Follow us

শুধুমাত্র আমেরিকা কানাডা ইংল্যান্ড এর স্টুডেন্ট ভিজিট ভিসা
হোয়াটসএ্যাপ করুন ০১৭৭২৩৬৯৪৫১

Newsletter

আমেরিকার স্টেট ইউনিভার্সিটি, কানাডার নামকরা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।আমেরিকা কানাডা ইউকে ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা 01772369451

Sunday, May 21, 2017

১৪ দিনে মালয়শিয়া স্টুডেন্ট ভিসা

মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা অনুমোদনের মেয়াদ কমিয়েছে। ৩০ দিন থেকে কমিয়ে এখন মাত্র ১৪ দিনে শিক্ষার্থীদের এ ভিসা অনুমোদন দেওয়া হবে।

দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদির বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ায় জাতীয় সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের গ্রহণ করার বিষয়ে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিসা দ্রুত দেওয়া নিশ্চিত করতে অভিবাসন বিভাগে অতিরিক্ত ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আহমেদ জাহিদ আরো বলেন, ‘ভিসার জন্য অপেক্ষমাণ থাকলে প্রত্যেক আবেদনকারী বিদেশি শিক্ষার্থীর নাম ইন্টারপোলের সন্দেহভাজনদের তালিকার সঙ্গে যাচাই করার পর সরকার তাদের ক্ষণস্থায়ী ভিসা দেবে। ইন্টারপোলের তালিকার সঙ্গে যাচাই করতে আমরা অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার স্ক্রিনিং সিস্টেম (এপিএসএস) ব্যবহার করব।’

তিনি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়ার মেয়াদ ৩০ দিন পর্যন্ত দেরি হওয়ার জন্য এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেসকে (ইএমজিএস) দায়ী করেন। 

‘ইএমজিএসের নিষ্ক্রিয়তার কারণে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চার হাজার ভিসা আবেদন জমা রয়েছে।’

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পড়াশোনা করছে।

স্টাডি ইন লিথুয়ানিয়া


বাল্টিক সাগরের তীরে দক্ষিণ ইউরোপে অপরূপ সৌন্দর্যের এক দেশ লিথুয়ানিয়া। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত এ দেশে সফলভাবে পড়াশোনা শেষে রয়েছে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ। সেনজেনভুক্ত একটি রাষ্ট্রে উন্নত পড়াশোনার মাধ্যমে আপনার সামনে খুলে যাবে পুরো ইউরোপের দরজা।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে লিথুয়ানিয়া। এর রাজধানী ভিলনিয়াস। এর পার্শ্ববর্তী দেশ লাটভিয়া, ডেনমার্ক, সুইডেন এবং পোল্যান্ড। লিথুয়ানিয়ার ক্লাইপেডিয়া ইউনিভার্সিটি দিচ্ছে স্বল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ। ভর্তি ফি, টিউশন ফি, বিমানভাড়াসহ সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা খরচ করেই লিথুয়ানিয়ায় উচ্চ শিক্ষা নিতে পারবেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঝামেলা ছাড়াই একজন শিক্ষার্থী ক্লাইপেডিয়া ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারেন। শিক্ষার্থীকে প্রথমে নিজের পছন্দের বিষয় বাছাই করতে হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্যের শিক্ষার্থীদের জন্যে রয়েছে আকর্ষণীয় সব বিষয়।

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, নার্সিং, হোটেল ম্যানেজমেন্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে শত‍াধিক বিষয়। বিষয় বাছাইয়ের পর শিক্ষা জীবনের সব পরীক্ষার তথ্য এবং পাসপোর্টের তথ্য পাঠাতে হবে ইউনিভার্সিটিতে। একই সঙ্গে ২০০ ইউরো অ্যাপ্লিকেশন ফি জমা দিতে হবে ব্যাংকের মাধ্যমে।

লিথুয়ানিয়ায় শিক্ষার্থীর এপ্রোভাল লেটারকে বলা হয়- এসকেভিসি লেটার। এ প্রক্রিয়ার জন্যে ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগবে।

এসব প্রক্রিয়ার পরই ভারতের দিল্লির লিথুয়ানিয়া এম্বাসিতে ভিসার জন্যে আবেদন করবেন শিক্ষার্থী। এক সপ্তাহের মধ্যেই ভিসা হাতে চলে আসে। এরপরই লিথুয়ানিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।

লিথুয়ানিয়ায় চাইলে শিক্ষার্থীরা পার্টটাইম চাকুরি করে নিজের খরচ চালাতে পারেন। অবশ্য শিক্ষার্থীর টিউশন ফির সঙ্গেই এক মাসের থাকা খাওয়ার খরচও দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে।

টিউশন ফি ২ হাজার ১শ’ ইউরো থেকে ৪ হাজার ইউরো পর্যন্ত হয়। এখানেই ১ মাসের থাকা খাওয়ার খরচ অর্ন্তভুক্ত থাকে। টিউশন ফি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ৮ লাখ টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হয়। আর প্রতিমাসে লিথুয়ানিয়া থাকতে একজন শিক্ষার্থীর জীবনযাপনের ধরনের ওপর নির্ভর করে ২০০ থেকে ৪০০ ইউরোর মতো খরচ হয়।

লিথুয়ানিয়া পড়াশোনার বড় সুবিধা হলো- এখানে সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করতে পারলে সেনজেনভুক্ত ২৬টি দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়া যায়। সেনজেনভুক্ত দেশগুলো হলো-অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথিউয়নিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইন।

