহলে সুইডেনের দূতাবাস বা কনসুলেটে আপনার কাজের পারমিটের আবেদনটি জমা করতে হবে৷

সুইডেনে কাজের পারমিট পেতে হলে কি কি প্রয়োজন?

কাজের পারমিট পাওয়ার জন্য এগুলি থাকা প্রয়োজন:
  1. আপনার কাছে বৈধ পাসপোর্ট থাকা;
  2. কাজ করার সময়টায় স্বাবলম্বী থাকা;
  3. প্রতি মাসে কমপক্ষে 13,000 এসইকে উপার্জন করা ;
  4. আপনার নিয়োগকর্তা কমপক্ষে দশ দিন যাবত্ সুইডেনে ও ইইউ-তে কর্মনিযুক্তির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন (নতুন কর্মনিযুক্তির ক্ষেত্রে);
  5. সুইডেনের সম্মিলিত চুক্তি অনুসারে বা আপনার পেশা বা ইন্ডাস্ট্রিতে যা প্রথাগত রীতি সেইমত আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে চাকরির শর্তাদি জানাবেন, এবং
  6. আপনার নিয়োগকর্তা আপনার ইন্ডাস্ট্রির শ্রম সংগঠনকে আপনার কর্মনিযুক্তির শর্তাদির বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করার সুযোগ দেবেন৷

সকলের জন্য সমান অধিকার!

আপনার কাছে যদি বৈধ কাজের পারমিট থাকে ও সুইডেনে সাময়িকভাবে কর্মরত থাকেন তাহলে সুইডেনের আইন ও নিয়মানুসার আপনি নিরাপত্তা পাবেন৷ অর্থাত্ পটভূমি বা রাষ্ট্রীয়তা নির্বিশেষে, সুইডেনে বসবাসকারী অ্ন্য সবার মত আপনার একই অধিকার পাবেন৷
এতে অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল কাজের পরিবেশ, ন্যূনতম বেতন এবং ছুটিতে বেতন, কাজের ঘন্টা, কর্মস্থলে বৈষম্য এবং মা বাবার ছুটি পাওয়ার অধিকার৷ এইসব বিষয় আইন, সম্মিলিত ও বেসরকারি নিযুক্তির চুক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যাকে “সুইডিশ মডেল” বলা হয়৷
আপনি কর্মস্থলে বিপজ্জনক কিছু দেখলে, বা যদি আপনার মনে হয় যে আপনার কাজের পরিস্থিতি বিপজ্জনক তাহলে আপনি কর্মস্থলের সেফটি ডেলিগেটের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বা সরাসরি সুইডেনের কর্ম পরিবেশ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে পারেন৷

Thursday, November 16, 2017

দক্ষিন কোরিয়ায় ভিসা পেতে হলে


বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে দক্ষিণ কোরিয়া স্টুডেন্ট ভিসা, ভিসিট ভিসা, বিজনেস ভিসা, জব ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মত ব্যবস্থা করতে না পারলে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। তথ্যগুলো আগে থেকে জেনে নেওয়াই ভাল।

সকল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
– ভিসার জন্য নির্ধারিত আবেদনপত্র (বড় হাতের অক্ষরে পূরণ করতে হবে)
– সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি
– পাসপোর্ট (ন্যূনতম ছয়মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
– বৈধ পাসপোর্টের প্রথম পাঁচ পাতার ফটোকপি (বর্তমানে এমআরপি পাসপোর্টে আবেদন করাই ভালো/ইপিএস ভিসার ক্ষেত্রে এমআরপি বাধ্যতামূলক)
– কনস্যুলার বরাবর আবেদনপত্র
– ব্যাংক স্টেটমেন্ট (ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট সহ)
– এয়ার টিকেট বুকিং স্লিপ
বি দ্রঃ সকল বাংলা কাগজপত্রের ইংরেজী অনুবাদ জমা দিতে হবে।

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আরো যা লাগবেঃ
– ১৫ মাসের মেয়াদ সহ পাসপোর্ট ও পাসপোর্টের প্রথম পাঁচ পাতার ফটোকপি
– সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি (এই ছবি আবেদন ফরমের নির্ধারিত জায়গায় লাগাতে হবে)
– ভিসার জন্য আবেদনকারীর নিজ হাতে লেখা আবেদন পত্র
– ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত ভর্তির সার্টিফিকেট (মূল কপি ও ফটোকপি)
– আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি ও ফটোকপি
– আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন (বার্থ সার্টিফিকেট) এর মূল কপি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে স্বাক্ষরিত সত্যায়িত ফটোকপি
বি দ্রঃ অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় এইটা নিয়ে। সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাউন্টারে কোন বার্থ সার্টিফিকেট জমা নেয়না। এইজন্য আগে থেকেই অন্যকোন ভাবে কাউন্টার পাস নিয়ে ভিতরে গিয়ে সত্যায়িত করতে হয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে নোটারী কপি সাথে নিয়ে যাবেন।
– সিটি কর্পোরেশন (সমমান) থেকে দেয়া ফ্যামিলি রিলেশন সার্টিফিকেট
– একাডেমিক ও অন্যান্য খরচ বহন করা হবে এই মর্মে কোন সার্টিফিকেট (সাধারণত স্কলারশীপ দাতা প্রতিষ্টান বা প্রফেসররা এইটা দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন স্কলারশীপ হলে কতৃপক্ষ ভর্তির সার্টিফিকেটের সাথেই এই সার্টিফিকেট পাঠিয়ে থাকে।অন্যথায় একাডেমিক ও থাকা খাওয়ার খরচ বহনের জন্য আবেদনকারীর নিজের অথবা তার অভিভাবকের অর্থনৈতিক সামর্থের প্রমানপত্র দিতে হবে)
– মাতাপিতার সম্মতিপত্র (সাধারণত ৫০ টাকার স্ট্যাম্পে)
– মাতাপিতার বাংলাদেশী পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ফটোকপি
– পুলিশ ভেরিফিকেশন যা অবশ্যই স্বরাষ্ট্র অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে (এটি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গেলে খুব সহজেই সত্যায়িত করা যায়)
– শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের মূলকপি ও ফটোকপির নোটারী করাতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে (এটি প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সত্যায়িত কপি নিয়ে আবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে সত্যায়িত করতে হবে)
বি দ্রঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার আগে সকল সার্টিফিকেট সংশিষ্ট বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাউন্টারে (সচিবালয়ের ৯ নং কাউন্টার) সকালে জমা দিলে বিকেলে পাওয়া যায়। কিন্তু বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যায়িত করার জন্য সময় লাগবে।

বিজনেস ভিসার জন্য আরো যা লাগবেঃ
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (কোরিয়ার ট্যাক্স অফিস থেকে ইস্যু করা হয়)
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর আমন্ত্রণপত্র ও কোরিয়া থাকা অবস্থায় সকল সাপোর্ট দিবে এমন একটি সার্টিফিকেট
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক (এলসি, আমদানী চুক্তি ইত্যাদি-যদি থাকে)
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর অফিশিয়াল প্যাডে ভিসা রিকোয়েস্টিং লেটার
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর কর্পোরেট সার্টিফিকেট অথবা ট্রেড লাইসেন্স সার্টিফিকেট
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট
– আমন্ত্রণকৃত কোম্পানীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও যিনি আবেদন করবেন তার ব্যক্তিগত ব্যাংক স্টেটম্যান্ট (সর্বশেষ ৬ মাস)

ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আরো যা লাগবেঃ
– ভিসা রিকোয়েস্টিং লেটার
– কোরিয়ার ভ্রমণ পরিকল্পনা
– বিমান টিকেটের বুকিং স্লিপ
– হোটেল বুকিং স্লিপ/ যেখানে থাকবেন তার ঠিকানা এবং ওখানে যে থাকবেন তার প্রমাণপত্র
– ব্যক্তিগত অথবা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ ছয় মাস)
– আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সনদপত্র অথবা ট্রেড লাইসেন্স (যদি থাকে)
– আবেদনকারীর ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
– আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠান থেকে কাজে নিয়োগের ইপ্লয়মেন্ট সার্টিফিকেট
– আমন্ত্রণপত্র এবং কোরিয়ায় সাপোর্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
ইপিএস ভিসাঃ
ইপিএস ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বোয়েসেল সরবরাহ করবে এবং বোয়েসেল পুরো বিষয়টি তদারকি করে। সেক্ষেত্রে ইপিএস ভিসার আবেদনকারীগণ বোয়েসেলের নির্দেশনা মেনে চললেই হবে।

কোরিয়ান দূতাবাসের সময়সূচিঃ
কর্মদিবসঃ রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার
আবেদনপত্র গ্রহণঃ ৯টা-সাড়ে ১২টা
ডেলিভারি প্রদানঃ ৯টা-সাড়ে ১২টা এবং ২টা-৫টা
সাধারণত সাত দিনেই ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন হয়। তবে বিভিন্ন কারণে দেরিও হতে পারে। ভিসা সেকশন থেকে ডেলিভারী নেওয়ার জন্য ফোন করা হয়।
ভিসা ফিঃ সিংগেল (৯০ দিন পর্যন্ত) – ৩০ ডলারের সমপরিমাণ টাকা
সিংগেল (৯০ দিনের বেশি) – ৫০ ডলারের সমপরিমাণ টাকা
মাল্টিপল – ৮০ ডলারের সমপরিমাণ টাকা
কোরিয়ান দূতাবাসে ফোন/ইমেইল করে জেনে নিতে পারেন বিস্তারিতঃ
ঠিকানাঃ
বাসা নং ৪, মাদানী এভিনিউ, বারিধারা, ঢাকা। (আমেরিকান দূতাবাসের উত্তর পশ্চিম কোণে)
ফোন : (০২)৮৮১২০৮৮-৯০
ফ্যাক্স : (০২)৮৮২৩৮৭১
ইমেইলঃ embdhaka@mofat.go.kr
consuldhaka@mofat.go.kr (ভিসা সেকশন )
ওয়েবসাইটঃ http://bgd.mofat.go.kr/english/as/bgd/main/index.jsp

দক্ষিন কোরিয়ায় আমাদের অফারঃ ভিজিট ভিসা ৩ মাসের। পাসপোর্টে মিনিমাম দুটি দেশের (ভারত ও যে কোন একটি-থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়শিয়া) ভিজিট থাকতে হবে। টোটাল কস্ট ভিসা পাবার পর ৭ লাখ টাকা।যোগাযোগ করুনঃ ০১৭৭২৩৬৯৪৫১ এ।

ডি এস ১৬০ পুরন প্রক্রিয়া

আমরা আমেরিকার ভিসার জন্য সর্বপ্রথমে ডি এস ১৬০ নামে একটি ফর্ম পুরন করবো। এটি তখনই করতে হবে যখন আপনি সকল কাগজপত্র যেমন পাসপোর্ট, আমেরিকান সাইজ ছবি (২ ইন্চি বাই ২ ইন্চি), আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশিট (যদি স্টুডেন্ট ভিসার জন্য দাঁড়াতে চান), ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট জোগাড় হয়ে যাবে এবং আপনি ভিসার ফর্ম ফিল আপ করার জন্য প্রস্তুত হন। ডি এস ১৬০ হলো ভিসা ফর্ম। আমেরিকার ভিসার জন্য দাঁড়াবার আগে এটি সকলকেই পুরন করতে হবে।
আগে এই ফর্ম হাতে লিখে পুরন করতে হতো। এখন এটি অনলাইনে পুরন করতে হয়। এই ডি এস ১৬০ ফর্ম হলো সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন একটি স্টেজ। এখানে আপনি আপনার সকল তথ্য প্রদান করবেন এবং ভিসা অফিসার তা দেখবেন। আপনার ভিসা পাবার জন্য ৮০ ভাগ সহায়তা করে থাকে ডি এস ১৬০ ফর্ম। তাই এটি পুরন করার মধ্যে টেকনিক থাকার ভীষন প্রয়োজন। অনেক সময় সরাসরি অনেক তথ্য প্রদান না করেও তা ঘুরিয়ে দেয়া যায়। আর এই ঘুরিয়ে দেয়ার জন্যও অনেকে ভিসা পেয়ে থাকে। এই পর্বে আমরা দেখবো কিভাবে ডি এস ১৬০ ফর্ম পুরন করতে হয়।
অনলাইনে ডি এস ১৬০ পুরন করার জন্য প্রথমে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://ceac.state.gov/GenNIV/Default.aspx

ক্লিক করার পর এমন একটি পেজ ওপেন হবে।













US DEPARTMENT OF STATE এর এই DS 160 ফর্মটি আপনাকে পুরন করতে হবে। DS মানে হলো DEPARTMENT OF STATE. আর এই ফর্মে ১৬০ টি প্রশ্ন আছে তাই এর নাম ডি এস ১৬০। আমরা এবার ১৬০ টি প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাই। দেখুন পেজে একটি ড্রপ ডাউন ফিল্ড রয়েছে যেখানে লেখা SELECT ONE. এখন সেখান থেকে DHAKA, BANGLADESH সিলেক্ট করে দিন। তারপর দেখুন তার নিচে লাল বাটন রয়েছে যেগুলোতে লেখা START AN APPLICATION, UPLOAD AN APPLICATION ও RETRIEVE AN APPLICATION. এবার আপনি যেহেতু শুরু করবেন সেহেতু START AN APPLICATION এ ক্লিক করুন। পরের পেজ ওপেন হলো ঠিক এরকমঃ


দেখুন পেজের উপরে ডান কোনায় একটি এ্যাপ্লিকেশন আইডি রয়েছে যেটি অনেকটা এমন AA005NEXJ4 , প্রথমে দুটি AA থাকাটাই এর ধর্ম। এরপর দুটি 00 থাকবেই। অতঃপর একটি সংখ্যা থাকে তারপর তিনটি অক্ষর, তারপর একটি সংখ্যা আবার একটি অক্ষর। এভাবে দশটি ডিজিটের একটি আইডি চলে আসবে আপনার ফর্মে যেটি অবশ্যই ফর্ম পুরন করার আগে আপনি আপনার মোবাইলে বা ডায়েরিতে লিখে রাখবেন, কেননা এই আইডি স্মরন না থাকলে পরে আপনি এই ফর্মে প্রবেশ করতে পারবেননা। আর প্রবেশ করতে না পারলে আপনার সকল দেয় তথ্য বৃথা যাবে।