নরওয়ের স্টুডেন্ট ভিসা

বিশ্বের ১ নম্বর সুখী দেশ নরওয়ে। বাংলাদেশ ১১০ সুখী দেশ। 
নরওয়ের দেশটির উচ্চশিক্ষার মান বেশ উঁচু। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ব্যাচেলর, মাস্টার্স, ডক্টরাল বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা যায়। আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ফল সেমিস্টারে এবং জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত স্প্রিং সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
যেসব বিষয়ে পড়া যায়ঃ এডুকেশন, অডিওলজি, আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশন, লাইব্রেরি সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, অকুপেশনাল থেরাপি প্রোগ্রাম, ফুড সায়েন্স, স্পেশালাইজড টিচার এডুকেশন, ফার্মাসি, ফিশারিজ, ফিজিওথেরাপি, হিউম্যানিটিজ, ইঞ্জিনিয়ারিং, জার্নালিজম, ল, আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন, অ্যাগ্রিকালচার সায়েন্স, মেরিটাইম সায়েন্স, মেডিকেল সায়েন্স, ডেনটিস্ট্রি, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি, ন্যাচারাল সায়েন্স, সোশ্যাল সায়েন্স, আর্কিটেকচার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস স্টাডিজ, ম্যানেজমেন্ট সায়েন্স, সোশ্যাল ওয়ার্ক প্রোগ্রাম, নার্সিং, থিওলজি, ভেটেরিনারি মেডিসিন, ম্যাথমেটিকস, বিবিএ, এমবিএ ইত্যাদি।
ভর্তির যোগ্যতাঃ নরওয়েতে ব্যাচেলর প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ১২ ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ১৫ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন হতে হবে। উভয় প্রোগ্রামের ক্ষেত্রেই IELTS-এ ৫·৫-৬·০ পয়েন্ট অথবা TOEFL-এর CBT-তে ২১৩ বা IBT-তে ৭৯-৮০ স্কোর থাকতে হয়। এখানে নরওয়েজিয়ান ও ইংরেজি-উভয় ভাষাতেই পড়াশোনা করা যায়। তবে নরওয়েজিয়ান ভাষায় পড়তে গেলে ওই ভাষার ওপর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে এবং আরও কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এখানে ব্যাচেলর ডিগ্রি তিন, মাস্টার্স দুই ও পিএইচডি ডিগ্রি তিন-চার বছরমেয়াদি হয়ে থাকে।
টিউশন ফিঃ সাধারণত নরওয়ের সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো টিউশন ফি নেওয়া হয় না, যা বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে কিছু প্রোগ্রাম বা কোর্সের ক্ষেত্রে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিউশন ফি নেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে প্রতি সেমিস্টারে ৫১-১০১ মার্কিন ডলার ফি লাগে।
জীবনযাত্রার ব্যয়ঃ এখানে একজন শিক্ষার্থীর থাকা, খাওয়া, কাপড়, বই, যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার ৩৩৯ মার্কিন ডলার লাগে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যয়ের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। এটি শিক্ষার্থীর ওপর নির্ভর করে।
কাজের সুযোগঃ নরওয়েতে একজন শিক্ষার্থী সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারে। আর ছুটির দিন কাজ করা যায় ফুলটাইম। এখানে ক্যাফে, বার, সামার জব, সিজোনাল জব, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টর, হেলথ সেক্টর, ফিশিং সেক্টর, সোপ, ক্লিনার, ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটিং, এনজিও, সেলস, কল সেন্টার, ট্রাভেল, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদিতে কাজ করে ঘণ্টায় ৭-২২ মার্কিন ডলার আয় করা যায়।

যেভাবে আবেদন করতে হয়ঃ প্রথমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিভাগে ভর্তি হতে চান, সেখানকার আবেদনপত্রের সময়সীমা দেখে নিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি অফিস বরাবর ভর্তি তথ্য ও ফরম সম্পর্কে জানতে আবেদনপ্রত্র পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও ডাউনলোড করা যায়। আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে এর সঙ্গে মার্কশিটসহ শিক্ষাগত সব কাগজ, স্কুল-কলেজ ত্যাগের সার্টিêফিকেট, টোফেল কিংবা আইইএলটিএস টেস্টের ফল, পাসপোর্টের ফটোকপি, আবেদনপত্রের ফি, জামানত ফি এবং স্টুডেন্ট পাস অ্যান্ড ভিসা ফি পরিশোধের রসিদ সংযুক্ত করতে হবে। সব প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এক বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া ভালো। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র জমা দেওয়ার ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।
ক্রেডিট ট্রান্সফারঃ শিক্ষার্থীরা আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট কিংবা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির ক্ষেত্রে ক্রেডিট ট্রান্সফারের আবেদন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোর্সের ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হলে অগ্রহণযোগ্য হবে। নরওয়ের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ গ্রেড পর্যন্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদানুযায়ী কাগজপত্র প্রদান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া সব কোর্সের প্রমাণপত্র দিতে হবে।

আয়ারল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসা

উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য আয়ারল্যান্ড দিন দিন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আইরিশ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে বর্তমানে ব্যাপক সংখ্যক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে।

আয়ারল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিম্নলিখিত ডিগ্রীগুলো প্রদান করে থাকে:
  • ব্যাচেলর
  • মাষ্টার্স
  • উচ্চতর ডিপ্লোমা
  • পিএইচডি