যাইহোক, এবার নিচের ড্রপডাউন ফিল্ডটি লক্ষ্য করুন। লেখা আছে WHAT IS THE GIVEN NAME OF YOUR MOTHER'S MOTHER। সেখানে ক্লিক করলে বিরাট বড়ো একটি মেনু নেমে আসবে। ক্লিক করার প্রয়োজন নেই। আপনি উত্তরে কোন একটি পাসওয়ার্ড লিখুন। আপনাকে যে নানীর নাম লিখতে হবে এমন কোন মানে নেই। যে পাসওয়ার্ড স্মরন রাখতে পারেন তা লিখে রাখুন। মনে করুন আপনি দিলেন NURUN. এবার এই পাসওয়ার্ডটি কোথাও লিখে রাখুন।

তারপর নিচের CONTINUE বাটনে ক্লিক করুন। এবার এমন একটি পেজ আসবে।




এখানে প্রথম তিনটি ফিল্ডে SURNAME, GIVEN NAME ও FULL NAME IN NATIVE ALPHABET লেখা আছে। আপনার পাসপোর্ট অনুসারে এবার লিখে ফেলুন ঘরগুলোতে। আপনার নামের দ্বিতীয় শব্দটিই হয় SURNAME. তারপর প্রথম নামটি হয় GIVEN NAME. কিন্তু আপনার নামে যদি তিনটি শব্দ থাকে যেমন ধরুন আপনার নাম যদি হয় খান মোহাম্মদ আমিন, তবে আমিন হলো আপনার সারনেম। খান মোহাম্মদ গিভেন নেম। আবার যদি হয় খান মোহাম্মদ, তবে মোহাম্মদ সারনেম এবং খান গিভেন নেম। এভাবেই পুরন করে ফেলুন দুটি ফিল্ড। তৃতীয় ফিল্ডটি তখনই পুরন করবেন যদি আপনার কম্পিউটারে ইউনিকোড অপশন থাকে তবেই। অর্থাৎ আপনি যদি অনলাইনে বাংলা লিখতে পারেন তবে সেখানে বাংলায় আপনার পুরো নামটাই লিখুন। অন্যথায় নিচের DOESN'T APPLY এ ক্লিক করে চলে আসুন নিচে। আমরা ফর্ম পুরন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি অনুশীলন করার জন্য একজনের ডি এস ১৬০ ফর্ম পুরন করবো। যার ফর্ম পুরন করবো অনুমান করা যাক তার নাম শাহানা রহমান। ইংরেজীতে Shahana Rahman. 
নিচে আরও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। নিচের প্রশ্নগুলো এমনঃ



















Have you used some other name উত্তর সবসময় ‘না।’ নো এর জায়গায় ক্লিক করুন। 

Do you have a telecode that represents your name এর উত্তরও হবে no. 

এবার sex এর ঘরে male বা female সিলেক্ট করে দিন। আপনি মেল হলে মেল এর রেডিও বাটন এ ক্লিক করুন বা ফিমেল হলো ফিমেলের রেডিও বাটন এ ক্লিক করুন।

Marital status এর ঘরে আপনি অবিবাহিত হলে select করুন unmarried বা single. married হলে তা সিলেক্ট করুন ড্রপ ডাউন মেনু থেকে। এরপর date and place of birth এর ঘরে আপনার জন্মতারিখ বসান। তবে প্রথমে দিনের সংখ্যা, তারপর মাসের সংখ্যা এবং সবশেষে বছরের সংখ্যা বসান। 

city এর ঘরে আপনার পাসপোর্ট এ আপনার জন্ম যেখানে হয়েছে বলে দেখানো আছে তাই লিখুন। state or province এর ঘরে সচরাচর does not apply select করে দিতে হয়। 

এবার শাহানা রহমানের প্রথম পৃষ্ঠাটি আপনি পুরন করে ফেলুন। শাহানা রহমানের নাম, জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান লিখে ফেলুন ইচ্ছেমতো। তবে নামের জায়গাটি কিন্তু আরও একটি পাসওয়ার্ড, কেননা আপনি যখন পরে আবার এখানে প্রবেশ করতে যাবেন তখন সারনেমের প্রথম পাঁচটি অক্ষর চাইবে। তখন Shahana Rahman `Rahma'এর অক্ষরগুলো বসাবেন। WHAT IS THE GIVEN NAME OF YOUR MOTHER'S MOTHER এর জায়গায় বসাবেন NURUN এবং জন্ম বৎসরে বসাবেন ১৯৮১ ব্যস, তাহলেই আপনি এই ফর্মে ঢুকতে পারবেন। তবে খেয়াল রাখবেন, সবার আগে এই AA005NEXJ4 এ্যাপ্লিকেশন আইডিটি দিতে হবে। তবে সবশেষে country হিসাবে বাংলাদেশকে ড্রপ ডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে দিয়ে নিচের next বাটনে ক্লিক করুন। চলে যান পরের পেজে। পরের পেজটি এমনঃ
এই পেজে আপনার আরও কিছু ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাইবে তারা। যেমন প্রথমে লেখা রয়েছে COUNTRY/ REGION আপনি সেখানকার ড্রপ ডাউন মেনু থেকে বাংলাদেশ সিলেক্ট করে দিন। এরপর NATIONAL IDENTIFICATION NUMBER এর ঘরে আপনার যদি ন্যাশনাল আইডি থাকে তবে তার নাম্বার লিখুন অন্যথায় আপনার বার্থ সার্টিফিকেটের নাম্বার লিখুন্। এরপর US SOCIAL SECURITY NUMBER এর ঘরে DOESN'T APPLY এ ক্লিক করুন। US TAXPAYER NUMBER এর ঘরেও DOESN'T APPLY এ ক্লিক করুন। এই পেজের এখানেই সমাপ্তি। নিচের নেক্সট বাটনে ক্লিক করে পরের পেজে যান। পরের পেজটি এমনঃ


STREET ADDRESS (LINE 1) এ আপনি আপনার পাসপোর্টে যেমনভাবে লেখা আছে ঠিক সেভাবে বাড়ির নাম্বার ও রোড নাম্বার লিখবেন। যদি রোড না থাকে তবে কেবল বাড়ির নাম্বারটাই বসান। গ্রামের ঠিকানা হলে প্রথম ঠিকানার প্রথম লাইনটি বসান। STREET ADDRESS (LINE 2) তে এলাকার নাম বসান বা গ্রামের নাম বসান CITY তে শহরের নাম বসান। STATE OR PROVINCE এ কোন কিছু না দিয়ে ডাজ নট এ্যাপ্লাইতে টিক দিন। POSTAL ZONE ZIP CODE এ আপনার পোস্টকোড বসান। COUNTRY REGION এ বাংলাদেশ বসান। এরপর নিচের ঘরগুলো দেখুন।