সেমিষ্টার
  • ফল (Fall) সেমিষ্টার
  • স্প্রিং  (Spring) সেমিষ্টার

কিভাবে আবেদন করবেন:
  • আপনি সরাসরি কাঙ্খিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এডমিশন অফিসে যোগাযোগ করে ভর্তি ফরম অন্যান্য বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও আবেদন ফর্মটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
  • কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে।
  • বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনাকে ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য সরবরাহ করবে।
  • আপনাকে অন্তত: ১ বৎসর সময় হাতে রেখে ভর্তির প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।
  • আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ থেকে ৬-৮ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবেন।
  • বিভিন্ন কোর্সের শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতা এবং মেয়াদ নিম্নে দেয়া হলো
কোর্সের নাম
শিক্ষাগত যোগ্যতা
ভাষাগত যোগ্যতা
কোর্সের মেয়াদ
ব্যাচেলর
১২ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
আইইএলটিএস ৫.৫-৬
৩-৪ বৎসর পূর্নকালীন শিক্ষা
মাষ্টার্স
১৬ বৎসরের শিক্ষা সমাপন
আইইএলটিএস ৬-৬.৫
১-৩ বৎসর পূর্নকালীন শিক্ষা
পিএইচডি
মাষ্টার্স/এম.ফিল
৩-৫ বৎসর পূর্নকালীন শিক্ষা

বিষয়সমূহ:
আয়ারল্যান্ড নিম্নের বিষয়গুলো থেকে আপনি আপনার পছন্দের বিষয় বেছে নিতে পারেন।
  • একাউনট্যান্সি
  • এবরোজিনাল এন্ড ইনডিজিনাস স্টাডি
  • অলটারনেটিভ মেডিসিন
  • এনথ্রপলজি
  • অ্যাপ্লায়েড ম্যাথমেটিকস
  • একুয়াকালচার
  • কেমিষ্ট্রি
  • এনভায়রোনমেন্টাল স্টাডিজ
  • বিজনেস এন্ড ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • পূরনকৃত আবেদন ফরম
  • সকল পরীক্ষা পাসের সদনপত্র ও মার্কশীটের ফটোকপি
  • স্কুল/কলেজের ছাড়পত্র
  • আবেদন ফরমের মূল্য পরিশোধের রসিদ
  • ইংরেজী ভাষায় দক্ষতার প্রমানপত্র
  • স্পন্সর কর্তৃক আর্থিক স্বচ্ছলতার গ্যারান্টিপত্র
  • পাসপোর্টের ফটোকপি

শিক্ষা ব্যয়:
  • আয়ারল্যান্ডে ব্যাচেলর ডিগ্রী সম্পন্ন করার আনুমানিক ব্যয়- ১০৫০০ ইউরো থেকে ১৫১৫০ ইউরো।
  • মাষ্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করার আনুমানিক ব্যয় ৭৪০০ ইউরো- ১৫৭২০ ইউরো

জীবনযাত্রার ব্যয় (প্রতি মাসে)
  • বাসস্থান- ৪০০-৬০০ (ইউরো)
  • খাদ্য- ২০০-৩০০ (ইউরো)
  • বইপত্র ও শিক্ষা উপকরণ- ৫৫ (ইউরো)
  • বিনোদন- ২০০ ইউরো
  • লন্ড্রি সার্ভিস- ৬৫ ইউরো
  • অন্যান্য ১০০ ইউরো

কাজের সুযোগ:
নন ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশগুলোর ছাত্রছাত্রীদের জন্য আয়ারল্যান্ডে কাজের সুযোগ রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকাকালীন সময়ে সপ্তাহে ২০ ঘন্টা এবং বন্ধের সময় সপ্তাহে ৪০ ঘন্টা কাজ করতে পারে।

Wednesday, May 17, 2017

মালয়শিয়া জব ভিসা তথ্য

মালয়েশিয়া সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি রপ্তানি বিষয়ে চুক্তি হয়েছে কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো লোক পাঠানো শুরু হয়নি। কবে হবে তা কেবল আল্লাহর ফেরেসতা আর যারা বাংলাদেশের সরকারের সাথে এই চুক্তি চুক্তি মজার খেলা খেলে থাকে তারাই বলতে পারবে। মনে রাখবেন মালয়শিয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রচুর পরিমান লোক পাঠানো কেবল একটা গুজব যাকে আমাদের ভাষায় বলা যেতে পারে ফকিরাপুলী গুজব। ত্রিশ হাজার টাকায় মালয়শিয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে জব ভিসায় লোক পাঠানো দিনের পর দিন বাতাসে উড়ে বেড়ানো গুজব ছাড়া কিছুই নয়। মনে রাখবেন ত্রিশ হাজার কেন তিন লাখ টাকায়ও আপনি ঐ ভিসা পাবেননা। কারনটা বলে নেই, আমরা যারা জব ভিসা নিয়ে গবেষনা করি তারা জানি বিদেশে বেতন যদি ১০,০০০ হয়ে থাকে তবে সেই ভিসার দাম হবে ১০০০০০ (এক লাখ) টাকা। যদি বেতন ২০০০০ হয়ে থাকে তবে তার দাম হবে ২০০০০০ (দুই লাখ) টাকা। এভাবে বেতন প্রতি দশকে বাড়লে তার দাম শতকে বাড়ে। মালয়শিয়া সাধারনতঃ শ্রমিকদের ২৫০০০ থেকে ৩০০০০ টাকা বেতন দেবে। তাই তার দাম স্বাভাবিকভাবে হবে ৩০০০০০ (তিন লাখ) টাকা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া কেন স্বাভাবিক নিয়মে পড়ে যাবে আর লস খাবে সরকারী আমলারা?