এবার বাকি প্রশ্নগুলো এমন Is your mailing address the same as home address যদি আপনার স্থায়ী ঠিকানাই চিঠি পাঠানোর ঠিকানা হয় তবে নিচের রেডিও বাটনের yes এর ঘরে ক্লিক করুন নতুবা no তে ক্লিক করুন। এরপর নতুন ঘর আসবে। নতুন ঘরে আপনাকে আবারও চিঠি প্রেরনের ঠিকানা বসাতে হবে। আর যদি একই হয় তবে উপরের ছবির মতোই হবে আপনার উত্তর। phone no এ primary secondary বা work phone no এ আপনার কন্টাক্ট নাম্বার বসান। যদি আপনার দু’তিনটি নাম্বার থাকে তবে দু’তিনটি নাম্বারিই দিন। অফিসের ফোন নাম্বারটি ওয়ার্ক ফোন নাম্বারে দিন। নতুবা does not apply তে ক্লিক করুন email id থাকাটা বাধ্যতামূলক না হলেও আপনার ইমেইল আইডি থাকা উচিত নতুবা আপনার ভিসা ফি দিতে সমস্যা হবে। আর না থাকলে doesn't apply দিয়ে নিচের নেক্সট বাটনে ক্লিক করে চলে যান পরের পেজে।



PASSPORT/ TRAVEL DOCUMENT এ REGULAR সিলেক্ট করে দিন। PASSPORT/ TRAVEL DOCUMENT NO এর ঘরে আপনার পাসপোর্ট নাম্বারটি লিখুন। PASSPORT BOOK NUMBER বলে এদেশে কিছু নেই তাই DOES NOT APPLY এর ঘরে টিক দিয়ে দিন COUNTRY এর ড্রপ ডাউন মেনু থেকে BANGLADESH কে সিলেক্ট করে দিন। নিচের অংশে যান সেখানে এমন প্রশ্ন রয়েছেঃ




City হিসাবে Dhaka কে সিলেক্ট করে দিন। State or province এর ঘর খালি রেখে চলে আসুন। country হিসাবে Bangladesh কে ড্রপ ডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করুন। issuance date আপনার পাসপোর্ট এর হাতে পাবার ডেট যা আপনার পাসপোর্টে রয়েছে, তা এখানে বসান। Expiration date এর তারিখও আপনি পাসপোর্টে পাবেন, ইস্যু ডেট এর নিচেই। ভুলেও Does not apply এ ক্লিক করবেন না। Have you ever lost your passport or had one stolen অংশে যদি আপনি এর আগের পাসপোর্টটি হারিয়ে থাকেন তবে হ্যাঁ এর ঘরে ক্লিক করুন। সেক্ষেত্রে আরও কিছু তথ্য আপনাকে দিতে হবে। তবে যদি হারিয়েও থাকেন তবুও হ্যাঁ এর ঘরে টিক দেয়া উচিৎ হবেনা। এটি একটি অযথা হয়রানী হবার সহজ পথ বলে মনে হয় আমার।
পরের পেজে আসি----





এবার Purpose of the trip এর ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Temporary Business pleasure visitor(B) কে আমি সিলেক্ট করেছি। আপনি আপনার প্রয়োজন বুঝে আপনার গ্রুপ সিলেক্ট করুন। তবে আপনি যদি বিজনেস/ ভ্রমন / ট্যুর ভিসায় আমেরিকা যেতে চান তবে আমি যেভাবে যা সিলেক্ট করেছি তাই করুন। আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসায় যাবার চিন্তা করে থাকেন তবে F সিলেক্ট করুন। এর পরের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Specify Business and tourism temporary visitor (B1/ B2) সিলেক্ট করে দিন। Intended date of arrival মানে আপনি কবে আমেরিকা পৌছুতে চান। যদি আগেভাগে বিমান টিকিট বুকিং দিয়ে থাকেন বা আমেরিকাতে হোটেল বুকিং দিয়ে থাকেন তবে তার তারিখ এখানে উল্লেখ করুন। Intended length of stay in US তে আপনি কতোদিন আমেরিকাতে থাকতে চান উল্লেখ করুন। বেশীদিন সেখানে থাকবেন এটা উল্লেখ করবেন না। উর্ধে তিন মাস সিলেক্ট করুন। এবার আরও নিচের প্রশ্নগুলো দেখুনঃ


Address where you will stay in the US এর Street address line 1 তে road নাম্বার পর্যন্ত উল্লেখ করুন। এখানে আপনি আমেরিকা গিয়ে কোথায় থাকবেন তাই জানতে চাওয়া হয়েছে। বেশীরভাগ মানুষই তাদের পরিচিত জনদের ঠিকানা ব্যবহার করে থাকে। আপনিও তাই করুন। অনেকে আবার হোটেলের ঠিকানা ব্যবহার করে থাকে। সেক্ষেত্রে জেনুইন হোটেল বুকিং দিতে হবে। street address line 2 টি একটি optional প্রশ্ন। এখানেও আপনি road এর নাম উল্লেখ করে দিন বা এটি খালি রাখুন। City এর ঘরে শহরের নাম বসান। State হিসাবে যেকোন স্টেট সিলেক্ট করুন। যদি Zip code জানা থাকে তবে দিয়ে দিন নতুবা ডাজ নট এ্যাপ্লাই এর ঘরে টিক দিন। Persons paying for your trip মানে আপনার আমেরিকা যাত্রার সকল খরচ কে বহন করছে। এখানেও self বা নিজেই বহন করছেন এটা সিলেক্ট করে দিন। কারন আপনি যেহেতু জেনুইন ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাচ্ছেন সেহেতু নিজের টাকায় ঘুরতে যাবেন এটাই বাঞ্ছনীয়। পরের পেজে যাই----

Travel companion নামের পরের পেজে persons traveling with you নামের প্রশ্নের উত্তরে yes বা no এর রেডিও বাটনে ক্লিক করতে হবে। আপনার সাথে কে কে যাবে এর উত্তরে আপনি উপরোক্ত জবাব দেবেন। এই পেজে অবশ্য সাথে স্ত্রী বা ছেলে মেয়ে যাবে, তাদের নাম দেবেন এমন অপশন নেই। এখানে কেবল জানতে চাওয়া হচ্ছে যে আপনি কি কোন গ্রুপ বা অন্য কারো সাথে যাচ্ছেন কিনা। নিচের বাটনে ক্লিক করে পরের পেজে চলে আসুন।

















Previous U.S. Travel Information এ জানতে চাওয়া হচ্ছে আপনি কি আগে কখনও আমেরিকা গিয়েছেন কিনা, বা কোন ব্যাড রেকরড আছে কিনা। Have you ever been in the U.S.? আপনি কি এর অঅগে কখনও আমেরিকা গিয়েছেন? গিয়ে থাকলে ইয়েসের রেডিও বাটনে ক্লিক করুন বা নো এর বাটনে ক্লিক করুন। Have you ever been issued a U.S. Visa? আপনাকে কি কখনও আমেরিকার ভিসা দেয়া হয়েছিলো? এর মানে হলো আপনি কি আমেরিকার ভিসা দেবার পরেও যাননি? প্রশ্ন অনুসারে ইয়েস নো সিলেক্ট করুন। Have you ever been refused a U.S. Visa, or been refused admission to the United States, or withdrawn your application for admission at the port of entry? এর মানে হলো আপনি কি এর আগে আমেরিকার ভিসা রিফিউজ হয়েছিলেন? বা ভিসা দেবার পরও আপনাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি কিনা বা আপনার আবেদন রিফিউজ হয়েছিলো কিনা। ইয়েস বা নো সিলেক্ট করুন Has anyone ever filed an immigrant petition on your behalf with the United States Citizenship and Immigration Services? আমেরিকা থেকে কেউ কি আপনার নাগরিকত্ব পাবার জন্য পিটিশন বা আবেদন করেছেন কিনা। যদি করে থাকেন সেই অনুসারে ইয়েস বা নো সিলেক্ট করুন। উপরের তিনটি প্রশ্নের উত্তরে নো দেয়াটা সঠিক। উপরের তিনটি প্রশ্নের উত্তরে ইয়েস হলে ভিসা না পাবার সম্ভাবনা বেশী থাকে। তবে চার নাম্বার প্রশ্নের উতএর ইয়েস হলে বাড়তি অগ্রাধিকার পেতে পারে। এসব ব্যপারে আমি বেশ কিছুটা টেকনিক অবলম্বন করি যা এখানে জানাচ্ছিনা। তবে ভিসা পাবার ৮০ ভাগ সম্ভাবনা এই পেজ এর উপরই নির্ভরশীল। বলতে গেলে এই পেজটায় যে এই টেকনিক অবলম্বন করতে পারবে সে ভিসা পাবে। আমি এই টেকনিক অবলম্বন করে ২৬ জনের ভেতর ১৭ টি ভিসা করিয়েছে।

চলে যাই পরের পেজে।


এই পেজে US contact information বসাতে হবে। অর্থাৎ আপনি আমেরিকায় যার কাছে যাবেন তার ঠিকানা বসাতে হবে এই পেজের ফিল্ডে। যার কাছে থাকবেন তার surnname অর্থাৎ নামের শেষের শব্দটি বসাবেন। given name এ নামের শুরুর শব্দটি বসাবেন। organization name এ কিছুই বসানোর দরকার নেই কেননা আপনি যদি এখানে কিছু বসান তবে উপরের নাম এর ফিল্ডগুলো শুন্য হয়ে যাবে। তবে যদি আপনি কোন কোম্পানীর আমন্ত্রনে আমেরিকা যাবার চিন্তা করে থাকেন তবে তাদের নাম এখানে বসাবেন। relationship to you এ তাদের বা তার সাথে আপনার সম্পর্কটি ড্রপ ডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করে দিন। তারপর নিচের অংশে মনোযোগ দিন।


US contact information এ আগে যেভাবে address লিখেছিলেন ঠিক সেভাবেই লিখবেন address city state zip code গুলো। phone number এর ঘরে নাম্বার লেখার আগে কোন + চিহ্ন দেবেননা যেমন আমি দিয়েছি। কেবল + চিহ্ন নয়, হাইফেন ছাড়া যেকোন ধরনের চিহ্ন গ্রহন করেনা এর সার্ভার Email id তে ইমেইল আইডি দিন। এটি কিন্তু আপনার ইমেইল আইডি নয়। আমেরিকায় যার কাছে যাচ্ছেন, তার। এবার পরের পেজে যাবার জন্য নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
এভাবে পরের পেজগুলোতে তথ্য ইনপুট করুন। সবশেষে ছবি বসাতে হবে। আমেরিকান ছবির সাইজ হলো ২বাই ২ ইন্চি। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হতে হবে।চোখে চশমা থাকা যাবেনা। মাথায় ক্যাপ থাকা যাবেনা। চোখে কন্ট্রাক্ট লেন্স থাকা যাবেনা। সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকানো অবস্থায় তোলা ছবি স্ক্যান করুন। তারপর সেই ছবি আপলোড করুন ছবির অংশে। ছবি আপলোড শেষ হলে পরের অংশে ক্লিক করলেই আপনাকে রিভিউ পেজে নিয়ে যাওয়া হবে যেখানে আপনি ইচ্ছা করলেই সব দেয় তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন। সবশেষে আপনি কনফার্মেশন বাটনে ক্লিক করুন। সেখানে একটি পাতা দেখতে পাবেন যেটি দেখতে এমন।

এবার এই পেজটি সরাসরি প্রিন্ট করে নিন। একে বলে ডিএস কনফার্মেশন। এটি ভিসা ইন্টারভিউ এর জন্য রাখতেই হবে নিজের কাছে। আপনার ডিএস কনফার্ম হলো মানে ভিসা অফিসার এখন ইচ্ছা করলেই আপনার সব তথ্য দেখতে পাবেন। এখন আপনি কেবল ইন্টারভিউ এর ডেটটি কনফার্ম করুন যা আমার ব্লগের ‘ইন্টারভিউ ডেট নেয়া’ তে দেয়া হয়েছে।

Monday, November 13, 2017

লিথুয়ানিয়ায় চাকরি ও অন্যান্য

লিথুয়ানিয়াতে কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনার TRP থাকতে হবে। TRP ছাড়া আপনি লিথুয়ানিয়াতে কাজ করতে পারবেন না। লিথুয়ানিয়াতে লেখাপড়া চলাকালীন অবস্থায় আপনি সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজের সুযোগ পাবেন এবং সামার ভেকেসনে ফুল টাইম কাজ করতে পারবেন।লিথুয়ানিয়াতে কাজ ততটা এভাইলেবল না ফরেইন স্টুডেন্টদের জন্য তবে আপনার যদি লিথুয়ানিয়ান ভাষার উপর কিছুটা দক্ষতা থাকে আর আপনি ইংরেজীতে ভালো হন তবে আপনি কাজ পেতে পারেন। যেহেতু লিথুয়ানিয়াতে মাসিক লিভিংকস্ট ১১০-১৬০ ইউরো সেহেতু বুঝতে হবে আপনার মাসিক বেতন ৮৫০- ১০০০ ইউরো এর বেশি হওয়ার কথা না যদিও ব্যাতিক্রম থাকতে পারে। অনেকেই প্রশ্ন করে থাকে যে পার্টটাইম কাজ করে কি টিউশন ফিস এবং লিভিংকস্ট ম্যনেজ করা যাবে কিনা?!!এই প্রশ্নের উত্তর টা একটু কম্পলিকেটেড কেননা লিথুয়ানিয়ার সার্বিক কাজের সুযোগ,বেতন,লিভিংকস্ট এবং টিউশনফি হিসেবে আপনি যদি জব পেয়েও থাকেন তাহলে বছর শেষে টিউশনফি ম্যানেজ করা সম্ভব।
চলুন এইবার নজর দেই লিথুয়ানিয়াতে সেটেলমেন্ট এর ব্যাপারে কি করতে হবে ওই দিকে…
অনেকে যখন বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা করতে আসেন তখন পড়াশুনা শেষ করে ইউরোপে সেটেল হতে চায়।

লিথুয়ানিয়াতে সেটেলমেন্ট এর প্রসঙ্গ:
আপনি লিথুয়ানিয়াতে আসার পর Temporary Residence Permit (TRP) পাবেন। লিথুয়ানিয়াতে পড়াশুনা শেষ হওয়ার পর আপনি ৬ মাসের জব সার্চিং ভিসা পাবেন। এই ৬ মাসের মধ্যে আপনি জব ম্যানেজ করতে পারলে আপনি ২ বছরের TRP পাবেন। ২ বছরের TRP শেষ হওয়ার পর আপনি Permanent Residence এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।লিথুয়ানিয়াতে ১০ বছর থাকার পর আপনি নাগরিকত্ব এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এই প্রসেডিউরগুলোর শুধুমাত্র সারাংশ করা হলো। এর মাঝে আরও অনেক পলিসি আছে যেইগুলেো সম্পর্কে জানার জন্য লিথুয়ানিয়ান ইমিগ্রেশনের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Sunday, November 12, 2017