জানিনা বিড়ালের ভাগ্যে কখন শিকা ছেঁড়ে তবে মালয়শিয়ায় জব ভিসায় যেতে হলে অবশ্যই আপনার কাজের দক্ষতা থাকতে হবে। বিশেষকরে সরকারীভাবে যাদের আনা হবে। ধারণা করা হচ্ছে তাদের কৃষি,ইমারত নির্মাণ এই ভিসায় প্রেরণ করা হবে। অতএব এই সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা আপনার থাকতে হবে। আবেদন ফরম জমা দেয়ার পর একটি নির্দিষ্ট তারিখে আপনাকে ডাকা হবে ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য। ইন্টারভিউতে পাশ করলেই আপনি মালয়েশিয়া আসতে পারবেন। স্বাভাবিকভাবে ঘুষখোরদের ভিড়ে আপনি বিশাল লাইনে দাঁড়িয়েও চান্স পাবেননা। দেখবেন যারা একটু স্বচ্ছল তারা তিন লাখের জায়গায় পঞ্চাশ হাজার বেশী দিয়ে আগের সিরিয়াল নিয়ে নিচ্ছে। তারপর ট্রাফিক পুলিশের মতো হঠাৎ হাত দেখিয়ে থামিয়ে দেবে গাড়ির গতি। বলবে এইবারে আপনার যাওয়া হচ্ছেনা। নতুন সিরিয়ালের কাজ শুরু হবে মাস ছয়েক পরে। 
সরকারের মালয়শিয়া শ্রমিক প্রেরনের অপেক্ষা  সর্বশেষ অপেক্ষা হতে পারে আপনার জন্য। তাই ওসবের অপেক্ষা না করে হয় মালয়শিয়ার স্টুডেন্ট ভিসায় যান, নয়তো টুরিস্ট ভিসা নিয়ে একেবারে ঢুকে পড়ুন মালয়শিয়াতে।বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের ধারণা কৃষি ভিসায় মালয়েশিয়া এসে ধান চাষ করবে। এমন ধারণা হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা আমাদের দেশের মানুষ কৃষি কাজ বলতে বুঝে ধান চাষ,শাক-সবজি উৎপাদন। কিছু দিন আগে একজন আমাকে বলল সে মালয়েশিয়া আসার জন্য আবেদন ফরম নিয়ে এসেছে। আমি তাকে বললাম মালয়েশিয়া এসে তুমি কী কাজ করবে? সে আমাকে বলল `ক্যান ভাই ধান চাষ করমু`। মালয়েশিয়া পাহাড়ি দেশ, এখানে ধান চাষ করতে দেখেছি খুবই কম জায়গায়। এখানে চাল আসে অন্য দেশ থেকে যেমন চীন,ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে। শাক-সবজির চাষ হয়।
আগে যারা কৃষি ভিসায় মালয়শিয়া গেছেন তাদেরকে মূলত পাঠানো হয়েছিল পাম বাগানে কাজ করার জন্য। পাম থেকে খাবার সয়াবিন তৈল তৈরী করা হয়। মালয়েশিয়াতে অসংখ্য পাম বাগান। এই সব পাম বাগানের আশেপাশে কোনো বাড়ি ঘর নেই। তো কৃষিকাজে যাদের আনা হবে তাদের বেশির ভাগ শ্রমিককে পাম বাগানেই কাজ করতে হবে বলেই জানি। ভাগ্যের উপর নির্ভর করে কে কোন জায়গায় কাজ করবে। কাজ হতে পারে শাক-সবজির বাগানে,হতে পারে চা-বাগানে নয়তো পাম বাগানে। কিন্তু আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসায় যান বা টুরিস্ট ভিসায় যান তবে আপনি যেকোন রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বার এ কাজ করতে পারবেন। সময় থাকতে ইংরেজী শিখুন। ইংরেজী না জানা থাকলে আপনি মালয়শিয়ার জন্য একটা বস্তু ছাড়া কিছুই নন।

Saturday, May 13, 2017

কানাডিয়ান ভিসা ক্যালকুলেটর

আপনি জানেন যে, পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ কানাডা তাদের কুইবেক প্রদেশে ৫০,০০০ ইমিগ্র্যান্ট নেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে। একে বাংলায় বলা হয়ে থাকে অভিবাসী ভিসা, কেউ বলে মাইগ্রেশন ভিসা। যে যাই বলুকনা কেন এই সমস্ত ভিসা অন্যান্য সকল ভিসা থেকে আলাদা। যেমন ধরুন আপনি স্টুডেন্ট হিসাবে বা টুরিস্ট হিসাবে কানাডায় ঢুকতে চাইলে সেদেশের ইমিগ্রেশন আপনাকে রিফিউজ করতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ইমিগ্রেশন ভিসার জন্য আবেদন করেন তবে আপনার যদি পয়েন্ট থাকে তবে আপনাকে কখনই রিফিউজড হতে হবেনা।তাই বেশরিভাগ মানুষ কানাডায় এ্যাপ্লাই করতে চান এই ক্যাটাগরিতে। কানাডার সব ভিসা ক্যাটাগরির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হলো স্কিলড ওয়ার্কার ভিসা (skilled workers). খেয়াল রাখবেন স্কিলড ওয়ার্কার ভিসার পয়েন্ট সিস্টেম একটু বেশী কঠিন তবে একবার পয়েন্ট পেয়ে গেলে ওদেশের ইমিগ্রেশন কতৃপক্ষ চেষ্টা করেও আপনাকে রিফিউজড করতে পারবেনা। তাই একটু চেষ্টা করে দেখুন আপনার পয়েন্ট কি এর সাথে মেলে কিনা। একবার চেষ্টা করে দেখুননা। যদিও এর ফর্ম একটু দীর্ঘ, তারপরও একটু সময় নিয়ে জীবনের মোড় ঘোরাবার চেষ্টা করুননা। ফর্মের মাঝামাঝি গিয়ে থেমে যাবেননা। সময় নিয়ে ফর্ম পূর্নাঙ্গভাবে পুরন করুন। নিচের লিংকে ক্লিক করে কানাডিয়ান সাইটে যান এবং ফর্ম পুরন করুন।এটিকে বলা হয় কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন ভিসা পয়েন্ট ক্যালকুলেটর।

Tuesday, May 09, 2017

বেলারুশের স্টুডেন্ট ভিসার সুযোগ

ইউরোপীয় দেশ বেলারুশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে অন্ততঃ দুটো প্রধান কারণে—(ক) দূতাবাসে সাক্ষাত্কার ছাড়াই ভিসা এবং (খ) ইংরেজিতে দক্ষতা (IELTS/TOEFL) দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। পড়া যায় মেডিক্যাল, ডেন্টাল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি, অ্যাভিয়েশন, বিজনেস, ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন বিষয়। পড়াশোনার মাধ্যম ইংরেজি, বেলারুশ বা রুশ ভাষা। টিউশন ফি ও জীবন-ধারণ ব্যয় সহনীয়। পার্টটাইম কাজ করা যায়। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে অন্যদেশে গিয়েও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য ভর্তি ও ভিসার দায়িত্ব পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় বা তাদের বাংলাদেশস্থ অনুমোদিত প্রতিনিধি। 

যেহেতু IELTS এবং Visa Interview ছাড়াই শতভাগ ভিসা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা রয়েছে,আবেদন করার পর মাত্র 20 দিনের মাঝেই ভিসা পেয়ে যাবেন।
BELARUS উচ্চ শিক্ষার জন্য এই মুহূর্তের সঠিক সিদ্ধান্তঃ-
BELARUS একটি ইউরোপিয়ান দেশ এর পাশের দেশ গুলো Poland, Lithuania, Latvia, Russia,ভাল মানের পড়াশুনা এবং পড়াশুনার ফাঁকে আয় করা, এবং পড়াশুনা চলাকালীন সময় বা পড়াশুনা শেষ করে SCHENGEN COUNTRY POLAND,LATVIA,LITHUANIA এ Credit transfer করে যেতে চান এটা যদি আপনার উদ্দেশ্য হয় তাহলে আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত BELARUS,
অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই মুহূর্তে অনেক দেশের স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়ার হার ১০ শতাংশেরও নিচে নেমে আসলেও। BELARUS এ এখনও প্রায় ৯৯% স্টুডেন্ট ভিসা সফলভাবে হচ্ছে। BELARUS এ রয়েছে অনেক স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউরোপ এর অন্যান্ন দেশের তুলনায় বর্তমানে BELARUS এ রয়েছে কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা, নেই IELTS এর বাধা, পড়াশুনায় গ্যাপ থাকলেও আবেদন করা যায় । থাকা এবং খাওয়ার খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম ।আকর্ষনীয় চাকরির সুযোগ এবং বর্তমানে BELARUS থেকে স্টুডেন্ট রা চাইলে Credit Transfer করে অন্যান্ন ইউরোপিয়ান দেশ যেতে পারে
BELARUS :- 
# BELARUS একটি ইউরোপিয়ান দেশ এর পাশের দেশ গুলো Poland, Lithuania, Latvia, Russia
# প্রতিটা ছাত্রের জন্য রয়েছে University কর্তৃক University Hostel পুরো ১ বছরের Accommodation এর সুব্যবস্থা।
# আবেদন করার পর মাত্র ৩০ দিনের মাঝেই ভিসা পেয়ে যাবেন।
# এখনও এ IELTS এর কোনো দরকার নাই
# আপনাকে কোনো Visa Interview সম্মুখ্খীন হতে হবে না অতএব ভিসা নিশ্চিত 
# যারা খুব Recently Poland এবং Russia থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে Refuse হয়েছেন তাদের জন্য Belarus যাওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত
# Study gap গ্রহণযোগ্য 