তুরস্কে পড়াশোনার চমৎকার কিছু বিষয়

তুরস্ক এখন ইউরোপের অনেকগুলো দেশের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে ভালো দেশ। বিশেষ করে ইটালি, স্পেন, গ্রিস এই দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ। তুরস্কের অবস্থান ইউরোপ এবং এশিয়ার মাঝখানে হওয়ায়, অনেকটা ইউরোপের হাওয়া দেশটিতে। তাছাড়া যারা মুসলিম সংস্কৃতি, মুসলিম জীবন-যাপনের মধ্যে থাকতে চান, তাদের জন্য তুরস্ক হলো অন্যতম একটি দেশ, যেখানে আপনি স্থায়ীভাবে বসবাস করে শান্তি পাবেন। তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্র্যাজ্যুয়েট কোর্স করার জন্য, ওই দেশের সরকার বৃত্তি দিচ্ছে। ওদের দেশের আন্ডারগ্র্যাজ্যুয়েট কোর্স মানে হলো আামদের দেশের ব্যাচেলর ডিগ্রি, অনার্স ইত্যাদি। তাই আমি বলব যারা অলরেডি ব্যাচেলর ডিগ্রি করছেন, এমনকি শেষ করেছেন, তারাও আবেদন করতে পারেন। কারণ বৃত্তির সুজোগ রয়েছে । আপনি বৃত্তির জন্য সিলেক্টেড হলেই তারপর আপনার বিষয় নির্বাচন, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন ইত্যাদি নিয়ে কথাবার্তা হবে। এটা কিন্তু তেমন কোন ঝামেলার আবেদন প্রক্রিয়া নয়। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো-খাওয়া ফ্রি তার উপর মাসিক ভাতাও পাওয়া যাবে। তবে আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় পড়াশোনা করতে চান তাহলে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা দেখাতে হবে – GRE, GMAT ইত্যাদির স্কোর দিতে হবে। আপনি যদি মুসলিম নাও হন তারপরও তুরস্কে আপনার কোন সমস্যা নেই।


তুরস্কে ভর্তির জন্য আপনার যোগ্যতা যা যা লাগবেঃ

তুরস্কের নাগরিক হওয়া যাবেনা
তুরস্কের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি থাকা যাবে না
বয়স হতে হবে ২১ বছরের নিচে
গড় মার্ক ৭০ ভাগ, তবে মেডিকেল ছাত্রদের বেলায় ৯০ ভাগ।
তাই আবেদন করার সময় এইসব ব্যাপারে আপনার আবেদন পত্রে উল্লেখ করবেন। যদি ডকুমেন্ট দেয়ার অপশন থাকে তাহলে আপলোড করবেন।
আরো কিছু ব্যপার আছে তুরস্কের ব্যপারে। তুরস্ক এমন একটি দেশ যাকে ইউরেশিয়া (ইউরোপ ও এশিয়া) বলা হয়। এর কারন হলো এর ভৌগলিক অবস্থান। তুরস্ক সত্যিকার অর্থেই ইউরোপ ও এশিয়ার মিলনস্থল। যদিও মুসলিম দেশ, একে দেখে তা বোঝার কোন উপায় নেই।রাস্তাঘাটে সোনালী চুলে মানুষ দেখা যাবে, তাদের চলাফেরাও ইউরোপিও ধাঁচের। তাদের পোশাকের ধরন ও কালার চয়েজ দেখেও আপনি বুঝবেননা আপনি আসলে ইউরোপে নাকি এশিয়ায় আছেন। তুরস্কের পাশের দেশই ইওরোপের বুলগেরিয়া। কেবল ব্ল্যাক সি পার হলেই ইউরোপ। তবে এই সাগর জাহাজে পাড়ি দিতে হয়না-হাইওয়ে ধরে যেতে হয়। বুলগেরিয়া না গিয়ে আপনি যেতে পারেন গ্রীসেও। আমি নিজেও তুরস্কে ভ্রমন করেছি। এমন চমৎকার দেশ যা আর কোথাও আমার চোখে পড়েনি। যেমন চমৎকার আবহাওয়া তেমন চমৎকার এখানকার আতিথেয়তা।চাকরি করলে নিশ্চিন্তভাবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন আপনি প্রতি মাসে।

Saturday, November 11, 2017

ডেনমার্কে পড়াশোনার সুজোগ

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা শেষে স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগের পাশাপাশি অভিবাসনেরও রয়েছে বিরাট সুযোগ। এ ক্ষেত্রে ইউরোপ হচ্ছে এর বিপরীত। ইউরোপে উচ্চশিক্ষা শেষে নিজের শিক্ষা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ যোগার করা অনেকটা সোনার হরিণ। এ ছাড়া এখানে উচ্চশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের স্থায়ীভাবে অভিবাসনের সুযোগ নেই বললেই চলে। কিন্তু তারপরও যারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লেখাপড়া করতে আসেন তাদের একটা অংশ কোনো না কোনোভাবে লেখাপড়া শেষে অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকার একটা ব্যবস্থা করে থাকেন। বস্তুত ইউরোপ কখনোই উচ্চশিক্ষিত অভিবাসীদের জন্য একটা ভালো আবাসস্থল হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি এবং ভবিষ্যতেও এর কোনো সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয় না।