আমেরিকান স্টুডেন্ট ভিসা রিজেকশন যেভাবে এড়ানো যেতে পারে


US স্টুডেন্ট ভিসা- কেন ভিসা deny হয়, আর visa denial এড়াবেন যেভাবেঃ

সবার-ই একটা কমন প্রশ্ন থাকে যে আমি এত কষ্ট করে GRE, TOEFL, IELTS  দিয়ে I-20 নিয়ে আসার পর যদি আমেরিকান এম্বাসি আমাকে ভিসা রিজেক্ট করে দেয়, তাহলে কি হবে? সব কষ্ট-ই তো মাটি হয়ে যাবে?
আজ ভিসা রিজেকশান (আমেরিকান এম্বাসির ভাষায় ভিসা ডেনাইয়াল) এর আদ্যোপান্ত বলব।
আমি আমেরিকান সেন্টারের অডিটোরিয়ামে বেশ কয়েকটি ভিসা সেমিনারে ভিসা এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করেছি। সেমিনারে আমার সাথে আরো ছিলেনঃ
উইলিয়াম হ্যামাকার (ডাক নাম Bill) – Chief visa officer, U.S. Embassy in Dhaka.
রায়ান ব্রাডেন - Cultural Affairs Officer for Education & Exchanges, U.S. Embassy in Dhaka

সেমিনারে বিলের সাথে আর রায়ানের সাথে কথা বলে একটা তথ্য আমি সবাইকে শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে বলব যে আমেরিকান এম্বাসি সব-সময় চায় মেধাবি ছাত্ররা আমেরিকাতে পডতে আসুক।
তারা কখনো-ই এই রকম মনে করে না যে “আজকে যে-ই আসুক আমি তার ভিসা রিজেক্ট করে দিবো” কিংবা “আজ এই নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি স্টুডেন্টকে আমি ভিসা দিবো না”। বিশেষ করে বর্তমানে ভিসা অফিসাররা ভিসা দিতে খুব-ই আগ্রহী।

ভিসা ইন্টারভিউর সময় ভিসা অফিসাররা সব সময় তিনটা তথ্যের নিশ্চয়তা চায়।
1) Must be a bonafide student
2) Must be able to show the fund for his education
3) Must have an intention to back in his home country.

যাইহোক আজ আমি বলব আসলে ওই সেমিনারে আমি এবং অন্যরা আসলে কি বলেন। সেমিনারে যা বলা হয়ঃ-
আমেরিকান স্টুডেন্ট ভিসা কি?
স্টুডেন্ট ভিসা দ্বারা আপনি কি কি করতে পারবেন?
কিভাবে স্টুডেন্ট ভিসার জন্যে অ্যাপ্লাই করবেন?
কি কি কারনে স্টুডেন্ট ভিসা ডিনাই হতে পারে?
কিভাবে আপনি স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়া থেকে সতর্ক থাকবেন?


আমেরিকান স্টুডেন্ট ভিসা কি?

মার্কিন যুক্তরাষ্টের ছাত্র ভিসা কে F-1 Visa বলে। আমেরিকায় আপনি পডালেখা করতে যেতে চাইলে আপনারF-1 Visa থাকতে হবে। F-1 Visa হচ্ছে Non Immigrant Visa, যার অর্থ “the person applying for it has no intent to immigrate to the United States and it is the person’s responsibility to prove this towards the visa officer”

আমেরিকান আইন অনুসারে F-1 Visa দ্বারা স্টুডেন্ট কি কি করতে পারবেন?
1. Students can study and work in the university they have got I-20 For.
2. Students can work on campus in the University for the prescribed number of hours
3. Students can take internship work on CPT/OPT.
4. Students can utilize scholarships awarded to them.
5. Students can bring in their spouse and kids to USA.
6. Students can invite their Parents to USA.




Students attend the visa seminar and hear about the visa process from w. Hammaker.

যে সব কারনে US F1 visa deny হতে পারেঃ

ভিসা ইস্যু করা অথবা না করার বিভিন্ন আবেদনকারীর জন্যে বিভিন্ন হয়। তারপরেও প্রতিটি ভিসা অফিসারেরআবশ্যক কিছু অনুসন্ধান তালিকা রয়েছে। যদি তা পূরণ হয় তাহলে তিনি ভিসা ইস্যু করবেন তাছাডা নয়। উদাহরনস্বরুপ, কোন আবেদনকারী পডা লেখা শেষ করে কেন বাংলাদেশে ফিরে আসবেন এই প্রশ্নের উত্তরে যদি কোন বাস্তব সম্মত উত্তর না দিয়ে যদি শুধু ভারি কিছু শব্দ ব্যাবহার অথাবা গতানুগতিক কথা বলেন তাহলে ভিসা অফিসার খুব সহজে ভিসা দিতে সম্মত হবেন না।

For instance, take the requirement of showing that you will return to Bangladesh. If you provide unambiguous pragmatic evidence pointing to reasons for return, he will have no reason not to grant a visa. US Visa Official Quote: "Give a rational, objective reason that even a banker would believe". If, on the other hand, you only play with words and have nothing substantial to show, it looks like a subjective decision, since it is based upon subjective evidence.

প্রয়জনীয় কাগজ বা নথি শুধু আপনার আংশিক কাজ সম্পন্ন করবে, আবেদনকারী কি বলেন আর কিভাবে বলেন তা বেশ গুরুত্বপুর্ন এবং আপনার ভিসা প্রাপ্তিতে পূর্ন সহায়তা করবে।

US Embassy Visa officials know that documents in Bangladesh can be easily forged. So what is on paper is not enough. What you say, how you say it, matters a lot. Sometimes it can even make up for inadequate documentation. US Visa Official Quote: "Some people complain that we did not see their documents. Remember, if we go through your documents when you are standing there, then that is a negative sign. It means we don't believe you and are checking the documents for proof or for grounds to reject you. So not seeing your documents in front of you is a good thing for you."