এদিকে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষিত দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন দেশের নানা উদ্যোগের পাশাপাশি ডেনমার্কও স্টাব্লিশমেন্ট ভিসা নামে একটা নতুন ভিসা ক্যাটাগরির ঘোষণা দিয়েছে। ভবিষ্যতে ডেনমার্কের শ্রমবাজারে দক্ষ শ্রমের জোগান নিশ্চিত ও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টির লক্ষ্যে এখানে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দুই বছরের স্টাব্লিশমেন্ট ভিসা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করার পর নিজ যোগ্যতানুযায়ী এখানে ব্যবসাও করতে পারবেন। নতুন উদ্যোক্তা শ্রেণিকে উৎসাহকরণের লক্ষ্যে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটা এ বছরের জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে ডেনমার্কে অধ্যয়নরত সকল বিদেশি শিক্ষার্থীরাই তাদের স্টাডি প্রোগ্রামের সঙ্গে অতিরিক্ত ছয় মাসের ভিসা পেতেন। উদ্দেশ্য ছিল, পড়াশোনা শেষে ছয় মাসের মধ্যে তারা একটা কাজ যোগাড় করে এ দেশের অর্থনীতিতে দক্ষ জনবল হিসেবে যোগদান করতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা এ দেশের শ্রমবাজারকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করবেন।
আগের পরিসংখ্যান বলছে, শিক্ষার্থীদের বাড়তি ছয় মাসের ভিসা দেওয়া হলেও শিক্ষা শেষে ডেনমার্কের খুবই ছোট্ট চাকরির বাজারে নিজেদের পেশা অনুযায়ী তাদের একটা কাজ জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব ছিল। এখন আশা করা হচ্ছে দুই বছরের স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার ফলে ডেনমার্ক থেকে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণকারীর একটা অংশ ভবিষ্যতে ডেনমার্কের পড়াশোনা শেষে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত এবং এ দেশ থেকে অর্জন করা শিক্ষা ডেনিশ অর্থনীতিতে কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন। এটা এ দেশের ছোট চাকরির বাজারে নতুন নতুন চাকরি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকেরা। বলা হচ্ছে, ডেনিশ স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার আওতায় কাউকে নতুন করে কাজের অনুমতি নিতে হবে না এবং এ ভিসা সকলকেই সরাসরি কাজের অধিকার দেবে। এ ছাড়া স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার পাওয়া সকলকে ডেনমার্কে নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য করার সরাসরি সুযোগ দোয়া হবে।
ডেনমার্কে স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার পাওয়ার শর্তভিসা সম্পর্কিত প্রচারপত্র
অবশ্যই ডেনমার্ক থেকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে। ডেনমার্কের মাস্টার্স ডিগ্রি ৬০ সিবিএস (ECTS) ক্রেডিট। এ ক্ষেত্রে কেউ যদি ডেনমার্কের কোনো প্রাইভেট কলেজে থেকে (বিশেষত ব্রিটিশ ডিগ্রি) মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে থাকেন সে ক্ষেত্রে তাদের দেখা দরকার উক্ত ডিগ্রি ডেনিম মাস্টার্স ডিগ্রির সমপর্যায়ের (candidatus) কিংবা ৬০ ইসিটিএস (ECTS) ক্রেডিট রয়েছে কি না।
এ ছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার আবেদনে এক বছরের নিজেদের খরচ বহন করতে পারবে এমন নিশ্চয়তা হিসেবে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট দেখাতে হবে।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ২০০৮ সালের শেষের দিকে ডেনমার্কে চালু করা গ্রিনকার্ড স্কিমকে দেখা হচ্ছে একটা ব্যর্থ স্কিম হিসেবে। বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী উল্লেখ্যযোগ্য গ্রিন কার্ডধারী উচ্চ শিক্ষিতরা ডেনমার্কে প্রফেশন অনুযায়ী কাজ পাননি। এ কারণেই ডেনিম নীতিনির্ধারকেরা স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার ব্যাপারে অধিক গুরুত্ব প্রদান করছে।
যা হোক, এটা নিশ্চিত ডেনিশ স্টাব্লিশমেন্ট ভিসার আওতায় ডেনমার্কে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আসা অনেকেই স্টাব্লিশমেন্ট ভিসা নিয়ে এ দেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করবেন এ কথা জোর দিয়েই বলা যায়। কিন্তু ডেনমার্কের মতো ছোট্ট দেশে যেখানে ডেনিশ ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষার তেমন ব্যবহার নেই (সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া) সে ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষাভাষীদের জন্য এ দেশের চাকরির বাজারে প্রবেশ করা বেশ দুরূহ। উপসংহারে বলা যায়, ডেনমার্কসহ ইউরোপকে উচ্চ শিক্ষিত দক্ষ অভিবাসীদের উপযুক্ত স্থান হিসাবমতে নেবার আগে অনেকবার ভেবে দেখা প্রয়োজন। ইউরোপ কখনোই আমেরিকা, কানাডার কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো অভিবাসীদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করেনি এবং এখানে অভিবাসীদের সেভাবে স্বীকৃতি দেবার কথা এরা ভাবতেও পারে না। তারপরও যাদের পক্ষে অভিবাসীদের অভয়ারণ্য আমেরিকা, কানাডা কিংবা অস্ট্রেলিয়ার যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না তাদের জন্য ডেনমার্ক হতে পারে সেকেন্ড বেস্ট।

Friday, November 10, 2017

বেলারুশের স্টুডেন্ট ভিসা (With Video)

মধ্য ইউরোপে অবস্থিত বেলারুশ অনিন্দ্য সুন্দর একটি দেশ। ইংরেজীতে এর নাম বেলারুশিয়া। নামটাও অত্যন্ত সুন্দর। ছোটবেলায় এই নামটার প্রতি আমার বেশ আসক্তি ছিলো। বেলারুশিয়ার পুতুল সারা বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত এই দেশটিকে চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পোল্যান্ড, ইউক্রেন, লিথুনিয়া, লাটভিয়া ও রাশিয়া। জনসংখ্যা প্রায় ৯৫ লাখ। রাজধানী মিনস্ক শহরে বাস করে মাত্র ১৫ লাখ মানুষ। সরকারি ভাষা রাশান ও বেলারুশিয়ান।

বেলারুশ বর্তমানে একটি শিল্পোন্নত দেশ, যেখানে নুষের রয়েছে উন্নত জীবনযাত্রা। মানব উন্নয়ন সূচকে ১৭০টি দেশের মধ্যে বেলারুশের অবস্থান ৬৮ নম্বরে। বেলারুশ একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দেশ, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মিশ্রণ। যে কোনো ভাষা, ধর্ম বা জাতি গোষ্ঠীর মানুষকে এখানে খুবই সাদরে গ্রহণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই চমৎকার।

বিগত বছরগুলোয় বেলারুশের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। বেলারুশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচ্চশিক্ষা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এর মান ও বৈচিত্র্যের জন্য। বেলারাশান গ্র্যাজুয়েটদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। তাই বেলারুশ থেকে পড়াশোনা শেষ করা শিক্ষার্থীদের রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ ও সম্ভাবনা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৮৮টি দেশের শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে বেলারুশ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীও রয়েছেন। বর্তমানে প্রতি শিক্ষাবর্ষে ছয় হাজারের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী বেলারুশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ১৯৯৭ সালের 'উচ্চ শিক্ষার মান ও স্বীকৃতি-সংক্রান্ত' লিসবন কনভেনসন, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সর্বশেষ 'বলগানা চুক্তি' অনুযায়ী স্বীকৃতপ্রাপ্ত বেলারুশের উচ্চ শিক্ষা।

যেকোনো বিদেশি শিক্ষার্থী বেলারুশের ৫৪টি রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনোটিতে তার পছন্দ অনুযায়ী ভর্তি হতে পারবেন। ভর্তিব্যবস্থা খুবই সহজ। ইংরেজি ও রুশ দুই মাধ্যমেই পড়াশোনা করা যায়। ইংরেজিতে পড়তে IELTS বা অন্য কিছুর প্রয়োজন নেই। রুশ ভাষায় পড়াশোনার জন্য টিউশন ফি প্রতি বছর তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মার্কিন ডলার, আর ইংরেজি মাধ্যমে খরচ পড়বে চার থেকে সাড়ে চার হাজার মার্কিন ডলার। এক বছরের রুশ ভাষা শিক্ষার কোর্স ফি দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ ডলার।

প্রতি বছরে হোস্টেল ফি ৪০০ থেকে ৫৭৫ ডলার, স্বাস্থ্য বিমা প্রতি বছর ১২৫ ডলার। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়তে যে টাকা খরচ হয়, বেলারুশে প্রায় সমপরিমাণ অর্থেই আন্তর্জাতিক ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব। অনেকের কাছে বেলারুশ সেনজেনভুক্ত দেশে ঢোকার রুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কেননা এই দেশের সাথেই রয়েছে পোল্যান্ডের বর্ডার। আপনি যদি পোল্যান্ডে ঢুকতে পারেন তবে যে কোন ২৭ টি দেশে প্রবেশ করতে পারবেন বিনা ভিসাতে। 