1. আবেদনকারীর যদি প্রয়জনীয় Test Score (যেমন GRE, TOEFL, IELTS, SAT) না থাকে কিংবা Test Score এরফলাফল সন্তোষজনক না হয় তাহলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
2. আবেদনকারী যে সত্যি-ই আমেরিকা তে পডা-লেখা করতে যাচ্ছেন, এই সম্পর্কে ভিসা অফিসারের মনে কোন সন্দেহের উদ্রেক হলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
3. আবেদনকারীর যদি টিউশান ফিস, থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য ব্যায়ভার বহনে যথাযথ আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
4. আবেদনকারী তার শিক্ষা কাল শেষ করার পর যদি নিজ দেশে ফিরে আসার সম্ভবনা না থাকে, কিংবা ভিসা অফিসারের কাছে যদি মনে হয় যে তিনি আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার জন্যে যাচ্ছেন তাহলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
5. আবেদনকারীর নিজ দেশে দৃঢ পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক বন্ধন , ( Strong Family, Social, Economic ties) না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
6. ভিসা অফিসারকে কোন অসত্য তথ্য প্রদান করলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
7. DS-160 ফর্মে (ভিসা আপয়েন্টমেন্ট নেয়ার পুর্বে পুরনকৃত ফর্ম) কোন প্রকার অসত্য কিংবা ভুল তথ্য প্রদান করলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
8. আবেদনকারী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন তার কোন প্রকার আক্রেডিয়াশান না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
9. আবেদনকারী যে বিষয়ে শিক্ষা গ্রহন করতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে কিংবা তার প্রয়োগ ক্ষেত্র সম্পর্কে আবেদনকারীর যথা-যথা ধারনা না থাকলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
10. আবেদনকারীর পুর্ববর্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সন্তোষজনক না হলে ভিসা আবেদন বাতিলেরসম্ভাবনা থাকে।
11. আবেদনকারী পোষাক-পরিচ্ছদ মার্জিত না হলে ভিসা আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।
12. অধিকাংশ ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার কারন Section 221(g) of US Immigration and Nationality Act. যার মুল কারন হচ্ছে কোন প্রয়জনীয় নথি অনুপস্থিত অথবা দূতাবাসের কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রয়োজন হয়েছে।
13. আবেদনকারী যদি Section 214(b) of US Immigration and Nationality Act অনুযায়ী প্রত্যাখ্যাতহয়, তার কারন এই যে, তিনি কনস্যুলার অফিসারকে তার পর্যাপ্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিবারিক, সামাজিক,এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি।


যে ভাবে F1 visa denial এড়ানো যাবেঃ


1. ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় প্রয়জনীয় সকল প্রকার কাগজ-পত্র প্রদান করবেন
2. আবেদনকারী প্রয়জনীয় Test Score (যেমন GRE, TOEFL, IELTS, SAT) এর ফলাফল পত্র ভিসা অফিসারকে দেখাবেন।
3. আবেদনকারী যে সত্যি-ই আমেরিকা তে পডা-লেখা করতে যাচ্ছেন, এই সম্পর্কে ভিসা অফিসারের সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান করবেন।
4. আবেদনকারী তার টিউশান ফিস, থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য ব্যায়ভার বহনে যথাযথ আর্থিক সক্ষমতার প্রমান প্রদানে প্রয়জনীয় কাগজ-পত্র প্রদান করবেন।
5. মার্কিন যুক্তরাষ্টে অর্জিত ডিগ্রী আবেদনকারীর কিভাবে ভবিষ্যত গঠনে ভুমিকা রাখবে তা সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকতে হবে।
6. আবেদনকারী তার শিক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর দেশে ফিরে কি করবেন এবং নিজ দেশে আবেদনকারীর দৃঢ পারিবারিক বন্ধন, আর্থিক বন্ধন, সামাজিক বন্ধন সম্পর্কে ভিসা অফিসার কে অবহিত করবেন।
7. ভিসা সাক্ষাৎকারের সময়ে এবং সকল আবেদনপত্রে সত্য এবং সঠিক তথ্য প্রদান করবেন
8. আবেদনকারী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয় সম্মপর্কে সম্যক ধারনা থাকা আবশ্যক।
9. আবেদনকারী যে বিষয়ে শিক্ষা গ্রহন করতে যাচ্ছেন সে বিষয়ের প্রয়োগ ক্ষেত্র এবং নিজ দেশে সেই অর্জিত শিক্ষার প্রয়োগ সম্পর্কে যথাযথ ধারনা রাখবেন।
10. ভিসা অফিসার কি বলছেন তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তার কোন প্রশ্ন না বুঝলে তাকে পুনরায় বলার জন্যে অনুরোধ করুন।
11. ভিসা অফিসারের সাথে সর্বদা সত্য কথা বলুন, মনে রাখবেন অসত্য তথ্য কিংবা প্রতারনা আপনাকে মার্কিন ভিসা থেকে চিরতরে বাতিল করে দিতে পারে।
12. অবশ্য-ই মার্জিত এবং ফরমাল ড্রেস পরবেন (মহিলা আবেদনকারীর ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত জাকজমক পরিহার করা-ই শ্রেয়)
13. ভিসা অফিসারের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন এবং সর্বদা আত্নবিশ্বাসী থাকুন।

ভিসার জন্য নিজে নিজে পেপার প্রসেস করা, আমেরিকান আত্মীয় স্বজন দ্বারা টাকা পাঠানো খুবই খারাপ এবং এতে আপনার ভিসা পাবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। যোগ্য এজেন্টের সাহায্য নিন। নামকরা বড় বড় এজেন্টের কাছে কম যান।

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক ক্রোয়েশিয়ার ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক কানাডা ভিসা
নিরাপত্তাজনিত কারনে কিছু তথ্য ঢেকে দেয়া হয়েছে।

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

গত সেমিস্টারের কানাডা ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা-২

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিক জব ভিসা -৩

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৪

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৫

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের চেক রিপাবলিকের জব ভিসা -৬

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কপি

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক গ্রীসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

আমাদের গ্রীস জব ভিসা -৩

জার্মানীর ভিসা

জার্মানীর ভিসা

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

....

ভিসা ক্লাব মেম্বারশিপ ফর্ম মোবাইল ভার্সন

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে নিচের কোডটি স্ক্যান করে পেমেন্ট করুন।

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

আমাদের মূল সাইট থেকে ভিসা আবেদন করতে নিচের QR কোডটি স্ক্যান করুন

Communication

-----------আমাদের সম্পর্কে----------


আমরা কোন এজেন্সি নই।আমরা ৪৫টি স্বয়ংসম্পুর্ন আলাদা আলাদা এজেন্সি নিয়ে গঠিত একটি এসোসিয়েশন।আমরা যেকোন দেশের ভিসার জন্য আপনাকে সহায়তা করি সদস্য এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে কিন্তু আমরা কোন পারিশ্রমিক নেইনা কারন আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পান এবং কোন ধরনের প্রতারনা ছাড়াই বিদেশ যেন গমন করতে পারেন। আপনারা আমাদের মাধ্যমে আবেদন করলে এটুকু বলতে পারি কোন ধরনের প্রতারনায় পড়বেননা। আমরা আপনাকে বলে দেবো আপনার নির্দিষ্ট দেশে গমনের প্রয়োজনে কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করবেন। এই ব্লগে মোট ৩৪৪ টি পোস্ট আছে। প্রতিটি পোস্টই অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু প্রথম পাতায় মাত্র ১৬টি পোস্ট দেখাবে। নিচের সর্বশেষ পোস্টের নিচে দেখুন সবুজ Older Post বাটন রয়েছে। এটিতে ক্লিক করুন, পূর্ববর্তী পোস্টগুলো দেখাবে। অথবা পাশের ‘বিদেশ ফোল্ডারসমূহ’ কলাম থেকে ক্লিক করে আপনার পছন্দনীয় দেশের ব্যপারে জানুন । পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ব্যপারে এখানে রয়েছে অতি গুরুত্বপূর্ন তথ্য যা আপনার কাজে লাগবেই। ধন্যবাদ।

কানাডা স্কুলিং ভিসা

CROATIA JOB VISA

আলবেনিয়া জব ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন))

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)

মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা (বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন)


এই ব্লগের পোস্ট সার্চ করুন



এই পেজটি দেখা হয়েছে সর্বমোট

-----------------------------------------------

আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার

/----কানাডা স্কুলিং ভিসা----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফার হলো----কানাডা স্কুলিং ভিসা। কয়েকটি কারনে এ ভিসা অনন্য। ১। ৫-১৭ বছর বয়সী যে কোন স্কুলের ছাত্র ছাত্রী কানাডায় পড়তে যেতে পারবে। ২ নিশ্চিত ভিসা। ৩। কম সময়ে ভিসা। ৪। বাবা, মা ও ভাই বোন সাথে যেতে পারবে। ৫। কানাডাতে গার্ডিয়ান কাজ করতে পারবে ৬। তিন লাখ টাকায় ফ্যামিলি ভিসা

আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার

/----সার্বিয়া জব ভিসা ----\ বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ছাত্র ছাত্রীদের ফোন, সেবাগ্রহীতাদের পছন্দ ও অন্যান্য সুত্র বিবেচনায় বর্তমানে আমাদের দ্বিতীয় জনপ্রিয় অফার হলো----সার্বিয়া জব ভিসা কয়েকটি কারনে এ ভিসা দ্বিতীয় জনপ্রিয়। ১। উন্নত দেশ। ২। ফুলটাইম জব করা যায়। ৩। ভিসা পেতে ঝামেলা নেই। ৪। ফুল কন্ট্রাক্ট ভিসা। ৫। ভিসার আগে কোন টাকা প্রদানের প্রয়োজন নেই। ৬। এ্যামবাসি ফেস করার দরকার নেই।

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন

অনলাইনে ইংরেজী SPOKEN ENGLISH IELTS শিখুন CALL 01772369451

গত ৭ দিনের জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বিদেশ ফোল্ডারসমূহ

All materials are copyrighted by VISAS4U. Powered by Blogger.

Followers

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড এস্তোনিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড আমেরিকা

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড ইউকে

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

আমাদের ভিসা রেকর্ড মালয়শিয়া

এই সাইটটি কপি পেস্ট মুক্ত। HTML এডিটিং এর মাধ্যমে এর টেক্সট কপি করা ব্লক করা হয়েছে।

IELTS সম্পর্কে জানুন

Menu :

.

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

আমাদের সাম্প্রতিক চেক রিপাবলিক জব ভিসা

Contact Us

Name

Email *

Message *

Blog Archive

Label Cloud

Popular Posts

Sample Text

Facebook

Labels