Saturday, November 04, 2017

চায়নায় অবিশ্বাস্য অফার

আপনি অবাক হবেন এটা শুনলে যে, চায়নায় মাত্র ৪ লক্ষ টাকায়  শুধু ১ বছরের টিউশন ফি নয়, থাকা-খাওয়া, বিমান ভাড়া, ভিসা ফি, ইনশ্যুরেন্স, মেডিকেল ভিসার আগে সকল খরচ চলে যায়। আপনি বাংলাদেশে যদি কাউকে পড়াশোনা করাতে চান হোস্টেলে রেখে তবে এর চেয়ে বেশী টাকা চলে যায়। সেখানে আপনি চিনের চমৎকার চমৎকার অত্যাধুনিক শহরে থাকা খাওয়া পড়াশোনা করছেন মাত্র ৪ লাখ টাকায়! এটা কি অবিশ্বাস্য নয়? যদি আপনি সত্যিকার অর্থে পড়াশোনা করতে চান। চায়নায় এমবিএ, বিবিএ, ট্রিপল ই সব করতে পারবেন এই টাকায়। কারন আপনি চায়নায় স্কলারশিপ পাচ্ছেন। এর জন্য যে আপনার খুব ভালো রেজাল্ট থাকতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার এসএসসি এইচএসসিতে ৩.০ থাকলেই চলবে। 
ভিসাসফরইউ খুব অল্প সময়েই আপনার জন্য করে দেবে এই ভিসা। চিনে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য যে সময়টুকু লাগবে তা হলো কনফারমেশন, মেডিকেল, ভিসার জন্যই। আর চিনে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে রয়েছে ভিসার শতভাগ নিশ্চয়তা। আপনি যদি ইউরোপের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন তবে এমন নিশ্চয়তা কিন্তু পাবেননা। তাই সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নিন এবং সময় নষ্ট না করে চিনে স্টুডেন্ট ভিসায় ভরতি হয়ে যান। VISAS4U সরাসরি কাজ করবে এই ক্ষেত্রে। দেরি না করে আমাদের মেম্বার হয়ে যান এবং দ্রুততার সাথে চিনে স্থায়ী হয়ে নিজের ভাগ্য গড়ে নিন।


Friday, November 03, 2017

আসছে ইউরোপের অনেক জব ভিসা

খুব শীগ্রি ভিসাসফর ইউ ইউরোপের আটটি দেশের প্রায় চল্লিশটি সতন্ত্র জব ভিসা পেতে চলেছে। এর মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন, পর্তুগাল, ইউক্রেন, হাঙ্গেরী, স্পেন, পোল্যান্ড ও ফ্রান্স।আপনারা জানেন যে আমরা নিজেরা ভিসা প্রসেসিং করিনা বরং আমাদের ভেরিফায়েড ভিসা এজেন্ট দিয়েই আমরা তা করে থাকি। আমরা যা করি তা হলো প্রার্থীর সাথে কথা বলি এবং সঠিক তথ্য প্রদান করি ও আমাদের ভেরিফায়েড এজেন্টদের দিয়ে তাদের ভিসা প্রসেস করি। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর কয়েক লাখ মানুষ মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া বা সিঙ্গাপুরে বহু টাকা খরচ করে অর্থ উপার্জন করতে যান। কিন্তু অসৎ মানুষের খপ্পরে যেমন সর্বস্ব হারান, তেমনি বাধ্য হন মানবেতর জীবনযাপন করতে। অথচ একটু পরিকল্পনা আর সঠিক দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এগোতে পারলে সহজেই ইউরোপের দেশগুলোতে বৈধভাবে পরিশ্রম করে কাঙ্ক্ষিত জীবন পাওয়া সম্ভব।

অবৈধ উপায় ছাড়া ইউরোপে যাওয়া সম্ভব নয় বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা আছে। তবে সঠিক উপায়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রসেস করতে পারলে ইউরোপের যেকোনো দেশে গিয়ে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে বসবাস করা সম্ভব। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ইউরোপের দেশগুলোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে পরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ বা পিআর পাওয়া যায় সহজেই।

তবে ইউরোপে কাজ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো দক্ষতা। যদিও দক্ষতা ছাড়াও ইউরোপে অন্য উপায়ে কাজ পাওয়া সম্ভব ও ভিসা পাওয়া সম্ভব, তারপরও আমরা বেশী জোর দেব দক্ষতার ওপরই।

তাই যে কাজে দক্ষ হিসেবে কেউ ট্রেড স্কিল ওয়ার্কার ভিসা নিয়ে ইউরোপে যেতে চান, সে কাজে তাঁর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা থাকতেই হবে। আর এই যোগ্যতা হবে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার সম্মিলন। সেইসঙ্গে ইউরোপের কিছু দেশে ইংরেজিতে কিছু জ্ঞানেরও প্রয়োজন পড়ে।

এ মুহূর্তে স্বল্প সময়ে ও সহজে আবেদন করে যাওয়া যায়, ইউরোপের এমন কিছু দেশ সম্পর্কে কিছু ধারণা দেওয়া হলো।

নরওয়ে ও পোল্যান্ডে ট্রেড স্কিল জব ভিসা :

হোটেল, রেস্টুরেন্টে বা কনস্ট্রাকশন কাজে আপনার যদি পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট কাজে ন্যূনতম ছয় মাসের ট্রেনিং থাকে, তাহলে আপনি চার মাসের মধ্যে চাকরিসহ নরওয়ে ও পোল্যান্ডে যেতে পারবেন। দেশ দুটিতে রয়েছে প্রচুর আয় করার সুযোগ, নিরাপদ জীবন এবং স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়ার সম্ভবনা। জানেনই তো, নিরাপত্তার দিক থেকে নরওয়েকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ বলা হয়ে থাকে।

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা :

পর্তুগালে জরুরি ভিত্তিতে দুই বছরের ভিসা করা সম্ভব। ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যে কেউ আবেদন করে যেতে পারেন উন্নত এই দেশটিতে। পর্তুগালে আবেদন করলে IELTS এবং বিশেষ সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হয় না। শুধু নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্যই এই দেশটিতে যাওয়া সম্ভব।

ইউক্রেন সিটিজেনশিপ প্রোগ্রাম :

প্রায় ১০ হাজার মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়ের দেশ ইউক্রেন। পৃথিবীর মধ্যে বর্তমান সবচেয়ে কম সময়ে পাসপোর্ট পাওয়া যায় দেশটিতে। বসবাস ও ব্যবসা করার জন্য রয়েছে অসাধারণ কিছু সুযোগ-সুবিধা। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্যও এই প্রোগ্রাম উন্মুক্ত রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করলেই আপনি জানতে পারবেন আপনার সম্ভাবনা কতটুকু। করুন। এই প্রোগ্রামের অধীনে মাত্র এক বছরের মধ্যে ইউক্রেনের পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব।

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)


এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন



এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----সার্বিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----সার্বিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts

Sample Text

Facebook

Labels